শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৬:১৮ পি.এম
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ মো. জাহিরুল ইসলাম (৪৪) নামে এক অস্ত্রধারী চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বসিলা সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ মো. জাহিরুল ইসলাম নামে এক চিহ্নিত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কৃষি মার্কেট এলাকায় একটি অফিস দখল করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছিলেন জাহিরুল ইসলাম। ব্যবসায়ীরা ভয়ে কখনও লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। তবে মৌখিকভাবে বেশ কিছু দিন ধরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে আসছিলেন।
এতে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে তাকে তার বাসা থেকে একটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ৭.৬৫ মিমি পিস্তলসহ আটক করা হয়। পরবর্তীকালে আটক ব্যক্তির দেয়া তথ্যানুযায়ী, তার অফিসে অভিযান চালিয়ে আরেকটি একই ধরনের পিস্তল উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তি এবং উদ্ধার কারা অস্ত্র ও গোলাবারুদ মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার অনুরোধ জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, সরকার দেশের গণমাধ্যমগুলোর কাছ থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রত্যাশা করছে।
শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়গুলো জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৮ মাস ধরে গণমাধ্যম অভূতপূর্ব স্বাধীনতার অধিকার ভোগ করছে। তবে, মৌলিক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ে ব্যর্থতার কিছু উদাহরণ দেখা যাচ্ছে। ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি সংক্রান্ত পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু গণমাধ্যম বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করে, যার জন্য সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
শফিকুল আলম জানান, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদে আয়োজিত কর্মসূচির সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আবদুল্লাহ আল জাবের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন। চোট পেয়ে অনেক সমর্থক ও কর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান।
তিনি আরও বলেন, জাবেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে দাবি করা হয় যে তিনি ‘গুলিবিদ্ধ’ হয়েছেন। প্রেস সচিব এই ভাষাকে গভীর অর্থবোধক উল্লেখ করে বলেন, 'গুলিবিদ্ধ' শব্দটি স্বাভাবিকভাবেই সরাসরি গুলিতে আহত হওয়ার ধারণা প্রকাশ করে। এই পোস্টটি দ্রুতই ভাইরাল হয়ে পরিস্থিতিকে উত্তেজিত করে তোলে।
শফিকুল আলম অভিযোগ করেন যে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রের মতো বড় গণমাধ্যম ওই ফেসবুক পোস্টকে সত্য ধরে নিয়ে ফটোকার্ড ও শিরোনামে সেই খবর প্রচার করেছে। এর ফলে ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরো জানান, সরকার তৎক্ষণাৎ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও গুলি ছোড়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে পুলিশ এখন প্রাণঘাতী অস্ত্র বহন করে না। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কাছে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, জাবেরসহ কোনো আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়নি।
শফিকুল আলম বলেন, সংবাদ সংগ্রহ একটি গুরুতর দায়িত্ব। একটি ভুল সংবাদ সহিংসতা সৃষ্টি করতে পারে, দাঙ্গার কারণ হয়ে যেতে পারে এবং অরাজকতার সৃষ্টি করতে পারে। তবে পূর্বের সংঘর্ষের ঘটনা সম্পর্কে অনেক সংবাদমাধ্যম মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা শুধুমাত্র ক্লিকবেইটের ফাঁদে পড়েনি, বরং এই পরিস্থিতিকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।
তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার, ডিএমপি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্তব্য পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়ক হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমানের দুর্ঘটনার পর সহিংসতার উদাহরণ তুলে ধরেন এবং বলেন, ভুল ও অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশনের ফলে তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল। তখন একটি উচ্ছৃঙ্খল জনতা স্কুলের মধ্যে আটকে রাখা বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাকে নয় ঘণ্টার বেশি আটকে রাখে এবং অন্য একটি গ্রুপ সচিবালয়ে ভাঙচুর চালায়।
তিনি উল্লেখ করেন, 'গতকালের বেপরোয়া ক্লিকবেইট সাংবাদিকতা প্রায় একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল।'
শফিকুল আলম সাংবাদিকদের দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সরকার, রাজনীতিক ও প্রভাবশালীদের দায়িত্বশীলতার কথাও সাংবাদিকরা প্রায়ই মনে করিয়ে দেন। কিন্তু নিজেদের সাথে আয়নায় তাকাতে গিয়ে অনেকেই তা স্বীকার করতে চান না। সূত্র: বাসস
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় শাহবাগ এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। জাতিসংঘের অধীনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র প্রয়াত ওসমান হাদির হত্যার ঘটনার তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান করেন। একই দাবিতে তারা শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের মোড় ও শাহবাগ এলাকায় অবরোধ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলে তাদের সাথে পুলিশ উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করেন, যেখানে সংঘর্ষ শুরু হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টালিপাড়ার দীর্ঘদিনের খবর অনুযায়ী, যিশু এবং নীলাঞ্জনার সংসার বিচ্ছেদের পথে চলেছে। এই গুঞ্জন এবার কার্যত সত্যি হতে যাচ্ছে। অভিনেত্রী এবং নির্মাতা নীলাঞ্জনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এর প্রতি ইঙ্গিত প্রকাশ পেয়েছে।
প্রেমের মাধ্যমে বিয়ের পর যিশু সেনগুপ্ত এবং নীলাঞ্জনা শর্মার সংসারের বয়স ইতোমধ্যে ২০ বছর। তারা টালিউডের ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতির কারণে তাদের সম্পর্কের দুটি পথ আলাদা হতে চলেছে।
নীলাঞ্জনা ইনস্টাগ্রামে তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘কখনো কখনো জিনিস শেষ হয় এটার জন্য নয় যে তার অর্থ শেষ হয়ে গেছে, বরং এই কারণে যে সেটার আর আমাদের নতুন করে কিছু দেয়ার থাকে না। এই অধ্যায় যখন শেষ হচ্ছে, আমার কেবলই কৃতজ্ঞ অনুভব করছি।’
অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘আমি যখন নিজেকে চিনতাম না, সেই সময় আমায় যে মর্যাদা ধরে রাখতে শিখিয়েছে, যে স্বাধীনতা দিয়েছে, যার পরবর্তী সময় ধীরে ধীরে আমার মধ্যে বেড়ে উঠেছে নিশ্চুপে, যে আত্মসম্মান জাগিয়েছে সেটা নননেগোশিয়েবল হয়ে দাঁড়িয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
তিনি তার পোস্টের শেষ ভাগে লেখেন, ‘আমি শিখেছি, আমি কী বয়ে নিয়ে চলতে পারি। যা আজ শেষ হলো তা আমায় ভেতর থেকে শূন্য করে গেল না। বরং স্বচ্ছতা দিয়ে গেল, সাহস দিল এবং নিজের উপর আত্মবিশ্বাস জাগালো। এটা এমন একটা শেষ যা আমি সম্মানের সঙ্গে এবং সম্পূর্ণ হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করলাম।’
শেষবার দর্শক যিশু সেনগুপ্তকে সৃজির মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবি 'লহ গৌরাঙ্গের নাম রে' ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখতে পেয়েছে। এছাড়া তিনি সৌরভ দাসের সাথে একটি নতুন প্রযোজনা সংস্থা তৈরি করেছেন। অন্যদিকে, নীলাঞ্জনা শর্মার প্রযোজনা সংস্থার নাম 'নিনি চিনিস মাম্মা'।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্যক্তিগত উপাত্তের সুরক্ষা এবং আইন কার্যকরী করতে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
সংশোধনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (সিআইআই) সমূহের উপাত্তের একটি রিয়াল-টাইম কপি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রাখতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগের পক্ষ থেকে সংক্রান্ত গেজেট ৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
এই অধ্যাদেশকে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত করা হবে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার কথা।
রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধিকার বলে এই অধ্যাদেশ জারি করেন।
সংশোধিত অধ্যাদেশের ধারা ২৯ এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। নতুন বিধানের মাধ্যমে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ এর ক্ষেত্রে ক্লাউডে সংরক্ষিত উপাত্তের কমপক্ষে একটি সিংক্রনাইজ্ড রিয়াল-টাইম কপি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে সংরক্ষণ করতে হবে। আর সীমাবদ্ধ ব্যক্তিগত উপাত্তের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর থাকবে।
মূল অধ্যাদেশের (২০২৫ সনের ৬১ নং অধ্যাদেশ) ধারা ৪৮ এ শাস্তির বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধনীতে নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে ‘কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে’ এই শব্দগুলোর পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘অর্থদণ্ডে’র বিধান প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে বিচার্য অপরাধের ক্ষেত্রে এখন কেবল আর্থিক জরিমানার বিধান বিদ্যমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ তার ক্রিকেট খেলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এখনও ক্রিকেটে অবদান রাখতে চান যদি তার ফিটনেস এবং পারফরম্যান্স ঠিক থাকে।
সর্বশেষ অনুষ্ঠিত বিপিএলে মাহমুদউল্লাহ রংপুর রাইডার্সের হয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং ব্যাট হাতে তার দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। তবে তিনি চলমান অদম্য কাপের সুযোগ পাননি, যেখানে শুধুমাত্র জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও তাদের আশেপাশের ক্রিকেটারদের নিয়ে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে।
অদম্য কাপে সুযোগ না পাওয়ার বিষয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "আমি এখন আর কারেন্ট ক্রিকেটার নই, জাতীয় দলের বিবেচনায় থাকার মতোও নই। আমার খেলা আমি খেলেছি, আলহামদুলিল্লাহ। বাংলাদেশ দলের হয়ে দারুণ একটি জার্নি ছিল। এখন যারা জাতীয় দলে খেলছে বা খেলার যোগ্য, তারাই এই টুর্নামেন্টে খেলবে। আমি ঘরে বসে নিজের কাজ করছি, এতেই খুশি।"
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও মাহমুদউল্লাহ বলেন, "আমি জানি না লাইফ কোনদিকে যাবে। এখন জীবন উপভোগ করছি। এখনও ফিট আছি, এখনও ক্রিকেট খেলতে চাই। সব কিছু নির্ভর করবে শরীর, ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের ওপর। যদি মনে করি আমার আর ক্ষুধা বা তাড়না নেই, তখন আর খেলব না। যতদিন আছে, খেলে যাব।"
বাংলাদেশ দলের হয়ে তার দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ার নিয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "আল্লাহর রহমতে ১৮ বছর বাংলাদেশ দলে খেলার সৌভাগ্য হয়েছে। এখন বিপিএল, প্রিমিয়ার লিগ, আর যদি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সুযোগ আসে সবই উপভোগ করছি। আলহামদুলিল্লাহ।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ