ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

পিকআপ ভ্যান উল্টে সড়কে ডিম, কুড়াতে গিয়ে দ্রুতগতির বাসচাপায় নিহত ৫


পিকআপ ভ্যান উল্টে সড়কে ডিম, কুড়াতে গিয়ে দ্রুতগতির বাসচাপায় নিহত ৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি বাস দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং সাত জন আহত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা ৮টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগি ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ডিমের ট্রাক ঘটনাস্থলে এসে চাকা ফেটে সড়কের উল্টে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া ডিম কুড়াতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তাদের ওপর দিয়ে চলে যায় দ্রুতগতির নড়াইল এক্সপ্রেসের নামের একটি বাস। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন।

এ ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী ওই মহাসড়কে ছয়টি বাস–ট্রাকে আগুন দেয়। এর ফলে সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নিহতদের মধ্যে ডিমবাহী ট্রাকের চালকও রয়েছেন। এলাকাবাসী সূত্রে নিহত অপর তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন স্থানীয় লিটনের ছেলে জয়নাল (২৭), বাবলুর ছেলে আরিফ (২৭) এবং ওবায়দুর (৪০)। ওবায়দুরের বাবার নাম জানা যায়নি। নিহত আরেক জনের পরিচয় এলাকাবাসী দিতে পারেনি। ট্রাক চালক বাদে নিহত ও আহতরা সবাই সোয়াদী এবং তার আশেপাশের এলাকার বাসিন্দা। গুরুতর আহতদের ভাঙ্গা, ফরিদপুর ও ঢাকা পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলালউদ্দিন দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী পুনর্বাসন করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১১ এম


ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী পুনর্বাসন করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১১ জুলাই, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রতিবছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির পুনরাবৃত্তি রোধে, যাদের বসবাস পাহাড়ের পাদদেশে, তারা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সবার সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজ শনিবার রাতে, চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার ১ নম্বর ঝিলের ওপর অবস্থিত ব্র্যাক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত দুর্গত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে গত কয়েক দশকের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তবে পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। প্রতিমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে চট্টগ্রামে পাঠিয়েছেন- ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র পর্যালোচনা করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে।

আশ্রয়কেন্দ্রে যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আকবরশাহ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা ও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সন্ত্রাসী চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে পাহাড় কাটা কার্যক্রমও বন্ধ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ এলাকায় কোনো নতুন আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ও মেয়র আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের খোঁজখবর নেন এবং হাতে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুইজারল্যান্ডকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৬ এম


সুইজারল্যান্ডকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি কঠিন লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ইউরোপের এই দলটিকে মোটেও হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এ তারকা।

ক্যানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য কোয়ার্টার ফাইনালের আগে মার্তিনেজ বলেন, ‘যদি সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে থাকে, তবে এটি তাদের যোগ্যতার কারণেই। তারা এখানে কাকতালীয়ভাবে আসেনি।’

সুইজারল্যান্ডের সর্বশেষ ম্যাচ বিশ্লেষণ করার বিষয়টিও তিনি জানান। তাঁর মতে, ‘আমরা কলম্বিয়ার বিপক্ষে তাদের ম্যাচ দেখেছি। তারা সবসময় ইতিবাচক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে। শারীরিকভাবে তারা খুবই শক্তিশালী, আর সেট-পিস থেকেও দারুণ হুমকি তৈরি করতে পারে।’

আর্জেন্টাইন এই সেন্টার-ব্যাকের বিশ্বাস, ম্যাচটি হবে দুই আক্রমণাত্মক দলের মাদ্ধম লড়াই। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি দারুণ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। কারণ দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পছন্দ করে।’

মিশরের বিপক্ষে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের পর আত্মবিশ্বাসী আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। অপরদিকে, ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা সুইজারল্যান্ডও ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি

বন্যা ও পাহাড় ধসের কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৪৪ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট এই দুর্যোগে সাত জেলার ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ, এ সাত জেলা বন্যার কবলে পড়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুসারে, এসব জেলার ৫৮টি উপজেলার ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। সাত জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বন্যা এবং পাহাড় ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে। সেখানকার পাহাড় ধস ও বন্যার ফলে ২৩ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১০ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। কক্সবাজারে আহত হয়েছেন ২৪ জন।

এদিকে, বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামে বন্যা ও দেয়াল ধসের ঘটনায় ১১ জন মারা গেছেন এবং ১২ জন আহত হয়েছেন এমন তথ্য দেখানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ঢলের পানিতে ভেসে এবং পাহাড় ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন; আহতের সংখ্যা ২। একইভাবে আরেক পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা মৌলভীবাজারে বন্যায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এই জেলার ১৬টি উপজেলায় আংশিক ও পূর্ণ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩০ জন মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

চট্টগ্রামে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজারে, যেখানে ১০টি উপজেলার ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন মানুষ বন্যার কবলে পড়েছে এবং ৩৯ হাজার ৫০৬টি পরিবার পানিবন্দি হিসেবে রয়েছে।

অন্যান্য জেলার মধ্যে খাগড়াছড়ির ৯ উপজেলায় ২৭ হাজার ২২০ জন, রাঙ্গামাটির ৯ উপজেলায় ৩ হাজার ৫২৪ জন, বান্দরবানের ৭টি উপজেলায় ৮ হাজার ৩৫০ জন, মৌলভীবাজারের চার উপজেলায় ৩৮ হাজার ১৭২ জন এবং হবিগঞ্জের তিন উপজেলায় ২৮ হাজার ১৪০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

হঠাৎ উপচেপড়া পানি এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে ঘরবাড়ি হারিয়ে, জীবন রক্ষা করতে বহু মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি আশ্রয় দিতে মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো নিজেদের জলমগ্ন ভিটেমাটি আঁকড়ে ধরে আছেন। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ঠাঁই নেওয়া বিপন্ন মানুষের মাঝে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার মানবিক সহায়তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গত ৭ জুলাই দেশের ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে মোট ৬ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলায় বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। বন্যা কবলিত জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি ৭০০ টন চাল ও ৪০ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং কক্সবাজারে ৪৫০ টন চাল ও ৩০ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রতিটিতে ৪০০ টন করে চাল এবং ২০ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজারে ২০০ টন চাল ও ১০ লাখ টাকা ত্রাণ কার্য (নগদ) হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে এবং হবিগঞ্জে ১০০ টন চাল ও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, চাল ও নগদ টাকা বিতরণ শুরু হলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অনেক স্থানে সরকারি-বেসরকারি সাহায্য পৌঁছাতে কষ্ট হচ্ছে। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ পানির কমার অপেক্ষায় রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ কর্মসূচি, জরুরি সাড়াদান সমন্বয় অধিশাখার যুগ্মসচিব সেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, এই (বন্যাক্রান্ত) জেলাগুলোর সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এনজিও কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দের বিষয়গুলো সব স্থানে মোটামুটি জেলাপ্রশাসনের চাহিদামতো বরাদ্দ দিয়ে রেখেছি। সবকিছু ভালভাবে চলছে। অর্থাৎ জেলা প্রশাসন এবং আমাদের মিনিস্ট্রি, দুই পক্ষেই সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে।

অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় ও সমাজকর্মীদের সহযোগিতায় মোটামুটি উত্তরণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের আরও ১০ জেলা বন্যার ঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ এম


দেশের আরও ১০ জেলা বন্যার ঝুঁকিতে

টানা কয়েকদিনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে দেশের ৭ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। এর পাশাপাশি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে আরেকটি ১০ জেলা।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুরমা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুগাই-কংস নদীর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর এবং ময়মনসিংহ জেলাগুলোসহ উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর অববাহিকার নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

তবে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী সহ চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরগতিতে হ্রাস পাবে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে ধীরগতিতে। একই সঙ্গে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, ধলাই, খোয়াই নদীর পানি সমতলও আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরগতিতে হ্রাস পেতে পারে, যা নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোয় বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট এবং সুনামগঞ্জ জেলাগুলো বন্যাকবলিত হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। এছাড়া ফেনী, খাগড়াছড়ি, সিলেট, নেত্রকোণা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%