বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৬:৫৭ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গত ৫৪ বছরে আমরা অনেকগুলি নির্বাচনের সাক্ষী হয়েছি। বহু প্রতিশ্রুতি ছিল, কিন্তু অনেকগুলি প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে এক মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর মন্তব্যগুলো তুলে ধরেন।
জুলাই আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই যুদ্ধে আমাদের যুবতীর দল একত্রিত হয়ে দাবি তুলেছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করছি যেখানে ইনসাফ করা হবে, কাজের সুযোগ থাকবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বসন্তের কোকিল নই। অতীতে অনেক নির্যাতন সহ্য করে আমরা এ দেশে ফিরে এসেছি, এই মাটি ত্যাগ করিনি। কষ্টের সময়ে আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, এবং সুখের সময়েও থাকবো। আমাদের লক্ষ্য হলো জাতিকে পিছনে টেনে নেওয়া নয়, বরং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জাতির অধিকার আদায় করব।’
জামায়াত আমির আরো জানান, ‘এটি একটি সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি নতুন বাংলাদেশের নির্মাণের নির্বাচন। এই নির্বাচনের প্রস্তুতি দেড় হাজারের বেশি জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বদলে গড়া হয়েছে।’ তিনি সবাইকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান, যাতে রাষ্ট্রের গণরায় পাওয়া যায়।
জনসভায় তিনি টাঙ্গাইলের আটটি আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।
জনসভায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের ঢাকা উত্তরাঞ্চলের সদস্য হযরত মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান মাদানী, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম, খেলাফত মজলিশের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।
জনসভায় অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতি টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়কে বিশাল জনস্রোত সৃষ্টি করে। সমাবেশের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই। তিনি এটাও নিশ্চিত করেছেন যে, পুলিশের মধ্যে কোন ভীতি নেই এবং নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ হবে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে করার উদ্দেশ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক একটি মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার পর তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো যোগ করেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যদি কোনো জনপ্রতিনিধির অশোভন আচরণ দেখা যায়, তবে সেটি ফলাও করে প্রচার করুন, ব্যাপারটি পরিষ্কার হয়ে যাবে। কোনো প্রার্থী অশোভন আচরণ করলে, তা স্বাভাবিকেই সমাজে প্রকাশ পাবে এবং পথ থেকে সরে যাবে। অতিরিক্ত হলে তাকে টেক্সি দেখিয়ে বলে দিতে হবে, সেখানে চলে যাবে।’
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নির্বাচনে সহিংসতা সংঘটিত হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো এবং নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র নিয়মিতভাবে উদ্ধার হচ্ছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সভাটিতে অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঘোষিত এই ইশতেহারে দলটি গভর্নমেন্ট গঠন করলে ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।
জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের গুরুত্ব, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজের বাস্তবায়নসহ ২৬টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইশতেহারে জামায়াত ৪১টি ভিশন বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছে۔
১. ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানের আলোকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থে আপসহীন রাষ্ট্র গঠন।
২. বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ গঠন।
৩. যুবকদের ক্ষমতায়ণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদেরকে ভূমিকা দিতে হবে।
৪. নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠন।
৫. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন করে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র গঠন।
৬. সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে কাজ করা হবে।
৭. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক স্মার্ট সমাজ গঠন।
৮. বিভিন্ন সেক্টরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা।
৯. আর্থিক খাতে সংস্কার করে স্বচ্ছ অর্থনীতির গঠন।
১০. সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
১১. রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ঘটে যাওয়া হত্যার বিচার ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা।
১২. জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ ও শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন।
১৩. কৃষি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষকদের সহযোগিতা মজবুত করা।
১৪. ভেজালমুক্ত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ‘সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ’ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া।
১৫. শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।
১৬. শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং নারীদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
১৭. প্রবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করা।
১৮. নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা।
১৯. আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও গরিব জনগণের জন্য উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
২০. শিক্ষাব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার ও বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা。
২১. দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
২২. যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন।
২৩. নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য আবাসন নিশ্চিত করা।
২৪. ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ নিশ্চিত করা।
২৫. সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা।
২৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কল্যাণরাষ্ট্র গঠন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যে দলটি রিয়াল মাদ্রিদের মতো একটি পেশাদার দলকে পরাজিত করে, সেই দলটি কীভাবে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে কোনও চাপ সৃষ্টি না করবে? মাঠে প্রতিযোগিতার চিত্রও এরকমই প্রকাশ পেল, কারণ দ্বিতীয় স্তরের দল আলবাসেতে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে জয় পেতে ক্লান্তির সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে চেষ্টা করতে হলো। রিয়াল মাদ্রিদকে বিদায় দিয়ে আলবাসেতে বার্সাকে বিদায় দেওয়ার সুযোগটি ছিল, তবে তাতে সফল হতে না পারার জন্য হতাশায় আছেন আলবাসেতের কোচ আলবের্তো গন্সালেস।
কোপা দেল রে’র শেষ ষোলোর ম্যাচে দ্বিতীয় স্তরের দল আলবাসেতে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদকে পরাজিত করে চমকপ্রদ অসাধারণতা প্রদর্শন করেছিল। অন্যদিকে, বার্সেলোনা অপেক্ষা করছে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে। কোপা দেল রে’র কোয়ার্টার ফাইনালে আলবাসেতে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছে।
স্পেনের ফুটবলের সফল দুই ক্লাব, বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদ, এক মৌসুমে একই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেয়ার অপূরণীয় সুযোগটি আলবাসেতের সামনে ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ প্রয়োগে ব্যর্থতার জন্য দুঃখিত আছেন আলবাসেতের কোচ আলবের্তো গন্সালেস।
বার্সেলোনার বিপক্ষে ৮৭ মিনিটে ব্যবধান কমিয়েছিল আলবাসেতে। এরপর তারা প্রায় সমতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল। যখন হোয়ান গার্সিয়া বলটি ধীর করে দেন, তখন গোললাইন থেকে ফ্রান গামেসের শট ফিরিয়ে দেন জেরার্দ মার্তিন।
আলবাসেতের আক্রমণ ও রক্ষণে কিছু ছোট ছোট ভুল ও ঘাটতি ছিল। সেইজন্য এই হতাশা পোড়াচ্ছে গন্সালেসকে। তিনি বলেন, 'আমরা নিজেদের অর্ধে দুটি বল হারিয়েছি এবং তার জন্য চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা জয়ের জন্য শক্তভাবে খেলেছি। ভালো খবর হলো, আমরা সমতা ফেরানোর জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাদের শেষ মুহূর্তের সফলতা ছিল না। বার্সেলোনার বিরুদ্ধে গোল করা সহজ নয়।'
আলবাসেতে অভিজ্ঞতা প্রদর্শনে লা লিগার দলগুলোর বিরুদ্ধে ভাল পারফর্ম করেছেন তারা, কিন্তু এখন গন্সালেস চান নিজেদের লিগের দিকে মনোযোগ দিতে। তিনি বলেন, 'আমি কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলেছি, পরবর্তী রাউন্ডে যেতে না পারায় আমরা সবাই দুঃখিত। তবে সময় প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে আমাদের প্রচেষ্টার জন্য আমরা সন্তুষ্ট হব। আমরা কাছে পৌঁছেছিলাম এবং জিততেও পারতাম।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি ক্ষমতায় এলে ফরিদপুরের অঞ্চলে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে বলে এক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রয়োজন রয়েছে, যা কৃষক ভাইদের সুবিধা পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে। সেটি হলো পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় নির্বাচনী জনসভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘সমগ্র অঞ্চলকে ঘিরে আমরা পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করতে চাই। এর ফলে সংকটকাল বা শুকনা মৌসুমে এখানকার মানুষের পানির কষ্ট এবং চাষাবাদের কষ্ট কমবে। আমরা এই কাজটি শুরু করতে চাই।’
পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে একটি প্রতিশ্রুতি প্রদান করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘এই এলাকায় নদী ভাঙন একটি বড় সমস্যা। আমরা একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, কীভাবে নদী ভাঙনের বিরুদ্ধে রোধ গড়ে তোলা যায়। যাতে করে স্থানীয় মানুষের জমিজমা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।’
পাটশিল্প এবং কৃষকদের উন্নয়ন নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘বৃহত্তর ফরিদপুর হলো একটি কৃষি এলাকা যেখানে পাটশিল্প বিদ্যমান। যদি আমরা পাটশিল্পকে সহযোগিতা করতে পারি, তাহলে কৃষক সুবিধা পাবেন এবং দেশের উন্নতিতে অবদান রাখতে পারব। পাট রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। এছাড়া এই চরাঞ্চলে ভুট্টাচাষিদেরও আমরা সহযোগিতা করতে চাই।’
কৃষি ও শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘জনগণের সমর্থন পেলে ইনশাআল্লাহ যেকোনো বড় কাজ করা সম্ভব। ধানের শীষ যদি বিজয়ী হয়, ইনশাআল্লাহ আমরা প্রতিশ্রুতিগুলি এবং আপনার দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে পারব।’
এছাড়াও দুপুর সাড়ে ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভার সূচনা হয় এবং দুপুর পৌনে ৩টায় সেখানে যোগ দেন তারেক রহমান।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইসার সভাপতিত্বে, জনসভায় বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলার ১৫টি সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারেক রহমান। জনসভায় পাঁচ জেলার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ