ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উন্নত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত ও ভালো বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

তিনি শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, ‘এখানে উপস্থিত আপনারা কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারো আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের নিজেদের বা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশ উপভোগ করতে পারছে।’

আরও পড়ুন: ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের মানুষের বিভিন্ন সময়ের আত্মত্যাগের কথা তিনি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি বা যারা আহত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটিমাত্র আকাঙ্ক্ষা ছিল– বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’

রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরার সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, সীমাবদ্ধতার মাঝেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়; বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি ও শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রানীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এ ছাড়াও, আন্দোলনে গুরুতর আহত মো. আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারের হাতেও নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়। সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেয়া শহীদ আবদুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

নিয়োগপত্র গ্রহণ শেষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল مোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনিয়মের অভিযোগে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, ইবিতে তদন্ত কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


অনিয়মের অভিযোগে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, ইবিতে তদন্ত কমিটি

চুরি, অসংগতি ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১২টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের (রিট্র্যাক্ট) ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনপূর্বক সত্যাসত্য নির্ধারণের চেষ্টা হচ্ছে। গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক আরটিভিকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিবেন।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের অফিস সূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষকের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধে অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রত্যাহার হওয়ার বিষয়ে প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটনপূর্বক সত্যাসত্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে তদন্ত করা হচ্ছে। উপাচার্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রদানের জন্য।

তদন্ত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে আছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মমতাজুল ইসলাম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদ-উদ-দৌলা।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. মমতাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এখনও চিঠি পাইনি। চিঠি হাতে পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আগাবো।’

প্রসঙ্গত, এর আগে গবেষণাপত্রে লেখকত্ব বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে সমস্যা, তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স সংক্রান্ত সমস্যা, চিত্র সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা ডুপ্লিকেশন, সংশয়যুক্ত ফলাফল বা উপসংহার সহ নানা চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে বিশ্বের বিভিন্ন জার্নাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমতে শুরু করেছে কাঁচামরিচের দাম ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির ফলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


কমতে শুরু করেছে কাঁচামরিচের দাম ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির ফলে

ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির ফলে দিনাজপুরের হিলির পাইকারি ও খুচরা বাজারে কাঁচামরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে হিলি পাইকারি বাজারে দেশি কাঁচামরিচ ১৩০ টাকা এবং হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি মোকামে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে হিলির কাঁচাবাজার ঘুরে এই তথ্য পাওয়া যায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি বেশি হওয়ায় দেশের মোকামে কাঁচামরিচের দাম কমেছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

হিলি বাজারে কাঁচামরিচ কিনতে আসা দিনমজুর আশিকুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে দেশি কাঁচামরিচ কিনেছিলাম ২৫০ টাকা কেজি, সেই কাঁচামরিচ এখন ১৩০ টাকা কেজি। ভারত থেকে কাঁচামরিচ আসার কারণে দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

তিনি আরও বলেন, দাম কমার কারণে আমাদের মতো দিনমজুরদের অনেক সুবিধা হচ্ছে। তবে ১০০ টাকার মধ্যে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাওয়া গেলে আমাদের জন্য আরও সুবিধা হতো।

হিলি বাজারের কাঁচামরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ বলেন, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির ফলে দেশের মোকামে দাম কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহের থেকে কেজি প্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত দেশি কাঁচামরিচে কমেছে। আমরা কম দামে কিনে কম দামেই বিক্রি করছি। ফলে আগের থেকে ক্রেতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত থেকে যদি কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকে তাহলে আরও দাম কমতে পারে।

হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম জানান, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সেই মোতাবেক আমরা আমদানি অব্যাহত রেখেছি। সরকার যদি আমদানির সময়সীমা বৃদ্ধি করে দেয়, তাহলে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কারণ ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির ফলে দেশের বাজারে কেজি প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।

হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, গত সপ্তাহের তিন দিনে ভারতীয় ২৪ ট্রাকে ১৭০ মেট্রিকটন কাঁচামরিচ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত কাঁচামরিচ দ্রুত খালাসপূর্বক সব ধরনের সহযোগিতা করছে হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব শর্ত না মানা পর্যন্ত প্রণালি খুলবে না (আইআরজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব শর্ত না মানা পর্যন্ত প্রণালি খুলবে না (আইআরজিসি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়টি ওমানের সঙ্গে চলমান আলোচনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। তারা একইসঙ্গে উল্লেখ করেছে যে, শুধু তখনই প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেয়া হবে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্তগুলো পুরোপুরি মেনে নেবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে ইরানের নির্ধারিত ‘নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও শর্তের’ উপর। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে ওমানের চলমান আলোচনা কোনো সম্পর্ক নেই।

মোহেবি বলেন, ‘আমাদের কাছে হরমুজ প্রণালি শুধু একটি অর্থনৈতিক জলপথ নয়; এটি ভৌগোলিক ও কৌশলগত শক্তিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের শর্তগুলো পুরোপুরি মেনে নিতে হবে এবং আঞ্চলিক আলোচনায় হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। এরপরই হরমুজ প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টি কার্যকর হবে।

আইআরজিসির এই মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখনই ইরানের শর্ত মেনে নেবে, তখনই হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া হবে।’

এর আগে, একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা অগ্রগতির দিকে যাচ্ছে এবং শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে।

এদিকে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইতিবাচক বার্তা পাওয়ার দাবি করেছে ইরান। তবে, বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের তুলনায় তারা ওমানের সঙ্গে আলোচনাতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির সীমানা ও নৌ চলাচল নিয়ে মাস্কটের সঙ্গে সমঝোতার পরেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শিগগিরই শেষ হবে এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি খুব কাছাকাছি। তবে এক্ষেত্রে মার্কিন অস্ত্রের মজুত নিয়ে চাপের কথাও স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু অস্ত্রের মজুত তুলনামূলকভাবে কম।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্প শিগগিরই শুরু: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্প শিগগিরই শুরু: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ শুরু করে দিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পে কাজ শুরু করা হবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার নদ-নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে চিলমারী বন্দর এলাকায় তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'তিস্তা একটি বড় প্রকল্প। একটি প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সরকারের বয়স মাত্র পাঁচ মাস। আমাদের কিছুদিন সময় দিন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু করব।'

কুড়িগ্রামের নদীভাঙন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চিলমারী বন্দরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন রোধে দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কোন মানুষের ঘরবাড়ি, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন নদীতে বিলীন হয়ে না যায়, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন এবং আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি।

নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে। যেখানে আরও কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে। পরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্প পরিদর্শন করবেন বলেও জানান।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবু এবং জেলা বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%