বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১১ পি.এম
বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা একটি শিশুর সামনে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। শিশুটির পাশেই কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়েছে একটি সাপ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভিডিওটি কোথায় এবং কবে ধারণ করা হয়েছে, সেই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভিডিওটির সত্যতাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা শিশুটি মোবাইলে কার্টুন দেখছে। এ সময় মাঝারি আকারের একটি সাপ ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে মোবাইলের স্ক্রিনের সামনে মাথা তোলে। দেখে মনে হচ্ছে, সাপটিও যেন পর্দার দিকে তাকিয়ে রয়েছে।
কিছুক্ষণ পর সাপটি সরে যেতে চাইলে শিশুটি উঠে বসে সেটিকে ধরে আবার মোবাইলের সামনে আনার চেষ্টা করে। সাপটি আবারও সরে যেতে চাইলে শিশুটি পুনরায় সেটিকে ধরে। পুরো ঘটনা ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে।
এই ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামের ‘Santosh__Stories’ নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। দেখা যায়, ভিডিওটি দেখে কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ শিশুটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
এক নেটিজেন ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন, "সাপটি যদি ছোবল দিত, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।" আরেকজনের মন্তব্য, "সম্ভবত এটি একটি পোষা ও নির্বিষ সাপ।"
তবে ভিডিওটি দেখে সাপটির প্রজাতি বা এটি বিষধর কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপ বিষধর হোক বা নির্বিষ— এই ধরনের প্রাণীর সঙ্গে শিশুদের অবাধ মেলামেশা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বিশেষজ্ঞরা এমন ভিডিও দেখে অনুকরণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র: আনন্দবাজার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের মাঠ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ক্ষেত্রে বর্তমানে নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি স্মরণকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১টিতে নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪৯৯ উপজেলার ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজ করছেন। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে বলছেন, এটি প্রশাসনে নারীর সক্ষমতা এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতিফলন।
এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রশাসনের সর্বোচ্চ ১৮ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছিলেন। বর্তমানে ওই রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বর্তমানে নয় বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যে একজনও নারী নেই।
বর্তমানে নারী ডিসিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার এবং কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার।
এছাড়াও আরও রয়েছেন- রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়, বরগুনার জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন এবং শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে নারী ডিসির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে ৯ জেলায় নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া খুলনা বিভাগে চারজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন, রংপুর বিভাগে দুজন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে একজন করে নারী ডিসি রয়েছেন।
শুধু জেলা প্রশাসনে নয়, উপজেলা প্রশাসনেও নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বর্তমানে দেশের ৪৯৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ প্রায় ৩৯ শতাংশ উপজেলায় প্রশাসনের নেতৃত্বে নারীরা রয়েছেন।
ভূমি প্রশাসনে নারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে ৪৭৮ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর মধ্যে ১১৬ জন নারী, যা মোট পদের ২৪ শতাংশের বেশি।
সব মিলিয়ে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ১ হাজার ৮৫টি পদের মধ্যে ৩৩২টিতে নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ মাঠ প্রশাসনের প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা এখন রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় প্রশাসনেও নারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে ৮১টি সচিব ও সচিব-সমমর্যাদার পদের মধ্যে ১৪টিতে নারী কর্মকর্তারা রয়েছেন। এছাড়া ৩৬১ জন অতিরিক্ত সচিবের মধ্যে ৭৩ জন, ১ হাজার ৫১ জন যুগ্ম সচিবের মধ্যে ২৪৯ জন, ১ হাজার ৬৪৩ জন উপসচিবের মধ্যে ৪০৪ জন এবং ৩ হাজার ৩৫০ জন সহকারী ও সিনিয়র সহকারী সচিবের মধ্যে ৯৮৬ জন নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন।
সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৩০টি পদের মধ্যে মোট ১ হাজার ৬৮৬ জন নারী রয়েছেন। নারীর হার দাঁড়িয়েছে ২৬.৬৪ শতাংশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ, ২৩ জুলাই, ২০২৬: জেলার হরিণাকুণ্ডুতে সাহেব আলী নামে একজন মাংস ব্যবসায়ীকে (কসাই) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পশু জবাই এবং মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের কারণেই তাকে এ জরিমানা প্রদান করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কুলবাড়িয়া বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া বাজারে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট কিংবা ভেটেরিনারি ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন ওই ব্যবসায়ী।
খবর পেয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রদীপ্ত রায় দীপন ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এ সময় ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’-এর সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের কারণে সাহেব আলীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার কুণ্ডু উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন বাসসকে জানিয়েছেন, ভোক্তাদের নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত মাংস ও খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : জাতিসংঘের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে আর এক সপ্তাহ বাকি রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সংস্থাটির ছয় মহাসচিব প্রার্থী একটি প্রতীকী গুরুত্ব বহনকারী সাধারণ পরিষদের (জেনারেল অ্যাসেম্বলি) হলে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিতর্কে অংশ নেবেন।
এবারের প্রচারণায় এখনো কোনো স্পষ্ট শীর্ষ প্রার্থী সামনে আসেননি। নির্বাচন ঘিরে উল্লেখযোগ্য উৎসাহও দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রার্থীরা কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন।
৯০ মিনিটের এই বিতর্কটি ব্লুমবার্গ সম্প্রচার করবে।
জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বিদায়ী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্পান, গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেজ-বিরকেট ও সেনেগালের ম্যাকি সাল।
সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক বলেন, ‘জাতিসংঘের এই টাউন হল বিশ্বে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদের প্রার্থীদের ভাবনা, অগ্রাধিকার ও নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি জানার বিরল সুযোগ করে দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্রমেই বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে জাতিসংঘের এমন একজন অসাধারণ প্রধান প্রশাসক দরকার, যিনি সংস্থাটিকে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী করে তুলবেন। একই সঙ্গে এমন একজন নেতাও প্রয়োজন, যিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জাতিসংঘ সনদ ও এর তিনটি মূল ভিত্তি রক্ষায় কাজ করবেন।’
বর্তমানে জাতিসংঘ তীব্র আর্থিক ও আস্থার সংকটের মুখে রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অভিযোগ, সংস্থাটি বেপরোয়াভাবে অর্থ ব্যয় করছে, অত্যাধিক বিস্তৃত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে ও প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটিকে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশ মানবাধিকার ও উন্নয়ন— এই বাকি দুই ভিত্তির সমান গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছে।
এরই মধ্যে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিটি প্রার্থী তিন ঘণ্টা করে সময় দিয়েছেন।
বেশির ভাগ প্রার্থী সংস্থাকে আরও কার্যকর করতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে মহাসচিবের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
৩০ জুলাই নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য প্রার্থীদের বিষয়ে নিজেদের পছন্দ যাচাই করতে প্রথম দফার গোপন এবং নামবিহীন ভোট দেবেন।
এরপর একই ধরনের আরও কয়েক দফা ভোট হবে। কোনো প্রার্থীকে নির্বাচিত হতে হলে অন্তত নয়টি ভোট পেতে হবে। একই সঙ্গে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো দেশের ভেটোর মুখে পড়া যাবে না।
নির্বাচিত প্রার্থীর নাম পরে আনুষ্ঠানিক নিয়োগের জন্য সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে।
তিনি ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও গণমাধ্যমে এখনো কয়েকটি নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর মধ্যে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নামও রয়েছে।
নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাকে জাতিসংঘের নেতৃত্বে দেখতে চান।
সব সময় অনুসরণ না হলেও ভৌগোলিক পালাক্রমের প্রচলিত রীতির ভিত্তিতে এবার ল্যাটিন আমেরিকা এ পদটির দাবি জানাচ্ছে।
এ ছাড়া অনেক দেশ প্রথমবারের মতো একজন নারীকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৩৮ বছর বয়সি শওকত মিয়া নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর সাথে সাথে আদালত তাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবুল বাসার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত শওকত মিয়া ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র।
মামলার বিবরণ ও এজাহার অনুযায়ী জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ মে বিকেলে সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়ির পাশে তাদের শাক-সবজির (ডাটা) ক্ষেত দেখতে গিয়েছিল।
এ সময় প্রতিবেশী শওকত মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের একটি নির্জন পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।
রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে, স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের 'ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার' এ ভর্তি করায়। ঘটনার পরদিন নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় শওকত মিয়াকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ৬ বছর পর আদালত আজ এ রায় প্রদান করেছে।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট অর্চনা দাস বলেন, ‘একটি অবুঝ শিশুকে নির্যাতন করে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে তার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো। এই শাস্তি সমাজে অপরাধীদের মনে ভীতি সঞ্চার করবে এবং শিশু সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা এ রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ