বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৭:০০ এম
পিয়ারসিং, যা শরীরের একাধিক স্থানে সুচ দিয়ে ছেদন করা হয়, বর্তমানে বহু মানুষের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। শরীরের ছেদন করা অংশগুলোর অলঙ্করণ এখন ফ্যাশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ট্রেন্ডটি দেশী এবং বিদেশী চলচ্চিত্র তারকারা ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। ত্বক ছেদন প্রথাটি নতুন বলে মনে করা হলেও, ইতিহাস দেখায় যে, আফ্রিকার বিভিন্ন উপজাতিদের মধ্যে এই রীতি বহু যুগ ধরে প্রচলিত রয়েছে।
এটি বিশেষভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে আরও ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রাচীন গ্রামের আদিবাসীদের মধ্যে কান, নাক, ভ্রু তৈরির রীতি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে করা ছিদ্রালঙ্কার আপনার ব্যক্তিত্বের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
কর্ণ ছেদন: কানের লতিতে ছেদন একটি প্রাচীন রীতির অংশ। বাংলাদেশে শহর ও গ্রামের মেয়েরা সাধারণত দুই কানে ছেদ করান, যা একাধিক হতে পারে। কানের পিয়ারসিংয়ের কিছু স্বাস্থ্যের উপকারিতা রয়েছে, যেহেতু এটি মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
নাসিকা ছেদন: আমাদের দেশীয় রীতিতে সাধারণত নাকের এক পাশ ছেদ করা হয়, কিন্তু বর্তমানে উভয় পাশে এবং মাঝে ছেদ করার প্রথা, যা সেপটাম পিয়ারসিং নামে পরিচিত, তা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
নাভিকু গহনা: নাভিকে আরও আকর্ষণীয় করতে অনেকেই এটি বেছে নেন, যা শাড়ি বা লেহেঙ্গার সৌন্দর্যে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভ্রু সজ্জায় ছিদ্রালঙ্কার: পুরুষ ও মহিলা উভয়ই ভ্রুতে ছিদ্র দিয়েছেন যাতে চোখের সৌন্দর্য বাড়ে।
বহির্বিশ্বে, শরীরের অনেক অঙ্গে ছেদন করা যায়। আমাদের দেশে পার্লারগুলোতে সাশ্রয়ী দামে এখন অঙ্গ পিয়ারসিংয়ের কাজ হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো ছেদের আগে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা অপরিহার্য। কারণ অ্যালার্জি বা অন্য কোন অসুখের জন্য পরামর্শ নেয়া আবশ্যক।
এবং ছেদনস্থল থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর জন্য সতর্ক থাকতে হবে। ছিদ্র করার পর অন্তত আট-নয় মাস বিশেষ যত্ন নিতে হবে। অলঙ্কারের জন্য মরচে প্রতিরোধী প্লাটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। সঠিক সতর্কতা মেনে পিয়ারসিং করে গহনা পরে, আপনি নিজের সৌন্দর্যকে নতুনভাবে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেটের আইন সংস্কারকারী সংস্থা, মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি), খেলাধুলার চলমান নিয়মে বড় পরিসরে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। প্রবর্তিত নতুন আইনে টেস্ট বা একাধিক দিনের ক্রিকেটে দিনের শেষ ওভারে ঘটমান নাটকীয়তার সংরক্ষণে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এই আইনটি ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকেই কার্যকর হবে এবং এতে এমসিসি ৭৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও ভাষাগত সংশোধন এনেছে।
দিনের শেষ ওভার পরিস্থিতি: পূর্বে টেস্ট বা প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দিনের শেষ ওভারে উইকেট পড়লে সাধারণত খেলা সেখানেই বন্ধ করে দেওয়া হতো। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দিনের শেষ ওভারে উইকেট পড়লেও খেলা অব্যাহত থাকবে। ওভারের বাকি বলগুলো সম্পন্ন করতে হবে এবং নতুন ব্যাটারকে ক্রিজে এসে সেই পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে।
এমসিসির ব্যাখ্যা হলো, দিনের শেষ ওভারে উইকেট পড়লেই ব্যাটিং দল নতুন ব্যাটার ছাড়া দিনের খেলা শেষ করার সুবিধা অন্যায়। এর ফলে ম্যাচের নাটকীয়তা ক্ষতিগ্রস্থ হতো। নতুন নিয়মে যদি পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে, তবে ওভার সম্পূর্ণ করতেই হবে।
বাউন্ডারি ক্যাচ ও ‘বানি হপ’: বাউন্ডারির সীমানায় ফিল্ডারদের 'বানি হপ' ক্যাচে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ফিল্ডার বাউন্ডারির বাইরে থেকে লাফ দিয়ে বলকে ভেতরে ঠেলে দিয়ে আবার মাঠে এসে ক্যাচ ধরার কৌশল (বানি হপ) এখন কঠিন হবে। নতুন নিয়ম অনুসারে, বাউন্ডারির বাইরে থেকে এসে শূন্য অবস্থায় ফিল্ডার মাত্র একবার বল স্পর্শ করতে পারবেন। ক্যাচটি পূর্ণ করতে হলে তাকে অবশ্যই বাউন্ডারির ভেতরে থাকতে হবে।
ক্লাব ক্রিকেটে ল্যামিনেটেড ব্যাট: উইলো কাঠের অভাব এবং ব্যাটের মূল্য কমাতে এমসিসি প্রাপ্তবয়স্কদের ক্লাব ক্রিকেটে ‘ল্যামিনেটেড’ বা জোড়া দেওয়া কাঠের ব্যাট (টাইপ ডি) ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এটি ২০১৭ সালে শুধুমাত্র জুনিয়র ক্রিকেটে বৈধ ছিল। তবে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নয়, কেবল ঘরোয়া বা ক্লাব পর্যায়ে ব্যবহৃত হবে।
হিট উইকেট ও ইনিংস ঘোষণা: হিট উইকেটের সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন এসেছে। শর্ট খেলার পর ভারসাম্য হারিয়ে স্টাম্পে পড়লে ব্যাটার আউট হবেন। কিন্তু যদি ভারসাম্য ফেরানোর সময় ফিল্ডারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং স্টাম্পে পড়লে আউট হবেন না। এছাড়া, ব্যাট হাত থেকে সোজা স্টাম্পে যাওয়ার পর আউট, তবে অন্য ফিল্ডার বা কিপারের স্পর্শে গিয়ে স্টাম্পে লাগলে নট আউট হবে।
এমনকি, ম্যাচের শেষ ইনিংসে অধিনায়ক এখন থেকে আর ইনিংস ঘোষণা বা ‘ডিক্লেয়ার’ করতে পারবেন না। এমসিসির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নতুন এই আইনগুলো ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচের ক্ষেত্রে এগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা, তা আইসিসির ক্রিকেট কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমসিসির আইন কর্মকর্তা ফ্রেজার স্টুয়ার্ট জানিয়েছেন, আধুনিক ক্রিকেটের সাথে তাল মিলিয়ে ১৭৮৭ সাল থেকে চলে আসা আইনগুলোকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ তেল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. এরফানুল হক, আর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের পদে আসীন হয়েছেন মো. রেজানুর রহমান।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখার যুগ্মসচিব আবুল হায়াত মো. রফিক কর্তৃক সইকৃত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. এরফানুল হককে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
এবং জনস্বার্থের উদ্দেশ্যে জারি করা এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তবে এর আগে ২৯ জানুয়ারি রাতে বিপিসির চেয়ারম্যান আমিন উল আহসানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর তিন দিন পর, অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি আদেশে অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুল আলমকে বিপিসির চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নতুন আদেশে মো. রেজানুর রহমানকে বিপিসির চেয়ারম্যানের পদে নিয়োগ করা হল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুতের লাইন স্থানান্তরের কারণে আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নরসিংদীর শিবপুর ও এর পার্শ্ববর্তী কিছু এলাকায় সকাল থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছেন নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তা সম্প্রসারণের কাজের জন্য ঠিকাদার কর্তৃক বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তর হবে। বুধবার চৌয়ালা ৩৩ কেভি সুইচিং স্টেশন থেকে শিবপুর ও মরজাল ইনকামিং ৩৩ কেভি ফিডার এবং ইটাখোলা সুইচিং স্টেশন থেকে মরজাল আউটগোয়িং ও নারায়ণপুর ৩৩ কেভি ফিডার শাটডাউনে থাকবে।
এছাড়া, শিলমান্দী উপকেন্দ্রের শিবপুর, দাসপাড়া ও শিলমান্দী ১১ কেভি ফিডার এবং বিসিক উপকেন্দ্রের বৈশাখী, পুটিয়া ও সৈয়দনগর ১১ কেভি ফিডারেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।
শাটডাউন কার্যকর থাকবে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার দেশের তিনটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারিত করেছে। এগুলো হলো আশুগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ ও হরিপুর। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের বার্ষিক সাশ্রয় হবে ১১৯ কোটি ৬ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) পরিচালিত ৪৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনঃনির্ধারণের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার দাম ৫.৭৮৪৪ টাকা থেকে কমিয়ে ৫.৭৬৩৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ট্যারিফ কার্যকর হলে বাবিউবো বছরে প্রায় ১৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা সাশ্রয় করার সুযোগ পাবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার জন্য বাবিউবোকে বছরে ১ হাজার ৫৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ ১৪ বছর ১১ মাস ২২ দিন ও মোট পরিশোধের টাকা হবে ২৩ হাজার ৮৮০ কোটি ২ লাখ টাকা।
এছাড়াও, সরকার ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইজিসিবি) কর্তৃক পরিচালিত হরিপুর ৪১২ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়।
বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার দাম ৪.৭৭৯৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৪.৭৫৮৮ টাকা করা হয়েছে। নতুন ট্যারিফ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে এবং এর ফলে বাবিউবো বছরে প্রায় ৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা সাশ্রয় করতে পারবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এর আগে বছরে ৩০৫.৩৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এবং বাবিউবোকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের জন্য একুশের হিসেবে ১ হাজার ৪৫৩ কোটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ ১৩ বছর ৮ মাস ৫ দিন এবং মোট বরাদ্দ ১৯ হাজার ৮৬৪ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা বাবিউবোকে দেয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগের তৃতীয় প্রস্তাবে ইজিসিবি পরিচালিত সিদ্ধিরগঞ্জ ৩৩৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনাও অনুমোদিত হয়।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার দাম ৫.৫২১৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৫.৪২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ট্যারিফও আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে এবং পুনর্নির্ধারণ হলে বাবিউবো বছরে প্রায় ৬৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা সাশ্রয় করতে পারবে।
এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি প্রতি বছর ২৪৮ কোটি ২৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এবং বাবিউবোকে ১ হাজার ৩৪৫ কোটি ৭০ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বছরে পরিশোধ করতে হবে। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ ১৬ বছর ১ মাস ৯ দিন এবং মোট পরিশোধ ২১ হাজার ৬৭৫ কোটি ৩ কোটি ৯০ হাজার টাকা বাবিউবোকে দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ