বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:০৭ পি.এম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণায় বিরোধীদের কঠোর সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। ট্রাম্পের ঘোষণার কারণে চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং বিরোধীরা এই বিষয়টিকে মোদির কূটনৈতিক অক্ষমতা হিসেবে দেখছেন।
লোকসভায় কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রশ্নে রয়েছে, কেন নয়াদিল্লি অর্থাৎ ভারত সরকার এই চুক্তির ঘোষণা দিল না বরং তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাধ্যমে প্রকাশ পেল? সোমবার রাতে ট্রাম্প নিজের 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে লেখেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা হয়েছে।
ট্রাম্পের দাবি, ভারত রাশিয়ার বদলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনবে। পাশাপাশি, তিনি উল্লেখ করেন, ভারত মার্কিন পণ্যের শুল্ক কমানোর সুযোগ পাবে এবং প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনবে।
এত বড় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ঘোষণার ক্ষেত্রে ভারত সরকার সবার কাছে কেন বক্তব্য রাখল না, এই প্রশ্নটি কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ওঠানো হচ্ছে।
চুক্তির লিখিত শর্তগুলি এখনও প্রকাশ করা হয়নি মোদি সরকারের পক্ষ থেকে। তবে ট্রাম্পের মন্তব্যে ইঙ্গিত রয়েছে যে, বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্র মার্কিন পণ্যগুলোর জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে, যা ভারতীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। কংগ্রেস নেতারা গত বছরের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির উদাহরণ টেনে আসন্ন বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণাকে তুলনা করেছেন।
রাশিয়া থেকে তেল কিনতে না পারার দাবির মাধ্যমে ফের বিতর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিরোধীরা জানান, যদি ট্রাম্পের দাবি সত্যি হয়ে থাকে তবে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে অধিক দামে তেল কিনতে বাধ্য হবে। যার ফলে ভারতের অর্থনীতি সরাসরি প্রভাবিত হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে পূর্বে একটি বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত যেখানে ৯৬.৬ শতাংশ পণ্যের শুল্ক কমানোর কথা বলা হয়েছে। বিরোধীরা আশঙ্কা করছেন যে, একসঙ্গে দুই দিক খুলে দিলে ভারতের কৃষি ও শিল্পখাতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। কংগ্রেস নেতাদের দাবি, এই বাণিজ্য চুক্তির মোট শর্ত দ্রুত জনসমক্ষে আনতে হবে এবং সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে। অন্যথায় ভারতীয় কৃষকদের, শিল্পের এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ আরও বড় বিপত্তিতে পড়বে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরাসি তারকা করিম বেনজেমা জানিয়েছেন, সৌদি প্রো লিগের শীর্ষ ক্লাব আল হিলালকে এশিয়ার ‘রিয়াল মাদ্রিদ’ বলে অভিহিত করেছেন। নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার পরে তার প্রথম প্রতিক্রিয়ায় সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক জানিয়েছেন, আল হিলাল-এর হয়ে ট্রফি জেতা তার প্রধান লক্ষ্য।
গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে আল ইত্তিহাদ ছেড়ে আল হিলালে প্রবেশ করেন ২০২২ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফরোয়ার্ড। তিনি জুনের পরে আল ইত্তিহাদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সৌদি প্রো লিগের বর্তমান শীর্ষ দলে নাম লেখিয়েছেন।
ক্লাবের কর্মসূচির ওয়েবসাইটে এক সাক্ষাৎকারে বেনজেমা বলেছেন, 'এখানে এসে আমি খুব আনন্দিত। প্রথম অনুশীলনের পর থেকেই আমি দারুণ খুশি। কোচ এবং সতীর্থদের সঙ্গে কাজ করে বুঝেছি, আমি একটি বড় দলের অংশ।'
আল হিলাল-এর ইতিহাস এবং সাফল্যকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, 'এটি একটি বিখ্যাত ক্লাব। তাদের ট্রফি জয়ের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তারা অনেক শিরোপা জিতেছে। আমার মনে হয়, এটি এশিয়ার রিয়াল মাদ্রিদ—ভালো সমর্থক, ভালো খেলোয়াড় এবং বিজয়ের মানসিকতা।'
আগে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আল হিলালের বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে কিছু শুরুর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে স্মরণ করেন বেনজেমা। তিনি বলেন, 'আগেও এই দলের বিপক্ষে খেলেছি। কখনওই তা সহজ ম্যাচ ছিল না। আমার অনেক ভালো স্মৃতি রয়েছে। আমি এখানে বর্তমান, এটি আনন্দের কারণ।'
ইএসপিএন-এর সূত্রে জানানো হয়েছে, আল ইত্তিহাদের দেওয়া প্রস্তাবিত নতুন চুক্তিতে সম্মানজনক শর্ত না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন ৩৮ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। সৌদি প্রো লিগ কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব তাকে বিনা পারিশ্রমিকে খেলতে বাধ্য করণের অভিযোগও উঠেছে।
ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাব থেকে প্রস্তাব পেলেও তিনি সৌদি আরবেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এর পিছনে একটি বড় কারণ হলো তার ইমেজ রাইটস চুক্তি, যা ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৈধ।
পিআইএফ (সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড) দ্বারা পরিচালিত এই দলবদল সৌদি ফুটবলে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। জানা গেছে, আল নাসরের অধিনায়ক এবং বেনজেমার সাবেক সতীর্থ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এ নিয়ে অসন্তুষ্ট। তিনি অভিযোগ করেছেন, পিআইএফ আল নাসরের তুলনায় আল হিলালকে বেশি সুবিধা দিচ্ছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে ইএসপিএন জানায়, এই অসন্তোষের কারণে তিনি ক্লাবের হয়ে খেলতেও অস্বীকৃতি জানান। আল নাসর বর্তমানে সৌদি প্রো লিগে এক পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মরিয়া রোনালদো এখনও পর্যন্ত আল নাসরের হয়ে কোন বড় ট্রফি জিততে পারেননি।
এদিকে নতুন ক্লাবে তার লক্ষ্য সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিয়েছেন বেনজেমা। তিনি বলেছেন, 'আমার মানসিকতা সবাই জানে। আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনেক। মাঠে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দেয়ার চেষ্টা করব। আমি দলকে সাহায্য করব এবং ইনশাআল্লাহ ট্রফি জিতব। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শিরোপা আনা।'
২০২৩ সালের গ্রীষ্মে সৌদি আরবে আগমনের আগে বেনজেমা রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২৫টি শিরোপা জিতেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে চারটি লা লিগা, তিনটি কোপা দেল রে এবং পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ।
এ মৌসুমে সৌদি প্রো লিগে ১৪ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। আল হিলালের জার্সিতে তার অভিষেক হতে পারে বৃহস্পতিবার, আল ওখদুদের বিপক্ষে লিগ ম্যাচে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, বিএনপির রাজনৈতিক ধারা মূলত সুদূরপ্রসারী এবং পরিকল্পিত। তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হাতিরঝিলে পেশাজীবীদের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ডা. জুবাইদা রহমান জানান, বর্তমানে দেশ একটি সংকটকাল পেরিয়ে যাচ্ছে এবং এই বহুমুখী সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়ার জন্য সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা আবশ্যক।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেক সমস্যা থাকলেও সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধান সম্ভব। এখন আমাদের গৌরবময় নতুন সূর্যোদয় দেখার সময় এসেছে।
জাতীয়তাবাদের নতুন দর্শনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির মূলনীতি হবে— 'আমার আগে আমরা', 'আমাদের আগে দেশ', 'ক্ষমতার আগে জনতা' এবং 'সবার আগে বাংলাদেশ'। তিনি মনে করেন, জনগণের স্বার্থকে রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার থেকে বড় করে দেখাই আধুনিক রাজনীতির ভিত্তি হওয়া উচিত।
ডা. জুবাইদা রহমান সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে পারার ওপর গভীর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ভেদাভেদের আগে সমতা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে।
বিশেষভাবে যুবসমাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সকলকে শ্রমের সঠিক মর্যাদা এবং মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন দিতে চাই। মেধাভিত্তিক চাকরির বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। শোষণের পরিবর্তে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্যে কাজ করতে হবে শিক্ষামূলক সমাজ গঠনের আবশ্যকতা তুলে ধরেন।
তিনি একটি মানবিক ও জনবান্ধব সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখিয়ে বলেন, আমরা এমন দেশ ও সমাজ তৈরি করতে চাই যেখানে জনতার মুখে ও নেতার আগে স্থান প্রদান করা হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সকল স্তরের পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে গেছেন পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার সময়, দুই জনের সমাধিতে উপস্থিত হয়ে তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এরপর ফাতেহা পাঠ ও দোয়া শেষে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান।
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীরূপে শর্মিলা রহমান সিঁথি, বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার এবং ভাগ্নে অভিক ইস্কান্দারও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে একটি রাষ্ট্রকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হাতিরঝিলে পেশাজীবীদের সঙ্গে আয়োজিত এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করতে গিয়ে এই অভিমত প্রকাশ করেন।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, বাসার কাজে দক্ষ লোক খোঁজা যেমন অপরিহার্য, তেমনি একটি রাষ্ট্রকে গড়তে অভিজ্ঞ দল হিসেবে সেই কাজ করার জন্য সকলের কাছে বিএনপির প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া, নির্বাচনী অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্তি করতে গিয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা জানালেন, জনগণের প্রত্যাশা এবং চাহিদার চেয়েও বেশি কাজ করার সক্ষমতা দলের রয়েছে। বিশেষ করে নারী নিরাপত্তা এবং যাতায়াতের জন্য শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। শিল্পকারখানা রক্ষা ও দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন।
পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপির পরিকল্পনা সম্পর্কে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ক্ষমতায় আসলে সরকার থেকে ভর্তুকি দিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য গ্রুপ বীমা বা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থা করা হবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের মানুষগুলো মানুষের উপকারে আসছে না, বরং বিএনপির গঠনমূলক প্রস্তাবগুলোর সমালোচনা করছে। বিশেষ করে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষি কার্ড’ বিষয়ে বিরোধীদের নেতিবাচক প্রচারণার সমালোচনা করে বলেছেন, এই ধরনের উদ্যোগে তারা বাধা দিতে চায়।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম খান জানান, বিগত বছরগুলোতে শাসনব্যবস্থা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশ বর্তমানে এ কারণে নিঃশেষের দিকে যাচ্ছে। এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে দেশকে বের করে সোনালী দিনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার নেতৃত্ব কেবল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রয়েছে।
তিনি পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ ও মানুষের স্বার্থে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন দিয়ে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অংশীদার হতে হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত তুলে ধরেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ