বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ এম
ভিটামিন বি১২ নারীদের জন্য একটি অত্যাবশ্যক পুষ্টি উপাদান, যা হাড়ের স্বাস্থ্য এবং শক্তির মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি সামগ্রিক সুস্থতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এর অভাব একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা যা নারীদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। এই সমস্যাটি সাধারণত ক্লান্তি, চাপ এবং হরমোনের ওঠানামা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু অবহেলার কারণে বছরের পর বছর ধরে এর মতো সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা যায় না, যা ভবিষ্যতে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
ভিটামিন বি১২ এর দীর্ঘমেয়াদী অভাবে কেবল দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিই নয়, বরং রক্ত এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি এটি রূপশীলতার মতো শারীরিক সূচকগুলোর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বলা যায়, ভিটামিন বি১২ স্নায়ু কোষ এবং লোহিত রক্তকণিকা সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং ডিএনএ সংশ্লেষণের জন্য অসাধারণ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মানবদেহ নিজে ভিটামিন বি১২ তৈরি করতে পারে না, তাই এর একমাত্র উৎস হলো খাদ্য ও পানীয়।
সরবরাহকৃত পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ শরীরের জন্য অক্সিজেন পরিবহন, স্পষ্টভাবে চিন্তা করা এবং কোষের ক্ষতি নিরাময়ে সাহায্য করে। যখন শরীরে ভিটামিন বি১২ এর মাত্রা কমে যায়, তখন দৈনন্দিন কার্যকলাপের ওপর যেমন বিভিন্ন প্রভাব পড়তে পারে।
নারীরা প্রধানত খাদ্যতালিকা, কিছু জৈবিক চাহিদা ও ভিটামিন শোষণে সমস্যা থাকার কারণে এই ভিটামিনের অভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। বিশেষ করে যারা প্রাণিজ খাদ্য খান না, কিংবা যারা নির্দিষ্ট চিকিৎসা গ্রহণ করছেন তাদের মধ্যে এই অভাবের ঝুঁকি বেশি।
ভিটামিন বি১২ এর অভাব বিভিন্ন শারীরিক এবং স্নায়বিক লক্ষণগুলো প্রকাশ করে। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, চুলের সমস্যা, ফ্যাকাশে ত্বক, স্নায়ুসংক্রান্ত সমস্যা এবং মনোযোগের অভাব। যদি এই অভাব উপেক্ষা করা হয়, তবে এটি মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায় পরিণত হতে পারে। সুতরাং, লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে নারীদের মধ্যে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা একটি খুব সাধারণ সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, ওজন বৃদ্ধি, অবসাদ, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ত্বকের সমস্যার মতো উপসর্গে অনেকেই ভুগছেন, তবে তাদের মূল কারণটি তারা বোঝেন না।
বিশেষত পিসিওডি (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিস-অর্ডার) আক্রান্ত নারীরা হরমোনের সমস্যার সঙ্গে অধিকভাবে মোকাবিলা করেন। অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও অনেকের সঠিক সমাধান জানা থাকে না। সম্প্রতি পিসিওডি এবং গাট–হেলথ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডা. রানি রোশনি হরমোনের ভারসাম্য ফিরে পেতে ৪টি কার্যকরী কৌশল শেয়ার করেছেন, যা নিম্নরূপ—
**ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ।**
ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে একটি গবেষণা নির্দেশ করে যে, পিসিওডি আক্রান্ত নারীদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এর জন্য ডাক্তার সাজেস্ট করেন যে, কার্বোহাইড্রেটের খাবারের আগে হালকা গরম পানিতে সামান্য আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করা।
খাওয়ার পরে ১০ মিনিট হাঁটা ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়া খাবার প্লেটে অর্ধেক অংশ সবজি, এক পাম-সাইজ প্রোটিন এবং এক মুঠো পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট রাখার কথা বলা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত তিনবার স্ট্রেংথ ট্রেনিং—যেমন পুশ-আপ, স্কোয়াট বা ভ weightlifting—করার অনুরোধ করা হয়েছে। আর কৃত্রিম চিনি ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট কমাতে হবে, তবে হঠাৎ করে পুরোপুরি বাদ দেওয়া ঠিক নয়।
**কর্টিসল নিয়ন্ত্রণ।**
কর্টিসল কমাতে ‘বক্স ব্রিদিং’ পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। ৪ সেকেন্ড শ্বাস নেওয়া, ৪ সেকেন্ড রাখা এবং ৪ সেকেন্ডে ছাড়ার কৌশল প্রয়োগ করলে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যায়। সকালের সময় অন্তত ৫ মিনিট রোদে থাকা কর্টিসলের মাত্রাকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে।
**মেলাটোনিন বৃদ্ধি।**
মেলাটোনিন আমাদের শরীরকে ঘুমের দিকে নিয়ে যায় এবং বিশ্রামের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু করে। গবেষণায় দেখা গেছে, পিসিওএস আক্রান্ত নারীদের শরীরে মেলাটোনিনের মাত্রা কম থাকে, যা ঘুমের সমস্যা, ক্লান্তি এবং মুড সুইংয়ের কারণ হতে পারে।
এটি সংশোধনের জন্য ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ রাখা উচিত। গরম হলুদ দুধ বা ক্যামোমাইল চা পান করলে শরীর ঘুমের সংকেত পেতে সহায়তা করে। আলো নিভিয়ে, ফোন দূরে রেখে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করলে ঘুমের গুণগত মান উন্নত হতে পারে।
**ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন।**
পিসিওএস আক্রান্ত নারীদের মধ্যে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়, যা অনিয়মিত মাসিক, মুখে অতিরিক্ত লোম, এবং বিপাকের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্সসিড দই কিংবা স্মুদির সঙ্গে খাবার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ। পেট ফাঁপা কমাতে ২-৩ লিটার পানিতে এক চিমটি পিঙ্ক সল্ট মিশিয়ে পান করতে পারেন। শক্তি বাড়াতে মন খারাপ বা দুর্বল লাগলে ২ মিনিট ওয়াল সিট বা স্কোয়াট উপকারী।
দীর্ঘমেয়াদে সিড সাইক্লিংয়ের পথে এগোনোর পরামর্শ রয়েছে। প্রথম ১৪ দিন ফ্ল্যাক্সসিড ও কুমড়ার বীজ, এবং পরবর্তী ১৪ দিন সূর্যমুখী এবং তিলের বীজ গ্রহণের মাধ্যমে প্রক্রিয়া করতে হবে। পাশাপাশি স্ট্রেংথ ট্রেনিং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে, প্লাস্টিকে খাবার গরম না করা এবং ধাতব পানির বোতল ব্যবহার করার নিদের্শনা দিচ্ছেন ডাক্তার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার মাখনা কোমলগোটা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী উপস্থিত হয়।
হাসপাতালে ভর্তি আহতদের মধ্যে জামায়াতের ৪ জন এবং বিএনপির একজন কর্মী রয়েছেন। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত জামায়াত কর্মীরা হলেন মো. হাসান (৩৮), জাহিদ হাসান (২৫), মো. মোস্তাফিজুর (৫৮) এবং রুস্তম আলী (৪০)। আহত বিএনপি কর্মীর নাম রাকিব হাসান (২০), যিনি গোপাই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের প্রার্থী আ স ম সায়েম নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ওই গ্রামে যান এবং সেখানে তার কর্মীদের জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। বিএনপি কর্মী সমর্থকরা তাদের খাবারের ভিডিও ধারণ করতে গেলে জামায়াতের কর্মীসতি সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়, যার ফলে অন্তত ১০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা আসল ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের ঘরবন্দি করে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে তাদের উদ্ধার করে।
আহত বিএনপি কর্মী রাকিব হাসান বলেন, “জামায়াতের কর্মীরা খাবারের আয়োজন করেছে। আমরা ভিডিও করতে গিয়ে বাধা পেয়ে হামলার শিকার হই।”
অন্যদিকে, আহত জামায়াত কর্মী হাসান প্রামাণিক বলেন, “গ্রামের কিছু ছেলে খাবারের আয়োজন নিয়ে ভিডিও ধারণ করে আমাদের আক্রমণ করে।”
নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম ঘটনা নিয়ে বলেন, “আমাদের প্রার্থীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছিল।”
এই ঘটনার ফলে নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু অভিযোগ করেন, জামায়াতের লোকজন হামলা করে তাদের সদস্যদের আহত করেছে এবং মোবাইল ভেঙেছে।
নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়ামুল হক জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লাইটার জাহাজ অবশ্যই ঘাটে পৌঁছানোর তিন দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করতে হবে। অন্যথায়, কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এমনটা জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়, যা মাদারভেসেল থেকে পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত লাইটার জাহাজের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হয়েছিল, সেখানেই এই ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, যেসব আমদানিকারক ও পণ্যের এজেন্ট নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস করছেন না, তাদের তালিকা প্রস্তুত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে উক্ত তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ এবং দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিলের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টা আরও বলেন, আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ায় পণ্য আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফলে জানুয়ারি মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যবাহী মাদার ভেসেলের আগমন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে পণ্যের দর বৃদ্ধি করার জন্য লাইটার জাহাজগুলোকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছে, যার ফলে মাদারভেসেল থেকে পণ্য খালাসের জন্য লাইটার জাহাজের সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। লাইটার জাহাজ সংকট নিরসনের জন্য নৌপরিবহন অধিদফতর ইতোমধ্যে তিনটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে।
এ টাস্কফোর্স নিয়মিত নারায়ণগঞ্জ, যশোর, নোয়াপাড়া এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এলাকায় মোবাইল কোর্টসহ অভিযান পরিচালনা করছে। টাস্কফোর্সের অভিযানের কারণে ইতোমধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর ফল হিসেবে বিআইডব্লিউটিসি থেকে বহিঃনোঙরে মোট ৭৩৫টি লাইটার ভেসেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, লাইটার জাহাজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত লাইটার ভেসেল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (অ্যাপ) চালু করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে জাহাজকে সার্বক্ষণিক ট্র্যাকিং করা সম্ভব হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী, ঢাকার বুড়িগঙ্গা, মুন্সিগঞ্জের মেঘনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এবং যশোরের নোয়াপাড়ার ভৈরব নদীতে এই টাস্কফোর্স নিয়মিত কঠোর অভিযান চালাচ্ছে।
অভিযানে টাস্কফোর্স মোট ৪৫৫টি লাইটার জাহাজ নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেছে। বহিঃনোঙরে খাদ্যপণ্য নিয়ে ৪০ দিনের বেশি অপেক্ষা করায় ১৩টি জাহাজকে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টাস্কফোর্সের অভিযান কঠোরভাবে চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিয়ারসিং, যা শরীরের একাধিক স্থানে সুচ দিয়ে ছেদন করা হয়, বর্তমানে বহু মানুষের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। শরীরের ছেদন করা অংশগুলোর অলঙ্করণ এখন ফ্যাশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ট্রেন্ডটি দেশী এবং বিদেশী চলচ্চিত্র তারকারা ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। ত্বক ছেদন প্রথাটি নতুন বলে মনে করা হলেও, ইতিহাস দেখায় যে, আফ্রিকার বিভিন্ন উপজাতিদের মধ্যে এই রীতি বহু যুগ ধরে প্রচলিত রয়েছে।
এটি বিশেষভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে আরও ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রাচীন গ্রামের আদিবাসীদের মধ্যে কান, নাক, ভ্রু তৈরির রীতি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে করা ছিদ্রালঙ্কার আপনার ব্যক্তিত্বের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
কর্ণ ছেদন: কানের লতিতে ছেদন একটি প্রাচীন রীতির অংশ। বাংলাদেশে শহর ও গ্রামের মেয়েরা সাধারণত দুই কানে ছেদ করান, যা একাধিক হতে পারে। কানের পিয়ারসিংয়ের কিছু স্বাস্থ্যের উপকারিতা রয়েছে, যেহেতু এটি মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
নাসিকা ছেদন: আমাদের দেশীয় রীতিতে সাধারণত নাকের এক পাশ ছেদ করা হয়, কিন্তু বর্তমানে উভয় পাশে এবং মাঝে ছেদ করার প্রথা, যা সেপটাম পিয়ারসিং নামে পরিচিত, তা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
নাভিকু গহনা: নাভিকে আরও আকর্ষণীয় করতে অনেকেই এটি বেছে নেন, যা শাড়ি বা লেহেঙ্গার সৌন্দর্যে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভ্রু সজ্জায় ছিদ্রালঙ্কার: পুরুষ ও মহিলা উভয়ই ভ্রুতে ছিদ্র দিয়েছেন যাতে চোখের সৌন্দর্য বাড়ে।
বহির্বিশ্বে, শরীরের অনেক অঙ্গে ছেদন করা যায়। আমাদের দেশে পার্লারগুলোতে সাশ্রয়ী দামে এখন অঙ্গ পিয়ারসিংয়ের কাজ হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো ছেদের আগে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা অপরিহার্য। কারণ অ্যালার্জি বা অন্য কোন অসুখের জন্য পরামর্শ নেয়া আবশ্যক।
এবং ছেদনস্থল থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর জন্য সতর্ক থাকতে হবে। ছিদ্র করার পর অন্তত আট-নয় মাস বিশেষ যত্ন নিতে হবে। অলঙ্কারের জন্য মরচে প্রতিরোধী প্লাটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। সঠিক সতর্কতা মেনে পিয়ারসিং করে গহনা পরে, আপনি নিজের সৌন্দর্যকে নতুনভাবে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ