ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

তরুণীরা কেন বয়সে বড় পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন?


তরুণীরা কেন বয়সে বড় পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন?

প্রেমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বয়স নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। ভালো লাগা, আকর্ষণ এবং ভালোবাসার অনুভূতি কখনোই বয়সের সীমায় আবদ্ধ থাকে না। তবে বাস্তবে সাধারণভাবে দেখা যায়, প্রেমের সম্পর্কে সাধারণত দুইজনের বয়স প্রায় কাছাকাছি হয়ে থাকে। এর কারণ হলো সমবয়সীদের মধ্যে জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা ও অভিজ্ঞতার মিল অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশি থাকে।

তবে এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে ব্যতিক্রমও রয়েছে। অনেক তরুণী নিজের তুলনায় বয়সে বড় পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এমনটি ঘটে? বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, এই আকর্ষণের পেছনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মানসিক পরিপক্বতা, স্থিতিশীলতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ।

বয়সে বড় পুরুষদের প্রতি তরুণীদের আকর্ষণের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে ভীষণ প্রভাব ফেলছে তাদের মানসিক পরিপক্বতা। জীবনের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা আবেগ নিয়ন্ত্রণে অনড় হন এবং সামান্য বিষয় নিয়ে অযথা উত্তেজিত না হয়ে পরিস্থিতি বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা অর্জন করেন, যার ফলে সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা অপ্রয়োজনীয় জটিলতা সৃষ্টি হয় কম।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

এছাড়া, দায়িত্বশীল আচরণ এবং বাস্তববাদী মনোভাব তাদেরকে অবাস্তব কল্পনার পরিবর্তে পারস্পরিক সম্মান ও দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের গুরুত্ব দেয়ার ওপর বেশি আলোকপাত করতে সহায়তা করে এবং সমস্যাগুলো এড়িয়ে না গিয়ে আলোচনা করে সমাধান করতে পছন্দ করে।

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের আত্মবিশ্বাসও অভিনবভাবে কার্যকর হয়। কর্ম জীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতার কারণে তারা যুক্তিনির্ভর সুসংগত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হন, আর এই ধরনের স্থিরতা ও নির্ভরযোগ্যতা অনেক নারীর কাছে খুবই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

এছাড়া, ক্যারিয়ার, পরিবার এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য বিষয়ে পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে সম্পর্কের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় অনিশ্চয়তা ও জটিলতা কম থাকে। জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে গিয়ে তাদের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং তারা সঙ্গীর মতামত শোনা ও ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি সম্মান জানানোর মাধ্যমে পারস্পরিক সম্মানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন।

আধুনিক সমাজে অর্থের তুলনায় মানসিক পরিপক্বতা, দায়িত্ববোধ এবং সম্পর্কের স্থিতিশীলতাকেই অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন বর্তমান যুগের নারীরা। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন যে, শুধুমাত্র বয়সে বড় হলে কেউ আদর্শ সঙ্গী হন না। শেষ পর্যন্ত একটি সম্পর্কের সাফল্য নির্ভর করে দুজন মানুষের মানসিক সামঞ্জস্য, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সম্মানবোধের ওপর।

আরও পড়ুন: দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেই নারীকে নিয়ে মিলল নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


সেই নারীকে নিয়ে মিলল নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী, মরিয়ম খাতুন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি বায়োডাটায় দেখা গেছে, যে বিয়ের পাঁচ দিন পরও ওই তরুণীর বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ লেখা রয়েছে। মরিয়ম খাতুনের বায়োডাটায় দেখা যায়, ২২ জুন তারিখে গাজী নজরুল ইসলামের স্বাক্ষর রয়েছে। স্বাক্ষরের ওপরে সবুজ কালিতে হাতে লেখা রয়েছে ‘জোর সুপারিশ করছি’। কিন্তু গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, ১৭ জুন পারিবারিকভাবে তার সঙ্গে মরিয়ম খাতুনের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাই বিয়ের পাঁচ দিন পর স্বাক্ষর করা বায়োডাটায় মরিয়মের বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এদিকে ওই বিয়ের একটি কাবিননামার কপিতে দেখা যায়, ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে মো. আবুল হোসেন ও বেগম মাকসুদা ইসলামের নাম উল্লেখ রয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর এমপির প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে তার স্বামীর পারিবারিকভাবেই বিয়ে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হলে তিনি প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান। অন্যদিকে, মরিয়ম খাতুনও তার এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী। তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিওটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ এবং তার স্বামীর সম্মানহানি করতেই এটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই বিষয়ে মরিয়মের বাবা মাছুম বিল্লাহ জানান, ১৭ জুন দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়। তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানে গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম লিখিত বিবৃতিতে বলেন, ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার সঙ্গে রাজধানীর মগবাজারে শ্বশুরের ব্যবসায়িক কার্যলয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করেন। এ সময় গাজী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, এক লাখ টাকা আদায় করা হয় এবং পরে আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়। তার দাবি, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ওবায়দুল্লাহ গোপনে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই ১৭ জুন মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তবে বিয়ের দাবি, কাবিননামা এবং বিয়ের পাঁচ দিন পরের বায়োডাটায় ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ থাকার বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেলাপোকার বিদ্রোহে এবার চাপে মোদি সরকার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


তেলাপোকার বিদ্রোহে এবার চাপে মোদি সরকার!

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) হলো ভারতের একদল তরুণ-তরুণীর নতুন সংগঠন। ‘ককরোচ বা তেলাপোকা’ নামে পরিচিত এই দলটি, যাদের নিয়ে একসময় হাসাহাসি হয়েছিল, এখন তারা হাজার হাজার মানুষের মিছিলে পরিণত হয়েছে। কষ্ট করে ব্যারিকেড, কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জ—কিছুই তাদেরকে থামাতে পারছে না। এখন সবার মনে প্রশ্ন একটাই—এটা কি শুধু একটি ছাত্র আন্দোলন, নাকি মোদি সরকারের ক্ষমতা বর্তমানে হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে?

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে, যেখানে সাধারণত ক্ষমতার আওয়াজই সবচেয়ে জোরে শোনা যায়। কিন্তু এবার সেই রাজধানীতেই এমন একটি আন্দোলনের বিস্ফোরণ ঘটেছে, যা শুরু হয়েছিল ঠাট্টা-বিদ্রূপ দিয়ে, আর এরপর সেটি পৌঁছে গেছে সংসদের দরজায়।

সোমবার (২০ জুলাই) ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এক উত্তপ্ত দিন ছিল। সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি—কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার।

উত্তাল নয়াদিল্লিতে, রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা করেছে ককরোচ পার্টির হাজার হাজার বিক্ষোভকারী যখন সংসদের দিকে এগোতে শুরু করে, তখন দিল্লি পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড বসায়। বহু স্থানে ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করা হয়।

সংসদের আশপাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরপরও আন্দোলনকারীরা এগিয়ে যেতে থাকে। একপর্যায়ে, পুলিশ তাদের মিছিল থামাতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং ৭০ জনেরও বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।

এই আন্দোলনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মুখ হলেন পরিবেশবাদী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। তিনি বর্তমানে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সাক্ষাতের সুযোগ না পেলে তিনি অনশন ভাঙবেন না। হাসপাতাল থেকেই তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন।

এদিকে, পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু বৈঠক শেষ হওয়ার পর আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন—তাদের তিনটি মূল দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন থেমে যাবে না।

শুধু রাজপথেই নয়, এই আন্দোলন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঝড় সৃষ্টি করেছে। কয়েক মাস আগে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন উদ্যোগ হিসেবে শুরু হওয়া ককরোচ জনতা পার্টি এখন লাখো তরুণের ক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এনপিআর, বিবিসি, এএফপিসহ একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লিতে এটিই অন্যতম বড় যুব-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ। তবে সরকার এখনো তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের কোনো ইঙ্গিত দেননি।

একটি ব্যঙ্গাত্মক নাম থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন আজ ভারতের রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে। প্রশ্ন এখন—সরকার কি আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে, নাকি এই ছাত্র-যুব আন্দোলন আরও বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে রূপ নেবে?

দিল্লির রাজপথে শুরু হওয়া এই সংগ্রাম এখন শুধু একটি আন্দোলনের গল্প নয়; বরং ভারতের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির এক বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামছেন রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামছেন রাহুল গান্ধী

কংগ্রেস নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবিতে তার সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। বিরোধী দলের এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উভয়েই উপস্থিত রয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশ লাঠিচার্জের ঘটনার প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন রাহুল গান্ধী। এই মিছিল থেকে নরেন্দ্র মোদি, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়। এনডিটিভির সরাসরি সম্প্রচারে বিকেল পাঁচটার পর্যন্তও তাদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

একটি পোস্টে রাহুল গান্ধী উল্লেখ করেন, গতকাল (সোমবার) তরুণ ও শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বরতা চালানো হয়েছে, সেই ঘটনার জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী’র বাড়ির সামনে মিছিল করেছি। সরকার কোনো দায়ভার নিতে চায় না এবং সংসদেও এ বিষয়ে আলোচনা করতে চায় না। ভারতের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

সোমবার, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্ত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী সংসদের দিকে মিছিল করেন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই মিছিলে পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ফলে বেশ কয়েকজন আহত হন।

দ্য হিন্দু সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে যন্তর-মন্তর এলাকায় শতশত মানুষ জড়ো হন এবং তারা যন্তর-মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, সকাল থেকেই এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপ আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি এক্সে জানিয়েছেন, পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় এক ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা প্রদান করেন।

এদিকে, মঙ্গলবার সকালে এনডিএ জোটের এমপিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি এমপিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তরুণদের কাছে গিয়ে তাদের সংশয় দূর করতে।

সূত্রে বলা হয়েছে যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, গ্রেপ্তারকৃতদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান এবং বিরোধীদের ‘ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ বছরের এ কিশোরীকে অপহ-রণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


১৪ বছরের এ কিশোরীকে অপহ-রণের পর  সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ভারতের কর্নাটকের দেবনাহাল্লিতে একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর জোরপূর্বক মদ খাইয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনে সারা রাত ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এই নির্মম ঘটনার সাথে জড়িত থাকার জন্য পুলিশ এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। যাদের মধ্যে নবীন, ভেঙ্কটারমণ এবং রেণুকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পুলিশের তথ্যানুসারে, ১৭ জুলাই রেণুকা নামে ওই নারী মন্দির দর্শনের কথা বলে কিশোরীকে তার বাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে আসে। পরে নবীন এবং ভেঙ্কটারমণের হাতে তুলে দেওয়ার পর, দুই অভিযুক্ত ওই কিশোরীকে একটি অটোরিকশায় করে অন্য এক স্থানে নিয়ে যাওয়ার পথে তাকে জোর করে মদ পান করাতে বাধ্য করে।

যখন তারা কিশোরীর বাড়ির কাছে অটো থামায় তখন সে বাড়ি যাওয়ার আকুতি জানায়। কিন্তু পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা তাকে বলেন, 'তুমি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আছ, এখন বাড়ি গেলে বাবার কাছে বকা খাবে।' এই অজুহাত দেখিয়ে তারা কিশোরীকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায় এবং সারা রাত ধরে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনে লিপ্ত হয়।

পরদিন সকালে কিশোরীকে তার বাড়ির কাছে ফেলে রেখে তারা চলে যায় এবং ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। রাতে কিশোরী বাড়ি ফিরে না আসায় তার স্বজনরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সকালে ফিরে আসলে তারা কিশোরীর কাছ থেকে সেই ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারেন। কান্নায় ভেঙে পড়া কিশোরী পুরো নির্যাতনের বিবরণ দেন। পরে পরিবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%