বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৪৮ পি.এম
দেশজুড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী সফরের অংশ হিসেবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন দলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতালের চিকিৎসক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা আয়োজন করেন তিনি।
ডা. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, আমরা এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রত্যাশা করছি, যেখানে সবার জন্য আধুনিক সেবা নিশ্চিত হবে। মা ও শিশুদের জন্য বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করে সম্পূর্ণ ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রতিটি পরিবারে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রতিটি নাগরিক নিজের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সহজেই জানতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ উন্নত চিকিৎসা ঢাকা কেন্দ্রীক—এই প্রবণতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। আমরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ নিশ্চিত করবো। সেখানে হৃদরোগ, ডায়ালাইসিস, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা ধাপে ধাপে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এরপর তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী ও রোগীর স্বজনদের মাঝে বিএনপির দেশগড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কিত তথ্যপত্র বিতরণ করেন। এ সময় তিনি দলের স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা, কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. খান মুহাম্মদ আরিফ, যুবদলের সাবেক সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. মিজান, ডা. সিফাতসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চিকিৎসক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিত শিশু মোহনার (১১) স্বাস্থ্য খবরাখবর নেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এই সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছ থেকে মোহনার শারীরিক অবস্থার তথ্য নেন।
আজ বুধবার সন্ধ্যায়, হাসপাতাল পরিদর্শন করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা চিকিৎসকদের কাছে মোহনার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। শিশুটির সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এর পাশাপাশি, তিনি মোহনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। এই পরিদর্শনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বিমানের এমডি ড. হুমায়রা সুলতানা, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন এবং হাসপাতালের পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলাম।
মোহনার উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আমাকে তোমার খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। তোমার আর ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমরা তোমার পাশে আছি।”
এই পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে মোহনার স্বাস্থ্যের অবস্থান জানার জন্য খোঁজ নেন। মোহনার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে জাতির জন্য লজ্জার বলে মনে করেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা জানায়, মোহনার চিকিৎসার খরচসহ তার সমস্ত দায়িত্ব সরকার বহন করবে।
বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “শিশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীরা ইহকাল ও পরকালে উপযুক্ত শাস্তি পাবে।” তিনি মোহনার বাবা মোস্তফাকে একটি চাকরি দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলেন।
এ বিষয়ে উল্লেখ করা প্রয়োজন, গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন এমডি ও সিইও সাফিকুর রহমানকে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গুরুতর অবস্থায় মোহনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : কড়াইল-ভাষানটেক-সাততলা এলাকার নানা সমস্যার কথা শুনে ‘সমতা ভিত্তিক রাষ্ট্র’ বিনির্মাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন জুবাইদা রহমান।
আজ বুধবার বিকালে হাতিঝিলে এক অনুষ্ঠানে তিন এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সমস্যাগুলো শুনে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিনী এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন ‘আপনারা আপনাদের মূল্য সময় নিয়ে এখানে এসেছেন, আমাদের কথা শুনেছেন এবং আপনাদের সমস্যাগুলো আমাদেরকে বলেছেন। আমরা আমাদের সাধ্যমত আপনাদের সমস্যাগুলো আরো শুনব, আরো জানব। আমরা একে অপরকে আরো জানতে চেষ্টা করব সমস্যাগুলো কিভাবে সুষ্ঠভাবে সমাধান করে একটি সুন্দর সমতাভিত্তিক জ্ঞানভিত্তিক শ্রম ভিত্তিক রাষ্ট্র উপহার দেয়া যায়।'
'আমাদের রাজনীতি সুষ্ঠ পরিকল্পনার রাজনীতি। এখন আমাদের গৌরবের নতুন সূর্যোদয়। আমরা বলি, আমার আগে ‘আমরা’, আমাদের আগে ‘দেশ’, ক্ষমতার আগে ‘জনতা’, সবার আগে ‘বাংলাদেশ’, ভেদাভেদের আগে ‘সমতা’, সবার জন্য ‘সমান সুযোগ-শ্রমের মর্যাদা’। আমরা সকলকে দিতে চাই শ্রমের মর্যাদা, মেধার মূল্যায়ন, মেধাভিত্তিক চাকরি এবং অধিকার, সুবিচার।'
এই অনুষ্ঠানে সব পেশার মানুষজন এক সঙ্গে আসায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এতক্ষণ আমরা শুনলাম ভাষান টেক, কড়াইল ,সাততলা থেকে আগত তিনজন বোনের হৃদয় বিদারক অনেক সমস্যার কথা, শুনলাম দুইজন পোশাক কর্মী ভাই ও বোনের সমস্যার কথা এবং একজন পরিবহন কর্মী ভাইয়ের কথা। আপনাদের সমস্যা অনেক। আমি-আপনি-আমাদের সকলের সমস্যা অনেক। সুষ্ঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলির সমাধান সম্ভব।'
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া -৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারেক রহমান।
ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন পরিচালনা পেশাজীবী কমিটির উদ্যোগে এই মতবিনিময় সভা হয়। এতে কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলার কর্মজীবী রিকশা চালক, বাস চালক, পোষাক কর্মী, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, বাংকার্স, সিষ্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন পেশার মানুষজন অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, পরিচালনক সৈয়দা তাজনীন ওয়ারিস সিমকী, ভাষানটেকের বাসিন্দা গৃহিনী তানিয়া আখতার, কড়াইল আদর্শ নগরের তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী ফাতেমা আখতার, সাততলার এলাকার সাউথ ইস্ট ইউনির্ভাসিটির শিক্ষার্থী নার্গিস আখতার এবং পোষাক কর্মী মির্জা আল শামীম, ফাতেমা খাতুন ও পরিবহন শ্রমিক রুহুল আমিন বাবু বক্তব্য রাখেন।
তারা নিজ নিজ এলাকার সমস্যা বিশেষ করে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, পয়োঃনিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা, খেলার মাঠ নির্মাণ, হাসপাতাল স্থাপন,শিল্প প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার সেন্টার তৈরি, শিল্পে নারী কর্মীদের ওপর নিপীড়ন নির্যাতন বন্ধ করা, যানজট নিরসন, বস্তিবাসীদের স্থায়ী পূনবার্সন, গণপরিবহনের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তিতে চলমান দুর্নীতি দুরীকরণ, এই এলাকায় রাস্তাঘাটের লাইটিং ব্যবস্থা উন্নত করাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ছত্তীসগড়ের একটি ঘটনার মধ্যে প্রেমিকের মৃত্যু হয়েছে। বিলাসপুরে, প্রেমিকার মোবাইল ফোনে ব্লকড হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রেমিকা প্রেমিককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনাটি ঘটেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই ঘটনাটি তাদের মধ্যে একটি তীব্র বাকবিতণ্ডার পর থেকে শুরু হয়। এক পর্যায়ে, প্রেমিকা মোবাইলে প্রেমিককে ব্লক করে দেওয়ায় রেগে গিয়ে ছুরিকাঘাত করে। এতে প্রেমিকের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
নিহত যুবকের নাম কামতা প্রসাদ সূর্যবংশী (২৫)। তিনি একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন এবং স্থানীয় একটি হোটেলে কাজ করতেন। তিনি ছয় মাস আগে ইনস্টাগ্রামে রোশনি সূর্যবংশী (২২)-এর সঙ্গে পরিচিত হন। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশ জানায়, গত দুই-তিন দিন ধরে তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। কামতা, রোশনি সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাই, রোশনি রেগে গিয়ে একটি ছুরি নিয়ে কামতার বাসায় পৌঁছান।
পুলিশ জানিয়েছে, যখন কামতা তার ফোন দাবি করেন, তখন তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। এরপর তাদের মধ্যে একটি তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় রোশনি কামতের বুকে ছুরিকাঘাত করেন। পাশের প্রতিবেশী ঝগড়ার আওয়াজ শুনে বাইরে বেরিয়ে এসে কামতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও কামতার মৃত্যু ঘটে।
বিলাসপুরে পুলিশ কর্মকর্তা সুম্মত সাহু জানিয়েছেন, অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হত্যার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, তরুণী ভুক্তভোগীর ঘরে গিয়ে একটি ছুরি নিয়ে গিয়েছিলেন এবং ফোনের দাবি জানালে ধস্তাধস্তির সময় কামতার বুকে ছুরিকাঘাত করেন। এ কারণে ঘটনাস্থলে কামতার মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, কামতা প্রসাদ সূর্যবংশী ছিলেন বিজেপি নেতা রাজেশ সূর্যবংশীর ভগ্নিপতি। অভিযুক্ত তরুণী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে ছুরি আনিয়েছিলেন, কিন্তু তদন্তকারীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া, পিটিআই
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নির্যাতিত শিশু গৃহকর্মীকে দেখার জন্য হাসপাতাল সফর করেছেন বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণিজ্য উপদেষ্টার মাধ্যমে মোহনার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খবর রাখেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সাথে শিশুটির শারীরিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষরে উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেন যাতে শিশুটির চিকিৎসার ব্যাপারে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এই ঘটনার সময় উপদেষ্টা শিশুটির উদ্দেশ্যে বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তিগতভাবে আমাকে তোমার খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। তুমি আর ভয়ের মধ্যে থাকো না, আমরা তোমার পাশে আছি।’
পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবারও বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে মোহনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। প্রধান উপদেষ্টা এই শিশু গৃহকর্মীর সাথে হওয়া আচরণকে জাতির জন্য লজ্জাজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, মোহনার চিকিৎসার খরচ এবং তার সকল দায়িত্ব সরকারই বহন করবে।
বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের জানান, ‘শিশুর প্রতি এরূপ নিষ্ঠুরতা সভ্য সমাজে কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীরা ইহকাল ও পরকালে যথাযোগ্য শাস্তি পাবে।’
আরও পড়ুন: শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের এমডির পদ হারালেন সাফিকুর।
এছাড়া শিশুটির বাবাকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়ার আশ্বাসও প্রদান করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। গত ৩১ জানুয়ারি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় ওই শিশু গৃহকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন এমডি ও সিইও সাফিকুর রহমানকে ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় নির্যাতনের অভিযোগে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ