শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০২:৩০ এম
রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের পর ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনিসহ অন্তত ২০ জন আহত ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, মহিউদ্দিনের শরীরে লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বিরুদ্ধে টিয়ার শেলের গ্যাসের কারণে ইনহেলেশন ইনজুরি ঘটেছে। তবে তিনি স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন। অন্য আহতদের মধ্যে টিয়ার শেল ও লাঠির আঘাত পাওয়া গেছে। তাদের সবাই জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখনও কাউকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি।
শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার প্রবেশমুখে ইনকিলাব মঞ্চ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। শুক্রবার দুপুরে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে মিছিল ধরলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকে। এই সংঘর্ষ টানা দেড় ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে।
প্রথম দফায়, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল এবং লাঠিচার্জের কারণে অর্ধশতাধিক ইনকিলাব মঞ্চের কর্মী আহত হন। এর প্রতিবাদে, সন্ধ্যায় তারা শাহবাগে সড়ক অবরোধ করেন। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জ এবং টিয়ার শেল প্রয়োগের ফলে মহিউদ্দিন রনিসহ প্রায় ২০ জন আহত হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠে বিএনপির নির্বাচনের জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮ বছর পর। এই ফিরে আসাটিই নেতাকর্মীদের কাছে এক রাজদর্শন। প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে এবং ঢাকা-৬ আসনের জন্য বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের মঞ্চে ওঠা নিশ্চিতভাবে এই রাজসিকতার চিহ্ন।
উৎফুল্ল জনতা এবং এলাকাবাসীরা বলছেন, তাদের কাছে তিনি আইডল ইঞ্জিনিয়ার হোসেন। তাদের উৎসাহিত করতে এবং সমর্থকদের আনন্দিত রাখার জন্য প্রধান জনসভার পূর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের শিল্পীরা।
এরপর যখন মাগরিবের আজান হয়, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক মঞ্চে দাঁড়িয়ে নেতৃবৃন্দকে নিয়ে নামাজ আদায় করেন।
তারপর শুরু হয় জনসভা।
এই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘পুরান ঢাকাবাসী সুষ্ঠু নির্বাচনে কখনো বিএনপিকে হতাশ করেনি। ক্ষমতায় গেলে ইশরাক হোসেন গোটা পুরান ঢাকাবাসীর কাছে থাকবে।’
এসময় ইশরাক ব্যক্ত করেন, পুরান ঢাকাবাসী সব সময়ের মতো তাকে ভবিষ্যতে পাশে পাবেন।
তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল জামায়াতকে সতর্ক করে বলেন, ‘নারীদের প্রতি অবিশ্বাস্য আচরণ বিএনপি কখনোই মেনে নিবে না।’
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, জামায়েত ইসলামী তাদের স্কুলে লাঠি ও আগ্নেয়াস্ত্র জড়ো করেছিল। সূত্রাপুর থানায় জানানো ৪ ঘণ্টা পরেও ব্যবস্থা না নেয়ায় তারা সেগুলি ট্রাকে করে সরিয়ে নেয়।
সভা সঞ্চালক জানান, ৯ তারিখ ইঞ্জিনিয়ার ইশরাককে সমর্থন জানাতে ধূপখোলা মাঠেই জনসভার আয়োজন করবেন তারেক রহমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে ২৪ ঘণ্টারও কম সময় বাকি। এর মধ্যে নিজেদের স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে ভারত ক্রিকেট দলের।
শারীরিক ক্ষতির কারণে দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার হার্শিত রানা। তার পরিবর্তে ভারতের স্কোয়াডে যোগ হয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ সিরাজ।
আসন্ন টুর্নামেন্ট যা শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে, সেখানে এই পরিবর্তন কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
৪ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে হার্শিত রানা হাঁটুর চোটে আক্রান্ত হন। ম্যাচের পর স্ক্যান করার পর জানা যায়, চোটের পরিস্থিতি গুরুতর। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে বিসিসিআইয়ের মেডিকেল টিম তাকে টুর্নামেন্টে খেলার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করে।
হার্শিত রানা বাদ পড়া ভারতের জন্য একটি বড় ধাক্কা বলেই মনে করেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘১৫ জনের স্কোয়াড তৈরি করতে অনেক চিন্তা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন কম্বিনেশন বিবেচনা করে দল গঠন করা হয়েছিল। হার্শিত ছাড়া আমাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হবে—এটা স্বাভাবিক। তাকে আমরা নিঃসন্দেহে মিস করব।’
তবে বিকল্প নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা নেই ভারত অধিনায়কের। সূর্যকুমার বলেন, ‘আমাদের কাছে যথেষ্ট খেলোয়াড় আছে এবং বিভিন্ন দলের বিপক্ষে খেলার জন্য একাধিক কম্বিনেশনও রয়েছে। আমরা দেখব, গত এক–দুই বছরে কোন পেসার ভালো খেলে আসছেন এবং ক siapa নিচের দিকে কিছুটা ব্যাটিং করতে পারেন। তবে ৯ বা ১০ নম্বরে নামা প্লেয়ারকেই ছক্কা মারতে হবে—এমন কোনো চাপ নেই। আমাদের হাতে কিছু বিকল্প আছে, সেখান থেকে সেরাটি বেছে নেওয়া হবে।’
অবশেষে নির্বাচকদের আস্থা পড়ে মোহাম্মদ সিরাজের ওপর। ৩১ বছর বয়সী এই পেসার সর্বশেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে। সম্প্রতি রঞ্জি ট্রফিতে হায়দরাবাদের হয়ে খেলেছেন সিরাজ। জানা গেছে, ঘোষণার এক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
ভারতের পরিবর্তিত বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সাঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), ইশান কিশান (উইকেটকিপার), তিলক ভার্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবাম দুবে, অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), রিঙ্কু সিং, জাসপ্রিত বুমরাহ, আর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং মোহাম্মদ সিরাজ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘জামায়াত যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে, সেক্ষেত্রে দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে এবং মাস্টার্স পর্যন্ত পড়ালেখার জন্য সরকারের সম্পূর্ণ খরচে সুযোগ দেয়া হবে।’’
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালের সাড়ে ৩ টায় পিরোজপুর শহরের জেলা স্কুল মাঠে जिला জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “যারা জনগণের সরকার চায় না এবং দেশকে গোলাম বানিয়ে রাখতে চায় তারা এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার পর মিথ্যাচার করছে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “অতীতে অনেক ম্যাগা প্রকল্পের নামে দুর্নীতি হয়েছে। আমার দেশের ২৮ লাখ কোটি টাকা চুরি করে পাচার করেছে স্বৈরাচারী সরকার। এই টাকার মালিক হলো জনগণ। আল্লাহ আমাদের সুযোগ দিলে আর কাউকে লুটপাট করতে দেবো না। মুখে হাত ভরে দিয়ে সব বের করে নিয়ে আসবো।”
তিনি চুরি ও ডাকাতি করা জনগণের টাকাকে নিয়ে যারা অপরাধ করেছেন, তাদের জন্য কোনো রকম ছাড় দেয়ার ইঙ্গিতও করেন।
তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ করে জামায়াতের আমির বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা বেকার ভাতা চাইলে, তারা কাজের অধিকার চেয়েছিল।”
যুবসমাজকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “আমরা যুবসমাজকে কথা দিচ্ছি, ইনশাআল্লাহ, তাদের সঠিক শিক্ষা এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে পেশাগত দক্ষতায় পরিণত করা হবে। পরে তাদের হাতে যোগ্য সম্মানজনক কাজ তুলে দেয়া হবে।”
নারীর প্রতি সম্মান এবং নিরাপত্তা প্রদান নিয়ে তিনি বলেন, “মায়েদের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে হবে। মায়ের অপমান এ জাতি সহ্য করবে না। ঘর এবং কর্মস্থল—সব জায়গায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
এছাড়াও তিনি ঘোষণা দেন, “বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা উপজাতি বলে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, নাগরিক হিসেবে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।”
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন এবং গণভোটকে কেন্দ্র করে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, “আপনার প্রিয় নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীসহ يوليو আন্দোলনের শহীদদের বিচার করার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিন। আগামী ১২ তারিখে নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের নির্বাচনের। তাই গণভোটে ‘হ্যাঁ মানে আজাদি’, ‘না মানে গোলামী’—এই কথাগুলো মাথায় রেখে দুর্নীতিমুক্ত, শোষণহীন ও ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।
জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসেন ফরিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুয়ায্জম হোসাইন হেলাল, লেবার পার্টি চেয়ারম্যান ডাক্তার মুস্তাফিজুর রহমান। পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী, পিরোজপুর-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী শামীম সাঈদী এবং পিরোজপুর-৩ আসনের এনসিপি প্রার্থী ড. শামীম হামিদীসহ ১১ দলের ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ।
পরে পিরোজপুর-১ ও ২ আসনের প্রার্থী মাসুদ সাঈদী এবং শামীম সাঈদীর হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা, পিরোজপুর-৩ আসনের এনসিপির শামীম হামিদীর হাতে শাপলা কলির প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দলের জয় লাভের জন্য ১২ বলে ৩৩ রান প্রয়োজন ছিল। ১৯তম ওভারের প্রথম বল করতে আসেন শরিফুল ইসলাম। প্রথম বলেই দুর্দান্ত এক ছক্কা হাঁকান নুরুল হাসান সোহান। এর পরে আবার একটি ছক্কা হাঁকান পরবর্তী বলটিতেও। এই ওভারে চারটি ছক্কায় ২৬ রান তুলে এনে সোহান জয়ের পথ মসৃণ করেন। শেষ ওভারে তখন দলটির জন্য প্রয়োজন ৭ রান। মুকিদুলের তৃতীয় বলটি মোকাবিলা করে সোহান একটি বাউন্ডারি হাঁকান এবং তিন বল বাকি থাকতে দলের জয় নিশ্চিত করেন দুর্বার।
চাপের মধ্যে থাকা সোহান, ৪৪ বলে ৭৬ রানের চমৎকার ইনিংস উপহার দিয়ে তাঁর দলের জয় নিশ্চিত করেন। দুর্বার একাদশ ধূমকেতু একাদশকে ২ উইকেটে পরাজিত করে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসের মাধ্যমে ধূমকেতু প্রথমে ব্যাট করার উদ্দেশ্যে মাঠে নামেন। প্রথম ওভারে তানজিদ গোল্ডেন ডাক মেরে মাঠ ত্যাগ করেন। এরপর সাইফ হাসান এবং অধিনায়ক লিটন দাস একটি দৃঢ় জুটি গড়েন।
দলীয় ৩৭ রানে সাইফ হাসান এলবিডব্লিউ'র শিকার হলে তাঁর স্কোর ছিল ২০ বলে ২৮ রান। চতুর্থ স্থানে নামা পারভেজ হোসেন ইমন সুবিধা তোলে ফেলতে পারেননি। ১৫ বলে ১৩ রান করেই নিজের ইনিংস শেষ করেন।
লিটন দাস একটি প্রান্ত ধরে রেখে খেলতে থাকলেও ৬ বলে ৭ রান করেই বিদায় নিতে হয় তাওহিদ হৃদয়কে। পরে শেখ মেহেদী হাসান দলের হাল ধরেন। দলের ১১৯ রানে লিটন ৩৭ বলে ৪৩ রান করে আউট হন।
শেষদিকে ব্যাট হাতে কিছুটা লড়াই চালিয়ে যান মেহেদী। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ৮ বলে ১৭ রান করার পর বিদায় নেন এবং মেহেদী ২৭ বলে ৩১ রান করে অবশেষে দলের হয়ে টিকে থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ধূমকেতু একাদশ ১৫৬ রান করতে সক্ষম হয়েছিল।
দুর্বার একাদশের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন হাসান মাহমুদ ও তানভীর ইসলাম। সাইফউদ্দিন এবং আলিস আল ইসলাম ১টি করে উইকেট নেন।
জবাব দিতে গিয়ে হাবিবুর রহমান সোহান এবং নাজমুল হোসেন শান্তর ওপেনিং জুটি ১৫ রান সংগ্রহ করে। শান্ত ৭ বলে ২ রান করে মাঠ ছেড়ে যান। সোহানও পরবর্তী ওভারে ৯ বলে মাত্র ১৭ রান করে ফিরে যান। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৪ বলে ১ রান করে বিদায় নেন। প্রথম ২০ রান করার পর দুর্বার চারটি উইকেট হারায়।
২০ বলে ১৩ রান করে জয় ৪৬ রানে থামেন। পরবর্তীতে একা লড়ে যান নুরুল হাসান সোহান। তিনি ৪৪ বলে ৭৫ রান করে দুর্বার একাদশকে ২ উইকেটে জয় এনে দেন। ধূমকেতু একাদশের হয়ে ৪ উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান। ১টি করে উইকেট শিকার করেন নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ