০২:৩৮ এম
নোয়াখালী সদর উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ার কারণে হামলায় বৃদ্ধা মো. আবদুল হাই (৭৫) এর মৃত্যুর ঘটনায় যুবদল নেতা মো. লিটন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রাত ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা থেকে তাকে আটক করা হয়।
একইদিন সকালে, যুবদল থেকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে লিটন চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়।
আরও পড়ুন: বরিশাল জেলা ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ
লিটন চৌধুরী নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের চৌধুরী ব্যাপারীর সন্তান এবং নোয়ান্নই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে নোয়ান্নই ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ মধ্যবাজারে হামলার শিকার হয়ে বৃদ্ধা আবদুল হাই’সহ তিনজন আহত হন।
জানা গেছে, সকালে তারা জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করলে যুবদল নেতা লিটন চৌধুরীর নেতৃত্বে তার ভাই ইসমাইল ও সাদ্দামসহ ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল হামলা চালায়। হামলার সময় জমির মালিক মো. আবদুল হাইকে মারধর করে পোলের ওপর থেকে খালে ফেলে দেওয়া হয়। এই হামলায় তার দুই ছেলে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে মঙ্গলবার রাতে গুরুতর আহত আবদুল হাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে বুধবার ভোর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনার পর নিহত মো. আবদুল হাইয়ের ছেলে মো. সুমন বাদি হয়ে ৬ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: বরিশালে স্কুল সংলগ্ন বাণিজ্য মেলা নিয়ে হাইকোর্টে রিট, ডিসি-জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন