বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৩৭ পি.এম
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের কারণে চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ) আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন আহমদকে শোকজ করা হয়েছে। এই নোটিশ জারি করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
এটি বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের অস্থায়ী কার্যালয়, সাতকানিয়ায় থেকে জারি করা হয়।
নোটিশটি সিভিল জজ সানজিদা আফরোজ বৃষ্টির স্বাক্ষরিত, যেখানে প্রার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে অথবা একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এলডিপি চন্দনাইশ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আকতার আলমের পক্ষ থেকে দাখিল করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই নোটিশ জারি হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রার্থীর ব্যানারে ব্যবহৃত ছবির মাপে ৭৮.৭৪ সেন্টিমিটার × ৫৯.৬৯ সেন্টিমিটার, যা আচরণ বিধিমালায় নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে এবং এটি স্পষ্টভাবে বিধিমালার লঙ্ঘন।
অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিএনপি প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন আহমদ তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানারে নির্বাচনী আইনে নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে ছবি ব্যবহার করেছেন। এই অভিযোগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ৩০ এবং ৭(ছ) বিধির পরিপন্থী বলে পরিচিত।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কেন নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন পাঠানো হবে না—এ বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করতে বলা হয়েছে। এছাড়া, দ্রুততম সময়ে নোটিশটি জারি করার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ ফরিদপুরে এক নির্বাচনী জনসভায় আশ্বাস দিয়েছেন যে, জনগণের সমর্থন পেলে তার দল আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে এবং ফরিদপুর বিভাগ গঠন করবে।
আজ বিকেলে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত ওই জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
তারেক রহমান জানান, বিএনপি বিশ্বাস করে— রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গণমানুষের হাতেই থাকে এবং এই বিশ্বাস নিয়েই তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় নিজেদের প্রস্তুত করেছে।
ফরিদপুর অঞ্চলের নদীভাঙন সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে পদ্মা ও অন্যান্য নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সকাল থেকে ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ও কাছের জেলার নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন, ফলে জনসভা মাঠ ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিপুল জনসমাগম প্রমাণ করছে যে— জনগণ পরিবর্তন চায়। দীর্ঘদিন পর ফরিদপুরে এমন বড় রাজনৈতিক সমাবেশ নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) শামা ওবায়েদ, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইসা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম কিবরিয়া স্বপনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে ওঠেছে কারাকাস। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পথে নেমে আসে মাদুরোর সমর্থকরা।
মার্কিন সামরিক অভিযানের অবৈধতার এক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরেও, মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির ব্যাপারে সমর্থকরা আশাবাদী হতে পারছেন না। তদুপরি, তারা মঙ্গলবার আবারও কারাকাসের রাস্তায় নেমে পড়ে মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টির (পিএসইউভি) নেতা-কর্মী এবং বলিভারিয়ান মিলিশিয়ার সদস্যরা। মিছিলে মাদুরোকে সুপারহিরো চরিত্র ‘সুপার বিগোটে’ হিসেবে উপস্থাপন করা বিভিন্ন প্রতীক, খেলনা ও পোস্টার নজর কাড়ে।
এ সময়, মাদুরোর ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
একই দিনে, মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে তার ফোনালাপ ইতিবাচকভাবে হয়েছে।
রদ্রিগেজ বলেন, মতভिन्नতা থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজের জন্য একটি এজেন্ডা তৈরি করা সম্ভব। তার সাথে ছিলেন জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া এক চুক্তির অধীনে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে প্রথম পর্যায়ে ৫০ কোটি ডলার তেল বিক্রির অর্থ ফেরত দিচ্ছে। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে এই তেল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া, মার্কিন তরলীকরণ পদার্থ ভেনেজুয়েলায় রফতানির বিষয়েও প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে, যা কার্যকর হলে ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে।
এতে করাকাস অপরিশোধিত তেল রফতানির জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ক্রয়ের সুযোগ পাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে কারাকাসে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাজপথে সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন মাদুরোর সমর্থকরা।
মার্কিন সামরিক অভিযানের অবৈধতা প্রসঙ্গে এক মাস অতিক্রম হয়েছে। তবে মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির বিষয়টি সম্পর্কে সমর্থকরা আশাবাদী নন। তবুও এই দাবির সমর্থনে মঙ্গলবার অনেকে রাস্তায় নেমে এসেছেন।
সমাবেশে ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টি (পিএসইউভি) এবং বলিভারিয়ান মিলিশিয়ার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে দেখা যায়, মাদুরোকে ‘সুপার বিগোটে’ সুপারহিরো চরিত্রে উপস্থাপন করা প্রতীক, খেলনা ও পোস্টার।
এসময়, মাদুরোর ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
একইদিনে মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠককে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন।
রদ্রিগেজ আরও বলেন, মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজের এজেন্ডা নির্ধারণ সম্ভব। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো। তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে, কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সিরিজ চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে প্রথম ধাপে ৫০ কোটি ডলার তেল বিক্রির অর্থ ফিরিয়ে দেয়। গত মাসে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া, মার্কিন তরলীকরণ পদার্থ ভেনেজুয়েলায় রফতানির প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়েছে, যা কার্যকর হলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে।
এতে অপরিশোধিত তেল রফতানিতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ওয়াশিংটন থেকে কিনতে পারবে কারাকাস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পদ্মা সেতুর টোল থেকে সংগৃহীত বিশাল অর্থ এবং প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের স্বচ্ছতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আমজনতার দলের সাধন ও ঢাকা-১২ আসনের এমপি প্রার্থী মো. তারেক রহমান তার ফেসবুক পোস্টে এই প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, পদ্মা সেতুর জন্য প্রতি বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা হারে ৩৫ বছরে ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমানে এই প্রক্রিয়া কি থমকে আছে, সেই নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ২৭ জুন প্রকল্পের ৭ম ও ৮ম কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন কোনো কিস্তি পরিশোধ হয়েছে কিনা, সে সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য বা সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে না। তথ্যানুসন্ধান থেকে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে পদ্মা সেতু দিয়ে প্রায় ৬৯ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৪টি যানবাহন চলাচল করেছে। এই সময়ে সেতু থেকে মোট টোল আদায় হয়েছে ৮৬৮ কোটি ৮৭ লাখ ২ হাজার ৫৫০ টাকা।
তারেক রহমান নিজের পোস্টে প্রশ্ন করেছেন, এই বিশাল টোলের অর্থ কোথায় গেল এবং কেন কিস্তি পরিশোধের বিষয়ে কোনো আপডেট পাওয়া যাচ্ছে না।
এছাড়া তিনি সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক অনুদান, সরকারি কর্মচারীদের দুটি দিনের বেতন এবং টিএসসিতে সমন্বয়কদের সংগৃহীত অর্থের সঠিক বণ্টন এবং সময়মতো ফেনী ও নোয়াখালীবাসীর হাতে পৌঁছানোর বিষয়টিও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি এসব অর্থের সুষ্ঠু বণ্টন এবং তদারকির দিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
অন্যদিকে তার পোস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিদেশ যাত্রার প্রস্তুতির মধ্যে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, উন্নত দেশের ভিসা পাওয়ার সুবিধার্থে উপদেষ্টারা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট বদলিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ করছেন। আকস্মিকভাবে উপদেষ্টাদের সাধারণ পাসপোর্ট নেওয়ার এই তৎপরতা এবং দেশ ছাড়ার জল্পনা কেন তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ