ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

ছাত্রাবাসের বন্ধ ঘরে পাওয়া গেছে শিক্ষার্থীর মরদেহ


ছাত্রাবাসের বন্ধ ঘরে পাওয়া গেছে শিক্ষার্থীর মরদেহ

নওগাঁ শহরের ডিগ্রি কলেজ এলাকার ‘জননী’ নামক একটি ছাত্রাবাস থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ, যার নাম ইমন হোসেন (২৫)।

শনিবার, ২৫ জুলাই, বেলা ১১টার দিকে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ ওই ছাত্রাবাসের একটি কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত ইমন মান্দা উপজেলার মাগুরা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি নওগাঁ সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন: ভবানীগঞ্জে সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা সভা

পুলিশ ও মেসের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার, ২৪ জুলাই, সন্ধ্যা বেলা, গ্রামের বাড়ি থেকে মেসে ফেরেন ইমন। রাতে অন্যান্য সহপাঠীর সঙ্গে রাতের খাবার শেষ করার পর নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। কিন্তু পরদিন, শনিবার সকাল গড়ালেও কক্ষের দরজা খুলছিল না, যার ফলে সহপাঠীদের সন্দেহ হয়।

তারা দরজা ধাক্কা দিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাননি। এরপর কোনো উপায় না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়। খবর পেয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে ইমনের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুনিরাজ্জামান বলেছেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পাওয়ার পরপরই আমাদের অভিযান শুরু হয়, এবং মরদেহ উদ্ধার করি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারকে খবর দেওয়া হলে তারা হাসপাতালে পৌঁছেছেন।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা সভার আয়োজন

ওসি আরও জানান, এটি হত্যা না আত্মহত্যা, সেটি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হয়ে যাবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের শিকার চার বছরের একটি শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


ধর্ষণের শিকার চার বছরের একটি শিশু

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধর্ষণের শিকার চার বছরের একটি শিশুকে হাসপাতালের ওয়ান স্টোপ ক্রাইসিস সেলে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে শিশুটিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ওসিসিতে প্রেরণ করা হয়।

শিশুর ওপর ঘটে যাওয়া অবস্থার বিষয়টি সন্ধ্যার দিকে নিশ্চিত করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার।

এটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে, উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের একটি গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়িতে কোনো মানুষ না থাকার সুযোগ নিয়ে, ওই গ্রামের মুছা মণ্ডলের ছেলে জিহাদ মণ্ডল প্রতিবেশীর চার বছরের শিশুকে পেয়ারা দেওয়ার কথা বলে তার নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এই ঘটনায় শিশুটিকে বাড়িতে খুঁজে না পাওয়ায় তার স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে অভিযুক্ত জিহাদের ঘর থেকে শিশুটিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এরপর খবর পেয়ে রাতেই গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং শিশুটিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

পরে শুক্রবার সকালে এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়।

শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শজিমেক হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি, তদন্ত স্বপন কুমার সরকার বলেছেন, ভুক্তভোগীর পরিবার একটি মামলা করেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। তবে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসাসহ পরবর্তীতে অন্যান্য সহায়তার জন্য শজিমেক হাসপাতালের ওসিসিতে নেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এ বিষয়ে যা বললেন রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এ বিষয়ে যা বললেন রিজভী

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এ বিষয়ে দলের উচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, এমন কথা জানিয়েছেন BNP এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগর জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি এবং সেখানে এ বিষয়ে কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পদত্যাগকৃত রাষ্ট্রপতির বিচারের দাবির বিষয়টিও একটি দলীয় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হবে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছেন বলেও তিনি দাবী করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে গৃহবধূকে হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


ঝালকাঠিতে চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে গৃহবধূকে হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামি গ্রেপ্তার

ঝালকাঠি শহরের টিএনটি রোড এলাকায় চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে গৃহবধূ মলিনা রায়কে হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামি গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই মামলার প্রধান আসামি রিতোষ একই ভবনের তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া। তিনি স্ত্রী পল্লবী রায় এবং এক সন্তানকে নিয়ে সেখানে বসবাস করতেন। তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন রথযাত্রা উপলক্ষে ভবনের অধিকাংশ বাসিন্দা কীর্তিপাশায় গিয়ে উপস্থিত ছিলেন। তখন রিতোষ পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তার সহযোগী জুয়েল (নয়ন) ডাকুয়ার সঙ্গে সকাল আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটে বাড়ির দ্বিতীয় তলায় মালিক তপন রায়ের বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে। দরজা ভাঙার সময় গৃহবধূ মলিনা রায় ঘটনাটি বুঝতে পারেন এবং তিনি রিতোষকে চিনে ফেলেন।

এ অবস্থায় ধরা পড়ার ভয়ের কারণে দুই আসামি মলিনা রায়ের মুখ চেপে ধরে, হাত-পা বেঁধে একটি বাজারের ব্যাগ মুখে গুঁজে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনা চালাকিতে রিটোষ তার নিজের বাসা এলোমেলো করে রাখেন, যাতে সেটিও চুরির শিকার হয়েছে বলে মনে হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তারা বাড়ির পিছনের দেয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রিতোষকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরে তিনি আদালতে তার দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

এদিকে মামলার অপর আসামি নয়ন ডাকুয়াকে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে। পরে তাকে ঝালকাঠি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির অথৈ আত্মহত্যা: বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


জবির অথৈ আত্মহত্যা: বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রত্যাশা মজুমদার অথৈয়ের 'আত্মহত্যার' জন্য তদন্ত কর্মকর্তার বরাতে তার প্রেমিক ইয়াছিনের ধারাবাহিক 'মানসিক নিপীড়ন'কে দায়ী করা হয়েছে। এর মধ্যে ইয়াছিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার বিষয়টি তার পক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন।

গত বছর ২৯ এপ্রিল, সূত্রাপুরের লক্ষ্মীবাজারের নন্দলাল লেনের বাসায় দাবি অনুযায়ী আত্মহত্যা করেন অথৈ। তার বাবার দ্বারা ইয়াছিন মজুমদারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে পরদিন সূত্রাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ইয়াছিন সেই সময় লালবাগ এলাকায় 'জমিদারি ভোজ' রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেইদিনই গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইয়াছিনকে কারাগারে পাঠানো হয়। কয়েক মাস কারাভোগের পর জামিন পেয়ে ইয়াছিন গত ২৬ এপ্রিল জামিন বাতিল হয়ে আদালতে হাজির থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বলেন, তদন্তের শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছি। কী কারণে আত্মহত্যা করেছে, ভিকটিমের মনের কথা আমার জানা সম্ভব নয়। তবে প্রেমিককে আসামি করা হয়েছে এবং অভিযোগপত্রে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, অথৈ এবং ইয়াছিনের বাড়ি পাশাপাশি এবং তারা চট্টগ্রামের একটি স্কুলে একসাথে পড়াশোনা করেছেন। ইয়াছিন বিভিন্ন সময়ে অথৈকে প্রেমের প্রস্তাব দিলেও সে থেকে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর অথৈ ২০২২-২০২৩ সেশনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগে ভর্তি হয়। সে সূত্রাপুর এলাকায় একটি মেসে বাস করছিল।

অথৈ ঢাকায় স্থানান্তর হলে ইয়াছিনও একই পথে চলে আসে এবং লালবাগ এলাকায় 'জমিদারি ভোজ' রেস্তোরাঁয় চাকরি নেয়। এরপর ইয়াছিন আবারও অথৈকে 'উত্ত্যক্ত' করতে থাকে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে একটি 'প্রেমের সম্পর্ক' গড়ে ওঠে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, তাদের মোবাইল ফোনসহ সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ হত। তবে সম্পর্কের পর ইয়াছিন 'অপমানজনক কথাবার্তা ও অপবাদ' দিয়ে অথৈকে মানসিক নিপীড়ন করত। ঘটনার দিন ২৯ এপ্রিল অথৈ তার ক্যাম্পাসে সংগীত উৎসবের অনুশীলন শেষে মেসে ফিরছিল।

গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ইয়াছিন সংগীত উৎসবে অংশগ্রহণ করতে অথৈকে বারণ করেন। এইসময় তরুণটি গালমন্দসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলে। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়াছিনের আচরণ সহ্য করতে না পেরে অথৈ বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যবর্তী সময়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ইয়াছিন ঘটনার সময় ও আগে মোবাইলে কথাবার্তা থেকে ধারণা করেছিল, অথৈ আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। সে মেস বাড়ির মালিক ও আশপাশের লোকদের নিয়ে অথৈয়ের রুমের দরজার লক ভেঙে প্রবেশ করে অথৈকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে দ্রুত নিচে নামিয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

অথৈয়ের বাবা প্রণব মজুমদার চট্টগ্রামে বসবাস করেন। যোগাযোগ করার পর প্রণব মজুমদার বলেন, মেয়েটা মারা যাওয়ার পর আমি ভেঙে পড়েছি। অসুস্থ হয়ে পড়েছি। সন্তান হারানোর বেদনা বাবা ছাড়া কেউ বুঝে না। সেই বেদনা কীভাবে কাটবে, সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কেউ জানেন না।

প্রণব মজুমদারের দুই মেয়ের মধ্যে অথৈ ছিল ছোট। বড় মেয়ে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তর পড়ছেন। অথৈকে নিয়ে তার বাবা নানা পরিকল্পনা করেছিলেন, দেশে পড়াশোনা শেষে তাকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠানোর। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। প্রণব মজুমদার বলেন, মেয়েটাকে নিয়ে অনেক আশা ছিল। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর নিশ্চিতভাবেই তাকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর প্ল্যান ছিল। কিন্তু তা আর হলো না। মেয়েটাকে পৃথিবী ছাড়তে বাধ্য করা হলো। আমি যার জন্য মেয়েকে হারিয়েছি, তার শাস্তি চাই।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সুমন কুমার রায় অভিযোগ করেন, আসামির মানসিক টার্চারে ভিকটিম আত্মহত্যা করে। ভিকটিমের এবং আসামির মধ্যে ফিজিক্যাল রিলেশনের একটি ছবি ছিল, যার মাধ্যমে ভিকটিমকে ভয় দেখানো হত। মানসিক টর্চার করা হত এবং তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে। সিআইডি পুলিশের ফরেনসিক রিপোর্টে ওই ছবি পাওয়া গেছে। বাদীপক্ষের দাবি অনুসারে আসামি প্রথম থেকে এমন কিছু নেই বলে দাবি করলেও ফরেনসিক রিপোর্টে ছবিটি পাওয়া যাওয়া পর তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী বলেন, ভিকটিমের মা-বাবার চাওয়া ছিল—ঘটনার প্রকৃত সত্য বের হয়ে আসুক। মেয়ের আত্মহত্যার কারণ কী। প্রমাণ হলো, আসামির মানসিক টর্চামে ভিকটিম আত্মহত্যা করেছে।

অন্তরঙ্গ ছবির বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, এমন কিছু তদন্তে পাইনি। আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, ছেলেটা খুব ভালো। তবে সে মারাত্মক অসুস্থ ছিল। বেশ কয়েক দিন আগে হার্ট অ্যাটাক করে মারা গিয়েছে—এটি ওর পরিবার জানিয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবীকে বিষয়টি জানিয়েছি। আগামী তারিখে আদালতকেও অবহিত করব।

ছবির বিষয়ে জানতে চাইলে আসামির আইনজীবী বলেন, ছেলেটাকে বারবার জিজ্ঞাসা করেছি—এমন কিছু আছে কি না। তার কাছে কিছু নেই বলে জানিয়েছে। ওর ফিজিক্যাল ফিটনেস এমন ছিল না। সে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে ছিল। জামিন চেয়েছিলাম মেডিকেল গ্রাউন্ডে। শুনেছি তার শারীরিক অবস্থার কারণে আদালত জামিন দেয়। নগ্ন ছবি থাকার তথ্য সত্য নয়। বাদীপক্ষের আইনজীবীর তথ্য অকার্যকর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%