বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৪০ পি.এম
সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ কেন্দ্রে প্রবেশ করেন।
পরীক্ষার প্রথম দিনে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সময়ে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) শাখায় বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র রয়েছেন ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।
পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সরকার ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল চালু রয়েছে, যেখান থেকে দেশের যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাইরে অন্য কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো কেন্দ্রে নকলের ঘটনা প্রমাণিত হলে শুধু পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধেই নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে সার্বিক সমন্বয় ও জরুরি যোগাযোগের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর ০২-২২৩৩৬৯৮১৫। এছাড়া ০১৫৫০৪১১২০৩, ০১৭১৪৯৯৪০৭৩ এবং ০১৭৫৬১০৩১৫২ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। ই-মেইল: controller@dhakaeducationboard.gov.bd।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবার জন্য মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে বাইরে উৎকণ্ঠার সহিত অপেক্ষা করছিলেন মা ফরিদা ইয়াসমিন। তাকে হাতে তসবিহ নিয়ে মেয়ের ভালো ফল ও সফলতা কামনা করার জন্য দোয়া করতে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্রের সামনে এমন একটি আবেগঘন দৃশ্য দেখা যায়। পরীক্ষার সময়, অনেক অভিভাবকই তাঁদের সন্তানের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, এর মধ্যে ফরিদা ইয়াসমিনও ছিলেন।
তিনি জানান, ছোটবেলা থেকে তিনি নিজেই মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েটিকে কোনো প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে পড়ানো হয়নি। এসএসসি পরীক্ষায় মেয়ের ভালো ফলের কথা উল্লেখ করে ফরিদা বলেন, এবারও তিনি একই ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা করছেন।
পরীক্ষা শুরুর পূর্বে, অনেক পরীক্ষার্থীকে বাবা-মাকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে শুরু করেন। কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল যা চোখে পড়ার মতো ছিল।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমমানের পরীক্ষাও শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে এ বছর ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
প্রথম দিনে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম) শাখায় বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ বছর মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। সাধারণ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮ আগস্ট শেষ হবে। এরপর ৯ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিভিন্ন কোর্সের তাত্ত্বিক পরীক্ষা জুলাই মাস এবং আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর সম্পূর্ণভাবেই সফল হয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বারিধারায় ঢাকায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত চীনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। চীন তাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এই প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীন আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে নতুন বিকল্প নিয়ে কাজ করবে। এর মধ্যে চীন-বাংলাদেশ সরাসরি সংযোগ এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
এসময় তিনি বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংঘাত পর্যবেক্ষণ সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডাটা প্রজেক্ট (একলেড)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
একলেডের হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দেশটির সংঘাতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ে অন্তত এক লাখ ১১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক সান মন থান বলেন, সংঘাতটি এখন পুরো মিয়ানমারে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব থাকলেও এই সংঘাত বর্তমানে এশিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ ও সক্রিয় সশস্ত্র সংঘাতগুলোর একটি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনাবাহিনী নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে। এরপর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হলেও কঠোর দমন-পীড়নের মুখে বহু আন্দোলনকারী শহর ছেড়ে দুর্গম এলাকায় আশ্রয় নেন। সেখানে তারা গেরিলা বাহিনী গড়ে তুলে দীর্ঘদিন ধরে লড়াইরত বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে নিজেকে বেসামরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন। বিরোধীদের বর্জনের মধ্যে আয়োজিত নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি এই পদে আসীন হলেও আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো নির্বাচনটিকে বিশ্বাসযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেয়নি। বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোও তার শান্তি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতের কারণে মিয়ানমারে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সঙ্গে চরম দারিদ্র্যের প্রভাবের কারণে প্রতি পাঁচজন নাগরিকের একজন খাদ্যসংকটে রয়েছেন। বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে প্রায়ই গুপ্তহত্যার ঘটনা ঘটছে, আর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।
একলেড জানিয়েছে, গত বছর বিশ্বের সবচেয়ে সংঘাতপ্রবণ দেশগুলোর তালিকায় ফিলিস্তিনের পরেই মিয়ানমার। দেশটির সংঘাতে বর্তমানে এক হাজার ২০০টিরও বেশি সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় থাকায় এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে খণ্ডিত সংঘাতগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের শেষ দিকে বিদ্রোহীদের বড় ধরনের অভিযানে সেনাবাহিনী চাপে পড়লেও পরে চীনের রাজনৈতিক সমর্থন এবং বেইজিংয়ের মধ্যস্থতায় কয়েকটি শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হওয়ায় জান্তা সরকার কিছুটা কৌশলগত সুবিধা ফিরে পেয়েছে।
অন্যদিকে সেনাবাহিনীর জনবল বাড়াতে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে। এর আওতায় প্রায় ৫০ হাজার নাগরিককে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা তরুণদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
চলমান এই সংঘাতের প্রভাব শুধু মিয়ানমারের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়। যুদ্ধের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিচ্ছেন। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার, অনলাইন প্রতারণাসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধও বেড়ে চলেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া কিয়েভে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলাটির সময় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোর হবে এবং এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর উঠে এসেছে। এই তথ্যটি রয়টার্সের মাধ্যমে এসেছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেছেন, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে একটি বহুতল আবাসিক ভবনের অন্তত ছয়টি তলা ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও মানুষ আটকে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। উদ্ধারকর্মীরা ভোর থেকেই মহামারীর ব্যাপকতা আশঙ্কা করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন।
রাজধানীর সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, এই হামলায় অন্তত ৫৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। জানানো হয়েছে, শহরের অন্তত ৩৬টি স্থানে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। তিমুর তকাচেঙ্কো অভিযোগ করেন, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
এদিকে, হামলার আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রুশ হামলার সতর্কতা দিয়েছিলেন। এর কারণে তিনি আয়ারল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে আসেন। হামলার পর তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানান যে, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা উচিত।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের মতে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছেন যে, রাতভর ৩২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
যুদ্ধের পাশাপাশি দুই দেশ একে অপরের ভূখণ্ডেও হামলা অব্যাহত রেখেছে। রাশিয়ার নিজনি নভগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। একটি শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, লেনিনগ্রাদ ও বেলগোরোদ অঞ্চলে ড্রোন হামলার খবর দিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি, ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে গভীর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা জোরদার করেছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়াতে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান চার বছরেরও বেশি সময়ের যুদ্ধ অবসানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, তবে ক্রেমলিন এখন পর্যন্ত সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ