ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি: তুরস্ক


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি: তুরস্ক

সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি, এ ধারণা প্রকাশ করেছে তুর্কি সরকার।

শনিবার (৮ আগস্ট) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান সংবাদমাধ্যমের সাথে আলোচনা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, এই চুক্তিতে ইরান বা অন্য কোনো দেশের প্রতি যৌথ হুমকি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়নি।

মক্কায় শুক্রবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ ঘটলে সেটি তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসাবে গণ্য হবে।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, এই চুক্তিটি ন্যাটোর 'আর্টিকেল ৫'-এর মত একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনুকরণে হলেও, আক্রমণের ক্ষেত্রে কিভাবে প্রতিটি দেশ সহায়তা পাবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। এই সহায়তার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য, লজিস্টিক, গোলাবারুদ অথবা সেনা মোতায়েন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

এছাড়া, সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় এবং রাজনৈতিক ও সামরিক কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা ভাগাভাগির বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।

ফিদান আরও বলেন, এই চুক্তির প্রস্তুতি প্রায় দুই বছর আট মাস ধরে চলছিল, তাই এটি শুধু সাম্প্রতিক ইরান উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া নয়। এতে ভবিষ্যতে মিশরসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, তুরস্কের এই আশ্বাসের পরেও ইরানি কর্মকর্তারা এই চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইরানের পার্লামেন্টারি ন্যাশনাল সিকিউরিটি ও ফরেন পলিসি কমিশনের সদস্য মাহমুদ নাবাভিয়ান ও ইব্রাহিম রেজাই এটিকে একটি 'কাগজি চুক্তি' বলে অভিহিত করেছেন এবং রিয়াদকে নিরাপত্তার জন্য নতুন সঙ্গীদের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শ দেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সরাসরি চুক্তি নিয়ে মন্তব্য না করলেও আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিজেদের ওপর নির্ভর করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানের বাদাখশানে বেড়েছে সোনা উত্তোলনের কাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


আফগানিস্তানের বাদাখশানে বেড়েছে সোনা উত্তোলনের কাজ

আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান প্রদেশে সোনা উত্তোলনের কাজ ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। একসময় যেসকল পাহাড়ে গ্রামবাসী ও তাদের গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ ছিল, সেখানে এখন দিনরাত এক্সক্যাভেটর দিয়ে খনন কাজ চলছে। এই খনন কার্যক্রম স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করলেও পরিবেশের পাশাপাশি মানুষের জীবন ও জীবিকায় গুরুতর প্রভাব পড়ছে।

ফয়জাবাদ থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে শিওয়া এলাকায় কয়েক হাজার খনিশ্রমিক সোনা উত্তোলনের কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকার বিনিয়োগকারীদের হয়ে পাহাড় কেটে মূল্যবান এই ধাতু সংগ্রহ করছেন।

যদিও খনি কার্যক্রমে কিছু স্থানীয় মানুষ আর্থিকভাবে লাভবান হলেও অনেকেই এর বিরূপ প্রভাব নিয়ে হতাশ। এর মধ্যে ৭৪ বছর বয়সী কৃষক মোহাম্মদ আমিন অন্যতম।

পুল-ই-জিরি বান উপত্যকার বাসিন্দা আমিন এএফপিকে জানান, খনন কাজ শুরুর আগে নদীর পানি ছিল গভীর ও স্বচ্ছ। এখন সেই পানি পান করা তো দূরের কথা, গোসল কিংবা হাত-পা ধোয়ার কাজেও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

তিনি কান্নাভেজা চোখে জানান, নদীর তীরের সব ঘাস বিলীন হয়ে গেছে। ধুলাবালি ও বাতাসের কারণে সেখানে এখন চাষাবাদ করাও সম্ভব হচ্ছে না।

খনন কাজের আগে আমিন সর্বোচ্চ ৪০টি ছাগল পালন করতে পারতেন। এখন পরিবেশের অবনতির কারণে ১৫টি ছাগল পালন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি তার জমি একটি খনি কোম্পানির কাছে ইজারা দিয়েছেন। এর বিনিময়ে তাকে ২০ হাজার ডলার দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তিনি অর্ধেক অর্থও পাননি। খনন শেষে জমি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোম্পানিটি পূরণও করেনি।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফিরে আসার পর দেশটির খনি খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় আয় বাড়াতে দেশের বিপুল ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদ কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে তালেবান সরকার।

বিশ্বব্যাংকের মে মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের পর আফগানিস্তানে শত শত খনিসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ খাতে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি বছরে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হয়েছে।

আফগান খনি ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় খনি খাতকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার চেষ্টা করছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুমায়ুন আফগান জানান, আগের সরকারের সময় খনিজসম্পদ অনিয়মিতভাবে উত্তোলন করা হতো এবং যথাযথ তদারকি ছিল না।

তিনি বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে সোনা উত্তোলন দ্রুত বাড়ছে। প্রতিবেশী তাখার প্রদেশেও কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। সেখানে একটি আফগান কোম্পানি চীনা অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে সোনা উত্তোলন করছে।

বর্তমানে খনি কোম্পানিগুলোর ওপর প্রতি হেক্টর জমির জন্য প্রতি মাসে ২০ গ্রাম স্বর্ণ অথবা সমপরিমাণ নগদ অর্থ কর হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। কোম্পানি লাভবান হোক বা না হোক, এই কর পরিশোধ করতে হয়।

বাদাখশানের কিছু এলাকায় এখনো খনন শুরু হয়নি। শিওয়া থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের এমন একটি এলাকায় বাস করেন পশুপালক ফাজিল। নিরাপত্তার কারণে তিনি পুরো নাম প্রকাশ করতে চাননি।

শৈশব থেকেই প্রতি গ্রীষ্মে পশুর পাল নিয়ে ওই পাহাড়ে আসেন ৪৫ বছর বয়সী ফাজিল। তিনি চান, তার এলাকায় খনিশ্রমিকেরা না আসুক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে নতুন আলোচনা, ফখরুলের সঙ্গে আরও একটি নাম এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে নতুন আলোচনা, ফখরুলের সঙ্গে আরও একটি নাম এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী কে হচ্ছেন, সেই বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। আপাতত মির্জা ফখরুলের নাম বেশ জোরেশোরে শোনা গেলেও দলের মধ্যে কেউ কেউ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামও নিচ্ছেন। তবে, এই সবগুলো এখনও গুঞ্জন পর্যায়েই আছে; আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর বিকালে কিছু গণমাধ্যমে দলীয় সূত্রের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

একটি গণমাধ্যমে আবার দলীয় সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন, সেই নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের বিষয়টি দলীয়ভাবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আলোচনায় আসতেই পারে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এ বিষয়ে অবহিত করার পর তিনি বলেছেন- রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। দলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাকে কিছু জানানো হয়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, সিদ্ধান্ত আমাদের দলীয় প্রধান তারেক রহমান নেবেন। এখনো এমন কোনো সিদ্ধান্ত আমাদের জানানো হয়নি। বর্তমানে সম্ভাব্য ক্যান্ডিডেট হিসেবে অনেকজন আলোচনা রয়েছে। সেখান থেকে কে কার নামকে হাইলাইট করবে কিংবা করবে না, সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি ফল প্রকাশ, কমল জিপিএ–৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


এসএসসি ফল প্রকাশ, কমল জিপিএ–৫

২০২৬ সালের এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবারের পাসের হার সারাদেশে গড় হিসেবে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। অপরদিকে, জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক অনুলিপি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ।

শিক্ষাবোর্ডের দেওয়া উপাত্তের বিশ্লেষণ বলছে, গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে অনেক বড় ধরনের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এর মানে হলো, এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.২ শতাংশের পরিমাণ এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

চলতি বছরে মোট ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

প্রকাশিত ফলাফল বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের পাশাপাশি নির্ধারিত খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার এসএসসি পরীক্ষায় ফেল প্রায় ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


এবার এসএসসি পরীক্ষায় ফেল প্রায় ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী

চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর সারাদেশে মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। অপরদিকে ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন শিক্ষার্থী। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার গড় পাসের হার কমেছে ৬.২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফলাফলের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ বছর সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বড় অংশের কারণে এ বছর সার্বিক পাসের হারে প্রভাব পড়েছে।

বোর্ডভিত্তিক বিস্তারিত ফলাফল ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের তালিকা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%