ঢাকা শনিবার, ০৭ই মার্চ, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ১৮ই রমজান, ১৪৪৭হিজরী
শনিবার, ০৭ই মার্চ, ২০২৬ইং ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২বাং

মেলিন্ডা গেটস এপস্টেইন ফাইলে বিল গেটসের নাম উল্লেখ প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন


মেলিন্ডা গেটস এপস্টেইন ফাইলে বিল গেটসের নাম উল্লেখ প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন

প্রয়াত মার্কিন ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা ও যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্কিত নথি নিয়ে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্ত্রীর ভূমিকায় থাকা মেলিন্ডা গেটস। তিনি জানান, এপস্টেইন ফাইলে তার সাবেক স্বামী বিল গেটসের নাম উঠে আসা তাকে তার দাম্পত্য জীবনের ‘খুবই যন্ত্রণাদায়ক সময়গুলো’ আবার মনে করিয়ে দিয়েছে। বিবিসি উল্লেখ করেছে, গেটসের নাম প্রকাশ হওয়ায় মেলিন্ডা গভীর দুঃখ অনুভব করছেন।

গত নভেম্বরে কংগ্রেসের উভয় কক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগকে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের নির্দেশ দেয়। চাপের মুখে ট্রাম্পও এই নথি প্রকাশের আহ্বান জানান। এরপর ধাপে ধাপে নথিগুলো প্রকাশিত হতে শুরু করে, সর্বশেষ ৩০ জানুয়ারি ৩০ লাখেরও বেশি নথি প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ।

উল্লেখিত নথিগুলোর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম, যেমন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, এবং টেসলার মালিক ইলন মাস্ক, এবং মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও। অনেকের নাম পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন নথিতেও দেখা গেছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন বিশ্লেষক রবার্ট ফার্লি: ই-রানে স্থল অ-ভি-যান সুস্থ মানুষের কাজ নয়

নতুন এই নথিগুলো আন্তর্জাতিকভাবে তুমুল আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এনপিআরের ‘ওয়াইল্ড কার্ড’ পডকাস্টে মেলিন্ডা গেটস বলেন, এপস্টেইন কেলেঙ্কারির সম্পর্কে তার অনুভূতি হচ্ছে ‘অবিশ্বাস্য রকমের দুঃখ’। তিনি বলেন, এসব নথিতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সবাইকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে, সেখানেই আবার তাঁর সাবেক স্বামীও রয়েছেন।

মেলিন্ডা আরও বলেন, ‘এই সব কাদামাখা বিষয় থেকে দূরে থাকতে পেরে আমি সত্যিই স্বস্তি পাচ্ছি।’ ২৭ বছরব্যাপী দাম্পত্য জীবনের পরে ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে এপস্টেইনের ফের কিছু অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে একটি অভিযোগে বলা হয়, বিল গেটস পূর্বে যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর জবাবে, বিল গেটস এই অভিযোগটিকে ‘সম্পূর্ণ হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিল গেটসের মুখপাত্র একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘একজন প্রমাণিত মিথ্যাবাদী ও অসন্তুষ্ট ব্যক্তির দাবিগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।’ উল্লেখযোগ্য হলো, এপস্টেইনের কোনো ভুক্তভোগী বিল গেটসের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধের অভিযোগ করেননি। এপস্টেইনের নথিতে নাম থাকা মানেই অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত নয়।

মেলিন্ডা আরো বলেন, ‘এই ধরনের তথ্য সামনে আসা ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে যায়, কারণ এতে আমার দাম্পত্য জীবনের দুঃসহ স্মৃতিগুলো ফেরত আসে। এখনো বিদ্যমান প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্টদের, অর্থাৎ আমার সাবেক স্বামীকেও।’ মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিচ্ছেদের আগে মেলিন্ডা গেটস তার স্বামীর এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে অস্বস্তিকর ছিলেন। বিচ্ছেদের পরে, বিল গেটস ২০১৯ সালে মাইক্রোসফটের একজন কর্মীর সঙ্গে পরকীয়ার কথা স্বীকার করেন।

আরও পড়ুন: নারীর নেতৃত্বে কূটনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

নতুন প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে ২০১৩ সালের ১৮ জুলাইয়ের দুটি ইমেইল রয়েছে, যা এপস্টেইনের লেখা বলে দাবি করা হচ্ছে, কিন্তু এগুলো বিল গেটসকে পাঠানো হয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত নয়। দুটি ইমেইলেই বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগপত্রের মতো কিছু লেখা রয়েছে এবং সেখানে বিল গেটসের বিরুদ্ধে রাশিয়ান নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অন্য একটি ইমেইলে আরও গুরুতর দাবি রয়েছে, যার সত্যতা আবেদন প্রমাণিত হয়নি।

দীর্ঘকাল ধরে, বিল গেটস এবং তার প্রতিনিধিরা এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ককে খাটো দেখান, বলছেন যে তাদের মধ্যে কিছু নৈশভোজন ছাড়া তেমন যোগাযোগ নেই। নাগালে আসা অভিযোগের পর, বিল গেটসের মুখপাত্র মন্তব্য করেন, ‘এই নথিগুলো শুধুমাত্র গেটসের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়ে কিভাবে এপস্টেইন হতাশ হয়েছিল তা তুলে ধরে।’

প্রকাশিত নথিগুলো এপস্টেইনের বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের একটি চিত্র তুলে ধরে, যেখানে সেলেব্রিটি, ব্যবসায়ী ও বিশ্বনেতাদের নাম রয়েছে। অনেকেই ২০০৮ সালে অপ্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে যৌন সুবিধা নেয়ার অভিযোগে দণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

আরও পড়ুন: সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী খলাফ আহমদ আল হাবতুর : ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধের জন্য সমালোচনা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাহ ও স্কোয়াড্রন লিডার রেজওয়ান হত্যার আসামি লালুকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাহ ও স্কোয়াড্রন লিডার রেজওয়ান হত্যার আসামি লালুকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী

কক্সবাজারের উখিয়া থেকে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার কমান্ডার জাহিদ হোসেন লালুকে (৪০) সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথ অভিযানিক দল গ্রেফতার করেছে। এই অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উখিয়া ডিগ্রি কলেজের পাশে সেনা ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ক্যাম্পটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সায়মন সিকদার। গ্রেফতারকৃত জাহিদ হোসেন লালু উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিবাসী।

জাহিদ হোসেন লালু আলোচিত রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ এবং সীমান্তে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ানুল হক হত্যাসহ একাধিক হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি।

লে. কর্নেল সায়মন সিকদার জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৭টায় কুতুপালং ১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি বাড়িতে লালুর অবস্থানে অভিযান চালানো হয়। যখন সেনাবাহিনী সন্দেহজনক ঘরটি ঘিরে ফেলে, একজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করছিল। তবে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ধাওয়া করে তাকে গ্রেফতার করে। তার দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, লালু বহু দিন ধরে আরসার প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন। তিনি মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তার নেতৃত্বে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও অগ্নিসংযোগের মতো নানাবিধ কার্যক্রম হয়েছিল।

সেনা কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতার লালুর বিরুদ্ধে ২০২১ সালে ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামলা করে ৬ জন ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা, ২৯ সেপ্টেম্বর মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড এবং ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যার ঘটনায় সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেফতার সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান যৌথ অভিযানের এই কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমান: গুপ্তদের নেতারা ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জনগণের পা ধরে থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


তারেক রহমান: গুপ্তদের নেতারা ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জনগণের পা ধরে থাকবে

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা স্বাধীনতা ও প্রকাশের অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, জনগণ তাদের গুপ্ত নামে চেনে।

তিনি বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরে এক নির্বাচনী জনসভায় সাবধান করে বলেন, গুপ্ত একটি গোষ্ঠী জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। জনগণ তাদের এই নামেই চেনে। তাদের রূপ পরিবর্তনের ক্ষমতা রয়েছে।

তিনি শ্রমজীবী মা-বোনদের অপমানিত করার অভিযোগ তুলে বলেন, গুপ্তের দলের প্রধান তাদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছে। যারা খেটেখাওয়া মা-বোনদের সম্মান দেয় না, তাদের থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না। ১৯৭১ সালে তাদের হাতে দেশের মা-বোনদের সম্ভ্রান্তই নষ্ট হয়েছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, গুপ্তদের আরেক নেতা ১২ তারিখ পর্যন্ত নেতাদের জনগণের পা ধরে রাখার কথা বলেছে এবং ১৩ তারিখ থেকে জনগণ তাদের পা ধরে রাখবে।

তবে, তারেক রহমান ভোটারদের বিকাশ নম্বর নিয়েও উল্লেখ করেন, সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে যে, তারা মা-বোনদের বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। যেখানে নিজেরাই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, সেখানে জনগণ কীভাবে বিশ্বাস রাখবে যে, তারা সৎ কারিগরদের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে।

ফরিদপুরবাসীকে তিনি বলেন, যদি ধানের শীষে ভোটে জয়ী হন, তাহলে তারা যে দাবি করেছেন তা বাস্তবায়নে কার্যের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিজয়ের পর ফরিদপুরকে বিভাগ করার কথা বলেন, যদি এর ফলে স্থানীয় জনগণের উপকার হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এখন বিএনপির প্রতি আওয়ামী লীগের ৪৮ শতাংশ সমর্থকের সমর্থন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


এখন বিএনপির প্রতি আওয়ামী লীগের ৪৮ শতাংশ সমর্থকের সমর্থন

জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের প্রায় ৪৮ শতাংশ সময় এখন বিএনপির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন। অন্যদিকে, ৫২ শতাংশ ভোটার বিকল্প কোনো প্রার্থীকে নির্বাচনে বেছে নিতে পারেন। ‘আনকভারিং দ্য পাবলিক পালস: ফাইন্ডিংস ফ্রম আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক একটি মতামত জরিপের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিউনিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিআরএফ) এবং বাংলাদেশ ইলেকশন অ্যান্ড পাবলিক ওপিনিয়ন স্টাডিজ (বিইপিওএস) যৌথভাবে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

সভাপতিত্বের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাবুল হক। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের অর্থনীতি বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এই গবেষণাটি উপস্থাপন করেন লেখক, গবেষক ও সিআরএফ-এর স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেটর জাকারিয়া পলাশ।

প্রতিবেদনটিতে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য ভোটারদের অংশগ্রহণ, নির্বাচনের অগ্রাধিকার, নেতৃত্বের ধারণা এবং নির্বাচনী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। স্ট্রাটিফাইড র‌্যান্ডম স্যাম্পলিংয়ের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১ হাজার ৩৮ জন ভোটারের মতামত সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার আগামী নির্বাচনে ভোট দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে প্রায় ৮ শতাংশ ভোটার এখনও অনিশ্চিত বা ভোটে অংশ নেয়া নিয়ে কোনও পরিকল্পনা করেননি। লিঙ্গ, বয়স, শিক্ষা এবং বসবাসের জায়গার ওপর ভিত্তি করে ভোটদান নিয়ে বড় ধরনের কোন পার্থক্য দেখা যায়নি।

দুর্নীতিই বর্তমানে ভোটারদের কাছে প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে। প্রায় ৬৭.৩ শতাংশ ভোটার দুর্নীতিকে দেশের প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, অন্যদিকে ধর্মীয় বিষয়বস্তু নিয়ে উদ্বিগ্ন মাত্র ৩৫.৯ শতাংশ ভোটার।

ভোটারদের মধ্যে জনদরদি নেতৃত্বের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তারা এমন নেতাদের পছন্দ করেন, যারা জনগণের স্বার্থে কাজ করেন এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।

রাজনৈতিক তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অধিকাংশ ভোটার একাধিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাপনার চেয়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বেশি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সকল দলের সমর্থকদের মধ্যেই ভয়ভীতি প্রদর্শন, জালিয়াতি এবং ব্যালট দখলের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাবেক আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশ এখন বিএনপির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন। জামায়াতকে ভোট দিতে আগ্রহী ২৯ শতাংশ ভোটার এবং বাকিরা অন্য কোনো প্রার্থী বেছে নিতে পারেন।

২০০৮ সালের পর প্রথমবার ভোট দেয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ভোটারদের মধ্যে ৩৭.৪ শতাংশ জামায়াতকে পছন্দ করছে।

ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে অধিকাংশ ভোটার প্রার্থীকে প্রাধান্য দেয়। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার বলছেন, তারা প্রার্থী অথবা প্রার্থী দলের উভয় বিষয় বিবেচনা করে ভোট দেয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর মধ্যে ৩০.২ শতাংশ ভোটার শুধুমাত্র প্রার্থীকে গুরুত্ব দেন এবং ৩৩.২ শতাংশ ভোটার উভয়কেই বিবেচনায় নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মৌলিক ইশতেহার প্রকাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মৌলিক ইশতেহার প্রকাশিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মৌলিক ইশতেহার প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল বেলা রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে দলের নির্বাচনী ইশতেহারটি উন্মোচন করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

তিনি এ সময় বলেন, আমাদের ইশতেহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’। এর কারণ হলো মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে জনগণের প্রত্যাশা উদ্ভূত হয়েছে, সেটিকে রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার নিয়েই এই ইশতেহার প্রণীত হয়েছে।

ইশতেহারে ৩০টি প্রস্তাবনা উল্লেখ করা হয়েছে, যা দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের ওপর দৃষ্টি কেন্দ্রিত করে।

২. দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংকল্প।

৩. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা।

৪. রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বত্র শরীয়াহর প্রাধান্য।

৫. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব মাধ্যমে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন।

এছাড়াও, ইশতেহারে নারীদের, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগণের অধিকার এবং মৌলিক ও মানবাধিকারের সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে।

পরিশেষে, শিল্প উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সহায়তা, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ এবং জনগণের বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের আশ্বাস দেওয়া হয়।

শরীয়াহর প্রাধান্য ও সুশাসনের ভিত্তিতে উন্নতি এবং কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩০ দফার ইশতেহার ঘোষণা করা হলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই রমজান, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০০
জোহর ১২:১০
আসর ০৪:২৫
মাগরিব ০৬:০৪
ইশা ০৭:১৫
সূর্যোদয় : ০৬:১৫ সূর্যাস্ত : ০৬:০৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%