বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৪:৩৩ এম
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খান আর আমাদের মাঝে নেই। সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। হাফিজ উদ্দিন খানের মামাতো ভাই লিয়াকত আলী গণমাধ্যমকে এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তাঁর বয়স ছিল ৮৯ বছর। তিনি স্ত্রী এবং কানাডায় বসবাসরত দুই মেয়ে ছাড়াও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এম হাফিজ উদ্দিন খান ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করার আগে ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনা ও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
এছাড়াও, তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিযুক্ত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর সরকারি চাকরির পর ১৯৯৯ সালের ৭ আগস্ট তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
অবসরগ্রহণের পর থেকে তিনি উত্তরায় তাঁর স্ত্রীসহ বসবাস করছিলেন। হাফিজ উদ্দিন খানের মেমাতো ভাই লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, 'তাঁর মরদেহ উত্তরার বাড়িতে রয়েছে। দুই মেয়ের পরিবার কানাডা থেকে আসার পর জানাজার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে নিশ্চিতভাবে বলা হচ্ছে তাঁকে গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জ কবরস্থানে দাফন করা হবে।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইকারী হিসাবে সন্দেহ হওয়ায় গণপিটুনিতে দুই যুবক আহত হয়েছেন। এই ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে। আহত যুবকদের মধ্যে একজন হলেন মো. হান্নান (২৬) এবং অপরজন হচ্ছেন মো. লিমন (২৭)।
সূত্র এবং স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে জানা যায়, কলাবাগান বাস স্ট্যান্ডের পাশে দুই যুবককে ছিনতাইকারী হিসেবে গণপিটুনি দেয় সাধারণ মানুষ। ঘটনার খবর পেয়ে কলাবাগান থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত দুই যুবককে উদ্ধার করে। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তি করা হয়।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জরুরি বিভাগের চিকিৎসা চলছে তাদের। চিকিৎসকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, দুই যুবকের অবস্থা গুরুতর নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরওয়ের একটি ক্ষুদ্র শহর বোডো, যেখানে জনসংখ্যা মাত্র ৫৫ হাজার। আর্টিক সার্কেলের নিকটবর্তী হওয়ায় এখানে সবসময় শীতল বাতাস বইলেই মনে হয়। তবে উইয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের উন্মাদনা যেন এখানে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। বোডো শহরের মূল কেন্দ্রবিন্দু আস্পমিরা স্টেডিয়াম, যেখানে ধারণক্ষমতা মাত্র ৮ হাজার।
এসবের মধ্যে, যেখানে নিজের শহরের দর্শকরা খেলা দেখতে স্থান পেতে কষ্ট পান, সেখানে ম্যানচেস্টার সিটির ৩৭৪ জন সমর্থক ইংল্যান্ড থেকে এখানে আসেন। তারা তাদের প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য এসেছিলেন—সুন্দর ফুটবল, উত্তেজনা এবং জয়ের আশায়। কিন্তু মাঠে সত্যিই যা হলো, তা ছিল তাদের প্রত্যাশার বিপরীত।
বোডো/গ্লিমটের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ম্যানসিটি ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়। এটা ছিল বোডোর লিগে প্রথম জয়, যে যাত্রায় তাদের ছিল তিন হার এবং তিন জয়। আস্পমিরা স্টেডিয়ামে সেই রাতে ইংলিশ গানার্সদের পরাজয়ের চিত্র ছিল দৃষ্টিগোচর। তবে, সমর্থকদের ত্যাগ এবং খেলোয়াড়দের মানবিকতার একটি নতুন কাহিনী উন্মোচিত হলো।
ম্যানসিটির চার তারকা, বার্নার্দো সিলভা, রুবেন দিয়াস, আর্লিং হলান্ড ও রদ্রি—এই কাহিনীকে আরও জোরালো করেছেন। তারা ঘোষণা করেছেন, ৩৭৪ সমর্থকের ভ্রমণ খরচ মোট ৯,৩৫৭ পাউন্ড ফেরত দেওয়া হবে।
ইতিহাদ ক্লাবের খেলোয়াড়দের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সমর্থকেরা আমাদের কাছে সবকিছু। ঘরে কিংবা বাইরে—বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করতে তাদের ত্যাগের আমরা করি এবং সেটা কখনো সহজভাবে নেই। তারা এই পৃথিবীর সেরা সমর্থক।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'আজকের ম্যাচে আমাদের সমর্থকদের হিমশীতল আবহাওয়ায় এতদূর আসতে হয়েছে। বোডোতে যারা আমাদের সমর্থন করছেন, তাদের টিকিট খরচ বহন করা আমাদের কর্তব্য।'
ম্যানসিটি সমর্থক এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে সম্পর্কটা সময়ে আরও ফুটে উঠেছে কেভিন পারকারের মন্তব্যে। তিনি বলেন, 'ম্যানসিটির সমর্থকরা দলের জন্য পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। গত রাতটি আর্টিক সার্কেলের মতোই কঠিন ছিল। বোডোতে পৌঁছানো ততটা সহজ নয় এবং শূন্যের নিচের তাপমাত্রা সমর্থকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে, এই সম্পর্ক, এই সমর্থন—চিরকাল অটুট থাকবে।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্লাইমেট পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করার পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবির উদ্দেশ্যে একটি মানববন্ধন এবং বিচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করতে এবং উপকূলীয় জনগণের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বুধবার (২১ জানুয়ারি) কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে মানববন্ধনের এই কার্যক্রমের আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস)।
সকাল ১১টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের পূর্ব পাশে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে, উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন এনএসএসের নির্বাহী পরিচালক শাহাবুদ্দিন পাননা, কোষাধ্যক্ষ খায়রুল বাশার বুলবুল, কেয়ার বাংলাদেশ প্রতিনিধি বায়েজিদ বোস্তামী, এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন আমতলী এপি ম্যানেজার বিভুদান বিশ্বাস।
এ ছাড়া 'উপরা' উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মিরাজ, কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক শামিম হোসেন রাজু, সাংবাদিক জাকির হোসেন, এবং নানা সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এ কর্মসূচীতে অংশ নেন। বক্তারা উল্লেখ করেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যার সমাধানে সরকারের সাথে সাথে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ উপকূল গড়ার ওপর বক্তারা গুরুত্বারোপ করেন। মানববন্ধনের পর এনএসএস এর উদ্যোগে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানও পরিচালনা করা হয়, যেখানে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা পরিষ্কার করা হয়। অভিযানে দুই শতাধিক প্রতিনিধি, পর্যটক ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, এই ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষায় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার সম্মিলিত প্রয়াসকে শক্তিশালী করবে।
এনএসএস এর নির্বাহী পরিচালক শাহাবুদ্দিন পাননা মন্তব্য করেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি উপকূলীয় এলাকায়। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং নদীভাঙনের কারণে এখানকার মানুষের জীবন এবং জীবিকার নিরাপত্তা মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন। পরিবেশের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই উপকূলকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এজন্য পরিবেশবান্ধব আচরণ গ্রহণ, প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস, এবং সামাজিক আন্দোলনে সকলের হাত মেলানোর প্রয়োজন রয়েছে। কেয়ার বাংলাদেশ প্রতিনিধি বায়েজিদ বোস্তামী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন আর কোনো ভবিষ্যৎ আশঙ্কা নয় বরং এটি বর্তমানে একটি কঠিন বাস্তবতা। উপকূলীয় দরিদ্র জনগণের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, অথচ তাদের অভিযোজন ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণকে জলবায়ু সহনশীল কৃষি, বিকল্প জীবিকা, এবং দুর্যোগ প্রস্তুতির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান অপরিহার্য। সরকারের উন্নয়ন সংস্থা এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগও প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব থাকার পর থেকে দুই দশক আগে ২০০৫ সালে সিলেটে কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন তারেক রহমান। বর্তমানে তিনি দলের চেয়ারম্যান হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠের সমাবেশে বক্তৃতা করবেন।
এর জন্য, বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা থেকে অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। তারপর ৯টা ১৮ মিনিটে হজরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবর জিয়ারত করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হজরত শাহপরান (র.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে তিনি শ্বশুর বাড়ির দিকে রওনা দেন।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি শ্বশুর বাড়ি পৌঁছান, যেখানে সাবেক মন্ত্রী অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান তাঁর শ্বশুর। শ্বশুরবাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিরাহিমপুর গ্রামে, যেখানে খালেদা জিয়ার স্মরণে এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে রাতেই গ্র্যান্ড হোটেলে ফিরে যাবেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করবেন তিনি।
এদিকে, রাত থেকেই সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আসছে।
তারেক রহমানের সিলেটে কর্মসূচির ব্যাপারে বিএনপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বুধবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বিমানে সিলেটে পৌঁছাবেন তিনি। রাতে হজরত শাহজালাল (র.) এর মাজার জিয়ারত করবেন এবং বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেবেন।
এছাড়া, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সিলেট বিএনপির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আলিয়া মাদরাসা মাঠের সমাবেশের মঞ্চ ৩০ ফুটের তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ৩০০ জন অতিথি ব্যাঘাতে বসতে পারবেন। নগরীতে বিভিন্ন স্থানে তোরণ, বিলবোর্ড, ও সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা শত শত শুভেচ্ছা ব্যানার লাগিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সমাবেশে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন আসনের বিএনপির প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন।
বিএনপি নেতারা নিশ্চিত করেছেন যে, তারেক রহমান বুধবার রাতে সিলেট পৌঁছে গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে রাত্রি যাপন করবেন। এরপর রাতে মাজার জিয়ারত এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওই হোটেলে অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সিলেটের নানা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর বেলা ১১টার দিকে মাদরাসা মাঠের জনসভায় বক্তৃতা করবেন তারেক রহমান। পরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর আইনপুর খেলার মাঠে সমাবেশে যোগদান করবেন। বেলা ২টায় হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ