ঢাকা সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০২ই জ্বিলহজ্জ, ১৪৪৭হিজরী
সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ইং ০৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে এখন: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী


দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে এখন: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য তিনি করেন।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই।

আরও পড়ুন: দুর্গম দ্বীপে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে চিকিৎসকদের আকাশ থেকে ঝাঁপ

তিনি আরও বলেন, এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে প্রয়োজনীয় জ্বালানির পূর্ণ মজুত রয়েছে। একইসঙ্গে জুন মাসের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী এরপর বলেন, জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে। বিশেষ করে ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে, যা জাতীয় চাহিদা পূরণে সক্ষম। পাশাপাশি পরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরীও জানান, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের মজুত আগামী দুই মাসের জন্য যথেষ্ট।

আরও পড়ুন: শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রাণালিতে চলমান অবরোধের প্রভাব দেখা যাচ্ছে দেশে; জ্বালানি তেল মজুতে মেতে উঠেছে অসাধু চক্র। ফলে, অস্থিরতা তৈরি হয়েছে ক্রেতাসাধারণের মনেও। ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় করছে মানুষ, বিশেষ করে অকটেন ও পেট্রোলের জন্য দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ সারি। ধারণা করা হচ্ছে, আতঙ্কের কারণে বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবজির বাজারে একের পর এক সেঞ্চুরি, ক্রেতাদের অসুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


সবজির বাজারে একের পর এক সেঞ্চুরি, ক্রেতাদের অসুবিধা

তেল সংকটের কারণে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ এবং সরবরাহের কমতির জন্য বাজারে সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। আলু, পেঁপে ও গাজর ছাড়া প্রায় সব সবজির কেজি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। যা স্বাভাবিক অন্য বছরের ভরা মৌসুমের দামের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাজারে সবজি কিনতে হিমসিম খাচ্ছেন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের ক্রেতাগণ। অনেক ক্রেতা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এক সপ্তাহের সবজির চাহিদা মেটাতে পারছেন না।

আজকের বাজারে প্রতি কেজি পটল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কাঁকরোল প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এবং, প্রতি কেজি মূলা ৬০ টাকায়, টমেটো প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মুকিদুর রহমান বলেন, আজ বাজারে এসে দেখছি সব ধরনের সবজির দাম অনেক বাড়তি। বেশিরভাগ সবজি ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, অন্যান্যগুলো ৮০ টাকার মধ্যে। অল্প কিছু সবজি ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতিটি সবজির দাম অতিরিক্ত বেশি।

তিনি আরও বলেন, বিগত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। মনে হচ্ছে, সবাই ইচ্ছে করে বাড়তি দাম আদায় করছে। বাজার মনিটরিংয়ের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

রামপুরা বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, মূলত সবজির মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে পরিবহনের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া পাইকারি বাজারগুলোতে সবজির সরবরাহ তুলনামূলকভাবে কম। ফলে বাজারে সবজির দাম বাড়ছে।

অন্যদিকে, বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। পাশাপাশি সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। বাজারভেদে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগে ৪৫০ টাকায় উঠেছিল।

এছাড়া, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ক্রেতাদের ১১৫ থেকে ১২০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

শেষে, গত ঈদে গরুর মাংসের দাম বেড়েছিল, কিন্তু এখনো তা কমেনি। প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকায়। তবে দরদাম করে অনেক দোকানে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে কেনা যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, ভোজ্যতেল-সবজির পরিস্থিতি কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, ভোজ্যতেল-সবজির পরিস্থিতি কী?

ঈদের আগে থেকে বাড়তে থাকা মুরগির বাজারে অবশেষে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিতে শুরু করেছে। তবে পুরোপুরি সংকট কাটেনি বোতলজাত সয়াবিন তেলের। একই সময়ে মসলার দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। যদিও সপ্তাহের ব্যবধানে পটল, ঢ্যাঁড়স ও করোলার দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমে গিয়েছে, কিন্তু বেগুনের দাম বেড়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ানবাজার এবং তার আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

বাজারে ঘুরে দেখা যায়, আগে যেখানে মাসিক বাজারে থলেতে অনেক কিছু ভরে নেয়া সম্ভব ছিল, সেখানে এখন দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই কারণে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও কারওয়ানবাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সংকট পুরোপুরি কাটেনি। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, বেশ কয়েকটি কোম্পানির তেল বাজারে একেবারে নেই। তেল বিক্রেতা নাসিম বলেন, কিছু কোম্পানির তেল একেবারে নেই, যা আসে তা খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে মসলার বাজারে দাম বেড়েছে। মাসের ব্যবধানে এলাচ ও লবঙ্গের দাম কেজিতে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। পোলাওয়ের চাল কেজি ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি করা বাদাম এবং কিসমিসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ভোজ্যতেলের সংকট এবং নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় ক্রেতারা চাপের মধ্যে পড়েছেন।

ক্রেতা আকরাম বলেন, আগে যে পরিমাণ টাকা নিয়ে বাজারে আসতাম, এখন সেই টাকায় অর্ধেকও জিনিস পাওয়া যায় না। সবকিছুর দামই বেড়ে গেছে।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পটল, করোলা ও ঢ্যাঁড়সের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। শসা কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বেগুনের দাম উল্টো বেড়ে কেজি ১০০ টাকায় উঠেছে।

চড়ে যাওয়া মুরগির বাজারেও কিছুটা স্বস্তি এসেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সোনালি মুরগির দাম ৭০ টাকা কমে কেজি ৩৮০ টাকায় নেমেছে।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করায় দাম কমছে। মুরগি বিক্রেতা দিদার বলেন, আগে সরবরাহ কম ছিল, এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে। তাই দামও কিছুটা নিম্নতর হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনে বড় আকারের হামলা রাশিয়ার, নিহত ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


ইউক্রেনে বড় আকারের হামলা রাশিয়ার, নিহত ১৮

ইউক্রেনে রাতভর রাশিয়ার হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর। যুদ্ধবিরতির পরপরই এই হামলা নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে। পাল্টা হামলায় রাশিয়াতেও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

রাশিয়া ইউক্রেন লক্ষ্য করে রাতভর ৭শ’র বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। লক্ষ্যবস্তু করা হয় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর। রাজধানী কিয়েভ, বন্দরনগরী ওডেসা এবং শিল্পনগরী দিনিপ্রোতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

কিয়েভে মধ্যরাতে সাইরেন বেজে ওঠার পরপরই বিস্ফোরণ শুরু হয়। একটি বহুতল ভবনে সরাসরি আঘাত হানে রাশিয়ার ড্রোন। এর ফলে ভবনটি ধসে পড়ে। শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহতদের মধ্যে ১২ বছর বয়সি শিশুও রয়েছে।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, ৬শ’র বেশি ড্রোন ও ৪৪টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে বেশিরভাগই ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে ২৬টি স্থানে সরাসরি আঘাত হানতে পেরেছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র। একইসঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

এই হামলার জন্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি মন্তব্য করেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা শিথিল নয়, বরং আরও জোরদার করা উচিত।

এছাড়া প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির কথাও তুলে ধরেন জেলেনস্কি, যা রাশিয়ার ব্যালিস্টিক হামলা প্রতিহত করার একমাত্র কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

পাল্টা হামলায় রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলেও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। যুদ্ধবিরতির পরও উভয় পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি হামলা শান্তি আলোচনার পথ অনিশ্চিত করে তুলছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

যুদ্ধের পঞ্চম বছরে আসার পর সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও, পাল্টাপাল্টি হামলায় তা আরও বহুদূর গড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫৬ বছরে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করা হয়নি: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


৫৬ বছরে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করা হয়নি: মির্জা ফখরুল

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও, গত ৫৬ বছরে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) যুব নেতৃত্ব ও উন্নয়ন সংগঠন জেসিআই কার্নিভালে এই মন্তব্য করেন। এলজিআরডি মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। তবে গত ৫৬ বছরে আমরা খুব একটা ভালো করতে পারিনি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশের মাথা পিছু আয় ও জিডিপি এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তিনি উল্লেখ করেন যে, এখনো প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে এবং অনেকেই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

তবে তিনি জানান, নানা খাতে দেশের বিভিন্ন অগ্রগতির দিক তুলে ধরে খাদ্য ঘাটতি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ সক্ষম হওয়ায় আশাবাদও প্রকাশ করেন।

এছাড়া, তিনি তরুণদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশের স্বউদ্যোগে ব্যবসা ও কৃষিভিত্তিক খামার প্রতিষ্ঠাকে দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, তরুণদের একটি বড় অংশ স্বউদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছে এবং কৃষি খামার দিচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক। তরুণদের জন্য কাজ করছে জেসিআই, যা প্রশংসনীয়।

এলজিআরডি মন্ত্রী যোগ করেন, 'বড় কিছু করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হয়। যে নতুন স্বপ্ন দেখেছিলেন জিয়াউর রহমান, আমিও স্বপ্ন দেখি যে, আমরা পারব। আমি আশাবাদী। এই দেশটা আমাদের। আমাদের কেউ ভালো করে দিয়ে যাবে না।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%