মঙ্গলবার, ৩ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৭:২৮ এম
যারা দীর্ঘদিন ধরে চ্যাটজিপিটি বা অন্য যেকোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সহকারীর সঙ্গে কাজ করে আসছেন, তাদের জন্য একটি বড় উদ্বেগ ছিল—যদি নতুন এআইয়ে চলে যায়, তাহলে পূর্ববর্তী সব কথোপকথন হারিয়ে যাবে। এই উদ্বেগ দূর করতেই গুগল নতুন একটি সুবিধা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে যাচ্ছে। তাদের এআই সহকারী জেমিনিতে শীঘ্রই অন্য এআই প্ল্যাটফর্মের চ্যাট ইতিহাস স্থানান্তরের সুযোগ পেতে পারে ব্যবহারকারীরা।
প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গুগল বর্তমানে 'ইমপোর্ট এআই চ্যাটস' নামে একটি ফিচার পরীক্ষা করছে। এই সুবিধা ব্যবহার করে, ব্যবহারকারীরা চ্যাটজিপিটি, ক্লড )(C অথবা মাইক্রোসফট কোপাইলট-এ পূর্বে করা কথোপকথন জেমিনিতে নিয়ে যেতে পারবেন। ফলে নতুন করে সব কিছু বুঝিয়ে দিতে হবে না।
এই পরীক্ষামূলক সংস্করণে দেখা গেছে, জেমিনি-র মূল ইন্টারফেসে থাকা প্লাস (+) চিহ্নে ক্লিক করলে এই অপশনটি পাওয়া যাচ্ছে। প্রথমে অন্য এআই সেবায় থেকে ব্যবহারকারীকে নিজের চ্যাট ইতিহাস ডাউনলোড করতে হবে। এরপর সেই ফাইল জেমিনিতে আপলোড করা যাবে। এই প্রক্রিয়া এভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে ব্যবহারকারী পুরোনো আলোচনাগুলো নতুন জায়গায় সহজেই পরিচালনা করতে পারে।
তবে, এই সুবিধাটি এখন সার্বজনীন হয়নি। প্রযুক্তিবিষয়ক ম্যাগাজিন পিসিম্যাগ জানিয়েছে, একাধিক অ্যাকাউন্টে পরীক্ষা করেও তারা এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেনি। এটি নির্দেশ করে যে বর্তমানে সীমিতভাবে পরীক্ষা চলমান। গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি, কবে এটিকে সবার জন্য চালু করা হবে।
বর্তমানে এই ফিচারের মাধ্যমে শুধুমাত্র পূর্বের কথোপকথনই আমদানি করা যাবে। ব্যবহারকারীর সংরক্ষিত স্মৃতি বা ব্যক্তিগত সেটিংস স্থানান্তরিত হবে না। কোন ধরনের ফাইল আপলোড করা যাবে এই বিষয়ে গুগলেও নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়নি।
চ্যাট আমদানির সময় একটি সতর্কবার্তা ব্যবহারের জন্য দেখানো হচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে, আপলোড করা তথ্য জেমিনি অ্যাক্টিভিটি-তে সংরক্ষিত হবে এবং গুগলের সেবা উন্নত করতে এটি ব্যবহার করা হতে পারে। এমনকি এসব তথ্য দ্বারা জেনারেটিভ এআই-কে প্রশিক্ষিত করারও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে যদি পুরোনো চ্যাটে ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য থাকে।
চ্যাট আমদানির পাশাপাশি, জেমিনিতে আরও নতুন সুবিধাগুলো পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে উন্নত মানের ছবি ডাউনলোডের সুযোগও রয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে 2K এবং 4K রেজল্যুশনের ছবির অপশন দেখা গেছে, যেখানে 4K মানটিকে প্রিন্টের জন্য সর্বোত্তম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া 'লাইকনেস ' নামে একটি ফিচারও পরীক্ষাধীন রয়েছে, যা বোঝাতে সাহায্য করবে একটি ভিডিও গুগলের এআই দ্বারা তৈরি কিনা। ভবিষ্যতে এই সুবিধা নিয়ে কেউ অনুমতি ছাড়া নিজের মুখ বা কণ্ঠস্বর ব্যবহৃত হয়েছে কিনা শনাক্ত করতে পারবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গুগল যদি এই ফিচার সফলভাবে চালু করতে পারে, তাহলে এআই ব্যবহারের জগতের একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে। কারণ এতদিন এক এআই থেকে অন্য এআইয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় বাধা ছিল পুরোনো তথ্য হারানোর ভয়। এই বাধা দূর হলে ব্যবহারকারীরা নতুন এআই ব্যবহারে আকৃষ্ট হবেন।
এখনো এই ফিচারের সাধারণ পথে উপলব্ধির নির্দিষ্ট সময় হয়নি। তবে জেমিনি-র ইন্টারফেসে পরীক্ষামূলকভাবে এটি দেখা যাওয়ায় বোঝা যাচ্ছে যে, খুব তারাতারি এটি উন্মুক্ত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ৪০৪ জন সাবেক মন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চাপ বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি গাজা, পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি রোধে ইইউর কাছে দৃঢ় এবং ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এই তথ্য জানা গেছে আনাদোলু এজেন্সির সূত্রে।
সোমবার প্রকাশিত মুদ্রিত এক যৌথ বিবৃতিতে ৪০৪ সাবেক কর্মকর্তা স্বাক্ষর করে ইইউ ও এর সদস্যদের ওপর থেকে কেবল নিন্দামূলক বিবৃতি নয়, বরং বাস্তব এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উপর জোর দেন। তাদের প্রস্তাবিত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ইইউ-ইসরায়েল অ্যাসোসিয়েশন চুক্তি স্থগিত করা এবং ইসরায়েলে সব ধরনের সামরিক সহায়তা বন্ধ করার কথা।
বিবৃতিতে তারা বলছেন, ইইউর প্রতিষ্ঠাকালীন নীতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি দৃঢ় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করাটা সময়ের শান্তি এবং কল্যাণের জন্য.union-এর সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।
স্বাক্ষরকারীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, একটি আন্তর্জাতিক শান্তি উদ্যোগ শুরু হওয়ার পরও গাজায় মানবিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে। তারা চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযান, মানবিক সহায়তা প্রদান বাধাগ্রস্ত করা, এবং বেসামরিক মানুষ ও ত্রাণকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
তারা মানবিক প্রবেশাধিকারে ইসরায়েলের কার্যকর নিষেধাজ্ঞারও নিন্দা জানিয়ে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুরোপুরি এবং স্থায়ীভাবে খোলার আহ্বান জানাচ্ছেন। এছাড়া ত্রাণ সরবরাহ থামানোর জন্য তথাকথিত “ডুয়াল-ইউজ” নীতির অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি তুলে ধরেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নানা নাটকীয়তার পর, পাকিস্তান জানিয়েছে যে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। তবে, ভারতের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচটি তারা বয়কট করেছে পিসিবি। এই সিদ্ধান্তকে 'নাটক' মন্তব্য করেছেন ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার হরভজন সিং।
পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বর্জন নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে হরভজন বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশির পাশে থাকার অভিনয় করছে। তিনি উল্লেখ করেন, 'এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানের আসলে কী লাভ হবে? এটি পুরোপুরি নাটকীয়তা। যদি তারা সত্যিই সাহসী হয়, তবে তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হবে। দেখা যাক, তাদের আসল সাহস কতটা।'
হরভজন আরো অভিযোগ করেন যে, এই সিদ্ধান্ত সাধারণ জনতাকে বিভ্রান্ত করতে নেয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, 'নিজেদের দেশের সমর্থকদের কথা কি তারা ভেবে দেখেছে, যারা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে চায়?'
অন্যদিকে, আইসিসি বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি গ্রহণ করেনি। এর ফলে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বর্জন করে এবং তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেয়। এই সময়ে কেবল পাকিস্তানই বাংলাদেশের পাশে ছিল। হরভজন প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে পাকিস্তান কেন নিজেদের জড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, 'আগে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তারা এশিয়া কাপে খেলেছে, কারণ রাজস্ব হারাতে চায়নি। তখন দেশপ্রেম কোথায় ছিল?'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা। গত সোমবার দুই দফায় একত্রে ১২ হাজার ১৪ টাকা দাম কমিয়ে এই নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর ফলে গত চার দিনে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি কমেছে ৪০ হাজার ২৪১ টাকা। উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় দর উঠেছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামার কারণে জুয়েলার্স মালিকদের সমিতি বারবার দাম পরিবর্তন করছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম অব্যাহতভাবে কমতে থাকায় গতকাল সকাল ১১টায় প্রথম দফায় আগের দিনের তুলনায় ২২ ক্যারেট মানের প্রতিভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা দাম কমানো হয়, যা ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরে বিকেলের দিকে ৪টায় আরও ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমানো হয়। ২১ ক্যারেট এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দামও ভরিপ্রতি কমেছে। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে।
এদিকে, এই প্রতিবেদন লেখার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম পতন অব্যাহত ছিল। গত ২৯ জানুয়ারি বিশ্বের বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৬০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে গতকাল রাত পৌনে ৯টার মধ্যে তা ৪ হাজার ৭৫১ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল, যদিও মাঝে এটি ৪ হাজার ৪০২ ডলারে নেমে গিয়েছিল। বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ার পর কয়েকদিন ধরে সেখান থেকে কমছে, যা বাংলাদেশের বাজারেও প্রকাশ পাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়ে বর্তমানে নিম্নতম স্তরে দাঁড়িয়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ১০ শতাংশে থমকে গেছে। এর আগে, সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধির যে রেকর্ড ছিল তা ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, যা গত বছরের অক্টোবরে রেকর্ড করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশ কমে গেছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ফলে সুদের হার বৃদ্ধিকে এই হ্রাসের একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। নির্বাচনের জন্য প্রতীক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অন্যান্য কারণে বেসরকারি বিনিয়োগে শ্লথতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
নিয়মিত সুদহার কমিয়ে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার দাবি থাকলেও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বর্তমানে এতে সাড়া দিতে রাজি নয়। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য মুদ্রানীতির ঘোষণা এখনও হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ছয় মাসে আগে থেকেই মুদ্রানীতির কার্যপন্থা প্রকাশ করে থাকে। পূর্বে, প্রতি অর্ধবার্ষিকীর প্রথম মাসে মুদ্রানীতি ঘোষণা করার প্রথা ছিল। বর্তমানে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য এর সম্ভাব্য তারিখ ছিল ২৯ জানুয়ারি, পরে তা ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। সম্প্রতি জানা গেছে, এটি আগামী সপ্তাহে ঘোষণা হবে। সরকারি মহলে নীতি সুদহার কমানোর আলোচনা চলছে, যেখানে তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টিও রয়েছে। গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে না আসা পর্যন্ত নীতি সুদহার ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বরে বেসরকারি খাতের ঋণের মোট স্থিতি ছিল ১৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। এই সময়ে সুদসহ স্থিতি বেড়ে হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ১০ শতাংশ। আগের মাসের নভেম্বরে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। গত মুদ্রানীতিতে ডিসেম্বর অবধি বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় গত দুই দশকের বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির তথ্য। এত কম প্রবৃদ্ধি এটির ইতিহাসে দেখা যায়নি। ২০২০ সালের করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৭ শতাংশের ওপরে ছিল। পরে তা দুই অঙ্কে পৌঁছেছিল। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো ঋণের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে নেমে যায়, যেখানে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। এরপর থেকে প্রবৃদ্ধি আরও কমে আসছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে, সার্বিকভাবে বর্তমানে ঋণের চাহিদা কমে গেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো, নির্বাচনের পূর্বে অধিকাংশ মানুষ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকার করেছেন, যা জনস্বাভাবিক হিসেবে গন্য হচ্ছে। তাছাড়া, ইতোমধ্যেই গত সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে অনেক ব্যবসায়ী পলাতক আছেন এবং কেউ কেউ জেলে। তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে না। অধিকাংশ বড় ঋণগ্রহীতার মধ্যে যারা আগেও বেশি ঋণ নিতে সক্ষম ছিলেন, তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংকটসহ অন্যান্য কারণে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ হচ্ছে না, ফলস্বরূপ ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ