মঙ্গলবার, ১০ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০২:১০ এম
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফলাফল ঘোষণার আগে ভোটকেন্দ্রকে রক্ষার জন্য পাহারার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। ধানের শীষের ভোট যেন কেউ চুরি করতে না পারে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো জানান তিনি।
বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমার আব্বা দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তিনি তার কাজের বিনিময়ে কখনও কিছু প্রত্যাশা করেননি। তবে, তিনি পেয়েছেন আপনারা যেমন অপরিসীম ভালোবাসা। আমি সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই। আমি আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।’
ভোটারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের বোন ও সন্তান। আমার শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত, আল্লাহ আমাকে যতদিন জীবনদানে সাহায্য করেন, আমি আপনাদের পাশে আছি, থাকব। ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দেন।’
এ সময় তিনি দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার বিষয়ে অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিলে আমি সবকিছু করতে সক্ষম হব।’
এছাড়া, তিনি এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ, বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য হাসপাতাল স্থাপন এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এর আগে, দুপুর থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন। একপর্যায়ে হাজারো নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে জনসভাস্থল সম্পূর্ণ পূর্ণ হয়ে যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। তবে তাদের থামাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে ৫ লাখ ইয়াবা আটক করা হয়েছে, যার অভিজ্ঞানমূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা।
চলমান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজকর্ম ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময় মিয়ানমার থেকে ভারি মাদক চালান এনে পাচারের চেষ্টা করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।
নৌবাহিনী জানায়, তারা নাফ নদী ব্যবহার করে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালানকে বাংলাদেশে পাচারের পরিকল্পনা করছিল। এই চালানটি হ্নীলা ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া ব্রিজ এলাকার মাধ্যমে উলুচামারী দিকে নিয়ে আসার প্রস্তুতি হয়েছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফের নাটমুড়াপাড়ায় নৌবাহিনীর একটি বিশেষ দল কৌশলগত অবস্থানে ছিল। পাচারকারীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে রুট পরিবর্তন করে চৌধুরীপাড়া খালের দক্ষিণ পাশ ধরে এগিয়ে যেতে থাকে।
নৌবাহিনী দ্রুত কৌশল পরিবর্তন করে। খালের উত্তর পাশে থেকে ধাওয়া করার সময় পাচারকারীরা বস্তাভর্তি ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
সোমবার বিকেলে টেকনাফ কন্টিনজেন্ট অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে টেকনাফ কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এস এম জাহিদ হোসাইন জানান, ‘দেশজুড়ে নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে নৌবাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপকূলীয় ও সীমান্ত অঞ্চলে মাদকমুক্ত রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নির্বাচনের সময় সীমান্তের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বেড়ে গেলেও, মাদক পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফেনী-২ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু মন্তব্য করেছেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতা শেখ হাসিনা পাশের দেশে বসে আরও উঁচু স্বরে হুঙ্কার দিচ্ছেন। তিনি সব পলাতক নেতাকর্মীদের মাধ্যমে দেশের শান্তি বিনষ্টের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেনী শহরে তার নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
গণভোটের বিষয়ে মঞ্জু বলেছেন, ‘গণভোটে “হ্যাঁ” জেতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। যদি দীর্ঘস্থায়ী গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়, তবে “হ্যাঁ” পেয়ে সব রাজনৈতিক দলই লাভবান হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের সুর ধরেই বেশ কিছু রাজনৈতিক দল “না” ভোট টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।’
তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যাদের গণহত্যায় জড়িত, তাদের বিচার দাবি করছে জনগণ। দায়মুক্তি না পেলে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা কখনো সম্ভব নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির চেয়ারম্যান প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও সমান সুযোগ নিশ্চিত না হওয়ার কথা জানান। নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য তিনি এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেন। বিভিন্ন জায়গায় নারী ভোটারদের হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান, তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনের দিকে সারা বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে।’
মঞ্জু জানান, সন্ত্রাসের দাগ মুছে দিয়ে ফেনীকে শান্তির শহরে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিচ্ছেন। তিনি ফেনীর পরশুরামে মুহুরী নদীর বল্লামুখা বাঁধ নির্মাণের জন্য সরকারের বরাদ্দ সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা রক্ষায় ঈগল প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান। চিকিৎসা কলেজ, বিমানবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট গঠনের পরিকল্পনাও তিনি তুলে ধরেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে।
এ সময় ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, এবি পার্টি ফেনীর আহ্বায়ক মাস্টার আহসান উল্লাহ, খেলাফত মজলিসের ফেনী জেলা আমির মাওলানা মোজাফফর আহমদ জাফরী, এনসিপি ফেনী জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকতসহ জোটের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম সম্প্রতি বলেছিলেন, ‘যদি আমি নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারি, তাহলে আমি মোংলা বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য পুনরুদ্ধার করব। চট্টগ্রামের সাথে তাল মিলিয়ে মোংলা বন্দরের উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। শ্রমিকদের জন্য এবং পরিবেশবান্ধব এই এলাকার নির্মাণে মনোযোগ দেওয়া হবে এবং সুন্দরবনকে সুরক্ষিত রাখতে কাজ করা হবে। আমি জানাতে চাই যে, আমি বেঁচে থাকা অবস্থায় সংখ্যালঘুদের প্রতি কোনও ক্ষতি সাধন করা যাবে না। আমি হিন্দু, মুসলিম এবং খ্রিস্টান সকল সম্প্রদায়কে একত্রিত করে শান্তি ও উন্নয়নের একটি সমাজ গড়ে তুলবো।’
তিনি সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে মোংলা পৌর শহরের ঈদগাহ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা ব্যক্ত করেন।
ভোটার ও দলের নেতাকর্মীদের তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘সকলেই সতর্ক থাকবেন, কেন্দ্রে যাতে কেউ জাল ব্যালট এবং সিল নিয়ে প্রবেশ করতে না পারে। ভোট দেওয়ার পর গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে আপনাদের বাড়ি ফিরতে হবে। যদি ভোটকেন্দ্রে কেউ জালিয়াতি করার চেষ্টা করে, তবে তাকে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দিন।’
জনসভায় মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জুলফিকার আলী সভাপতিত্বের পাশাপাশি অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ রুস্তুম আলী এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল হালিম খোকন। সভার শেষে পৌর শহরে নির্বাচনী প্রচারণা হিসেবে একটি গণমিছিল বের করা হয়।
অন্যদিকে, সোমবার বিকেলে থানার হেলিপ্যাড মাঠে নির্বাচনী সময়ের শেষ জনসভা অনুষ্ঠিত করেছেন মোংলা-রামপাল আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ।
সেখানে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াত ঘের লুট, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং চাঁদাবাজি করে না। যারা নিজেদের দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তারা কীভাবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারবে? আওয়ামী লীগের সময়ে যারা নিজেদের দলের সুরক্ষা দিতে পারেনি, তারা আবার কিভাবে ভোট চাইবে? জামায়াত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পেরেছে, তাই আমাদের দেশ পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে।’
তিনি যোগ করেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ভোট দিয়ে জামায়াতকে নির্বাচিত করবেন এবং মনে রাখবেন ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন ইনশাআল্লাহ।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীকে ‘জাতীয় প্রতারক দল’ উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভোটের জন্য জামায়াত জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করার কাজ করছে, তারা জান্নাত বিক্রি করছে। তাই ‘জান্নাত পার্টি’ থেকে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া বাস টার্মিনালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য বিএনপির একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ৩১ দফার ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোকে গণতান্ত্রিকভাবে সংস্কার করা হবে।’
তিনি যোগ করেন, ‘সংবিধানের গণতান্ত্রিক সংস্কার করা হবে এবং দেশের সব সেক্টরে কমিশন গঠন করে অনুসন্ধানের ভিত্তিতে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। সাংবিধানিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়িত করা হবে।’
এই সাবেক প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সহজ ভাষায় বললে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরি হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়। মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মানবাধিকার আদায়ের জন্য আর যেন কাউকে রক্ত দিতে না হয়, সে উদ্দেশ্যে এই সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
তরুণদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানেরা রক্ত দিয়ে শহীদ হয়েছেন একটি বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য। আমরা একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্রের জন্য আর কাউকে জীবন দিতে হবে না।’
ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করতে অনুরোধ জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির ইতিহাস এই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাস, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাস। আগামী ১২ তারিখে আপনারা সবাই বিনা দ্বিধায় ধানের শীষে ভোট দেবেন। ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। ইনশাআল্লাহ জনগণের বিজয় নিশ্চিত হবে, কারণ বিএনপির সরকার মানেই জনগণের সরকার।’
এর আগে দুপুর থেকেই চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন। ঢাকঢোল, স্লোগান এবং নাচ-গানে মুখরিত হয়ে ওঠে বাস টার্মিনাল এলাকা। বিকেল গড়ানোর সাথে সাথে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেককে আশপাশের ভবনের ছাদ ও বিলবোর্ডের কাঠামোতে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
বিকেল ৫টার দিকে মঞ্চে ওঠেন সালাহউদ্দিন আহমদ। হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালে নেতাকর্মীরা তাকে করতালি ও স্লোগানে স্বাগত জানান। জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমদ এবং তাদের ছেলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমদ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ