বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ পি.এম
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে ওঠেছে কারাকাস। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পথে নেমে আসে মাদুরোর সমর্থকরা।
মার্কিন সামরিক অভিযানের অবৈধতার এক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরেও, মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির ব্যাপারে সমর্থকরা আশাবাদী হতে পারছেন না। তদুপরি, তারা মঙ্গলবার আবারও কারাকাসের রাস্তায় নেমে পড়ে মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টির (পিএসইউভি) নেতা-কর্মী এবং বলিভারিয়ান মিলিশিয়ার সদস্যরা। মিছিলে মাদুরোকে সুপারহিরো চরিত্র ‘সুপার বিগোটে’ হিসেবে উপস্থাপন করা বিভিন্ন প্রতীক, খেলনা ও পোস্টার নজর কাড়ে।
এ সময়, মাদুরোর ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
একই দিনে, মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে তার ফোনালাপ ইতিবাচকভাবে হয়েছে।
রদ্রিগেজ বলেন, মতভिन्नতা থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজের জন্য একটি এজেন্ডা তৈরি করা সম্ভব। তার সাথে ছিলেন জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া এক চুক্তির অধীনে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে প্রথম পর্যায়ে ৫০ কোটি ডলার তেল বিক্রির অর্থ ফেরত দিচ্ছে। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে এই তেল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া, মার্কিন তরলীকরণ পদার্থ ভেনেজুয়েলায় রফতানির বিষয়েও প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে, যা কার্যকর হলে ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে।
এতে করাকাস অপরিশোধিত তেল রফতানির জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ক্রয়ের সুযোগ পাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে কারাকাসে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাজপথে সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন মাদুরোর সমর্থকরা।
মার্কিন সামরিক অভিযানের অবৈধতা প্রসঙ্গে এক মাস অতিক্রম হয়েছে। তবে মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির বিষয়টি সম্পর্কে সমর্থকরা আশাবাদী নন। তবুও এই দাবির সমর্থনে মঙ্গলবার অনেকে রাস্তায় নেমে এসেছেন।
সমাবেশে ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টি (পিএসইউভি) এবং বলিভারিয়ান মিলিশিয়ার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে দেখা যায়, মাদুরোকে ‘সুপার বিগোটে’ সুপারহিরো চরিত্রে উপস্থাপন করা প্রতীক, খেলনা ও পোস্টার।
এসময়, মাদুরোর ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
একইদিনে মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠককে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন।
রদ্রিগেজ আরও বলেন, মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজের এজেন্ডা নির্ধারণ সম্ভব। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো। তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সিরিজ চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে প্রথম ধাপে ৫০ কোটি ডলার তেল বিক্রির অর্থ ফিরিয়ে দেয়। গত মাসে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া, মার্কিন তরলীকরণ পদার্থ ভেনেজুয়েলায় রফতানির প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়েছে, যা কার্যকর হলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে।
এতে অপরিশোধিত তেল রফতানিতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ওয়াশিংটন থেকে কিনতে পারবে কারাকাস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পদ্মা সেতুর টোল থেকে সংগৃহীত বিশাল অর্থ এবং প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের স্বচ্ছতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আমজনতার দলের সাধন ও ঢাকা-১২ আসনের এমপি প্রার্থী মো. তারেক রহমান তার ফেসবুক পোস্টে এই প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, পদ্মা সেতুর জন্য প্রতি বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা হারে ৩৫ বছরে ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমানে এই প্রক্রিয়া কি থমকে আছে, সেই নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ২৭ জুন প্রকল্পের ৭ম ও ৮ম কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন কোনো কিস্তি পরিশোধ হয়েছে কিনা, সে সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য বা সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে না। তথ্যানুসন্ধান থেকে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে পদ্মা সেতু দিয়ে প্রায় ৬৯ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৪টি যানবাহন চলাচল করেছে। এই সময়ে সেতু থেকে মোট টোল আদায় হয়েছে ৮৬৮ কোটি ৮৭ লাখ ২ হাজার ৫৫০ টাকা।
তারেক রহমান নিজের পোস্টে প্রশ্ন করেছেন, এই বিশাল টোলের অর্থ কোথায় গেল এবং কেন কিস্তি পরিশোধের বিষয়ে কোনো আপডেট পাওয়া যাচ্ছে না।
এছাড়া তিনি সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক অনুদান, সরকারি কর্মচারীদের দুটি দিনের বেতন এবং টিএসসিতে সমন্বয়কদের সংগৃহীত অর্থের সঠিক বণ্টন এবং সময়মতো ফেনী ও নোয়াখালীবাসীর হাতে পৌঁছানোর বিষয়টিও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি এসব অর্থের সুষ্ঠু বণ্টন এবং তদারকির দিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
অন্যদিকে তার পোস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিদেশ যাত্রার প্রস্তুতির মধ্যে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, উন্নত দেশের ভিসা পাওয়ার সুবিধার্থে উপদেষ্টারা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট বদলিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ করছেন। আকস্মিকভাবে উপদেষ্টাদের সাধারণ পাসপোর্ট নেওয়ার এই তৎপরতা এবং দেশ ছাড়ার জল্পনা কেন তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী সফরের অংশ হিসেবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন দলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতালের চিকিৎসক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা আয়োজন করেন তিনি।
ডা. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, আমরা এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রত্যাশা করছি, যেখানে সবার জন্য আধুনিক সেবা নিশ্চিত হবে। মা ও শিশুদের জন্য বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করে সম্পূর্ণ ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রতিটি পরিবারে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রতিটি নাগরিক নিজের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সহজেই জানতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ উন্নত চিকিৎসা ঢাকা কেন্দ্রীক—এই প্রবণতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। আমরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ নিশ্চিত করবো। সেখানে হৃদরোগ, ডায়ালাইসিস, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা ধাপে ধাপে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এরপর তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী ও রোগীর স্বজনদের মাঝে বিএনপির দেশগড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কিত তথ্যপত্র বিতরণ করেন। এ সময় তিনি দলের স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা, কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. খান মুহাম্মদ আরিফ, যুবদলের সাবেক সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. মিজান, ডা. সিফাতসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চিকিৎসক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিত শিশু মোহনার (১১) স্বাস্থ্য খবরাখবর নেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এই সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছ থেকে মোহনার শারীরিক অবস্থার তথ্য নেন।
আজ বুধবার সন্ধ্যায়, হাসপাতাল পরিদর্শন করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা চিকিৎসকদের কাছে মোহনার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। শিশুটির সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এর পাশাপাশি, তিনি মোহনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। এই পরিদর্শনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বিমানের এমডি ড. হুমায়রা সুলতানা, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন এবং হাসপাতালের পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলাম।
মোহনার উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আমাকে তোমার খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। তোমার আর ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমরা তোমার পাশে আছি।”
এই পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে মোহনার স্বাস্থ্যের অবস্থান জানার জন্য খোঁজ নেন। মোহনার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে জাতির জন্য লজ্জার বলে মনে করেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা জানায়, মোহনার চিকিৎসার খরচসহ তার সমস্ত দায়িত্ব সরকার বহন করবে।
বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “শিশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীরা ইহকাল ও পরকালে উপযুক্ত শাস্তি পাবে।” তিনি মোহনার বাবা মোস্তফাকে একটি চাকরি দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলেন।
এ বিষয়ে উল্লেখ করা প্রয়োজন, গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন এমডি ও সিইও সাফিকুর রহমানকে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গুরুতর অবস্থায় মোহনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ