বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ এম
সরকার দেশের তিনটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারিত করেছে। এগুলো হলো আশুগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ ও হরিপুর। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের বার্ষিক সাশ্রয় হবে ১১৯ কোটি ৬ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) পরিচালিত ৪৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনঃনির্ধারণের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার দাম ৫.৭৮৪৪ টাকা থেকে কমিয়ে ৫.৭৬৩৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ট্যারিফ কার্যকর হলে বাবিউবো বছরে প্রায় ১৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা সাশ্রয় করার সুযোগ পাবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার জন্য বাবিউবোকে বছরে ১ হাজার ৫৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ ১৪ বছর ১১ মাস ২২ দিন ও মোট পরিশোধের টাকা হবে ২৩ হাজার ৮৮০ কোটি ২ লাখ টাকা।
এছাড়াও, সরকার ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইজিসিবি) কর্তৃক পরিচালিত হরিপুর ৪১২ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়।
বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার দাম ৪.৭৭৯৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৪.৭৫৮৮ টাকা করা হয়েছে। নতুন ট্যারিফ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে এবং এর ফলে বাবিউবো বছরে প্রায় ৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা সাশ্রয় করতে পারবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এর আগে বছরে ৩০৫.৩৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এবং বাবিউবোকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের জন্য একুশের হিসেবে ১ হাজার ৪৫৩ কোটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ ১৩ বছর ৮ মাস ৫ দিন এবং মোট বরাদ্দ ১৯ হাজার ৮৬৪ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা বাবিউবোকে দেয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগের তৃতীয় প্রস্তাবে ইজিসিবি পরিচালিত সিদ্ধিরগঞ্জ ৩৩৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনাও অনুমোদিত হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার দাম ৫.৫২১৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৫.৪২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ট্যারিফও আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে এবং পুনর্নির্ধারণ হলে বাবিউবো বছরে প্রায় ৬৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা সাশ্রয় করতে পারবে।
এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি প্রতি বছর ২৪৮ কোটি ২৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এবং বাবিউবোকে ১ হাজার ৩৪৫ কোটি ৭০ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বছরে পরিশোধ করতে হবে। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ ১৬ বছর ১ মাস ৯ দিন এবং মোট পরিশোধ ২১ হাজার ৬৭৫ কোটি ৩ কোটি ৯০ হাজার টাকা বাবিউবোকে দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সংকট মোকাবেলাসহ রফতানি সচল রাখতে সরকারী ও জরুরি নীতিগত আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তাদের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে বিজিএমইএর প্রতিনিধিদল এসব সহায়তা চেয়েছে। বৈঠকে, বিজিএমইএ-এর সহ সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সহ সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, মিজানুর রহমান এবং পরিচালক ফয়সাল সামাদ।
এসময় বিজিএমইএ প্রতিনিধি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিকূলতার কারণে শিল্পটি এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে পোশাক রফতানির প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমেছে এবং ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় তৈরি পোশাকের রফতানি প্রবৃদ্ধি গড়ে ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমেছে।
গত এক বছরে বিভিন্ন কারণে, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, পণ্যের দাম হ্রাস ও অর্ডার কম আসার কারণে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এবং আরও অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিনিধিদল অর্থ সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, সরকারি ছুটি এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে কর্ম দিবসের সংখ্যা অনেক কম হবে। ৬০ দিনের মধ্যে কারখানা মাত্র ৩৫ দিন খোলা থাকলেও মার্চ মাসে নিয়মিত বেতনের পাশাপাশি বোনাস ও অগ্রিম বেতন মিলিয়ে কারখানাগুলোকে প্রায় দ্বিগুণ মজুরি পরিশোধ করতে হবে।
এতে করে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) প্রতিষ্ঠানগুলো। এই অবস্থায় সঠিক সময়ে ব্যাংকিং সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নির্ধারিত সময়ে শ্রমিকদের মজুরি এবং উৎসব ভাতা পরিশোধ করা এবং উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব হবে না। এতে করে শিল্পের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
বিজিএমইএ নেতারা এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিন্মলিখিত পদক্ষেপগুলো নিতে সরকারের প্রতি দুটি স্পষ্ট অনুরোধ জানিয়েছেন- ১. লিয়েন ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রক্রিয়াধীন থাকা বকেয়া নগদ সহায়তার আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে অর্থ ছাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা। এর ফলে কারখানাগুলোর ক্যাশ-ফ্লো ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি আসবে। ২. আসন্ন ঈদ ও নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনা করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস নিশ্চিত করতে ৬ মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ 'সফট লোন' বা স্বল্প সুদের সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে প্রদানসহ অন্যান্য জরুরি সহযোগিতা প্রদান করা।
বৈঠকের সময় বিজিএমইএ নেতারা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ আশা করেন। অর্থ সচিব বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতিবাচক আশ্বাস দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশালের জনসভায় অংশ নিতে ভোলা থেকে সড়ক ও নৌপথে হাজার হাজার নেতাকর্মী বরিশালের দিকে যাওয়ায় ব্যস্ত। দুই দশক পরে সরাসরি তাকে দেখার জন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জনসমাবেশে অন্তত ২০ হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করবে। এর আগে বরিশালের উদ্দেশ্যে একদিন আগেই যাত্রা করেছেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিম এবং ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনেকে একদিন আগে থেকেই বরিশালের উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে বরিশালের দিকে একাধিক লঞ্চ ছেড়ে গেছে।
সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বুধবার ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট থেকে ৭টি লঞ্চ ও ৩টি ট্রলারে করে নেতাকর্মীরা একযোগে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হেলাল উদ্দিন জানালেন, অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে তারেক রহমানের সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন। তবুও দলে থেকে ৭টি লঞ্চ ও ৩টি ট্রলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে চরফ্যাশনের ঘোষেরহাট থেকে ২টি লঞ্চের মাধ্যমে ওই উপজেলার নেতাকর্মীরা রওনা দিয়েছেন। সভা শেষে তাঁরা সেই লঞ্চেই ফিরে আসবেন। লালমোহন উপজেলা থেকেও ২টি লঞ্চে নেতাকর্মীরা বরিশাল পৌঁছেছেন। বিচ্ছিন্ন উপজেলার মনপুরার নেতাকর্মীরা একদিন আগেই বরিশালে চলে গেছেন।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুক কবির সোপান জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাকে সফল করতে ভোলা থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা বরিশালের পথে অগ্রসর হচ্ছেন। অনেকেই যাচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগে। সভা শেষে সকলেই আবার নির্বাচনী কাজ শুরু করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সনোবরের অভিযোগ, এই ছবিতে তাঁর বাবার চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন যে, কোনো অনুমতি ছাড়াই তাঁর বাবার জীবনীচিত্র বানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে নতুন এক অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। যদিও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের ম্যাচ বয়কট করার দাবী উঠেছে, তথাপি নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারে পাকিস্তান 'এ' দল ভারতের বিপক্ষে খেলতে প্রস্তুত। এই দ্বৈত আচরণই সৃষ্ট করেছে সমালোচনা। মহসিন নাকভির বোর্ড এই বিষয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি, আলোচনা চলছে পাকিস্তান কি বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ বয়কট করতে পারে কিনা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গুটিকয়েক গ্রুপ পর্বের ম্যাচ নিয়ে মানুষের আগ্রহ এখন বেশী। পাকিস্তান-ভারত ম্যাচের ভবিষ্যৎ নিয়ে শোরগোল উঠছে।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে বয়কটের শোনা গেলেও, পাকিস্তান মহিলা 'এ' দল নারীদের এশিয়ান কাপ রাইজিং স্টারে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছে। মজার বিষয়, ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে ওই ম্যাচটা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এক্ষেত্রে, একই দিনে নারীদের ম্যাচেও মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান।
ছেলেদের ম্যাচ বয়কট নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন নারীদের এ ম্যাচ নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নীরবতা প্রশ্ন ওঠাচ্ছে। তারা থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের জন্য নারী 'এ' দলের নাম ঘোষণা করেছে, কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে কোনো নিজেদের নিশ্চিতকরণ দেওয়া হয়নি, যা পুনরায় সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, পাকিস্তান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে ভারত ম্যাচ বয়কটের আদেশ জানায়নি। কিন্তু সমস্যা সমাধানের জন্য আইসিসি ইতিমধ্যেই গোপনে আলোচনা শুরু করেছে। কারণ ম্যাচটি টুর্নামেন্টের অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই পাকিস্তানকে সরিয়ে আনার চেষ্টা করছে আইসিসি। এখন প্রশ্ন হলো, পাকিস্তান কি বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ বয়কটের সাহস করবে? আইসিসির নিয়মও কি নির্ধারণ করে বিষয়টি?
আইসিসির নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই যে, একটি ম্যাচ বর্জনের জন্য আলাদা কোনো শাস্তি আছে। এর ফলে যদি একটি ম্যাচ হলেও কিংহারা হয়, পুরো টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার কোনো নিয়ম বিদ্যমান নয়। কিন্তু যদি শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ম্যাচটি না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটি ওয়াকওভার হিসেবেই গণ্য হবে। এতে ভারত ২ পয়েন্ট পেয়ে যাবে। তবে এতে আইসিসির রাজস্বে বিশাল ক্ষতি হতে পারে এবং সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শাস্তির সম্মুখীনও হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ