ঢাকা সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০২ই জ্বিলহজ্জ, ১৪৪৭হিজরী
সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ইং ০৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে বার্তা দিয়েছেন ববি হাজ্জাজ


শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে বার্তা দিয়েছেন ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন যে শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হলে উপবৃত্তি বাড়ানো হবে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমে ফেরাতে উপবৃত্তি বাড়ানোর প্রয়োজন হলে বাড়ানো হবে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমে ফেরাতে যে যে কার্যক্রম গ্রহণ করার প্রয়োজন, তা সবই করবে এ সরকার।'

আরও পড়ুন: দুর্গম দ্বীপে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে চিকিৎসকদের আকাশ থেকে ঝাঁপ

শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরীক্ষা দিতে পারছে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, 'বৃত্তি পরীক্ষা হলো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করার জন্য। শিক্ষা ক্ষেত্রে উৎসাহ দেওয়া নিয়ে কোনো প্রক্রিয়া বাদ দিতে চাই না।'

এ সময় তিনি আরও জানান, 'সরকারি ও বেসরকারি কোটা অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিমালায় এ পরীক্ষা হচ্ছে। যেহেতু আগে এটি হয়নি, তাই আমরা বাতিল করিনি।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকিতে চা না দেয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:০২ পি.এম


বাকিতে চা না দেয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১০

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বাকিতে চা না দেয়ার কারণে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পৌরসভার খালধারপাড়া এলাকায় এটি ঘটেছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ওই এলাকার শাহজাহানের চায়ের দোকানে চা পান করতে যান একই গ্রামের বাসিন্দা রিপন হোসেন। আগের পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় দোকানি শাহজাহান তাকে নতুন করে বাকিতে চা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে রিপন ও শাহজাহানের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয় এবং হাতাহাতিও হয়।

ক্ষতির কারণে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহবুব আলম পারভেজ বলেন, 'সংঘর্ষের ঘটনায় আহত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।'

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, 'বাকিতে চা বিক্রি না করা নিয়ে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পরে ৩ যুবক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পরে ৩ যুবক উদ্ধার

কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে যাদের আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের তিনজনকে গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন কক্সবাজারস্থ র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক।

উদ্ধার হওয়া তিন ব্যক্তির নাম হলো জাকির আহাম্মদ (৪২), নুর হোসেন (২২) এবং আয়াত উল্যাহ (২২)। এ তিনজনই কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংক রোড দক্ষিণ মুহুরীপাড়ার বাসিন্দা।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক মন্তব্য করেন, ‘গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভুক্তভোগীদের টেকনাফ বাসস্ট্যান্ড মোড়ে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজারছড়া এলাকার করাচীপাড়ার গহীন পাহাড়ে নিয়ে জিম্মি করা হয়।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পরিবারের কাছে মোবাইলে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এ ঘটনার পর, ভুক্তভোগীদের পরিবার গত রোববার (১২ এপ্রিল) কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিষয়টি জানতে পারার পর র‍্যাব অপহৃতদের উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে।

আ. ম. ফারুক বলেছেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের করাচীপাড়া সংলগ্ন গহীন পাহাড় এবং হ্নীলা বাজার এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালায় র‍্যাব। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীদের ফেলে গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যান। পরে অপহৃত জাকির আহাম্মদ, নুর হোসেন এবং আয়াত উল্যাহকে উদ্ধার করা হয়।’

উদ্ধার করা ভুক্তভোগীদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এমনটি উল্লেখ করে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, পালিয়ে যাওয়া অপহরণকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রইছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজা যুদ্ধবিরতি: সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


গাজা যুদ্ধবিরতি: সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও হামাস

গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার জন্য সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস অংশগ্রহণ করছে। কায়রোতে গোপন বৈঠকে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ, মানবিক সহায়তা, এবং ইসরাইলের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রশ্ন উঠে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ নতুন কূটনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মিশরের রাজধানী কায়রোতে প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস। সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে ছিলেন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আরিয়ে লাইটস্টোন, এবং হামাসের পক্ষ থেকে প্রধান আলোচক ছিলেন খলিল আল-হাইয়া।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কিছু না জানালেও, বিশ্লেষকরা এই বৈঠকটিকে গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

বৈঠকের মূল আলোচনায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ উঠে আসে। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ করার জন্য, মানবিক সহায়তা প্রবেশ করার নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি অবরোধ শিথিলের দাবিতে জোর দেন আল-হাইয়া। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, শর্ত পূরণ না হলে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, ইসরাইল প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে সম্মত হলেও, তার জন্য হামাসের অস্ত্র ত্যাগের প্রতিশ্রুতি চাইছে। তবে হামাস এই প্রস্তাবটিকে ‘অসম ভারসাম্যপূর্ণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে এবং নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার নিশ্চয়তা দিতে দাবি তুলেছে গোষ্ঠীটি।

গেল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ হয়নি। গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির চুক্তির পরও দখলদারদের হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে, ভবিষ্যতে গাজা শাসন, নিরাপত্তা কাঠামো, এবং আন্তর্জাতিক বাহিনীর মোতায়েনসহ বিভিন্ন প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথে কাঁটাতারের বেড়া!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথে কাঁটাতারের বেড়া!

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করেছে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা। এর ফলে ঝুঁকি নিয়ে বিকল্প পথে শিশুদের স্কুলে যেতে হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনটি এই ঘটনাকে একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচিত করছে। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ বাড়তে থাকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর।

অবরুদ্ধ বাস্তবতায় অনেক ফিলিস্তিনি শিশুর স্কুলে যাওয়াও বন্ধ হয়ে গেছে। পশ্চিম তীরের উম্ম আল-খাইর গ্রামে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথ কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, পাশের কারমেল বসতি থেকে আসা লোকজন এই বাধা সৃষ্টি করেছে।

গ্রাম পরিষদের প্রধান খলিল হাতালিন জানান, এটি শিশুদের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ। কিন্তু সেই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প পথে যেতে বাধ্য হচ্ছে, যা সরাসরি বসতির কাছ দিয়ে যায়। এর ফলে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না, বসতি স্থাপনকারীরা তাদের স্কুলে যাওয়ার পথটি বন্ধ করে দিয়েছে। ইসরাইলি পক্ষ আমাদের একটি ভিন্ন পথে যেতে বলছে, যা খুবই বিপজ্জনক ও দীর্ঘ। তাই আমরা আমাদের প্রধান পথ ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছি, যে পথ দিয়ে আমাদের শিশুরা সবসময় যাতায়াত করেছে।’

গ্রাম পরিষদের প্রধান আরও উল্লেখ করেন, বসতি স্থাপনকারীদের আসল লক্ষ্য কেবল রাস্তা নয়, বরং নতুন বসতি সম্প্রসারণ এবং পুরো জমি দখল করা। মানবাধিকার সংগঠনটি এই ঘটনার মূলকৌশল হিসেবে দেখছে। তাদের অভিযোগ, বসতি স্থাপনকারী ও ইসরাইলি বাহিনী একযোগে ফিলিস্তিনিদের ভয় দেখিয়ে এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করছে, যা বাস্তবিকভাবে জাতিগত নিধনের শামিল।

পশ্চিম তীরে ইসরাইলের স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ বেড়েই চলেছে। নতুন চেকপোস্ট, সড়ক অবরোধ এবং বসতি সম্প্রসারণের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল যদিও এই বসতিগুলোকে অবৈধ বলছে, বাস্তবে এর বিস্তার থেমে নেই, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%