মঙ্গলবার, ২৫শে নভেম্বর, ২০২৫ ইং
০৬:৫৩ এম
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৪ নভেম্বর সোমবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি এই দোয়ার আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের আমির উল্লেখ করেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মহান রবের নিকট আশু সুস্থতা প্রার্থনা করছি।
সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশের জনগণের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
বিএনপির চেয়ারপার্সনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধানের মধ্যে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, মেডিকেল বোর্ডের নজরদারিতে ম্যাডামের চিকিৎসা চলছে।
এর আগে, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার কারণে রোববার রাত ৮টায় খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী রোববার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বুকে ইনফেকশন হয়েছে এবং তার হার্টের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। সংক্রমণ হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে এবার দেশের সরকারি কলেজগুলোকে চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে। এই চারটি ক্যাটাগরি হচ্ছে- এ, বি, সি ও ডি।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ দেশের সরকারি কলেজগুলোকে এই চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। প্রশাসনিক প্রয়োজনেই এ পুনর্বিন্যাস করা হয়ে থাকে।
এতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে সরকারি কলেজের সংখ্যা ৭০৮টি। তার মধ্যে, ছাত্রছাত্রী সংখ্যা, অনার্স বিষয়ে সংখ্যা এবং শিক্ষা কার্যক্রমের পরিসর বিবেচনা করে মোট ৮১টি কলেজকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যেসব কলেজে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৮ হাজারের বেশি এবং অনার্স বিষয়ে ১০টির বেশি– সেসব প্রতিষ্ঠানকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। বি ক্যাটাগরিতে ৪৫০০ থেকে ৭৯৯৯ ছাত্রছাত্রী এবং কমপক্ষে পাঁচটি অনার্স বিষয় শিক্ষা প্রদানকারী ৯৮টি কলেজ রাখা হয়েছে। সি ক্যাটাগরিতে পাঁচ থেকে আটটি অনার্স বিষয় পড়ানোর পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৮ হাজারের কম এমন ৪৪৬টি কলেজ রয়েছে। এছাড়া, শুধুমাত্র উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ১০৭টি প্রতিষ্ঠানকে ডি ক্যাটাগরিতে স্থান দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত ৮১টি ‘এ’ ক্যাটাগরির সরকারি কলেজের তালিকায় রয়েছে— ঢাকা কলেজ (ঢাকা), চট্টগ্রাম কলেজ (চট্টগ্রাম), ইডেন মহিলা কলেজ (ঢাকা), রাজশাহী কলেজ (রাজশাহী), সরকারি হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজ (চট্টগ্রাম), কবি নজরুল সরকারি কলেজ (ঢাকা), সরকারি ব্রজমোহন কলেজ (বরিশাল), মুরারি চাঁদ কলেজ (সিলেট), সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ (পাবনা), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ (কুমিল্লা), সরকারি ব্রজলাল কলেজ (খুলনা), আনন্দমোহন কলেজ (ময়মনসিংহ), কারমাইকেল কলেজ (রংপুর), সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ (ফরিদপুর), ফেনী সরকারি কলেজ (ফেনী), সরকারি সা'দত কলেজ (টাঙ্গাইল), বৃন্দাবন সরকারি কলেজ (হবিগঞ্জ), সরকারি আজিজুল হক কলেজ (বগুড়া), সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ (সিরাজগঞ্জ), সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ (যশোর), এবং সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ (মানিকগঞ্জ)।
সেইসাথে, দিনাজপুর সরকারি কলেজ (দিনাজপুর), কুমুদিনী সরকারি কলেজ (টাঙ্গাইল), গুরুদয়াল সরকারি কলেজ (কিশোরগঞ্জ), সরকারি তোলারাম কলেজ (নারায়ণগঞ্জ), চাঁদপুর সরকারি কলেজ (চাঁদপুর), সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ (জামালপুর), সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ (সাতক্ষীরা), কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ (কুষ্টিয়া), গাইবান্ধা সরকারি কলেজ (গাইবান্ধা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মাদারীপুর সরকারি কলেজ (মাদারীপুর), নরসিংদী সরকারি কলেজ (নরসিংদী), নেত্রকোনা সরকারি কলেজ (নেত্রকোনা), সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (ঢাকা), সরকারি সিটি কলেজ (চট্টগ্রাম), নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ (মৌলভীবাজার), পটুয়াখালী সরকারি কলেজ (পটুয়াখালী), নীলফামারী সরকারি কলেজ (নীলফামারী), ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ (ঠাকুরগাঁও), সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজ (ঝিনাইদহ), রাজবাড়ী সরকারি কলেজ (রাজবাড়ী), কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ (কুড়িগ্রাম) এবং সরকারি বাঙলা কলেজ (ঢাকা) স্থান লাভ করেছে।
এছাড়া, ভোলা সরকারি কলেজ (ভোলা), রংপুর সরকারি কলেজ (রংপুর), ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ (গাজীপুর), সরকারি শাহ সুলতান কলেজ (বগুড়া), সরকারি তিতুমীর কলেজ (ঢাকা), নওগাঁ সরকারি কলেজ (নওগাঁ), সরকারি পিসি কলেজ (বাগেরহাট), নোয়াখালী সরকারি কলেজ (নোয়াখালী), শেরপুর সরকারি কলেজ (শেরপুর), সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ (বরিশাল), সরকারি হরগঙ্গা কলেজ (মুন্সিগঞ্জ), খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ (খুলনা), চৌমুহনী সালেহ আহমেদ কলেজ (নোয়াখালী), সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ (সুনামগঞ্জ), বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ (ঢাকা), গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ (গোপালগঞ্জ), নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ (নাটোর), সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ (পিরোজপুর), সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ (টাঙ্গাইল), মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ (ময়মনসিংহ), কক্সবাজার সরকারি কলেজ (কক্সবাজার), রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ (রাজশাহী), চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ (চুয়াডাঙ্গা), জয়পুরহাট সরকারি কলেজ (জয়পুরহাট), লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ (লক্ষ্মীপুর), রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ (রাঙ্গামাটি), নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ (রাজশাহী), যশোর সরকারি সিটি কলেজ (যশোর), কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ (কিশোরগঞ্জ), সরকারি শহীদ আসাদ কলেজ (নরসিংদী), টঙ্গী সরকারি কলেজ (গাজীপুর), শরিয়তপুর সরকারি কলেজ (শরিয়তপুর), লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ (ঢাকা), সাভার সরকারি কলেজ (ঢাকা) এবং সরকারি আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ (লালমনিরহাট) প্রভৃতি কলেজ স্থান পেয়েছে তালিকায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টের কারণে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে, রাজধানী ঢাকা শহরের ৪০ শতাংশ ভবন ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশংকা উঁকি দিচ্ছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) তাদের একটি সমীক্ষার বরাতে এই আশঙ্কার প্রকাশ করেছে। যেহেতু ঢাকা শহরের ভবন নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী নির্মিত হচ্ছে এবং নগরের পরিকল্পনা করানোর দায়িত্ব রাজউকের, সেহেতু তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে ‘ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাসে প্রস্তুতি ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় রাজউকের পক্ষ থেকে সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরা হয়। গত শুক্র ও শনিবার চার দফা ভূমিকম্পের পর এই সেমিনারটি সোমবার দুপুরে আয়োজন করা হয়। এতে সরকারের উপদেষ্টা, রাজউকের চেয়ারম্যান, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ভবনগুলোর ঝুঁকি মূল্যায়নের কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি তৃতীয় পক্ষ যুক্ত করে ভবন মূল্যায়নের বিষয়ে কাজ শুরু করার তাগিদ দেন, চূড়ান্তভাবে লক্ষ্য করে বলেন, কোনভাবেই অপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
রাজউক এবং সিটি করপোরেশনকে প্রয়োজন হলে আরও কঠোর হতে হবে এমন মন্তব্য করেন তিনি। যেখানে ধ্বংস করতে হবে, সেখানে নমনীয়তা দেখানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে রাজউককে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়।
সেমিনারে শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানান, রাজউকের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খুব দ্রুত ‘টাউন ইম্প্রুভমেন্ট অ্যাক্টের’ সংশোধন হচ্ছে।
রাজউকের এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল ভূমিকম্প হলে সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা। এটি ‘আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের’ (২০১৫-২০২৪) আওতায় রাজউকের অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে, যার ব্যয় ৫৬৮ কোটি টাকা।
১৮৮৫ সালে দেশে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প ঘটেছিল, যা মধুপুর ফাটলরেখায় ছিল। এরপর ১৪০ বছর পার হয়ে গেলেও ওই এলাকায় আর বড় ভূমিকম্পের দেখা মিলেনি।
রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মো. ওয়াহিদ সাদিক বলেন, মধুপুর ফল্টে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে, ঢাকার ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৯টি ভবন ভেঙে যাবে, যা মোট ভবনের ৪০ শতাংশের একটু বেশি। এতে আনুমানিক আড়াই হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি হবে, যা প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার সমান। ভবন মেরামতে প্রায় ৪ হাজার ৩৭০ কোটি ডলার (৫ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা) ব্যয় হবে।
দেশে বহু বছর ধরে এই ভূমিকম্পের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা চলছে। তথাপি ঢাকায় পুরনো, ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এছাড়া ভবন নির্মাণের সময় আইন মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করা রাজউকের দায়িত্ব।
১৯৫৬ সালে ঢাকার উন্নয়ন ও পরিবর্ধনের জন্য ‘ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি)’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ১৯৮৭ সালে রাজউকে রূপান্তরিত হয়।
রাজউকের লক্ষ্য হচ্ছে ‘পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণ এবং নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা’। তবে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন করার বদলে প্রভাবশালীদের পক্ষে সুবিধা দেওয়া হয় এমন অভিযোগ বহাল রয়েছে।
নগর পরিকল্পনাবিদ আকতার মাহমুদ বলেন, রাজউক মূলত তিনটি কাজের জন্য গঠন করা হয়েছে: পরিকল্পনা তৈরি, উন্নয়ন, এবং উন্নয়নের নিয়ন্ত্রণ। উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রাজউক দুঃখজনকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ৪০ শতাংশ ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা হচ্ছে, এর মূল দায় তাদের উপর। ভবন মালিক এবং প্রকৌশলীরাও দায় এড়াতে পারেন না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান এবং এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই তথ্য তিনি সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে প্রকাশ করেন।
শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেন, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) পূর্বের তুলনায় কিছুটা ভালো আছেন। আমি সার্বক্ষণিক ওনার সঙ্গেই হাসপাতালের মধ্যে থাকছি।
এর আগে, রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসার পর নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় বোর্ডের আরো এক সদস্য জানান, খালেদা জিয়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর পাশাপাশি মাল্টি ডিজিজ জটিলতা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বয়সজনিত কারণে যদিও সব চিকিৎসা একসঙ্গে সম্ভবপর নয়, তবুও ঝুঁকি থেকেই যায়।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্টে ভালো ও খারাপ উভয় ফল রয়েছে এবং বিএনপির চেয়ারপারসনকে সামগ্রিকভাবে প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগ মুক্তির প্রার্থনায় আজ ইসলামী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষার জন্য তাঁর অকুণ্ঠ, প্রশংসনীয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন ইসলামী ঐক্যজোটের নেতারা।
দোয়া মাহফিলে অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিবের নেতৃত্বে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আবদুল করিম, সংগঠনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শওকত আমীন এবং কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাড. মোসাব্বির রহমান মোল্লা উল্লেখযোগ্যভাবে উপস্থিত ছিলেন।
মাহফিল শেষে, বেগম জিয়ার দ্রুত রোগ মুক্তির জন্য দোয়া পরিচালনা করেন ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আবদুল করিম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ