সোমবার, ২ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৫৬ পি.এম
২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য নতুন বেসরকারি মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এবারের আবেদন প্রক্রিয়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর আলোকে সম্পন্ন হবে। আবেদনটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে এবং হার্ডকপি বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিও শাখার উপসচিব মো. আব্দুল হান্নানের সই করা একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে নতুন বেসরকারি কারিগরি এবং মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আবেদন প্রক্রিয়াটি হবে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা টেকনোলজি—বিএমটি ও ডিপ্লোমা) এবং মাদরাসা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ভিত্তিতে।
এতে জানানো হয় যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে কোনো আবেদন গ্রহণ হবে না। আবেদন করতে হবে Online MPO Application শিরোনামের প্রদর্শিত লিংকের মাধ্যমে। আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট (www.tmed.gov.bd), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dte.gov.bd), মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dme.gov.bd) এবং বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর ওয়েবসাইট (www.banbeis.gov.bd) ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে এমপিওভুক্তির জন্য সরাসরি হার্ডকপি, ই-মেইল বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদন করার প্রক্রিয়া অনলাইনে প্রদর্শিত নির্দেশিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণের সকল কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীপিকা পাড়ুকোনের ভূমিকা এখন বদলে গেছে! তিনি এখন জানাচ্ছেন, কিসে ভরপুর তাঁর মনে মোহাবিষ্টতা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তৈরি পোশাক খাতে বিশাল স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, সেই সঙ্গে পণ্য ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। শিপিং লাইনগুলোতে শত কোটি টাকার ক্ষতির দাবি উঠেছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আন্তর্জাতিক নৌ বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের মান কমছে।
মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে ধর্মঘট পালন করছে চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা, ফলে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্য অনেকাংশেই বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের তৈরিপোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা এই অসুবিধায় সবচেয়ে বেশি ভুগছেন।
বিজিএমইএর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেছেন, "আমরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। কাঁচামাল ইনহাউস না হলে ফ্লোরগুলো বন্ধ থাকবে। আমাদের ক্ষতি আরও বাড়ছে।"
২১টি বেসরকারি অফডক থেকে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার আমদানি এবং ৩ হাজার রফতানি মিলিয়ে সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার বন্দরে আনা-নেয়া করা হলেও বর্তমানে তা মাত্র দেড় হাজারে নেমে এসেছে। এই কারণে বন্দরে পণ্যের গদি জমে যাচ্ছে।
বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব জানান, "আমরা আমদানি ও রফতানি কনটেইনারের মাত্র ৪০-৪৫ শতাংশই সরবরাহ করতে পারছি। বাকি কনটেইনারগুলো বেসরকারি অফডকগুলোতে জমে যাচ্ছে।"
ধর্মঘটের কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাহাজ থেকে আমদানি কনটেইনার নামানো বা রফতানি কনটেইনার তুললেও অনেক বাধার মোকাবিলা করছে। প্রতিটি জাহাজে দৈনিক অন্তত ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের দণ্ড গুনতে হচ্ছে।
শিপিং লাইনগুলোর দাবি, আন্তর্জাতিক নৌ বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের মান কমছে। এমএসসি শিপিংয়ের হেড অব অপারেশন আজমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, "আমাদের জাহাজগুলো দুদিন ধরে বসে রয়েছে।"
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, এই আন্দোলনের ফলে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে খুব সামান্য ক্ষতি হচ্ছে। তারা শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনে অবিলম্বে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক ওমর ফারুক বলেছেন, "আমাদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"
বর্তমানে ৫৯ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতার চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২ হাজার ১০০ টিইইউএস কনটেইনার এবং ৯৭টি পণ্যবাহী জাহাজ সংরক্ষিত রয়েছে। দেশের আমদানি-রফতানির ৯৩ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়, তাই বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হলেও দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে দেশের জনগণের সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে তিনি এই মহিমান্বিত রাতের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, শাবান মাসের এই পবিত্র রাতটি মুক্তির বার্তা নিয়ে আসে। শবে বরাতের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি, কারণ এই রাতেই পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের জন্য রহমতের ও দয়ার ভাণ্ডার খুলে দেন। এটি পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তাও বয়ে আনে।
তিনি আরও বলেন, এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সারারাত ইবাদত করে নিজেদের ভুল ও বিচ্যুতি কানানোর জন্য মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রত্যাখ্যান করেন। এটি আল্লাহর সান্নিধ্যে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।
বিএনপির চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে সকল প্রকার অনাচার, অপকর্ম এবং অপবিত্রতা থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি লেখেন, 'আমরা সকলেই সহিংসতা, রক্তপাত, হিংসা ও বিদ্বেষ পরিহার করে মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণের জন্য সহিষ্ণুতা, সংযম ও সৌহার্দ্যে নিজেদের নিবেদিত রাখবো। মহান রাতে আমাদের এই নিবেদন অবশ্যই আল্লাহর কাছে কবুল হবে।'
তারেক রহমান বিশ্ব শান্তি ও মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, সংহতি এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আল্লাহর কাছে বিশেষ মোনাজাতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটের প্রেক্ষিতে চাঁদপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন কুমিল্লা সেনানিবাসের জিওসি (কমান্ডিং অফিসার) মেজর জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌला।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে তিনি চাঁদপুর সফর করেন এবং সেখানে সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
জিওসি চাঁদপুরে উপস্থিত হলে, তাকে ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান স্বাগত জানান। এরপর তিনি নির্ধারিত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কিত বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন।
সফরের শুরুতে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সেনাবাহিনী এবং বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার এবং আনসার-ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্টও উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে, জিওসি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি জানান যে, নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে। একই সঙ্গে, তিনি আন্তঃবাহিনী এবং প্রশাসনের সকল স্তরের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিদর্শনের শেষে জিওসি চাঁদপুর সেনা ক্যাম্পে যান এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে কর্মরত সকল পদবির সেনা সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি দেশ ও জাতির প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সেনা সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এই পরিদর্শনের সময় জিওসির সাথে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল হাসানসহ ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ