সোমবার, ২ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৩:১৪ এম
ফেব্রুয়ারির মাসে আবারও তাপমাত্রা কমার সঙ্গে বজ্র এবং শিলাবৃষ্টি দেখা দিতে পারে এমন তথ্য দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া বার্তায় এ বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছে।
এ মাসে বঙ্গোপসাগর এলাকায় কোন নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা সংবিধান করা হয়নি।
পূর্বাভাস অনুসারে জানানো হয়েছে, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে দেশের উত্তর, পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া, এ মাসের প্রথমার্ধে দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য স্থানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
মাসের শেষের দিকে অন্তত দুই দিন দেশে কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার সম্পর্কে আরও তথ্য অনুযায়ী, তবে এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে এবং দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় বেশি থাকবে। এছাড়া, এ মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হবে বলেও আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে।
অন্যদিকে, চলতি ফেব্রুয়ারিতে দেশের প্রধান নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, যাদের চিন্তা ও বক্তব্য নারীদের প্রতি অসম্মানজনক, তাদের আমরা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে দেখতে চাই না। এই ধরণের ব্যক্তিদের আমরা চাই না।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন সড়কে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক ক্যাম্পাসে আজ আমাদের নারী শিক্ষার্থী প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল করেছে। এর পেছনে একটি নির্দিষ্ট কারণ বিদ্যমান। সংশ্লিষ্ট জোটের প্রধান নেতা ড. শফিক সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে আমাদের মা ও বোনদের সম্পর্কে অশালীন ও অবমাননাকর ভাষার ব্যবহার করেছে। সভ্য কোন সমাজ এই ধরনের বক্তব্য মেনে নিতে পারে না।
তিনি উল্লেখ করেছেন, এই ঘটনা স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ করে কেন নতুন প্রজন্মের তরুণরা ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যাদের চিন্তা ও ভাষা নারীদের প্রতি অসম্মানজনক, তাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে দেখতে চাই না। তাই আসন্ন নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি দায়িত্ব আমরা কখনোই উগ্রপন্থিদের হাতে তুলে দিতে পারি না। বাংলাদেশ একটি উদারপন্থি, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত – এই দেশের মানুষ বারবার নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য সংগ্রাম করেছে। এই ইতিহাসকে এত সহজে মুছে ফেলা যাবে না।
দেশ এখন সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। এই নির্বাচনে বিভিন্ন শক্তির উপস্থিতি নেই, শুধুমাত্র দুটি শক্তি বিদ্যমান। একটি হল উদারপন্থি গণতান্ত্রিক শক্তি, যার নেতৃত্ব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল হাতে এবং অন্যটি হল উগ্রপন্থি ডানপন্থি শক্তি, যার নেতৃত্বে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই উগ্রপন্থি শক্তির নেতারা ইতোমধ্যে পরিষ্কার করে বলেছেন, যদি আপনারা তাদেরকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন তাহলে আপনাদের ভোটের অধিকার নাও থাকতে পারে।
ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, আমাদের হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বী ভাই ও বোনদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কথা স্পষ্টভাবে ওই এলাকার জোট প্রার্থী মামুনুল হক বলেছেন। কিছু ভয় দেখিয়ে, কিছু হুমকির ভাষায় বাংলাদেশের মানুষের মনোবল ভাঙা সম্ভব নয়। প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী কর্মীরা এসব ভয়কে পরোয়ানা করেন না। প্রয়োজন হলে গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়ে থাকব। আগামীতে বাংলাদেশের স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে হবে। এবং এই মুহূর্তে সেই লক্ষ্য অর্জনের একমাত্র পথ ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেওয়া।
ববি হাজ্জাজ বলেন, আপনারা যদি ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তখন আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি – এই ওয়ার্ডে ভোটের দিনেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা। আমার ইশতেহারের অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার হল, প্রতি মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ওপেন মিটিং হবে। এই সভায় উপস্থিত থাকবেন সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তি- থানার কর্মকর্তা, ওয়াসা, বিদ্যুৎ, সিটি করপোরেশনসহ সকলেই। তারা সরাসরি ওয়ার্ডের জনগণের সামনে আসবেন।
তিনি আরও বলেন, আমি নিজেও ইনশাআল্লাহ প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনাদের মধ্যে উপস্থিত থাকব। শুধু উপস্থিত থাকব না, আপনাদের আমাকে প্রশ্ন করতে হবে, জবাব চাইতে হবে এবং জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, গণতন্ত্র মানে পাঁচ বছরে একবার ভোট দেওয়া নয় বরং গণতন্ত্র মানে সরকারেরকে সবসময় জনগণের কাছে জবাব দিতেও বাধ্য করা।
‘আপনারা যদি ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করেন, তবে প্রতি মাসে ন্যূনতম একবার আমাকে আপনাদের মাঝে উপস্থিত পাবেন। জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলাই কার্যত আমার রাজনৈতিক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হবে।’
ববি হাজ্জাজ গ্যাস সংকটের বিষয় উল্লেখ করে বলেন, এটি একটি গুরুতর জাতীয় সংকট। এর অন্যতম বড় কারণ হল গত ১৫-১৬ বছরে কোনো উল্লেখযোগ্য নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে যাওয়া হয়নি। রাজনৈতিক নানা কারণে হলেও সাধারণ মানুষ এখন এর ফল ভোগ করছে। আমাদের অবস্থান এ বিষয়ে অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ আগামী জাতীয়তাবাদী সরকার গঠিত হলে, যার নেতৃত্বে থাকবেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে যাব। এটি আমাদের প্রতিশ্রুতি।
তিনি জানিয়েছেন, এই এলাকার গ্যাস সংকট সমাধানের জন্য ইতিমধ্যে আমরা তিতাস কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছি। চোরাই গ্যাস লাইন বন্ধ করা, পাইপলাইনের লিকেজ ঠিক করা, প্রয়োজনীয়ভাবে পাইপ পরিবর্তনের কাজগুলো জোরদারভাবে বাস্তবায়ন করা হবে যদি আমরা সরকারি দায়িত্বে আসি। এই দায়িত্ব পালন করতে আপনাদের সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন।
‘আমরা ফুটপাথ এবং রাস্তা দখলমুক্ত করব। ফুটপাথ হবে পথচারীদের জন্য, দোকানের জন্য নয়। রাস্তা হবে মানুষের চলাচলের জন্য, অবৈধ দখলের জন্য নয়। তবে বর্তমান ব্যবসায়ীদের হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের জন্য ধাপে ধাপে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি আমরা এলাকার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করে কিছু রাস্তাকে নির্দিষ্ট সময়ে বা সাপ্তাহিকভাবে ‘মার্কেট স্ট্রিট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চিন্তাভাবনাও করছি – যেমনটা অনেক দেশে দেখা যায়। এতে ব্যবসাও চলবে এবং রাস্তা ও ফুটপাথও দখলমুক্ত থাকবে।’
ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের নেত্রী অ্যাডভোকেট রুনা লায়লার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তৃতা দেন হাসানুল হক পান্না, এমদাদ হোসেন এমদাদ, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যুক্তিতে দুই মাসে মোট ৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠানো হয়েছে। ফলে, দেশের প্রবাসী আয়ে দৃঢ়তা প্রদর্শিত হচ্ছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানুয়ারি মাসে দেশের রেমিট্যান্স ৩১৭ কোটি বা ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
এটি দেশের ইতিহাসে এক মাসে পাওয়া তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে চিহ্নিত। গত বছরের জানুয়ারির সঙ্গে তুলনা করলে, রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে ৪৫ দশমিক ১০ শতাংশ। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
গত ডিসেম্বরে দেশে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ বা ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স ইস্যু হয়েছিল। এটি দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে কোন এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের বক্তব্য, সাধারণত রোজা, ঈদ এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রবাসীরা বেশি অর্থ দেশে পাঠান। তবে এই বছর নির্বাচনের কারণে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহেও ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটা আগের বছরের তুলনায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত নভেম্বরে বাংলাদেশে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স। অক্টোবরে এবং সেপ্টেম্বরে, যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া, গত আগস্ট এবং জুলাইয়ে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হামলা বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সরাসরি হামলার আগে তারা মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার মোকাবিলা করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। এর ফলে আপাতত ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
পেন্টাগনের তথ্য জানাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং থাড মোতায়েন করা হচ্ছে। জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কাতারের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহম লিংকনের নেতৃত্বে একটি বিশাল মার্কিন নৌবহর আরব সাগরে পৌঁছেছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা উল্লেখ করছেন, প্রেসিডেন্ট যদি চান তবে সীমিত বিমান হামলা চালানো সম্ভব; তবে একটি বড় আক্রমণের ঘটনার ক্ষেত্রে ইরান পাল্টা জবাব দিতে পারে। এতে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। তাই যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের পূর্ণ প্রস্তুতি ছাড়া হামলা করতে আগ্রহী নয়।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করলেও তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।
অন্যদিকে, সামরিক চাপের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পথও খোলা রেখেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করছে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনা রয়েছে। ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিও নিশ্চিত করেছেন, আলোচনার কাঠামোগত প্রস্তুতি এগোচ্ছে।
তবে এসব প্রস্তুতির মধ্যেই কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে তা দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এই যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে। খামেনির কথায়, ইরান যুদ্ধ শুরু করতে চায় না, কিন্তু হামলা হলে তার জবাব হবে কঠোর এবং ব্যাপক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে আগুন নির্বাপনের জন্য পৌঁছানোর সময় দমকল বাহিনীর পানিবাহী একটি গাড়ি উল্টে গিয়ে ৫ জন কর্মী আহত হয়েছেন।
রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেহেরঘোনা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য জানান, ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর রামু ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি পানিবাহী গাড়ি ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায়। কিন্তু সকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে পানিবাহী গাড়িটি কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁও মেহেরঘোনা এলাকায় পৌঁছানোর পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এর ফলে দমকল বাহিনীর ৫ সদস্য আহত হন, যাদেরকে পরে স্থানীয়রা উদ্ধারের পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
দোলন আচার্য বলেন, ফায়ার সার্ভিসের আরেকটি ইউনিট ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ পাশে আধুনিক হাসপাতালের কাছে দ্রুত পৌঁছায়। স্থানীয়রাও ফায়ার সার্ভিসের সাথে মিলে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলে। কিন্তু এতে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি পুড়ে যায়। মনে করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঈদগাঁও ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার জাহেদ হোসেনের মালিকানাধীন একটি মার্কেটে তিনটি দোকানে আগুন লেগেছিল। এ দফায় নুরুল আজিমের চিরাই কাঠের দোকান, আমির আলীর কুলিং কর্নার এবং শামসুল আলমের ফার্নিচার দোকান পুড়ে গেছে।
কুলিং কর্নার মালিক আমির আলী জানান, তার দোকান গত দুই দিন ধরে বন্ধ ছিল, তাই আগুন লাগার কোন স্বাভাবিক কারণ নেই।
এদিকে, ঈদগাঁও থানার এএসআই হিমেল বড়ুয়া বলে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনাটির গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এবং তথ্য-প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ