সোমবার, ২ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৪৪ পি.এম
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা নদীতে গোসলে গিয়ে নিখোঁজ এমআইএসটি (মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি) শিক্ষার্থী আবু নাঈমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২ জানুয়ারি) পদ্মা নদী থেকে ওই ছাত্রের মরদেহটি উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
এর আগে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাওয়ার পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় আবু নাঈম।
তথ্য অনুযায়ী, ঘুরতে গিয়ে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে গোসল করতে নেমেছিলেন এমআইএসটির ছাত্র আবু নাঈম (২৩), তানভির (২১) এবং সোহান (২১)। এ সময় তানভির ও সোহান উঠে এলেও নাঈম পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। এদিন তানভিরকে তার বন্ধুরা আহত অবস্থায় শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালে তানভিরের বন্ধুরা বলেন, শনিবার তারা কয়েকজন বন্ধু মাওয়া এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। তারা সবাই ঢাকার মিরপুরের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী ছিলেন। এই ঘটনার সময় আবু নাঈম পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানিয়েছেন, পদ্মা সেতুর যে খুঁটির কাছে নাঈম নিখোঁজ হয়েছিলেন, সোমবার দুপুরে ডুবুরি জিসান ওই স্থান থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহটি উদ্ধার করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ লেবাননের দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, হামলার কিছুক্ষণ আগে গ্রামের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আল জাজিরার রিপোর্টে বিষয়টি উঠে এসেছে।
তাঁর উপরে সংবাদ সূত্রে জানা যায়, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো নাবাতিহ থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কাফার তেবনিত গ্রামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
ফিরে, হামলা চালানো হয় আইন কানা শহরের ওপর একটি ভবন লক্ষ্য করে।
এক্সে করা একটি পোস্টে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী পূর্বে সতর্কতা প্রদান করেছিল, তারা বিভিন্ন ভবনে হামলা করবে, যেগুলোকে দাবি করা হয়েছে যে হিজবুল্লাহ সামরিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করছে।
যে ভবনগুলোতে হামলা হয়, তাদের আশেপাশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরাইল।
জাতীয় সংবাদ সংস্থা আরও জানায়, ইসরাইলি বাহিনী রামিয়া শহরের পাশাপাশি আল-সালহানি এলাকার মধ্যে কামান হামলা চালিয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইল একাধিকবার হামলা করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য নতুন বেসরকারি মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এবারের আবেদন প্রক্রিয়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর আলোকে সম্পন্ন হবে। আবেদনটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে এবং হার্ডকপি বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিও শাখার উপসচিব মো. আব্দুল হান্নানের সই করা একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে নতুন বেসরকারি কারিগরি এবং মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আবেদন প্রক্রিয়াটি হবে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা টেকনোলজি—বিএমটি ও ডিপ্লোমা) এবং মাদরাসা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ভিত্তিতে।
এতে জানানো হয় যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে কোনো আবেদন গ্রহণ হবে না। আবেদন করতে হবে Online MPO Application শিরোনামের প্রদর্শিত লিংকের মাধ্যমে। আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট (www.tmed.gov.bd), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dte.gov.bd), মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dme.gov.bd) এবং বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর ওয়েবসাইট (www.banbeis.gov.bd) ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে এমপিওভুক্তির জন্য সরাসরি হার্ডকপি, ই-মেইল বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদন করার প্রক্রিয়া অনলাইনে প্রদর্শিত নির্দেশিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণের সকল কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীপিকা পাড়ুকোনের ভূমিকা এখন বদলে গেছে! তিনি এখন জানাচ্ছেন, কিসে ভরপুর তাঁর মনে মোহাবিষ্টতা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তৈরি পোশাক খাতে বিশাল স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, সেই সঙ্গে পণ্য ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। শিপিং লাইনগুলোতে শত কোটি টাকার ক্ষতির দাবি উঠেছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আন্তর্জাতিক নৌ বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের মান কমছে।
মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে ধর্মঘট পালন করছে চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা, ফলে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্য অনেকাংশেই বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের তৈরিপোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা এই অসুবিধায় সবচেয়ে বেশি ভুগছেন।
বিজিএমইএর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেছেন, "আমরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। কাঁচামাল ইনহাউস না হলে ফ্লোরগুলো বন্ধ থাকবে। আমাদের ক্ষতি আরও বাড়ছে।"
২১টি বেসরকারি অফডক থেকে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার আমদানি এবং ৩ হাজার রফতানি মিলিয়ে সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার বন্দরে আনা-নেয়া করা হলেও বর্তমানে তা মাত্র দেড় হাজারে নেমে এসেছে। এই কারণে বন্দরে পণ্যের গদি জমে যাচ্ছে।
বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব জানান, "আমরা আমদানি ও রফতানি কনটেইনারের মাত্র ৪০-৪৫ শতাংশই সরবরাহ করতে পারছি। বাকি কনটেইনারগুলো বেসরকারি অফডকগুলোতে জমে যাচ্ছে।"
ধর্মঘটের কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাহাজ থেকে আমদানি কনটেইনার নামানো বা রফতানি কনটেইনার তুললেও অনেক বাধার মোকাবিলা করছে। প্রতিটি জাহাজে দৈনিক অন্তত ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের দণ্ড গুনতে হচ্ছে।
শিপিং লাইনগুলোর দাবি, আন্তর্জাতিক নৌ বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের মান কমছে। এমএসসি শিপিংয়ের হেড অব অপারেশন আজমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, "আমাদের জাহাজগুলো দুদিন ধরে বসে রয়েছে।"
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, এই আন্দোলনের ফলে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে খুব সামান্য ক্ষতি হচ্ছে। তারা শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনে অবিলম্বে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক ওমর ফারুক বলেছেন, "আমাদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"
বর্তমানে ৫৯ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতার চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২ হাজার ১০০ টিইইউএস কনটেইনার এবং ৯৭টি পণ্যবাহী জাহাজ সংরক্ষিত রয়েছে। দেশের আমদানি-রফতানির ৯৩ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়, তাই বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হলেও দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ