সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ এম
ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক নির্বাচনী জনসভায় তার বাবার রাজনৈতিক দর্শন কৃতজ্ঞতাস্বরূপ উল্লেখ করে কেঁদে ফেলেছেন বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম (রিংকু)। জনসভায় তার বক্তব্য শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রায় তিন মিনিট ধরে তার চোখের জল পড়তে থাকে। এ সময় টিস্যু ব্যবহারের মাধ্যমেও তিনি বারবার চোখ মুছছেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৫ টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার মাহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত এই জনসভার সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ফরিদপুর বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসন থেকে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার বাবার নাম কে এম ওবায়দুর রহমান, যিনি দক্ষিণবঙ্গের সিংহ পুরুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এছাড়া ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৭ সালের ২১ মার্চ তিনি মারা যান।
বাবার স্মৃতি তুলে ধরে অশ্রুসিক্ত চোখে তিনি বলেন, ‘আমার আব্বা, ওবায়দুর রহমান, আমাদের ছেড়ে চলে গেছে ১৮ বছর হয়ে গেছে। আমি লক্ষ্য করেছি, এই যে এত মানুষ আমার সামনে রয়েছে; আব্বার মৃত্যুর পর আপনারা সবাই আমার কাছে আসেন; সকলেই বলছেন- আপা, আমাদেরতো বটগাছটা নেই, আমরা কোথায় মানুষ হিসেবে দাঁড়াব! ঢাকায় গেলে আমরা কার কাছে যাব! আমি যে কথাগুলো তখন শুনেছি, সেই জন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি- আমি কখনো আপনাদের ছেড়ে যাব না। আমি আপনাদের বোন, আপনার সন্তান হিসেবেই থাকব। আল্লাহ যতদিন আমার হায়াত দেবেন, আমি আপনাদের পাশে থাকব।'
এসময় ধানের শীষে ভোট চাইতে গিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমার আব্বা দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সকল মানুষের জন্য কাজ করেছেন, তিনি কখনো কিছু প্রত্যাশা করেননি। কিন্তু তিনি আপনাদের অপরিসীম ভালবাসা পেয়েছেন। আমি এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই এবং আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।'
তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘১২ তারিখের নির্বাচন আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন থেকেই সিদ্ধান্ত হবে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে। জনগণের ভোটাধিকার থাকবে কি না, গণতন্ত্র থাকবে কি না- এই নির্বাচনেই তা পরিষ্কার হবে। বাংলাদেশের জনগণকে ভুল সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না।'
এছাড়া তিনি রাত ১২টার পর গ্রামে পাহাড়া দিতে আহ্বান জানান। বলেন, ‘রাত বারোটার পর গ্রামে কিছু মানুষ ঢুকে আসে, যারা ভাল উদ্দেশ্যে আসে না। আপনারা সবাই নিজেদের গ্রামে পাহাড়া দিবেন। যদি আমি বিজয়ী হই, তাহলে আমি সংসদে একা যাব না, আপনারা সবাই সংসদে যাবেন।'
এ জনসভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম রবি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত শরীফের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জনসভা উপলক্ষে সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বাস, ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে এসে সমর্থক ও নেতাকর্মীরা জমায়েত করতে থাকে। পর্যায়ক্রমে বিপুল সংখ্যক সমর্থক জনসভার আশেপাশে জড়ো হন।
এ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাদের মধ্যে শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে মারাত্মক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা শাহ মো. আকরাম আলীর, যিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকে লড়ছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজ সরকার ১২ জন নন-ক্যাডার সহকারী সচিবকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান করেছে। তবে এটি স্পষ্ট যে, তারা ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তারূপে গণ্য হবেন না।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘বাংলাদেশ সচিবালয় (ক্যাডার বহির্ভূত) গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৪’-এর বিধি ৫ অনুসারে তাদের এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত ১২ কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব, ক্যাডার বহির্ভূত) হিসেবে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নিকট সরাসরি অথবা ই-মেইলে যোগদানপত্র পাঠাতে হবে এবং পুনরাদেশ না দেওয়া অবধি তারা তাদের বর্তমান কর্মস্থলে স্ব-স্ব পদে কাজ করবেন।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— মো. জুলহাজ আলী সরকার, মো. কবির হোসেন, মো. আবু হারিস মিয়া, আফরোজা বেগম, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মামুন হোসেন, মোসাম্মাৎ তাহমিনা খানম, মোল্লা সোহাগ হোসেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. কবির উদ্দিন হাওলাদার, মো. আবু কায়েছ আকন্দ এবং মো. হাবিবুর রহমান। সূত্র বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গণধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য রবিউল হাসান পটুয়াখালী-৪ আসনের জন্য মনোনীত প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনকে সমর্থন জানান।
এ সময় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনসহ গণধিকার পরিষদ ও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, ইসলামী আন্দোলন থেকে বহিষ্কৃত পটুয়াখালী জেলা ইসলামী আন্দোলনের সাবেক সভাপতি মুফতি হাবিবুর রহমানও ৫শ' নেতাকর্মী নিয়ে মোশাররফ হোসেনকে সমর্থনের কথা বলেন।
রবিউল হাসান সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন যে, পটুয়াখালী-৪ আসনের উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন এবং ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার শপথ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একের এক পর মাইলফলক অর্জন করে চলেছে বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান এয়ার কন্ডিশনার ব্র্যান্ড ওয়ালটন। ইতোমধ্যে এসিতে স্মার্ট এআই, এআই ডক্টর, হিউমিডিটি মনিটরিং, সোলার হাইব্রিড, আইকনিক ডিসপ্লে, ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার, অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল সিস্টেমের মতো আইওটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমৃদ্ধ উদ্ভাবনী সব ফিচার সংযোজন স্মার্ট এসি উৎপাদনে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে ওয়ালটন। স্মার্ট এআই বেজড ওইসব উদ্ভাবনী প্রযুক্তি একত্রে সংমিশ্রণ ঘটিয়ে ওয়ালটন এবার বাজারে ছেড়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্ট এসি।
সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বের সর্বোচ্চ ফিচার সমৃদ্ধ নতুন মডেলের এসি উদ্বোধন করেন ওয়ালটন এসি’র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মো. তানভীর রহমান, রেসিডেন্সিয়াল এসি আরঅ্যান্ডআই (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন) সেন্টারের প্রধান আরিফুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ওয়ালটন এসির সিবিও তানভির রহমান বলেন, ‘এসির ব্যবহার আরও আরামদায়ক ও স্মার্ট করে তোলার লক্ষ্যে ওয়ালটন এসিতে প্রতিনিয়ত আইওটি ও স্মার্ট এআই সমৃদ্ধ অত্যাধুনিক সব ফিচার সংযোজন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন মডেলের এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে সোলার হাইব্রিড সিস্টেম, হিউমিডিটি মনিটরিং, অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল, এআই প্রযুক্তি ও ফিচার।
ওয়ালটনের উদ্ভাবিত এসব উৎকর্ষ প্রযুক্তি ইতোমধ্যে প্যান্টেন্ট সনদ অর্জন করায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটন এসির ব্র্যান্ড ভ্যালু কয়েকগুণ বেড়েছে। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটন এসির প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকেও আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিশ্বে উদ্ভাবনী ও উৎকর্ষ প্রযুক্তির স্মার্ট ও হাই-টেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা আরেকবার প্রমাণ করলো ওয়ালটন।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের রেসিডেন্সিয়াল এসি আরঅ্যান্ডআই সেন্টারের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, ওয়ালটন আরঅ্যান্ডআই টিমের নিজস্ব উদ্ভাবিত অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল, আইকনিক ডিসপ্লে, ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার, এআই ডক্টরের মতো স্মার্ট এআই প্রযুক্তি ও ফিচার প্যাটেন্ট সনদ পেয়েছে। প্রযুক্তির নতুনত্ব, উদ্ভাবনী কাঠামো, বাস্তব প্রয়োগ যোগ্যতা এবং শিল্প সম্ভাবনা যাচাই করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়ালটনকে সনদ প্রদান করেছে।
প্যাটেন্ট সনদ প্রাপ্তির মাধ্যমে এসব প্রযুক্তির মূল কনসেপ্ট, মেকানিজম, অ্যালগরিদম ও কাজের পদ্ধতি ওয়ালটনের নামে স্বীকৃত এবং বাণিজ্যিকভাবে ওয়ালটন একক মালিকানায় ওইসব প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছে। যা এয়ার কন্ডিশনার প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ওয়ালটন তথা বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল মাইলফলক।
ওয়ালটন এসির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ডিজাইন শাখার ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. জুয়েল রানা জানান, সোলার হাইব্রিড ফিচারের ওয়ালটনের নতুন মডেলের এই এসি দিনের বেলায় সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে চলবে। যদি সোলার পাওয়ার কম থাকে, তখন সোলার পাওয়ার থেকে আগে বিদ্যুৎ নিয়ে তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী বৈদ্যুতিক লাইনের মাধ্যমে হাইব্রিড পদ্ধতিতে চলবে এই এসি। এতে বিদ্যুৎ খরচ হবে অনেক কম। এছাড়া রাতের বেলায় সোলার পাওয়ার ব্যাটারির মাধ্যমে বা বৈদ্যুতিক লাইনেও চলবে এটি।
এসিতে ব্যবহৃত প্যাটেন্ট সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটনের অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল এমন একটি স্মার্ট ইন্টার্যাকশন প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই ডিভাইসকে ভয়েস কমান্ড দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। স্থানীয় ভাষা সাপোর্ট, পাওয়ার প্রসেসিং, ও রিয়েল-টাইম কমান্ড প্রসেসিংসহ একটি স্বতন্ত্র মডেল তৈরি করেছে ওয়ালটনের আরঅ্যান্ডআই টিম, যা ডিভাইসকে আরও ব্যবহারবান্ধব এবং স্মার্ট করেছে। এই মডিউলটি স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের ভবিষ্যৎ অটোমেশনকে আরও সহজ ও কার্যকর করবে।
এই এসির আইকনিক ডিসপ্লে ফিচারটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে ব্যবহারকারী সরাসরি এসির অবস্থা, অপারেশন, বিদ্যুৎ খরচ এবং ত্রুটি সংক্রান্ত তথ্য সহজেই বুঝতে পারেন। এটি কেবল ডিসপ্লে না, বরং ডিভাইস ও প্রোডাক্টের সমন্বয়ে তৈরি একটি ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেম।
এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য, ব্যবহারকারী যেন খুব সহজে ডিভাইসের সঙ্গে ইন্টার্যাক্ট করতে পারেন। ব্যবহারকারী কুলিং টেম্পারেচার, মোড, ফ্যান স্পিডসহ বিভিন্ন সেটিং পরিবর্তন করার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন।
কোনো ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে ডিসপ্লেতে এরর কোডসহ সম্ভাব্য কারণ প্রদর্শন করা হয়। ফলে ব্যবহারকারী প্রাথমিক ধাপে ত্রুটি শনাক্ত করে সমাধানের চেষ্টা করতে পারবেন, যা সার্ভিসের সময় ও খরচ উভয়ই কমিয়ে দেবে এবং সার্ভিস কোয়ালিটি বাড়াবে। এছাড়া ওয়ালটনের সর্বোচ্চ ফিচারের এই এসি ব্যবহারকারীরা মোবাইল অ্যাপ থেকে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ, ডেটা মনিটরিং, এবং ডিভাইস কনফিগারেশন করতে পারবেন।
এই এসিতে আরও কয়েকটি বিশেষ ফিচারের মধ্যে রয়েছে আইফিল, এয়ার কোয়ালিটি ইনডক্সে এবং ফিল্টার ক্লিন অ্যালার্ট। আইফিল ফিচার ব্যবহারকারীর অবস্থান অনুযায়ী সঠিক শীতাতপ নিশ্চিত করায় ব্যবহারকারী আরও বেশি আরাম অনুভব করেন। এদিকে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ফিচার ইনডোর ইউনিটের সেন্সরের মাধ্যমে বাতাসে উপস্থিত সূক্ষ্ম ধূলিকণার ঘনত্ব পরিমাপ করে বাতাসের মান নির্ণয় করে এবং ফলাফল অনুযায়ী বাতাসের গুণমান উন্নয়ন করে রুমকে স্বাস্থ্যকর করে তোলো। এছাড়া ফিল্টার ক্লিন অ্যালার্ট ফাংশন ব্যবহার করে এসির কুলিং দক্ষতা বজায় রাখা এবং ব্যবহারকারীকে সময় মতো ফিল্টার পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া।
এসির ইন্টেলিজেন্ট সেন্সর ফিল্টারের ধূলার পরিমাণ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। যখন সেন্সর বুঝতে পারে যে ফিল্টারে ধুলা বা ময়লা একটি নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি জমে গেছে, তখন ইনডোর ইউনিটের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ফিল্টার ক্লিন অ্যালার্ট প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও ওয়ালটন এসিতে রয়েছে ফ্রস্ট ক্লিন, এয়ার প্লাজমা, থ্রি-ইন-ওয়ান কনভার্টার টেকনোলজি, স্মার্ট কন্ট্রোলসহ নানা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার।
নতুন মডেলের এই এসির কম্প্রেসরে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্ব স্বীকৃত পরিবেশবান্ধব আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। আন্তর্জাতিক মানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস থেকে মান নিয়ন্ত্রণ সনদ পাওয়ার পরই ওয়ালটনের প্রতিটি এসি স্থানীয় ও বৈশ্বিক বাজারে ছাড়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে সেই অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে; এখন আর একটি জয়ের অপেক্ষা। ফ্র্যাঙ্ক আইলেট, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্য ইউনাইটেড স্ট্র্যান্ড নামে পরিচিত, তার অপেক্ষা ফুরানোর সময় এসেছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ভক্ত প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, তিনি তার প্রিয় দল টানা পাঁচটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ না জেতা পর্যন্ত চুল কাটবেন না। শুধুমাত্র প্রতিজ্ঞা রক্ষার জন্যই তিনি ৫০০ দিন অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু ইউনাইটেড একটানা পাঁচটি ম্যাচ জিততে পারেনি। তবে, এবার কি তাদের ভাগ্য বদলাতে যাচ্ছে?
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ওল্ড ট্রাফোর্ডে তারা তটেনহ্যাম হটস্পারকে ২-০ গোলে পরাজিত করে প্রিমিয়ার লিগে টানা চতুর্থ জয় প্রদর্শন করেছে। ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ব্রায়ান এমবেউমোর দ্বারা, যিনি কর্নার থেকে বক্সের মাথায় বল পেয়েছিলেন। এর পর, দিয়োগো দালোতের ক্রস থেকে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। এই গোলের মাধ্যমে যুবক তার ইউনাইটেডের হয়ে ২০০তম গোলের মাইলফলকও অর্জন করেন।
এই জয়ের আগে ইউনাইটেড আরও তিনটি ম্যাচ জিতেছিল। প্রথমটি ছিল তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ২–০ গোলে জয়। এরপর, মাইকেল ক্যারিকের দল অ্যাওয়েতে আর্সেনালকে ৩–২ ব্যবধানে পরাজিত করে, যেখানে শেষ মুহূর্তে ম্যাথিউস কুনহা একটি দুর্দান্ত গোল করে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। এর পর, ফুলহামের বিরুদ্ধে আরেকটি বিতর্কিত পাঁচ গোলের ম্যাচে জয় তোলে ইউনাইটেড, যেখানে ৯৪তম মিনিটে বেঞ্জামিন সেসকোর গোলে রেড ডেভিলদের জয় নিশ্চিত হয়।
গতকাল টানা চতুর্থ জয় পাওয়ার পর, ফ্র্যাঙ্ক আইলেট ঘোষণা করেন, তিনি আগামী মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে ইউনাইটেডের ম্যাচটিকে গভীর মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন। হ্যামারদের বিরুদ্ধে জয় পেলেই অবশেষে তিনি চুল কাটার সুযোগ পাবেন। কিন্তু যদি নুনো এস্পিরিতো সান্তোর দল অঘটন ঘটায়, তবে আইলেটের অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হবে, এবং তার চুল আরও লম্বা হতে থাকবে।
ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে দ্য ইউনাইটেড স্ট্র্যান্ডের দিকে সবার নজর থাকবে; তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ম্যাচটির লাইভ ওয়াচ-অ্যালং স্ট্রিম করবেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, ‘ক্যারিক স্টিয়ারিংয়ে, এই চুল আর বেশিদিন থাকবে না। সামনে ওয়েস্ট হ্যাম। পাঁচটায় চারটি জয়—এবার সত্যিই হচ্ছে! ক্যারিককে অনেক ধন্যবাদ—ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে পঞ্চম ম্যাচে একটি ওয়াচ-অ্যালং অনুষ্ঠিত হবে। সামনে কিছু চমৎকার পরিকল্পনা রয়েছে—শিগগিরই বিস্তারিত জানাব।’
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ক্যারিকের অধীনে ইউনাইটেডের পারফরম্যান্স নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। রুবেন আমোরিমের সময় তারা কখনোই টানা দুই ম্যাচে জয়ী হতে পারেনি এবং এ বছরের শুরুতেই তাকে বিদায় দেওয়া হয়। গত মৌসুমে ইউনাইটেড তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় লিগ শেষ করে, মে মাসে স্পার্সের বিরুদ্ধে ইউরোপা লিগ ফাইনালে হতাশজনক পারফরম্যান্সে পতিত হয়।
ক্যারিকের অধীনে ক্লাবটির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে, এবং অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস সাবেক এই মিডফিল্ডারকে প্রশংসা করেছেন। টিএনটি স্পোর্টসকে তিনি বলেছেন, 'মাইকেল এমন একটি দর্শন নিয়ে এসেছে, যেখানে খেলোয়াড়দের মাঠে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে—যাতে তারা নিজেরাই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমি মনে করি, শেষবার যখন সে কোচ ছিল, তখন আমি বলেছিলাম, মাইকেল একজন চমৎকার ম্যানেজার হতে পারে। সে সেটাই প্রমাণ করেছে।'
তিনি যোগ করেন, 'আমরা আশা করি, তাকে আরও সাহায্য করতে পারব, যেন সবাই বুঝতে পারে আমরা কীভাবে ভাল খেলোয়াড়। এটাই আমাদের লক্ষ্য, কেননা ইউনাইটেড ক্লাবে খেলার চাপ অনেক। প্রত্যাশা জানা আছে সবার।'
ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহজ প্রতিপক্ষ হবে না। তবে দ্য ইউনাইটেড স্ট্র্যান্ড আশা করছে যে তার প্রিয় ক্লাব তার ‘চুল কাটার যন্ত্রণার’ অবসান ঘটাতে পেরেছে। ইউনাইটেড জয়লাভ করলে, তিনি ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবরের পর প্রথমবারের মতো চুল কাটার সুযোগ পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ