বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:১৫ পি.এম
পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালীন ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নাম দিয়ে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া। মারধরের যে ভিডিওটি প্রচারিত হচ্ছে, সেটি বাংলাদেশের নয় বরং এটি ভারতের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিওটি ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর চলছে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক নির্যাতন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর যে নির্যাতন করছে তার চিত্র এটি! এটি বিএনপির গণতন্ত্র।
বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, গত ১৮ মে ওড়িশার বেরহামপুর শহরে একটি ব্যস্ত রাস্তায় মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ভিডিওটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
আন্দोलनরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার দাবিটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া; মারধরের ভিডিওটি ভারতের।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো মন্তব্য করেছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ দ্বারা বাংলাদেশকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধরনের অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে প্রচার করা হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করারও চেষ্টা চলছে।
পিআইবির ‘বাংলাফ্যাক্ট’ ফ্যাক্ট-চেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তকর তথ্য যাচাই করে সত্য সামনে আনে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে থাকে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধে এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি সংবলিত সোনালি রঙের নতুন ১ ডলারের একটি কয়েন আনছে দেশটির রাষ্ট্রীয় মুদ্রা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউএস মিন্ট। চলতি সপ্তাহে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
নতুন মুদ্রার এক পাশের মধ্যে থাকবে ট্রাম্পের প্রতিকৃতির সঙ্গে ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’ বাক্যটি। তার চারপাশে লেখা থাকবে ‘লিবার্টি’ এবং ‘১৭৭৬-২০২৬’। অপর পাশের মধ্যে থাকবে একটি ঈগলের চিত্র, যার এক পায়ে রয়েছে তির এবং অন্য পায়ে জলপাইয়ের শাখা।
দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি মুদ্রা ও বিভিন্ন নথিতে ট্রাম্পের নাম ও ছবি ব্যবহারের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এর আগে ট্রাম্পের ছবি সংবলিত স্মারক পাসপোর্ট, নতুন ১০০ ডলারের নোটে তার স্বাক্ষর যুক্ত করার পরিকল্পনা, ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের মুদ্রা এবং ২৫০ ডলারের স্মারক নোটের প্রস্তাবগুলিও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।
অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, এই মুদ্রা আমেরিকান মূল্যবোধ, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে।
তবে ১ ডলারের কয়েনে জীবিত কোনো প্রেসিডেন্টের ছবি রাখা আইনের দৃষ্টিতে বৈধ কি না, তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালে পাস হওয়া একটি আইন অনুযায়ী স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রেজারি বিভাগ বিশেষ ১ ডলারের মুদ্রা তৈরি করতে পারে। তবে প্রচলিত মার্কিন বিধিতে সাধারণত মৃত ব্যক্তিদের ছবিই সরকারি মুদ্রায় ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে।
ফক্স নিউজের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ১৫০ বছর পূর্তিতে জীবিত প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজের ছবি সংবলিত কয়েন উৎপাদনের উদাহরণ রয়েছে। সুতরাং জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি ব্যবহারের নজির আগে থেকেই বিদ্যমান।
মুদ্রাটির চূড়ান্ত নকশা ট্রাম্প মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিশন অব ফাইন আর্টসের সুপারিশের চেয়ে কিছুটা আলাদা। কমিশন ট্রাম্পের পার্শ্বচিত্রের সুপারিশ করলেও চূড়ান্ত নকশায় তার সামনের দিকে রাখা হয়েছে প্রতিকৃতি। এ ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানা গেছে।
ইউএস মিন্টের নকশা ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেগান সুলিভান জানান, আইনি মানদণ্ড পর্যালোচনায় তারা এমন কোনো বাধার সম্মুখীন হননি, যা এই নকশাকে আইনবিরোধী প্রমাণ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, নতুন মুদ্রাটা ২৫ সেন্টের কয়েনের তুলনায় কিছুটা বড় হবে এবং এটি ম্যাঙ্গানিজ ব্রাস দিয়ে তৈরি হবে, এর রং হবে সোনালির মতো।
এছাড়া এই ১ ডলারের মুদ্রা ট্রেজারি বিভাগের ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের স্মারক মুদ্রার থেকে ভিন্ন। গত জুনে সিনেটের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা ওই স্বর্ণের মুদ্রা উৎপাদন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, কারণ তাদের আশঙ্কা ছিল যে ইউএস মিন্টের স্বর্ণ সরবরাহের সঙ্গে বিদেশি অপরাধী চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের তফিল মালীর বাড়ি হতে হিমখালী পর্যন্ত খননকৃত খালের খনন কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি খুল উন্মুক্ত রাখার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গণ আন্দোলনটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকালে কাদাকাটি হাজীরহাটে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখলেন কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আঙ্গুর, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আলহাজ্ব এখলাছুর রহমান, মেম্বার বসির আহমেদ টুকু, সাবেক মেম্বার কাজল মালী এবং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নেহাল উদ্দীন মালী প্রমুখ। বক্তাগণ তাদের বক্তৃতায় বলেন, খালটি প্রায় দেড় কিঃমিঃ দীর্ঘ। খাল খনন কাজে এলাকাবাসী সন্তুষ্ট নয় বলে জানান তারা। বক্তাগণ আরও বলেন, খনন কাজ সম্পন্ন করা হয়নি। তবুও খালের মধ্যে মাটির বাঁধ এবং নেটপাটা দেওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিয়েছে। খাল উন্মুক্ত না করায় প্রতি বছর এলাকাবাসী সীমাহীন দুর্ভোগ ভোগ করে থাকে। এবছরও দুর্ভোগ শুরু হয়েছে। যদি এইভাবে চলতে থাকে, তাহলে এলাকার শতাধিক পরিবার কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে। তিন থেকে চারশ' বিঘা জমির আমন ধান এবং ৫০০ বিঘা জমির মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এছাড়াও দুটি বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা পানি বন্ধী হয়ে যাবে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে অনেক এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। মাঠ ও পথঘাট তলিয়ে গেছে। এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত বাঁধ কেটে খাল উন্মুক্ত করা হোক। খালটি উন্মুক্ত করা হলে জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি নিষ্কাশিত হবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং জীব বৈচিত্র সংরক্ষণে সাহায্য করবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জন দুর্ভোগ লাঘব হবে। একই সাথে হিমখালী থেকে কাটাখালী মেইন খাল খনন এবং উন্মুক্ত করার জন্যও দাবি জানান বক্তারা। বক্তাগণ সাথে সাথে খাল খনন প্রকল্পের কাজের তদন্ত, বরাদ্দ ও ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার দাবি জানান, যদি অনিয়ম দুর্নীতি প্রমাণিত হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে जोर দেন। অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্যও তারা জোর দাবি জানান। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ইউএনও বরাবর স্মারক লিপিও পেশ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা তাদের বেতন এবং ভাতা বৃদ্ধি ও বিভাগীয় কর্মচারী হিসাবে স্বীকৃতির দাবীতে ধর্মঘট পালন করেছে। পাশাপাশি মানববন্ধন এবং স্মারকলিপি প্রদান করার কার্যক্রমও সংগঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, সকাল ১১ টায় সারাদেশের অন্যান্য স্থানের সাথে একযোগে আশাশুনির উপজেলার সকল শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা এই কর্মসূচিটি পালন করেন।
আশাশুনি উপজেলা ডাকঘরের সামনের সড়কে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য প্রদান করেন সাতক্ষীরা শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতির প্রধান সমন্বয়ক মাওঃ শিহাব উদ্দীন, সহকারী সমন্বয়কারী আক্তারুজ্জামান, জেলা শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পবিত্র মল্লিক, আশাশুনি উপজেলা ডাকঘর কর্মচারী সমিতির সভাপতি খাদেমুল ইসলাম, এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাজু।
উপজেলার সকল ইউনিয়নের শাখা ডাকঘর কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করার পর মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা ডাকঘরের পোস্ট মাস্টারের কাছে আলাদা আলাদা স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘটের কার্যক্রম গত ৬ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে এবং এটি অযিদ্বিত কালের জন্য চলমান থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা শহরের খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিরোধীয় জমি দখল করে নিজ জমিতে যাওয়ার সড়ক নির্মাণ করেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নুরুজ্জামান কাফি। প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আধারে সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের পেছনে কাফির মালিকানাধীন জমি রয়েছে। সেখানে যাওয়ার সড়ক নেই। তিনি বিদ্যালয়ের বিরোধীয় জমির ৬ শতাংশের মৌখিক বায়না সূত্রে মালিক দাবি করে সড়ক নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানদের সঙ্গে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের মামলা চলছে ওই জমির মালিকানা নিয়ে। নয়নদের পক্ষে দেওয়া রায় সুপ্রিম কোর্টে পুনঃবিবেচনার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জমি দখল ও শ্রেণি পরিবর্তন বৈধ নয় বলে জানা গেছে।
কাফি কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সন্তান। তিনি ‘২৪-র গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠক হিসেবে ভূমিকা রেখে আলোচনায় আসেন। ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদান করে কেন্দ্রীয় সদস্য হন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমি ভোগদখলে রয়েছে। বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে জাতীয়করণের পর বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল হয়ে যায়। জমি নিয়ে উচ্চ স্থানীয় সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানদের সঙ্গে দীর্ঘকাল মামলা চলমান রয়েছে। উচ্চ আদালত নয়নদের পক্ষে রায় দিয়েছে। তবে রায় পুনঃর্বিবেচনার আবেদন করায় সেটা এখনো রয়েছে। এরই মধ্যে কাফি নয়নদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি কিনেছেন দাবি করে রাস্তা দখল করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
নয়ন পাহলান বলেছেন, তার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলছিল। প্রথমে পটুয়াখালী আদালতে এবং পরে ২০২৫ সালের জুনে হাইকোর্ট থেকে পক্ষে রায় পেয়েছেন। কাফির জমিতে যাতায়াতের জন্য ৬ শতাংশ বায়না চুক্তির মাধ্যমে তাকে এটা হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফি বলেছেন, বিদ্যালয়ের পেছনে আমি ৩০ লাখ টাকায় একটি জমি ক্রয় করেছি। সেখানে যাতায়াতের জন্য কোনো সড়ক ছিল না। সড়কের জন্য প্রধান শিক্ষককে বললে তিনি বলেছিলেন অপারগতা। নয়ন পাহলারা আদালতের রায় পাওয়ার পর মৌখিক বায়নার মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি নিয়ে সড়ক করেছি। দিনে মেশিন দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। রাতে দখলের কিছু হয়নি।
কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানাচ্ছেন, সড়ক নির্মাণ না করার জন্য কাফিকে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, জমি বিদ্যালয়ের দখলেই ছিল। উচ্চ আদালতের রায়ের ভিত্তিতে কাফি ক্রয় সূত্রে মালিক দাবি করে সড়ক নির্মাণ করছেন। তবে কোনো রায় পুনর্বিবেচনা চলাকালে বিরোধীয় জমি দখল করা যায় না। এ বিষয়ে কাফিকে নোটিশ দেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ