বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৩:৩৮ পি.এম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটকে সামনে রেখে ভাষণ দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানা গেছে, আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় এই ভাষণটি দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
জামায়াতের আমিরের ভাষণ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং বাংলাদেশ বেতারে একটি যৌথ সম্প্রচার হিসেবে সম্প্রচার করার অনুমতি চেয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম বলেন, "একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে জামায়াতে ইসলামী সদা সচেষ্ট।" এই ভাষণ নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবেই গ্রহণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দলটি আশা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামায়াতের আমিরের ভাষণটি নির্ধারিত সময়ে সম্প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং দ্রুত অনুমোদন দেবেন।
এতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। একই সঙ্গে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। এই দ্বৈত নির্বাচনের কারণে রাজনৈতিক পরিবেশ এখন উৎসবমুখর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরে ১৫ রাউন্ড গুলি ও একাধিক বিদেশি রিভলবারসহ দেশীয় অস্ত্র মজুতের অভিযোগে সেনাবাহিনী শীর্ষ সন্ত্রাসী আতিক হাসানকে (৩০) আটক করেছে।
মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দুপুরের মধ্যে উপজেলার সাবরুল এলাকার বাগিনাপাড়া গ্রামে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
প্রসঙ্গত, আতিক হাসান ওই এলাকার একজন বাসিন্দা এবং শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান নুরু বাহিনীর সক্রিয় সদস্য।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই অস্ত্রগুলো মজুত করার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাগিনাপাড়ায় অভিযান চালানো হয়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে আতিক বাড়ির ছাদ থেকে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তাকে ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে তার কাছে মজুতকৃত ১টি ব্রিটিশ বুলডগ মডেলের ৯ এমএম রিভলবার, ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, ২টি ম্যাগাজিন এবং ১০টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।
আতিক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন যে, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান নুরুর।
বগুড়া সেনানিবাসের ৪০ বীর ব্রিগেডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আহম্মেদ তমাল জানান, নির্বাচনের পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে নুরু বাহিনীর সদস্যরা এসব অস্ত্র মজুত করেছিল। উদ্ধারকালে রিভলবারের ভিতর ৪টি গুলি লোড করা ছিল। আতিকের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হামলা সহ মোট ৫টি মামলা রয়েছে।
শাজাহানপুর থানার এসআই আল আমিন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আতিকের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ এবং ২৮ জানুয়ারি একই উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দাবি করেছেন, একটি গোপন গোষ্ঠী নির্বাচনের পূর্বেই ভুয়া সিল ও ব্যালট অনৈতিকভাবে ছাপিয়ে ভোটকে প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তিনি বলছেন, এই গোষ্ঠী, যারা গুপ্ত নামে পরিচিত, নতুন জালেম হিসেবে সামনে এসেছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় ভুয়া সিল তৈরির পাশাপাশি ব্যালের ছাপার কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল নগরের বান্দ রোড সংলগ্ন ঐতিহাসিক বেলস পার্কে অনুষ্ঠিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব উল্লেখ করেন। দীর্ঘ দুই দশক পর বরিশালে এসে তার এই বক্তৃতায় দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
তারেক রহমান বলেন, 'গত কয়েকদিন ধরে সংবাদপত্রে খবর পাচ্ছি যে এই গোষ্ঠী তাদের পরিচিত প্রেস থেকে ভুয়া ব্যালট পেপার ছাপাচ্ছে। তারা ওই ব্যালট পরিপাটি করে পকেটে নিয়ে ঘুরবে এবং ভোটের সময় এগুলো ব্যবহার করবে। তা ছাড়া, বিভিন্ন স্থানে মা-বোনদের কাছ থেকে এনআইডি নম্বর এবং বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। যদিও তারা বলছে সৎ মানুষের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। যারা শুরুতেই অনৈতিক পথে হাঁটে, তারা কখনো সৎ শাসন দিতে পারে না।'
তিনি আরও বলেন, 'যারা মা-বোনদের তথ্য সংগ্রহের মত অপমানজনক কাজ করছে, তারা এখন বলছে যে তাদের আইডি হ্যাক হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইডি হ্যাক হয়নি। বাস্তবে ধরা পড়ার পর তারা মিথ্যা কথায় নিজেদের অপরাধ ঢাকার চেষ্টা করছে।'
জনসভায় তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, '১৩ তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য জনগণের পা ধরে থাকবেন। কারণ বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণই সমস্ত ক্ষমতার উৎস। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো দল টিকতে পারে না। তাই জনগণের পাশে থাকতে হবে এবং তাদের সেবা করতে হবে।'
তিনি আরও জানিয়েছেন, 'গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। ১২ তারিখ জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সকলকে সতর্ক থাকতে হবে যেন কোনো ষড়যন্ত্র সফল না হয়।'
জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বরিশালে যে উন্নয়ন হয়েছে, তারেক রহমান সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য তার নেতৃত্বের প্রতি অনেক প্রত্যাশা হচ্ছে।
সমাবেশের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতারা বক্তৃতা করেন।
জনসভায় বক্তব্য দিতে বেলা ১২টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে বরিশাল স্টেডিয়ামের আউটার মাঠে অবতরণ করেন তারেক রহমান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান বরিশাল বিভাগের শীর্ষ বিএনপি নেতারা। পরে তিনি একটি গাড়িবহর নিয়ে সরাসরি বেলস পার্ক মাঠে পৌঁছান। মঞ্চে উঠেই হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। এর আগ মুহূর্তে পুরো মাঠ স্লোগান ও করতালিতে মুখর হয়ে উঠেছিল।
তারেক রহমানকে একবার দেখতে সকাল থেকেই বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লাখো মানুষ সমাবেশস্থলে এসে হাজির হন। ভোর থেকেই নেতাকর্মীরা মাঠের দিকে আসতে থাকেন। পুরো শহর ব্যানার, ফেস্টুন এবং তোরণে সজ্জিত ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, বিজিবি এবং বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা সমাবেশ এবং আশপাশের এলাকায় মোতায়েন ছিলেন।
এতদূর সম্প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে বরিশাল সফর করেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবার চেয়ারম্যান হিসেবে তার বরিশাল আগমনকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন উদ্যম দেখা দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন আগ্রাসনের খবরের মাঝে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সফলভাবে অভিযান সম্পন্ন করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত টহল ও নজরদারি ড্রোন।
এ তথ্য মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এবং তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ সূত্রে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী অঞ্চলে সামরিক কর্মকাণ্ড অনুসরণ করার নিয়মিত এবং আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই ড্রোনটি মোতায়েন করা হয়েছিল।
তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে, ড্রোনটি শাহেদ-১২৯ মডেলের ছিল। মার্কিন গণমাধ্যমে প্রতিনিধিত্বকারী রণতরি 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন'-এর ওপর ইরানি ড্রোনের ভূপাতিত হওয়ার দাবি করা হলেও, তেহরান জানায়, ড্রোনটি তার নির্ধারিত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে কমান্ড সেন্টারে প্রয়োজনীয় ছবি ও ফুটেজ পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। তবে পরে ড্রোনটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি তেহরান স্বীকার করেছে।
এ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণ নিয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, নিজেদের আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং সেনাদের সুরক্ষায় তারা একটি ইরানি ড্রোনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। তারা আরও বর্ণনা করেছে যে, উত্তেজনা বৃদ্ধির কোনো উদ্দেশ্য ওয়াশিংটনের নেই। উল্লেখ্য, এই ঘটনা ঘটে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসনের হুমকি থাকাকালীন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী গত শনিবার একটি সতর্কবার্তায় বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করে, সেটি কেবল ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।
সূত্র: প্রেস টিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি বাংলাদেশের নানা অঞ্চলে ধারাবাহিক ভূমিকম্পের ঘটনার পর অনেক মানুষ আশপাশে হঠাৎ কম্পনের অনুভূতি পাচ্ছেন, যদিও প্রকৃতভাবে কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে “সিসমোফোবিয়া” বা ভূমিকম্পভীতি বলা হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের ক্লিনিক্যাল ফোবিয়া, যেখানে ভূমিকম্প শেষ হলেও জনগণের মধ্যে অতিরিক্ত অযৌক্তিক ভয় ও উদ্বেগ দেখা দেয়।
গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশে পাঁচ দশমিক সাত মাত্রার একটি ভূমিকম্পের পর মাত্র বিশ দিনের মধ্যে অন্তত ছয়টি আফটার শক অনুভূত হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দু’টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়, যার মধ্যে একটি ছিল মাত্র ৫ দশমিক নয় মাত্রার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পরিস্থিতি পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার বা মানসিক ট্রমার ফল। সামান্য শব্দ অথবা পরিবেশের পরিবর্তনও ভয় সৃষ্টি করতে পারে।
সিসমোফোবিয়া কেন হয়? ভূমিকম্পের তীব্র অভিজ্ঞতা মস্তিষ্কের ভয়ের কেন্দ্র ‘অ্যামিগডালা’কে অতিসক্রিয় করে দেয়। এর ফলে সামান্য কম্পন বা শব্দেও শরীর বিপদের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ তানভীর রহমান বলেন, ভূমিকম্পের ট্রমা মস্তিষ্কে স্থায়ী বিপদ সংকেত তৈরি করে, যার ফলে ভবন ধসে পড়ার ভয় মানুষের মধ্যে মৃত্যুর আতঙ্ক জাগিয়ে তোলে।
এর শারীরিক কারণও রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন জানান, কানের ভিতরের এন্ডোলিম্ফ তরলের অস্থিরতা ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, ফলে কম্পনের অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এছাড়াও, মিডিয়ার গ্রাফিকাল কভারেজ মানুষের মধ্যে ভয়ের মাত্রা আরও বাড়িয়ে তোলে।
এটি মোকাবেলার উপায় কি? সিসমোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নিরাময়যোগ্য। মনোবিজ্ঞানীরা কগনিটিভ বিহেভিওরাল থেরাপি এবং এক্সপোজার থেরাপির মাধ্যমে অযৌক্তিক ভয় ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দেন। এছাড়া সেফটি কিট, ভূমিকম্প-ড্রিল এবং প্রস্তুতি বিষয়ক জ্ঞান মানুষকে সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। ভূমিকম্প-প্রবণ দেশের মতো জাপানে যারা অভ্যস্ত, তাদের মধ্যে স্থায়ী ট্রমার প্রভাব কম দেখা যায়। সুতরাং, বাংলাদেশের জন্যও প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা ভয় কমাতে সাহায্য করবে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিসমোফোবিয়া বা ভূমিকম্প ভীতি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রভাব ফেললেও, সচেতনতা, চিকিৎসা এবং অভ্যাসের মাধ্যমে এর ভয় অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ