ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

সরকারের একাধিক বিভাগে সচিব না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি


সরকারের একাধিক বিভাগে সচিব না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি

সরকারের একাধিক বিভাগে সচিব না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি বিরাজ করছে। বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ চারটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ প্রশাসনিক পদ শূন্য হিসাবে রয়েছে। অথচ বর্তমানে কার্যকর কোনো দপ্তরের দায়িত্ব ছাড়াই রয়েছেন ১০ জন সচিব। তাদের মধ্যে ৯ জনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। আর একজন সচিব পদে পদোন্নতি ও পদায়ন পেলেও এখনো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেননি। জনপ্রশাসন বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদে বর্তমানে কোনো কর্মকর্তা কর্মরত নেই। ওসব দপ্তরের কার্যক্রম আপাতত পরিচালনা করছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কর্মরত মোট ৮৪ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তার মধ্যে বর্তমানে কোনো দপ্তরের দায়িত্বে নেই ১০ জন। তাদের মধ্যে ৯ জনকে সংযুক্ত রাখা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। আর এখনো কোনো দপ্তরে যোগদান করেননি একজন।

সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সচিব দায়িত্ব পালন করেন। ওই কর্মকর্তা প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আর্থিক শৃঙ্খলা ও নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এমন পরিস্থিতিতে কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগে দীর্ঘ সময় পূর্ণকালীন সচিব না থাকলে তৈরি হয় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি ও সমন্বয়হীনতার ঝুঁকি। বর্তমানে সরকারের ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। কারণ তা সরকারপ্রধানের কার্যালয়। কিন্তু বর্তমান সরকার গঠনের পর দপ্তরে এখনো পর্যন্ত নিয়োগ হয়নি কোনো সচিব। তার অধীনস্থ দপ্তরগুলো হলো গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ), বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (পিইপিজেড), এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপি), জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

সূত্র আরো জানায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিশ্ব বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে। ওই মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থাগুলো হলো বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর, আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস, বাংলাদেশ চা বোর্ড, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট, বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল, দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ, দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ। দায়িত্বরত বাণিজ্য সচিব গত ১৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করলে এখনো ওই পদে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতোদিন অতিরিক্ত সচিব ওই সময়ে মন্ত্রণালয়ে সচিবের চলতি দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু গত ঈদের ছুটির মধ্যে সরকার তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেয়। কিন্তু তিনি এখনো ওই পদে যোগদান করেননি। ফলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সচিবের পদটি ফাঁকা রয়েছে এখনো। তাছাড়া বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সরকারের অন্যতম আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। তার অধীনে রয়েছে বিজেএমসি, বিটিএমসি, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড, পাট অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড, বস্ত্র অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পাট করপোরেশন, জেডিপিসি এবং লিকুইডেশন সেল। তবে বর্তমানে ওই মন্ত্রণালয়ে কর্মরত নেই কোনো সচিব। আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনস্থ দপ্তরগুলো হলো বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি, ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (সিসিএ), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (বিডিসিসিএল), স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড এবং এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই)। বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে কর্মরত নেই কোনো সচিব।

এদিকে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সরকারের জন্য সিভিল সার্ভিসে দলাদলি, বিভাজন ও একে অন্যকে পেছনে ফেলার প্রবণতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমলাতন্ত্রে যোগ্য ও উপযুক্ত কর্মকর্তাদের বাছাই, সঠিক পদায়ন এবং পুরো ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ প্রশাসনে এখনো ব্যাপক দলাদলি, নানা ধরনের লবিং এবং পদ-পদবিকে ঘিরে উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সিভিল সার্ভিসের ভেতরের বিভাজন ও দলাদলি মোকাবেলা করে প্রশাসনকে গুছিয়ে আনতে সরকারের সময় লাগবে।

অন্যদিকে জনপ্রশাসনের সার্বিক বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, সরকার মাত্র এসেছে। বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে দেখে-শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো সততা, স্বচ্ছতা, মেধা ও দক্ষতাকে মূল্যায়ন করতে হবে। সে অনুযায়ী সব বিভাগে কাজ চলছে। তবে দীর্ঘদিন পরে সেটআপ করতে একটু সময় তো লাগবেই। সবকিছুই ঠিকভাবে চলছে। যেসব জায়গায় পদায়ন প্রয়োজন, সেভাবেই পদায়ন হচ্ছে। যেকোনো সময় খালি পদগুলো পূরণ হয়ে যাবে। একজন কর্মকর্তা এক জায়গায় গেলে আরেক জায়গা খালি হয়, কিন্তু কাজ তো বন্ধ নেই। প্রশাসন মোটামুটি সেটআপ হয়ে গেছে। সব জায়গায় ইতিবাচকভাবে কাজ চলছে। কোথাও কোনো ডেডলক নেই।

আরও পড়ুন: দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেনা ইমেজ ভেঙে নতুন রূপে জাহ্নবী কাপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ এম


চেনা ইমেজ ভেঙে নতুন রূপে জাহ্নবী কাপুর

মা শ্রীদেবী একজন সুপারস্টার অভিনেত্রী। বাবা বনি কাপুর হচ্ছেন বলিউডের সফল প্রযোজক। এই কারণে জাহ্নবী কাপুরের জন্য অভিনয়ের জগতে চলার পথ সব সময় মসৃণ ছিল। বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বারা সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগও তিনি পেয়েছেন। একাধিক সিনেমায় বড় তারকারা ছিলেন তার সহশিল্পী। যদিও, তারকাখ্যাতির দৌড়ে জাহ্নবী অনেকের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন। তাই বনি কাপুর তার কন্যার জন্য নির্বাচন করেছেন এমন একটি সিনেমা, যার মাধ্যমে জাহ্নবী নতুন করে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ প্রাপ্ত হতে চলেছেন। দেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে, বলিউডের অন্যতম এভারগ্রিন ক্ল্যাসিক সিনেমা ‘ওহ সাত দিন’-এর রিমেক করতে চলেছেন বনি কাপুর। এই সিনেমায় নন্দিত অভিনেত্রী পদ্মিনী কোলাপুরীর ‘মায়া’ চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন জাহ্নবী কাপুর।

এই সুযোগে আবেদনময়ী তারকাখ্যাতির ঊর্ধ্বে উঠে অভিনয়ের মুনশিয়ানা দেখানোর সুযোগ এসে গেছে জাহ্নবীর জন্য। এর পাশাপাশি, ‘ওহ সাত দিন’ সিনেমার রিমেকে তার সহশিল্পী হিসেবে রণবীর কাপুর ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকে ভাবা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বিষয়টি জাহ্নবী কাপুরের জন্য অসাধারণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম থেকে আরও জানা গেছে, চলতি বছরে ‘ওহ সাত দিন’ সিনেমা মুক্তির ৪৩তম বছর পূর্ণ হচ্ছে। ১৯৮৩ সালের প্রথমবারের মতো প্রধান চরিত্র পর্দায় তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছিলেন অনিল কাপুর। ৪৩ বছর পূর্তির এই বিশেষ সময়ে, বনি কাপুর সিনেমাটির অজানা ইতিহাস ভাগ করেছেন। তিনি এও জানিয়েছেন, যদি আজকের সময়ে এই সিনেমার আধুনিক রিমেক হয়, তবে কাস্টিংয়ে তিনি কোন তারকাদের রাখবেন। বনি কাপুর স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই আইকনিক সিনেমার রিমেক হলে মূল তিনটি চরিত্রের জন্য তার স্পষ্ট ভিশন রয়েছে। অনিল কাপুর অভিনীত ‘প্রেম প্রতাপ’ চরিত্রে তিনি চরিত্রটি নিয়ে এ প্রজন্মের অন্যতম সেরা অভিনেতা রণবীর কাপুরকে বেছে নেবেন।

পাশাপাশি, পদ্মিনী কোলাপুরী অভিনীত প্রধান নারী চরিত্র ‘মায়া’র ভূমিকায় দেখতে চান তার কন্যা জাহ্নবী কাপুরকে। অন্যদিকে, নাসিরুদ্দিন শাহের ‘ডা. আনন্দ’ চরিত্রটিতে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা হতে পারে সেরা নির্বাচন। তবে, পছন্দের অভিনেতা বা অভিনেত্রীর কথা বলার পরও, কবে নাগাদ এই সিনেমার কাজ শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানাননি বনি কাপুর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশজুড়েই ভয়ং-কর হয়ে উঠছে মৌসুমি জ্বরের প্রকোপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


দেশজুড়েই ভয়ং-কর হয়ে উঠছে মৌসুমি জ্বরের প্রকোপ

দেশজুড়ে বাড়ছে মৌসুমি জ্বরের প্রকোপ। এই প্রকোপ দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। অনেক রোগীর জ্বর স্থায়ী হচ্ছে ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। ডেঙ্গুর এনএস১, আইজিআম কিংবা টাইফয়েড পরীক্ষায় রোগ ধরা না পড়লেও রোগীরা দুর্বলতা, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বমি, ডায়রিয়া এবং রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ডেঙ্গু ও টাইফয়েডের বাইরে অন্য কোনো সংক্রামক রোগ, বিশেষ করে ম্যালেরিয়া বা অন্যান্য ভাইরাসজনিত জ্বর ছড়িয়ে পড়ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু অনেক রোগীর ডেঙ্গু ও টাইফয়েড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও দীর্ঘদিন ধরে জ্বর কমছে না। বরং কেউ কেউ নিউমোনিয়া, রক্তে সংক্রমণ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। এমনকি কয়েকটি ক্ষেত্রে সাধারণ জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ ১৩টি জেলায় প্রধানত ম্যালেরিয়া বেশি দেখা যায়। যদিও দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে মানুষের চলাচল বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরন বদল এবং মশার বিস্তারের কারণে ম্যালেরিয়ার বিস্তার ঘাঁর আশঙ্কা থাকে। বর্তমানে দেশে ম্যালেরিয়া শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে মূলত র‌্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট (আরডিটি) ব্যবহার করা হয়। প্রয়োজন হলে রক্তের স্লাইড প্রস্তুত করে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে পরজীবী শনাক্ত করার ব্যবস্থাও রয়েছে। যদিও দেশে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলকভাবে কমে যাওয়ায় অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাইক্রোস্কোপভিত্তিক দক্ষতা ও অবকাঠামোর ব্যবহারও কমে এসেছে। আরডিটি পরীক্ষাগুলো প্রধানত প্লাজমোডিয়াম ফালসিপারাম ও প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স শনাক্ত করার জন্য তৈরি। কারণ দেশে ম্যালেরিয়ার অধিকাংশ সংক্রমণ ওই দুই প্রজাতির মাধ্যমেই ঘটে। অতীতে প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরিয়া ও প্লাজমোডিয়াম ওভালে এর সংক্রমণও পাওয়া গেছে। তবে সংখ্যা কম হওয়ায় সেগুলো খুব একটা নিয়মিত পরীক্ষার আওতায় আসিনি।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের কয়েকটি বেসরকারি ব্লাডব্যাংকে সমপ্রতি রক্তদাতা স্ক্রিনিংয়ের সময় ম্যালেরিয়া পজিটিভ দাতা শনাক্ত হয়েছে। অথচ তাদের কারোর মধ্যেই রোগের দৃশ্যমান উপসর্গ ছিল না। অর্থাৎ উপসর্গবিহীন সংক্রমণ এখনো সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। নীরবে বিদ্যমান থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ম্যালেরিয়ার বড় আকারের প্রাদুর্ভাব না থাকার কারণে চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই অন্য রোগের দিকে চলে গেছে বেশি।

সূত্র আরো জানায়, জ্বরকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। জ্বরের রোগীকে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং বিশ্রামে থাকতে হবে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক অথবা অন্যান্য ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে বা কোনো বিপৎসংকেত (শ্বাসকষ্ট, তন্দ্রাচ্ছন্নতা, খিঁচুনি, খেতে না পারা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, গায়ে দানা) দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি। বর্তমানে দেশের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সীমান্তবর্তী এলাকায় এখনো রয়েছে ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি। জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি, ঘাম হওয়া, দুর্বলতা বা ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে ম্যালেরিয়ার কথাও বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। ম্যালেরিয়া সন্দেহ হলে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ দেরি হলে তা গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মা শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক ডা. মিশু তালুকদার জানান, সব জ্বর ডেঙ্গু বা টাইফয়েডের কারণে হয় না। বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ, ম্যালেরিয়া, স্ক্রাব টাইফাস, রিকেটশিয়াল ফিভার, লেপ্টোস্পাইরোসিস, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস কিংবা রক্তে সংক্রমণ (সেপসিস) থেকেও গুরুতর জ্বর হতে পারে। অনেক সময় রোগের শুরুতে কিছু পরীক্ষার ফল নেগেটিভও আসতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, অচেতনতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া অথবা প্রস্রাব কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১,২০০ কোটি টাকা লোকসানের মুখে ‘সুপারগার্ল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ এম


১,২০০ কোটি টাকা লোকসানের মুখে ‘সুপারগার্ল’

বক্স অফিসে বেহাল দশায় রয়েছে ডিসি কমিকস ও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের নতুন সিনেমা ‘সুপারগার্ল’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে ছবিটির আয় হয়েছে মাত্র ৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘সুপারগার্ল’-এর আয়ের হারও কমছে এবং লোকসানের ঝুঁকি ক্রমশ বেড়ে চলছে। ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছবিটি ১০০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলারের লোকসান গুনতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি।

লোকসানের এই ঝুঁকির কারণ হিসেবে ছবির দুর্বল চিত্রনাট্য ও পরিচালনা একদিকে দায়ী, অপরদিকে এর অঢেল বাজেটকেও উল্লেখ করা হচ্ছে। প্রায় ১৭ কোটি ডলারের নির্মাণ ব্যয় এবং ১২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থের প্রচারণার সঙ্গে মিলিয়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারের লগ্নি হয়েছে। যা ফিরিয়ে আনা ‘সুপারগার্ল’-এর পক্ষে প্রায় অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। এদিকে আগামী সপ্তাহে মুক্তি পাচ্ছে ইউনিভার্সাল পিকচার্সের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড ফ্র্যাঞ্চাইজির ছবি ‘মিনিয়নস অ্যান্ড মনস্টারস’। আরও জুলাই মাসেই রয়েছে ডিজনির লাইভ অ্যাকশন ছবি ‘মোয়ানা’, ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ এবং সনি পিকচার্সের ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র মতো বড় বড় ছবির মুক্তি। এই পরিস্থিতিতে ‘সুপারগার্ল’-এর উন্নতির কোন সম্ভাবনা নেই।

বক্স অফিস বিশ্লেষক জেফ বক বলেছেন, “ডিসি ও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের জন্য এটি শুরু থেকেই একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ ‘সুপারগার্ল’ এমন কোন চরিত্র নয়, যা নিয়ে আগে কখনো ‘ইভেন্ট-লেভেলের’ ব্লকবাস্টার তৈরি হয়েছে। দর্শকদের মধ্যে ‘সুপারগার্ল’ নিয়ে ইতিবাচক ধারণাও ছিল না। শেষ পর্যন্ত সমস্যা একটাই হল- ছবিটি এতটা ভালো হয়নি, যা এটিকে একটি বড় সিনেমাটিক ইভেন্টে পরিণত করতে পারবে।” বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে, ‘সুপারগার্ল’ ছবির উত্তর আমেরিকায় মোট আয় ১০ কোটি ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ২০ থেকে ২১ কোটি ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে লোকসানের অঙ্কটি হতে পারে ১০ থেকে ১২ কোটি ডলার। ক্রেইগ গিলেস্পির পরিচালিত ছবিটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। এছাড়া আরও অভিনয় করেছেন ম্যাথিয়াস স্কোনার্টস, ইভ রাইডলি, ডেভিড করেন্সওয়েট, জেসন মমোয়া প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ এম


গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের বিদ্যমান লোডশেডিং নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে, গাজীপুর পল্লী বিদ্যৎ সমিতি-২ বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাধারণ গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্য্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ সরবরাহে কর্তৃপক্ষের দাপ্তরিক দায়বদ্ধতা ও সীমাবদ্ধতার বিষয়টি ভেবে এ বিষয়ে সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দের অবগতির জন্য নিম্নোক্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানান, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মূলত তিনটি ধাপে পরিচালিত হয়- বিদ্যুৎ উৎপাদন (Generation), সঞ্চালন (Transmission) এবং বিতরণ (Distribution)। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কেবলমাত্র বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।

এরউপরে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের উপর অত্র গাজীপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর কোনো কর্তৃত্ব বা নিয়ন্ত্রণ নাই। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (PGB)-এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিলে ন্যাশনাল লোড ডেসপাচ সেন্টার (NLDC) দেশের বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় নির্ধারণ করেন। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সেই বরাদ্দ অনুযায়ী বিদ্যুৎ প্রাপ্ত হয়ে বিতরণ করতে আইনগতভাবে বাধ্য। অতএব, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি বা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে গেলে বরাদ্দ অনুযায়ী সাময়িক লোডশেডিং কার্যকর করা ছাড়া অত্র কার্যালয়ের কোনো বিকল্প থাকে না। উল্লেখ্য, এ লোডশেডিং কোনো নির্দিষ্ট এলাকা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈষম্যমূলক নয়; বরং এটি জাতীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ন্যায্যতা নিশ্চিত করে পরিচালিত হয়। কাপাসিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় ০৪টি ৩৩ কেভি ফিডারের মাধ্যমে ০৫টি উপকেন্দ্র দ্বারা, যে ব্যবস্থার সর্বোচ্চ চাহিদা ৪৪ মেগাওয়াট। গত ২৫/০৬/২০২৬ তারিখে সর্বোচ্চ লোডশেড করা হয় ২০ মেগাওয়াট, যা শতকরা হার ৪৫.৪৫% (সময়-১৪.০০)। তবে ২৯/০৬/২০২৬ তারিখ থেকে লোডশেড সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। ০১/০৬/২০২৬ তারিখে লোডশেডের পরিমান ছিল ৪.০০ মেগাওয়াট, যার শতকরা হার ৯.০৯% (সময়-১৪:০০)।

যেহেতু প্রতি ঘন্টায় বরাদ্দ একই থাকে বা পরিবর্তন হয়, সেহেতু প্রতি ঘন্টায় লোডশেডও একই থাকবে বা পরিবর্তিত হবে। সম্প্রতি কাপাসিয়া উপজেলায় লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করেছিল। তাই এ বিষয়ে সম্মানিত সকলকে বিনীতভাবে অবহিত করা যাচ্ছে যে, লোডশেডিং সম্পূর্ণভাবে জাতীয় গ্রিড হতে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এককভাবে লোডশেডিং প্রত্যাহার বা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ক্ষমতা রাখে না। তবে, জাতীয় গ্রিড হতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই কাপাসিয়া সহ গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন সকল এলাকায় তা দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরবরাহ করা হয়। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সম্মানিত গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে এবং সহযোগিতা ও ধৈর্য্য ধারণ করার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। সেই সাথে বিভ্রান্তিকর বা ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কাপাসিয়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় মূলত: রাজেন্দ্রপুর ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র হতে। কাপাসিয়ায় স্থাপিত উপকেন্দ্র সমূহের জন্য যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ তা কখনোই অন্য কোথাও সরবরাহ করা হয় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%