সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
১১:১৬ পি.এম
নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নির্বাচনী জনসমাবেশে বিএনপি মনোনীত ময়মনসিংহ-১ আসনের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, এই নির্বাচন রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়া, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভাগ্য ফেরানোর একমাত্র মাধ্যম ধানের শীষে ভোট দেয়া।
এতে তিনি সকলকে ধানের শীষ প্রতীকে আস্থা ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধানের শীষের মাধ্যমে মুক্তি, গণতন্ত্র এবং জনগণের ভাগ্য ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায়। কৃষক, যুবক, গারো পাহাড়ের পাদদেশের অনুন্নত জনপদ—এই অবহেলার জবাব দেওয়া হবে ধানের শীষে ভোট দিয়ে।
তিনি বলেন, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া এখন অবহেলার প্রতীক। পাহাড়ি ঢলে বন্যায় বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হয়, সীমান্ত অরক্ষিত থাকে, কৃষক ন্যায্য মূল্য পায় না, আর তরুণরা বেকার হয়ে ভবিষ্যৎ হারাচ্ছে, দরিদ্রতা কুরে কুরে খাচ্ছে। প্রতিবছর বন্যা নিয়ন্ত্রণ না হওয়ার কারণে কৃষকের স্বপ্ন পানিতে ডুবে যায়। সবাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে। ধানের শীষে ভোট মানে কৃষকের কান্নার প্রতিশোধ।
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব বলেন, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত। যোগাযোগ, কৃষি, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান—সব ক্ষেত্রেই বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। জনগণের ভোটে ধানের শীষের বিজয় হলে হালুয়াঘাটকে একটি বৈষম্যমুক্ত, পরিকল্পিত ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এবং সাম্য, মানবিকতার ভিত্তিতে তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার আলোকে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা হবে।
প্রিন্স অভিযোগ করেন, অতীতে সীমান্ত এলাকা হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়াকে অবহেলা করে উন্নয়নের নামে লুটপাট চালানো হয়েছে। কৃষকরা ন্যায্য দাম পায় না, তরুণরা বেকার এবং সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের হাহাকাররে মধ্যে রয়েছে।
বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মানবাধিকার ফিরিয়ে দেয়া হবে উল্লেখ করে প্রিন্স বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের কর্মসূচির বাস্তবায়নের জন্য জনগণের রায় চাইছে। এই নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় মানেই জনগণের বিজয়, গণতন্ত্রের বিজয়।
সমাবেশ শেষে ধানের শীষের পক্ষে গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি হালুয়াঘাট পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী হাজারো মানুষ স্লোগানে স্লোগানে পুরো পৌর শহরকে মুখরিত করে তোলে।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. ইমাম উদ্দীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আলী অজগরের ছেলে ব্যারিস্টার খালিদ ইকবাল নিটোল, গারো নেতা জর্নেস চিরান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল মুলতান সুলতানসের মালিকানা রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হয়েছে। লাহোরের একটি নিলামে, যা সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল, ২.৪৫ বিলিয়ন রুপিতে দলটির স্বত্ব কিনেছে মিডিয়া, প্রযুক্তি এবং আর্থিক খাতে কর্মরত প্রতিষ্ঠান ওয়ালি টেকনোলজিস।
সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, এই নিলামে মুলতান সুলতানসের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১.৮২ বিলিয়ন রুপি।
পিএসএলের সিইও সালমান নাসির পাঁচজন যোগ্য দরদাতাকে নিলামে স্বাগত জানান। নিলামের উদ্বোধন করেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। এরপরে মডারেটর সিদরা ইকবাল নিলামের নিয়মাবলী বর্ণনা করেন। ভিত্তিমূল্য ঘোষণার পরেই, আগ্রহীরা বিডিংযুদ্ধে নেমে পড়েন। ফলে, শেষ পর্যন্ত ২.৪৫ বিলিয়ন রুপিতে মুলতান সুলতানসের মালিকানা বিক্রি হয়ে যায়।
লাহোরে অনুষ্ঠিত এই নিলামে সঞ্চালক ফখর-ই আলম জানান, বিজয়ী দরটি আগামী ১০ বছরের জন্য দলটির মালিকানার বার্ষিক ফি অন্তর্ভুক্ত করে। অর্থাৎ, এই অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে ওয়ালি টেকনোলজিস পরবর্তী দশ বছর মুলতান সুলতানসের স্বত্ব উপভোগ করবে।
নতুন মালিকপক্ষ একটি বড় চমক ঘোষণা করে। তাদের প্রধান নির্বাহী আহসান তাহির বলেন, তারা দলটির নাম পরিবর্তন করার চিন্তা করছে, নতুন নাম হতে পারে রাওয়ালপিন্ডি। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনারা কি একটি চমকের জন্য প্রস্তুত? আমরা রাওয়ালপিন্ডির দিকেই যাচ্ছি।’
সফল বিডের জন্য ওয়ালি টেকনোলজিসকে অভিনন্দন জানান পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তিনি মুলতান সুলতানস ফ্র্যাঞ্চাইজিটির নতুন যাত্রা শুরুর জন্য পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান নাজাম শেঠির অবদানের কথাও স্মরণ করেন। মহসিন নাকভি বলেন, ‘মুলতান সুলতানস নাজাম শেঠি সাহেবের হাত ধরেই তৈরি হয়েছিল। যিনি এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন, আজ তিনি আমাদের সঙ্গে আছেন। এটা আমাদের জন্য দারুণ আনন্দের।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, ইউরোপে সামরিক হামলা চালানোর কোনো অভিপ্রায় নেই মস্কোর। তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনও ধরনের সামরিক আগ্রাসন হয়, তাহলে রাশিয়া এর বিপরীতে কঠোরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে এই শীর্ষ রুশ কূটনীতিক ইউরোপের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যুদ্ধের বিষয়টিকে খারিজ করেছেন। লাভরভ জানিয়েছেন, ‘আমাদের ইউরোপে হামলা চালানোর কোনও ইচ্ছা নেই এবং কোনো কারণও নেই’ বলেও উল্লেখ করেছেন।
তবে লাভরভ সতর্ক করে বলেছেন, ঠিক করতে হবে যে ইউরোপ যদি প্রথমে রাশিয়ার ওপর হামলা চালায়, তাহলে রুশ ফেডারেশন ইউরোপে আঘাত হানবে। তিনি বলেন, ‘যদি ইউরোপ আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির হুমকি বাস্তবায়ন করে এবং আক্রমণ শুরু করে, তাহলে আমরা সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করে পূর্ণমাত্রার জবাব দেব।’
রাশিয়া পূর্বে অভিযোগ করেছে যে, ইউক্রেনে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে ইউরোপীয় ইউনিয়ন শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছে। লাভরভ গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ইউরোপীয় কর্মকর্তারা রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপের উচিত ইউক্রেনে রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে সমর্থন দেয়ার জন্য দায়ী হওয়া। লাভরভ বলেন, ‘ইউরোপীয় যুদ্ধপন্থি গোষ্ঠী কৌশলগতভাবে রাশিয়াকে পরাজিত করার লক্ষ্য নিয়ে তাদের ‘রাজনৈতিক পুঁজি’ বিনিয়োগ করছে।’
তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সব ইউরোপীয় দেশ কিয়েভ সরকারকে অর্থ ও অস্ত্রে ভরিয়ে দিচ্ছে।’
রুশ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব ইউক্রেনের রুশভাষী অঞ্চল দনবাসে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া।
অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা ন্যাটোর পূর্ব সীমান্ত রাশিয়ার ‘সম্প্রসারণ থেকে রক্ষা করার’ প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরছেন।
জার্মানির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল কারস্টেন ব্রুয়ার গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে সতর্ক করে জানিয়েছেন, ২০২৯ সালের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে তার দেশকে।
এ ধরনের বক্তব্যকে রাশিয়া যুদ্ধ উসকে দেয়া বা উসকানিমূলক ভাষ্য হিসেবে প্রতিহত করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভোলা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিমের নেতৃত্বে কাফনের কাপড় পরে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন বেশ কিছু কর্মী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতখান পৌর শহরের উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয় থেকে এই মিছিল বের হয়। এটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজারের উত্তর মাথায় অবস্থিত শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মুফতি ফজলুল করিম। কাফনের কাপড় পরা অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে নির্বাচনী পরিবেশ ও ভোটাধিকারের সপক্ষে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান উচ্চারণ করেন।
কাফনের কাপড় পরা নেতাকর্মীরা জানান, মিছিলের মাধ্যমে তারা এই বার্তা প্রদান করছেন যে, ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসলে তারা সমুচিত জবাব দেবেন। ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে তারা জীবন দিতে প্রস্তুত আছেন। তাদের বক্তব্য, কোনও রক্তচক্ষুকে তারা ভয় পায় না। এটি ছিল তাদের কাফনের কাপড় পরার উদ্দেশ্য।
মিছিল শেষে মাওলানা ফজলুল করিম বলেন, যদি কেউ ভোট কেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করে, তাহলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থকেরা জীবন দিয়ে হলেও এটি প্রতিরোধ করবে। অন্যায় বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে অবৈধ চর দখল, ঘাট দখল, চাঁদাবাজি ও দখলদারি মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একটি সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আশ্বাস দেন।
এদিকে কাফনের কাপড় পরে মিছিল করায় দৌলতখান উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয়রা এটিকে নির্বাচনী প্রচারণার একটি নতুন কৌশল হিসেবে দেখছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়ে ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী এবং এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম মন্তব্য করেছেন, পুরনো রাজনৈতিক নিয়মে বাংলাদেশে রাজনীতি আর চলতে পারবে না। একটি অভ্যুত্থান আমাদের মুক্তি দেয়নি। তবে এই নির্বাচন আমাদের স্বাধীনতা এনে দিতে পারে। তিনি বলেন, যদি বিএনপির প্রার্থী এই নির্বাচনে পরাজিত হয়, তবে নির্বাচনের পরেও তাদের নেতাকর্মীরা আমাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে, ইনশাআল্লাহ।
এই মন্তব্য তিনি সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় করেন।
সারজিস আরও বলেন, ‘যখন বাংলাদেশের মানুষ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাতের নির্বাচন, ভোট চুরি এবং ডামি নির্বাচনের শিকার হয়েছে, তখন প্রত্যেকে রাজনৈতিক দলগুলোর উপর আস্থা হারিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোও নির্যাতনের মুখে একসময় ভাবতে শুরু করেছিল যে তাদের মুক্তি পেতে পারে না। নির্বাচনের পর যখন প্রতিটি মানুষ মনে করেছিল যে বাংলাদেশে হয়তো সরকারের পতন হবে না, তখন সেই তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়। আমি সেই তরুণদের, বীরদের এবং শহীদদের স্মরণ করছি।’
তিনি ভোট কেন্দ্রে স্বচ্ছতার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। কেউ যেন ভোট কেন্দ্রে কারচুপি করতে না পারে। যদি কেউ ভোট কেন্দ্রে ঝামেলা করতে আসে, তাহলে তার ঠিকানা হবে হাসপাতালে। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই।’
সারজিস আরও বলেন, ‘পঞ্চগড়ের স্বাস্থ্য খাতে আধুনিকায়নের জন্য আড়াইশ শয্যার হাসপাতালকে পুরোপুরি চালু করা হবে। পঞ্চগড়ে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হবে। যখন কাজ থাকবে না, তখন জীবন-জীপিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করবো, ইনশাআল্লাহ।’
এ অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন সরকারের সঞ্চালনায় জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এবিএম জুলফিকার আলম নয়নের সভাপতিত্বে জেলা জামায়াতে ইসলামের আমির ইকবাল হোসাইন ও খেলাফত মজলিসের আমির হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন বক্তব্য রাখেন।
এর আগে, জোটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল করে জনসভাস্থলে পৌঁছান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ