মঙ্গলবার, ৩ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৩:২৪ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (প্রাক্তন টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগে নারীবিদ্বেষী প্রচারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যাচ্ছে। প্রতিনিধি দলের অভিযোগ, এই সাইবার হামলা সংঘটিত করতে বঙ্গভবনের সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করা হয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি জামায়াতের সদস্যদের বিশ্বাস রেখেই তারা মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে বঙ্গভবনে পৌঁছাবে। সেখানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবে।
জামায়াতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গভবনের ই-মেইল ব্যবহার করে একটি ফিশিং মেইলের মাধ্যমে তাদের আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে কম সময়ের মধ্যে নারীবিদ্বেষী একটি পোস্ট প্রচার করা হয়, যা বলার অপেক্ষা রাখে ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
এই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, পরিকল্পিতভাবে এই সাইবার হামলা ঘটানো হয়েছে এবং সরকারি ই-মেইলের অপব্যবহার প্রমাণিত হয়েছে।
আগে আরেক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহমুদুর রহমান একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে জানান, হ্যাকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বঙ্গভবনের সরকারি ই-মেইল থেকে পাঠানো হয়েছে। ওই ই-মেইল থেকে জামায়াতের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে সিসিতে রেখে ‘Case-Study-Election.accdr’ নামে একটি ফাইল পাঠানো হয়, যার বিষয়বস্তু ছিল ‘আর্জেন্ট’। পরে ওই ফাইলের ওপর ক্লিক করলেই হ্যাকিং ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বলে তারা দাবি করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুরক্ষিত রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশন বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় নিয়মিত টহল দেয়ার পাশাপাশি যৌথ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক মাসে সম্পন্ন ৬১টি যৌথ অভিযানে ৮০ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি অস্ত্র, রিভলভার, মাদক ও জাল টাকার নোটসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
সেখানে, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাইয়াজ মোহাম্মদ আকবর প্রসঙ্গক্রমে জানান যে, সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনে, গুজব ও সহিংসতা প্রতিরোধে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, ১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মোট ৬১টি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, ডাকাত সদস্য এবং অন্যান্য মামলার আসামিদের মধ্যে ৮০ জনকে আটক করা হয়েছে।
যৌথ অভিযানের সময় উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৯টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০টি গুলি, এবং ৯৩টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র। এছাড়াও, ১টি ড্রোন, ১টি ওয়াকিটকি এবং ১৩ লাখ জাল টাকার নোটসহ বিভিন্ন ধরনের নাশকতা সৃষ্টিকারী দ্রব্যও জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া, ৬ হাজার ২০১টি ইয়াবা, ৫৪১ লিটার দেশীয় মদ, ২৩ লিটার বিয়ার এবং ৬ কেজি গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত, এই অভিযানের ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আতঙ্কিত স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তির অনুভূতি ফিরে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নিয়মিত কার্যক্রম ও যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে, এমনটাই জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাইয়াজ মোহাম্মদ আকবর।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রামু সেক্টরের মেজর নাজমুস সাকিব, র্যাব-১৫ কоксবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. ফারুক এবং পুলিশের কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পিয়ারসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সময়ে প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়েছে। এই অর্থ ফিরিয়ে আনা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব বিবেচনায় নেয়া হবে না। শুধু অর্থ নয়, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনা হবে। দেশের টাকা চুরি করে বিদেশে গিয়ে রাজার হালতে বসবাস করতে দেব না। আমরা তাদের ঘুম হারাম করে দেব।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘এবারের নির্বাচন সাধারণ কোনো নির্বাচন নয়। এটি দেশ গড়ার নির্বাচন। জনগণের প্রবল চাপেই পরিবর্তনের ঢেউ উঠেছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন ও আন্দোলনে জুলাই যোদ্ধারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।’
বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বেকাররা ভাতা নয়, কাজ চায়। তাদের কর্মমুখী করে গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্র কাজের সুযোগ তৈরি করবে, ভিক্ষানির্ভর ব্যবস্থা নয়।’ কৃষিখাতে অতীতের দমননীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা ন্যায্য সারের দাবিতে গুলি চালিয়েছে, তারাই এখন ফার্মার্স কার্ডের কথা বলছে।’ চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজি ভিক্ষাবৃত্তির চেয়েও নিকৃষ্ট।’
শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েই রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জাতি গড়তে হলে আমাদের ভালো শিক্ষা লাগবে। সেই শিক্ষাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। প্রথমত, বাজেটে শিক্ষাকে অবহেলা করা হয়। দ্বিতীয়ত, দলীয় আনুগত্য দেখিয়ে অসৎ লোকদের হাতে যা বাজেট আছে তা তুলে দেয়া হয়। এক দিকে বাজেট অপর্যাপ্ত, অন্য দিকে যা বাজেট থাকে সেটাও তারা খেয়ে ফেলে। সারা বাংলাদেশের একই চেহারা।’
তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর কৃষিতে বিপ্লব হয়ে চেহারা পাল্টে যাওয়ার কথা। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য যে পরিমাণ বাজেট ও পর্যাপ্ত জনবল সরবরাহ করা দরকার তা করা হয় না। তারপরও এই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশকে অনেক কিছু দিয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার ক্ষেত্রে কাছাকাছিও কিছু দিতে পারেনি। ১১ দল ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হবে। এই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গোটা ময়মনসিংহে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। কৃষিকে ওই পুরোনো ধাঁচে আর আমরা দেখতে চাই না। কৃষি এবং কৃষক, এই দুটোকে শিল্প এবং শিল্পীতে পরিণত করব ইনশাআল্লাহ।’
জনগণ পুরোনো পচা রাজনীতি আর চায় না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ পরিবার ও ব্যক্তিগোষ্ঠীতান্ত্রিক রাজনীতি চায় না। তারা দলীয় সরকার দেখতে চায় না। জনগণ জনগণের সরকার দেখতে চায়। অনেকেই এখন আস্তে আস্তে বলতে শুরু করেছে আমরাও হ্যাঁ। ঠ্যালার নাম বাবাজি। জনগণের ঠ্যালা এটি ভীষণ শক্তিশালী ঠ্যালা। এটা সাগরের উত্তাল ঢেউকে থামিয়ে দেয়।’
বক্তব্য শেষে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার ১১ দলীয় প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান জামায়াত আমির।
ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির ও সদর-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি ও মুক্তাগাছা-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ সহকারী অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মঞ্জরুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং ময়মনসিংহ জেলা আমির আব্দুল করিম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার তেজগাঁও অঞ্চলের সাতরাস্তা মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে তারা এই সড়ক অবরোধ শুরু করেন। এ অবরোধের কারণে সংশ্লিষ্ট সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে উক্ত সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়। যাত্রী ও চালকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করছেন যে, দশম গ্রেডের উপসহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নিয়োগের পাশাপাশি বিএসসি প্রকৌশলীদের নিয়োগের বিধান করার সুপারিশের প্রতিবাদে তারা এই রাস্তা অবরোধ করেছেন। তাদের দাবি, সরকারকে এই সুপারিশ বাতিল করতে হবে।
কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের সদস্য আরিফ বিল্লাহ জানান, উপসহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে, বর্তমান সরকার বিএসসি ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। যদি এই সুপারিশ বাতিল না করা হয়, তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) তানিয়া সুলতানা জানান, সড়ক অবরোধের কারণে আশপাশের এলাকায় প্রভাব পড়েছে। সাতরাস্তা থেকে কাকরাইল পর্যন্ত সড়কে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। সোনারগাঁওয়ের সামনে কানেক্টিং সড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। এর ফলে আশপাশের সড়কগুলোতেও প্রভাব পড়েছে, এবং মহাখালী থেকে আসা যানবাহনকে ডাইভারশন করতে হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বালাশুর এলাকায় নির্মাণাধীন ‘তমি মার্কেট’ দখল করতে বাধা দেওয়ার সময় আলমগীর (৫০) নামে এক ব্যক্তি প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন। এরপর তাঁর স্বজনেরা ঢাকা-দোহার সড়ক অবরোধ করেন এবং সেখানে অগ্নিসংযোগও করেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বালাশুরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে এবং স্থানীয় নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ জনতাও বেলা ১১টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এই কারণে উভয় দিকে交通完全 বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
বিক্ষোভের সময় হান্নান হাজীর মার্কেটের সামনে অগ্নিসংযোগ করা হলে পুরো এলাকায় ভীতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যোগদান করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল পুনরম্ভ হয়।
এ ঘটনায় তমিজউদ্দিন (৬৫), জাহাঙ্গীর (৫৫), তারেক (৩৫), তুষার (২৪), আব্দুর রহমান (২৩)সহ অন্তত ৮ জন আক্রমণের শিকার হয়ে আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর ও তাঁর ভাই তমিজউদ্দিন বালাশুরে একটি মার্কেটের নির্মাণকাজে যুক্ত ছিলেন। এই জমিতে হান্নান হাজী, মানিক ও তাপস নামক কয়েকজন ব্যক্তি আদালতে মালিকানা দাবি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা ব্যার্থ হলে অভিযুক্তরা নির্মাণাধীন মার্কেটটি দখল করার চেষ্টা করতে থাকেন।
শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুনরায় মার্কেটটি দখল করতে আসেন হান্নান ও মানিকের সহযোগীরা। যখন বাধা দেওয়া হয়, তখন তারা আলমগীরকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। আলমগীরকে বাঁচাতে গেলে পরিবারের অন্য সদস্যদের উপরও হামলা চালানো হয়।
আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার সময় হাসপাতাল গেটের সামনে দ্বিতীয় দফায় আলমগীরের উপর হামলা করা হয়। পরে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল মিঞা বলেছেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আমরা অভিযোগ পেয়েছি এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ