ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

কুকুরের ফ্যাশন মানুষের পোশাককে দখলে নিচ্ছে


কুকুরের ফ্যাশন মানুষের পোশাককে দখলে নিচ্ছে

ফ্যাশন জগতের একটি নতুন পরিবর্তন লক্ষণীয়, যেখানে কুকুর মানুষের জায়গা দখল করে নিচ্ছে। ঝলমলে গাউন, হাতে তৈরি সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং ক্যামেরার সামনে রাজকীয় ভঙ্গি ধারণ করে চার পায়ের এই মডেলগুলো যেন মানুষের সঙ্গে পাল্লা দিতে প্রস্তুত। ইন্দোনেশিয়ায় পোষা প্রাণীর পোশাক এখন আর শুধুমাত্র শখের বিষয় নয়, সেখানে কুকুর ও বিড়ালের জন্য এমন সব বিলাসবহুল পোশাক তৈরি হচ্ছে, যা দেখতে অনেকটাই বিয়ের গাউন কিংবা অভিজাত সন্ধ্যার পোশাকের মতো মনে হচ্ছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ জাকার্তার একটি স্টুডিওতে এমনই এক ব্যতিক্রমী ফটোশুট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে কুকুরদের শরীরে জমকালো পোশাক পরা। পোশাকের রং, নকশা ও সাজে মালিক এবং পোষা প্রাণীর মধ্যে এক ধরনের মিল ছিল। ক্যামেরার আলো জ্বেলে উঠতেই দেখা যায় পোশাকের পুঁতি, ফুল এবং সূক্ষ্ম নকশা ঝিকমিক করছে।

প্রতিটি পোশাক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নতমানের কাপড়। পোশাকের ওপর পুঁতি, ফুল এবং ছোট ছোট অলংকরণ হাতে সেলাই করা হয়েছে। ফলে এসব পোশাক দেখতে শুধু সুন্দরই নয়, প্রতিটি পোশাকে ফুটে উঠেছে দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমের ছাপ। এই পোশাকগুলো মূলত আনুষ্ঠানিক পার্টি, ফ্যাশন শো, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ ফটোশুটের জন্য তৈরি করা হয়।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

প’স্টাইলের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিজাইনার অ্যালভিন ওয়ে ২০১৪ সাল থেকে মানুষের পোশাক তৈরির কাজ করে আসছেন। তবে করোনাভাইরাস মহামারির সময় তার কাজের পথে আসে একটি নতুন মোড়। ২০২১ সালে তিনি পোষা প্রাণীর জন্য পোশাক তৈরি শুরু করেন। চারপাশে যখন অনিশ্চয়তা এবং স্থবিরতা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন সেই অন্ধকার সময়েই তার সামনে সৃজনশীলতার নতুন একটি দরজা খুলে যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ছেলেকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলেন বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ছেলেকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলেন বাবা

যশোরের মণিরামপুরে এক শিশুকে (৬) ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শান্ত ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে পুলিশে সোপর্দ করেছেন তার বাবা।

রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যার আগে উপজেলা শ্যামকুড় ইউনিয়নের জামজামিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শান্ত ইসলাম একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যার আগে শান্ত ইসলাম জামজামিয়া মাদরাসার পিছনের একটি সেচপাম্প ঘরে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে শান্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে শান্তর বাবা নিজেই এগিয়ে এসে ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান লিটন জানান, অভিযুক্ত যুবকের আচরণ আগে থেকেই খারাপ ছিল। রোববারের এ ঘটনার পর এলাকাবাসীর মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, এর আগেও ওই তরুণ আরও দুটি শিশুর ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। কিন্তু সে সময় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ধামাচাপা দেওয়া হয়।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ গণমাধ্যমকে জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

র্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে গুম আইনের খসড়া অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


র্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে গুম আইনের খসড়া অনুমোদন

বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

এই আইনে গুম করার অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

গুমের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, মরদেহ পাওয়া যায় অথবা পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে, মৃত্যু দণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপের বিধান এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত ১৫তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন এই আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটি গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তির সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করবে।

আইনে বলা হয়েছে, গুমের অপরাধের জন্য সাধারণভাবে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তবে, গুমের কারণে মৃত্যু ঘটলে, মরদেহ পাওয়া গেলে অথবা পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব না হলে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

হৃদ্যতার সঙ্গে, আইনটিতে তদন্ত ও বিচারকাজ দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং পরবর্তী ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করার বিধান রাখা হয়েছে। গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ব্যবস্থা, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার এবং ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টিও আইনটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গুমের শিকার ব্যক্তির পরিবারের অধিকার রক্ষায় আইনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। তাদের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করা হবে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে; যদি তা সম্ভব না হয়, তবে রাষ্ট্র কর্তৃক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী এবং নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করা হবে। পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও খোঁজ না মিললে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য ‘গুম সনদ’ প্রদান করা হবে।

এছাড়া নতুন এই আইনে সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ এবং গুমসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে জুলাই ম্যারাথন আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


মাভাবিপ্রবিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে জুলাই ম্যারাথন আয়োজন

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘জুলাই ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে এই ম্যারাথন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান গেইট সংলগ্ন ফিনিশিং লাইনে এসে শেষ হয়। ম্যারাথন শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের গণতান্ত্রিক চেতনা, ন্যায়বিচার এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য প্রতীক। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মকে জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান বলেন, “ম্যারাথন শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, এটি ঐক্য, অধ্যবসায় ও সম্মিলিত শক্তির প্রতীক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আদর্শকে ধারণ করে তরুণ সমাজকে দেশ ও জাতির কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।”

এ সময় আরও বক্তব্য দেন জুলাই উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল নাসির, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোকাদ্দেস আলী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ম্যারাথন ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক ও শারীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোঃ মাহফুজ রেজা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উক্ত কমিটির সদস্য-সচিব ও বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ নজমুল হক।

ম্যারাথনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রাণবন্ত এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ ও লালনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেজগাঁও কলেজে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী ‘লাল জুলাই’ উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


তেজগাঁও কলেজে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী ‘লাল জুলাই’ উৎসব

‘যে রঙে লেখা ইতিহাস, সে রঙেই আঁকা ক্যানভাস’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তেজগাঁও কলেজে দুদিনব্যাপী ‘লাল জুলাই’ উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি স্মরণ করতে আলোচনা সভা, চিত্র প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরা জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এই আয়োজন ২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে এবং এর প্রথম দিনে ছিল ‘জুলাই গ্রাফিতি’ অঙ্কন, পাশাপাশি সন্ধ্যায় শহীদদের স্মরণে ‘মোমবাতি প্রজ্বলন’ কর্মসূচি পালন করা হয়। সোমবার (৩ জুলাই) আয়োজনটির সমাপ্তি দিন হিসেবে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক স্মৃতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা এবং চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ব্যানারে উপস্থিত ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানে তেজগাঁও কলেজের একমাত্র কারাবন্দী শিক্ষক ও গভর্নিং বডির সদস্য আ জ ম কামাল উদ্দিন, প্রফেশনাল সিএসসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক মো. আমিনুল হক, মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. এরশাদ আলী রহমান, প্রানীবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমীর হোসেন এবং বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. কামাল চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসেবে তেজগাঁও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীমা ইয়াসমিন উপস্থিত থাকার কথা ছিল। বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি ও ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ (প্রশাসনিক) জনাব মো. নুর নবী আল মাহমুদ এবং ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ (একাডেমিক) জনাব মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, তেজগাঁও কলেজে জুলাই আন্দোলনের সময় ফ্যাসিবাদের প্রচুর প্রভাব ও নিপীড়ন ছিল। তবে আমরা সকল রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠন এবং বিভিন্ন ক্লাব একত্রিত হয়ে স্বৈরাচার হাসিনাকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছিলাম। জুলাইয়ের পরবর্তী সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসে এই ঐক্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আমরা এই দুদিনব্যাপী ‘লাল জুলাই’ আয়োজন করেছি।

পুরো আয়োজনটি সাফল্যের সঙ্গে শেষ করতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে মূল আয়োজকের দায়িত্ব পালন করেন সাখাওয়াত ফারহান, রাফসানুল হক কল্লন, মুহাম্মদ নিয়াজ মিয়া, মেসুত হিমেল, মুরসালিন খান, সোয়েব আহম্মেদ সিয়াম, ইনতেখান হোসেন রাফি, এস এ সাইম, ফারদিন এবং তাবাসসুম। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে সকল প্রকার বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার থাকার শপথ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%