বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৪:৪৭ পি.এম
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ সম্প্রতি কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ খ্যাত এই অভিনেতা নিজেই তার সন্তানের জন্মের খবর অবগত করেছেন।
কাজল আরেফিন অমির জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকে অভিনয় করে পলাশ ‘কাবিলা’ চরিত্রটিতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। পর্দার সেই ব্যাচেলর ইমেজ থেকে বের হয়ে এবার বাস্তব জীবনের গুরুদায়িত্ব তার কাঁধে এসেছে।
পলাশ তার এই আনন্দের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে ভোলেননি। একজন আবেগঘন পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছি। সবাই দোয়া করবেন।’
পলাশের এ পোস্টের নিচে ভক্ত-অনুরাগী ও নেটিজেনরা অভিনন্দন জানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। একজন নেটিজেন মজা করে মন্তব্য করেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আগে আপনারে ভাই হিসেবে দেখতাম, এখন আপনি আমার চাচা।’
আরেকজন ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘ভাই, আপনার কপাল! দারুণ একটা দিনে বাবা হলেন আপনি।’ বাবার পাশাপাশি অভিনয় ও নির্মাতা হিসেবে তারও প্রচুর প্রতিভা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা খর্ব করতে বিএনপি বঙ্গভবন ও ভারতের সাহায্যে ‘প্যাকেজ প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে সাইবার অ্যাটাক শুরু করেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় ট্রাকস্ট্যান্ড মাঠে জেলা ও মহানগর জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
বিএনপির উপর কঠোর সমালোচনা করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্ব, সংগঠনের মর্যাদা ও ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে বিএনপি সাইবার আক্রমণ শুরু করেছে। তারা জামায়াতের আমিরের বক্তব্য বিকৃত করে মিথ্যা অপপ্রচার করছে। আমাদের আমির জীবনে কখনো যেসব কথা বলেননি, তাদের প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইবার হামলা করে সেসব মিথ্যা ছড়াচ্ছে।’
বিএনপির ঘোষিত ‘ভিসা কার্ড’ ও ‘ফ্যামিলি কার্ড’-কে ‘ভুয়া’ বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ভুয়া বলার একটি সীমা আছে। দেশে ১৮ কোটি মানুষ আছে, অথচ তাদের ৫০ কোটি কার্ড দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল তারা বেকার ভাতা দেবেন। বর্তমানে সেই ভাতার কোনও প্রমাণ নেই। এটি মূলত বিএনপির আশ্বাস, শাসক শেখ হাসিনার ১০ টাকা সের চাল খাওয়ানোর মতো।’
দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের প্রথম লক্ষ্য হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম। আমরা নতুনভাবে রাষ্ট্র গড়ব, ইনশাআল্লাহ। আমরা দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করব, অর্থনীতিতে দুর্নীতি নির্মূল করব, এটা আমাদের প্রথম স্লোগান।’
এ সময় মিয়া গোলাম পরওয়ার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশব্যাপী জামায়াতের প্রার্থী ও জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার আমির মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈন উদ্দিন আহমদসহ জেলার পাঁচটি আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী ও দলটির সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকা-১৬ (মিরপুর-পল্লবী) নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে যৌথ বাহিনী।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর বাঙলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন মিরপুর আর্মি ক্যাম্পের মেজর গাজী তানজীর হাসান।
মেজর গাজী তানজীর হাসান বলেন, "নির্বাচনে যে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য সেনাবাহিনী পুরোপুরি সতর্ক থাকবে। বিশেষ করে ভোটাররা যেন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে এলাকায় টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।"
তিনি আরও জানান, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতারে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত রয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ কলুষিত করতে পারে এমন যে কোনো শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
মেজর গাজী তানজীর হাসান আরও বলেন, "ঢাকা-১৬ আসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং ভোটকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।"
তিনি উল্লেখ করেন, ‘জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। ভোটারদের জানাতে চাই যে, আপনারা নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসুন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ বাহিনীর নানা পরিকল্পনা ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।’
যথাসময়ে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে মিরপুর ও পল্লবী এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হতে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী নিয়মিত প্যাট্রলিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদী সম্প্রতি বলেন, "আমরা সকলেই জানি এবং বিশ্বাস করি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।" তিনি অভিযোগ করেছেন যে, একটি চক্র জামায়াতের আমিরের বক্তব্য বিকৃত করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। এর বিরুদ্ধে তাঁদের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে।
আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, এই উপলক্ষে তিনি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর শহরের হোটেল নায়োরীতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জামায়াতের পিরোজপুর জেলা আমির অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, শুক্রবারের সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণ আশা করা হচ্ছে।
সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধান, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা আক্তার মিতু সহ আরও অনেক কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পিরোজপুর-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের শরিক এনসিপির প্রার্থী ড. শামীম হামিদী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. জহিরুল হক, পৌর আমির ইসহাক আলী খান, এবং খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি নাসির উদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রয়াত মার্কিন ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা ও যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্কিত নথি নিয়ে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্ত্রীর ভূমিকায় থাকা মেলিন্ডা গেটস। তিনি জানান, এপস্টেইন ফাইলে তার সাবেক স্বামী বিল গেটসের নাম উঠে আসা তাকে তার দাম্পত্য জীবনের ‘খুবই যন্ত্রণাদায়ক সময়গুলো’ আবার মনে করিয়ে দিয়েছে। বিবিসি উল্লেখ করেছে, গেটসের নাম প্রকাশ হওয়ায় মেলিন্ডা গভীর দুঃখ অনুভব করছেন।
গত নভেম্বরে কংগ্রেসের উভয় কক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগকে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের নির্দেশ দেয়। চাপের মুখে ট্রাম্পও এই নথি প্রকাশের আহ্বান জানান। এরপর ধাপে ধাপে নথিগুলো প্রকাশিত হতে শুরু করে, সর্বশেষ ৩০ জানুয়ারি ৩০ লাখেরও বেশি নথি প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ।
উল্লেখিত নথিগুলোর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম, যেমন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, এবং টেসলার মালিক ইলন মাস্ক, এবং মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও। অনেকের নাম পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন নথিতেও দেখা গেছে।
নতুন এই নথিগুলো আন্তর্জাতিকভাবে তুমুল আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এনপিআরের ‘ওয়াইল্ড কার্ড’ পডকাস্টে মেলিন্ডা গেটস বলেন, এপস্টেইন কেলেঙ্কারির সম্পর্কে তার অনুভূতি হচ্ছে ‘অবিশ্বাস্য রকমের দুঃখ’। তিনি বলেন, এসব নথিতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সবাইকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে, সেখানেই আবার তাঁর সাবেক স্বামীও রয়েছেন।
মেলিন্ডা আরও বলেন, ‘এই সব কাদামাখা বিষয় থেকে দূরে থাকতে পেরে আমি সত্যিই স্বস্তি পাচ্ছি।’ ২৭ বছরব্যাপী দাম্পত্য জীবনের পরে ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে এপস্টেইনের ফের কিছু অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে একটি অভিযোগে বলা হয়, বিল গেটস পূর্বে যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর জবাবে, বিল গেটস এই অভিযোগটিকে ‘সম্পূর্ণ হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন।
বিল গেটসের মুখপাত্র একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘একজন প্রমাণিত মিথ্যাবাদী ও অসন্তুষ্ট ব্যক্তির দাবিগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।’ উল্লেখযোগ্য হলো, এপস্টেইনের কোনো ভুক্তভোগী বিল গেটসের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধের অভিযোগ করেননি। এপস্টেইনের নথিতে নাম থাকা মানেই অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত নয়।
মেলিন্ডা আরো বলেন, ‘এই ধরনের তথ্য সামনে আসা ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে যায়, কারণ এতে আমার দাম্পত্য জীবনের দুঃসহ স্মৃতিগুলো ফেরত আসে। এখনো বিদ্যমান প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্টদের, অর্থাৎ আমার সাবেক স্বামীকেও।’ মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিচ্ছেদের আগে মেলিন্ডা গেটস তার স্বামীর এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে অস্বস্তিকর ছিলেন। বিচ্ছেদের পরে, বিল গেটস ২০১৯ সালে মাইক্রোসফটের একজন কর্মীর সঙ্গে পরকীয়ার কথা স্বীকার করেন।
নতুন প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে ২০১৩ সালের ১৮ জুলাইয়ের দুটি ইমেইল রয়েছে, যা এপস্টেইনের লেখা বলে দাবি করা হচ্ছে, কিন্তু এগুলো বিল গেটসকে পাঠানো হয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত নয়। দুটি ইমেইলেই বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগপত্রের মতো কিছু লেখা রয়েছে এবং সেখানে বিল গেটসের বিরুদ্ধে রাশিয়ান নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অন্য একটি ইমেইলে আরও গুরুতর দাবি রয়েছে, যার সত্যতা আবেদন প্রমাণিত হয়নি।
দীর্ঘকাল ধরে, বিল গেটস এবং তার প্রতিনিধিরা এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ককে খাটো দেখান, বলছেন যে তাদের মধ্যে কিছু নৈশভোজন ছাড়া তেমন যোগাযোগ নেই। নাগালে আসা অভিযোগের পর, বিল গেটসের মুখপাত্র মন্তব্য করেন, ‘এই নথিগুলো শুধুমাত্র গেটসের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়ে কিভাবে এপস্টেইন হতাশ হয়েছিল তা তুলে ধরে।’
প্রকাশিত নথিগুলো এপস্টেইনের বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের একটি চিত্র তুলে ধরে, যেখানে সেলেব্রিটি, ব্যবসায়ী ও বিশ্বনেতাদের নাম রয়েছে। অনেকেই ২০০৮ সালে অপ্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে যৌন সুবিধা নেয়ার অভিযোগে দণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ