বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৩:১৮ পি.এম
মালয়েশিয়ার মেলাকা প্রদেশে বৈধ রোড ট্যাক্স এবং বিমা (ইনস্যুরেন্স) নেই বলেই দেশটির সড়ক পরিবহন বিভাগ (জেপিজে) এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে মেলাকা সড়ক পরিবহন বিভাগের পরিচালক সিতি জারিনা মোহা ইউসপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রদেশটিতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানের মধ্যে মোট ৫৯৭টি যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে এবং ৮৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন সময়ে ২০ জানুয়ারি বুকিত রামবাই এলাকায় একটি তল্লাশি চৌকিতে ৪০ বছর বয়সি ওই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।
সড়ক পরিবহন বিভাগ জানাচ্ছে, ওই বাংলাদেশির হাতে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলেও তার গাড়ির রোড ট্যাক্স ও বিমা সুরক্ষার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। সড়ক পরিবহন আইন ১৯৮৭-এর ৬৪(১) ধারা অনুযায়ী, গাড়িটি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়।
পরিচালক সিতি জারিনা উল্লেখ করেছেন, এই অভিযানের সময় এখন পর্যন্ত মোট ১৭টি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অভিযানে সবচেয়ে বেশি অপরাধের ক্ষেত্রে ধরার মধ্যে রোড ট্যাক্স ও বিমার মেয়াদ শেষ হওয়া (৭৬টি মামলা) উল্লেখ্য। এছাড়াও, লাইসেন্সবিহীন বিদেশি চালক এবং অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করায় আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে ভারত ও রাশিয়া। আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে এই মহড়াটি, যার নাম ‘মিলান ২০২৬ নাভাল এক্সারসাইজ’ বলা হয়েছে।
রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ডের সূত্রে খবর অনুযায়ী, মহড়ায় রাশিয়ার প্যাসিফিক ফ্লিটের ফ্রিগেট মার্শাল রণতরী শাপোশনিকভসহ আরও বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ অংশগ্রহণ করবে। উল্লেখ্য, বিশাল আকারের এই শাপোশনিকভ অত্যন্ত শক্তিশালী একটি রণতরী। এটি সমুদ্রের থেকে একসঙ্গে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সক্ষমতা রাখে।
প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শাপোশনিকভকে সামরিক টহলের জন্য ব্যবহার করা হয়। যুদ্ধজাহাজটি ইতোমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে মহড়ায় অংশ নেওয়ার জন্য। রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল বুধবার শাপোশনিকভ ওমানের মাস্কাট বন্দর অতিক্রম করেছে। বঙ্গোপসাগরে মহড়া শেষে, এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের বিশাখাপত্তমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং আগামী ১৮ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেখানে পৌঁছাবে।
এদিকে, বঙ্গোপসাগরে এ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা তিন মাস আগে ঘোষণা করেছিল ভারতের নৌবাহিনী। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে দেশটির নৌবাহিনীর ভাইস চিফ অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎসায়ন এ তথ্য প্রকাশ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ : খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা), খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর-খানজাহান আলী) এবং খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জনসংযোগ কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই সময়ে তারা নিজ নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার জন্য শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, মহানগরী সেক্রেটারি ও জামাত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল গতকাল বুধবার (২৯ জানুয়ারি) শহরের ডাকবাংলো, বড় বাজার, খুলনা সদর হাসপাতাল রোড সহ বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী গণসংযোগ করেন।
এই গণসংযোগের সময় তিনি বলেন, ‘দেশে সুশাসন, ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করতে চাই। খুলনা-২ আসনের উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হলে দরকার সৎ, যোগ্য ও আল্লাহ ভীরু নেতৃত্ব। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আমি এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক। ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছিল। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম হয়েছে। কিন্তু তাদের দলের বিরুদ্ধে এখনো কাঠগড়ায় দাঁড় করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, বাজারের দোকানে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তাদের খোঁজখবর নেন এবং জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এ সময় খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা সদর থানার আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, খুলনা জেলা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক আমানত স্যার, ছাত্রশিবিরের মহানগরী সেক্রেটারি রাকিব হাসান, লবণচরা থানা সেক্রেটারি মাহমুদুল হাসান জিকো, ২১ নং ওয়ার্ডের আমীর মওলানা আল মামুন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, মহানগরী আমীর ও খুলনা-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান একই দিন শিল্পাঞ্চল খালিশপুরের ৮নং ওয়ার্ডের শ্রমিকদের মাঝে গণসংযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মালিক ও শ্রমিকের মাঝে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কিছু মানুষ ফায়দা লুটছে। ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে আটকা পড়ে শ্রমিকরা নিজেদের কর্মস্থলে সমস্যা সৃষ্টি করছে। তারা বুঝতে পারছে না, কর্মস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা কোথায় তাদের দাবি জানাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘কিছু মালিক অধিক মুনাফার জন্য শ্রমিকদের ক্ষতি করছে। এতে উভয়েরই ক্ষতি হচ্ছে। আমরা শ্রমিক এবং মালিকের মধ্যে সকল দ্বন্দ্বের অবসান চাই।’
তিনি বললেন, ‘শ্রমিক এবং কর্মজীবী মানুষরা নানাভাবে নির্যাতনের শিকার এবং তাদের ন্যায় অধিকার থেকে বঞ্চিত। মিল, ফ্যাক্টরি ও ইন্ডাস্ট্রিতে শ্রমিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। আমাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য পরস্পর সম্মান এবং ভালবাসার মাধ্যমে শান্তির বাংলাদেশ গঠন করা।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফরাজীসহ অনেকে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মওলানা আবুল কালাম আজাদ মোহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের একটি নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
মওলানা আবুল কালাম আজাদ বললেন, ‘কয়রা-পাইকগাছায় পূর্বে উন্নয়নের চেতনা তুলে শুধুমাত্র শোষণ করা হয়েছে। অতীতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা অতিথি পাখির মতো এসে লুটপাট করেছে। সেই অবস্থা থেকে পার হওয়ার জন্য জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নিয়ম ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গঠনে যোগ্য প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণ দুর্ভোগ ও ন্যায়বিচার থেকে অনেক দিন যাবত বঞ্চিত। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই।’
তিনি আগাম নির্বাচনে নৈতিকতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আমীর মো. আবু সাইদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভাটি পরিচালনা করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক থানা সভাপতি আবুল বাসার। জনসভায় অন্যান্য বক্তারা, ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু জার আল গিফারী, কয়রা উপজেলা আমির মওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মওলানা শেখ সায়ফুল্লাহ ও সহযোগীরা বক্তব্য রাখেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ : জেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়। এর উদ্বোধন করেন বাগেরহাট সদর-১ আসনের (বাগেরহাট-কচুয়া) বিএনপির এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেন।
বাগেরহাট ড্যাবের সাবেক সভাপতি ডা. এস এম লুতফুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে প্রধান অতিথি ছিলেন ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটি এম আকরাম হোসেন তালিম, ড্যাবের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ডা.এ কে এম খালেকুজ্জামান (দীপু), ড্যাবের উপদেষ্টা ডা. রফিকুল হক বাবলু, অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এনামুল হক এবং খুলনা বিভাগীয়সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. রবিউল ইসলাম তুহিন, বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার অসীম সমদ্দার,বাগেরহাট সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুল আলম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডা. এস এম শাহনেওয়াজ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল রোকেয়া বেগম ফাউন্ডেশন।
এ সময় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক ও মানবিক নেতা। তার আদর্শ অনুসরণ করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
দিনব্যাপী এ মেডিকেল ক্যাম্পে দেশের বিভিন্ন এলাকার অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা সহস্রাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়ে তারা যদি সরকার গঠন করে, তাহলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ঘোষণা দেন।
কৃষকদের আশ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা হিসাব-নিকাশ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। যদি কৃষক ভালো থাকে, তবে দেশের মানুষও ভালো থাকবে। রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনে উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হবে।’
এছাড়াও, কৃষকদের সাহায্য করার জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, ‘মায়েদের হাতে যেমন ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাবে, তেমনি প্রত্যেক কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে। এর মাধ্যমে তারা ব্যাংক ঋণ, সরকারি সার, বীজ ও কীটনাশক সহায়তা সহজেই পাবেন।’
রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান নিয়ে বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম সংরক্ষণের জন্য এখানে কোনো হিমাগার নেই। আমরা এই এলাকায় আম সংরক্ষণের জন্য হিমাগার এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করব।’ বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য আইটি পার্ক সচল করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা দেশে শান্তি চাই। ৭১ সালের যুদ্ধে কিংবা ২৪-এর জুলাই আন্দোলনে কারও ধর্ম দেখে কিছু হয়নি। আজ দেশ গড়ার সময়েও আমরা ধর্ম দেখব না, আমরা দেখব সে একজন বাংলাদেশি।’ নির্বাচনে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে তারেক রহমানের এটি প্রথম জনসভা ছিল। তার আগমন উপলক্ষে মাদ্রাসা মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জনসভা থেকে তিনি রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মোট ১৩ জন সংসদীয় প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেন।
কর্মসূচি অনুসারে, রাজশাহী পরবর্তী তিনি নওগাঁর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে এটিএম মাঠে বক্তব্য দেয়ার পর রাতের বেলায় বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে একটি জনসভায় যোগ দেবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ