ঢাকা সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০২ই জ্বিলহজ্জ, ১৪৪৭হিজরী
সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ইং ০৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পরে ৩ যুবক উদ্ধার


কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ, ৭ দিন পরে ৩ যুবক উদ্ধার

কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে যাদের আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের তিনজনকে গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন কক্সবাজারস্থ র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক।

উদ্ধার হওয়া তিন ব্যক্তির নাম হলো জাকির আহাম্মদ (৪২), নুর হোসেন (২২) এবং আয়াত উল্যাহ (২২)। এ তিনজনই কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংক রোড দক্ষিণ মুহুরীপাড়ার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: বরিশাল জেলা ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক মন্তব্য করেন, ‘গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভুক্তভোগীদের টেকনাফ বাসস্ট্যান্ড মোড়ে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজারছড়া এলাকার করাচীপাড়ার গহীন পাহাড়ে নিয়ে জিম্মি করা হয়।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পরিবারের কাছে মোবাইলে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এ ঘটনার পর, ভুক্তভোগীদের পরিবার গত রোববার (১২ এপ্রিল) কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিষয়টি জানতে পারার পর র‍্যাব অপহৃতদের উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে।

আ. ম. ফারুক বলেছেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের করাচীপাড়া সংলগ্ন গহীন পাহাড় এবং হ্নীলা বাজার এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালায় র‍্যাব। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীদের ফেলে গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যান। পরে অপহৃত জাকির আহাম্মদ, নুর হোসেন এবং আয়াত উল্যাহকে উদ্ধার করা হয়।’

উদ্ধার করা ভুক্তভোগীদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এমনটি উল্লেখ করে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, পালিয়ে যাওয়া অপহরণকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রইছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে স্কুল সংলগ্ন বাণিজ্য মেলা নিয়ে হাইকোর্টে রিট, ডিসি-জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজা যুদ্ধবিরতি: সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


গাজা যুদ্ধবিরতি: সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও হামাস

গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার জন্য সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস অংশগ্রহণ করছে। কায়রোতে গোপন বৈঠকে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ, মানবিক সহায়তা, এবং ইসরাইলের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রশ্ন উঠে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ নতুন কূটনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মিশরের রাজধানী কায়রোতে প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস। সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে ছিলেন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আরিয়ে লাইটস্টোন, এবং হামাসের পক্ষ থেকে প্রধান আলোচক ছিলেন খলিল আল-হাইয়া।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কিছু না জানালেও, বিশ্লেষকরা এই বৈঠকটিকে গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

বৈঠকের মূল আলোচনায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ উঠে আসে। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ করার জন্য, মানবিক সহায়তা প্রবেশ করার নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি অবরোধ শিথিলের দাবিতে জোর দেন আল-হাইয়া। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, শর্ত পূরণ না হলে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, ইসরাইল প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে সম্মত হলেও, তার জন্য হামাসের অস্ত্র ত্যাগের প্রতিশ্রুতি চাইছে। তবে হামাস এই প্রস্তাবটিকে ‘অসম ভারসাম্যপূর্ণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে এবং নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার নিশ্চয়তা দিতে দাবি তুলেছে গোষ্ঠীটি।

গেল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ হয়নি। গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির চুক্তির পরও দখলদারদের হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে, ভবিষ্যতে গাজা শাসন, নিরাপত্তা কাঠামো, এবং আন্তর্জাতিক বাহিনীর মোতায়েনসহ বিভিন্ন প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথে কাঁটাতারের বেড়া!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথে কাঁটাতারের বেড়া!

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করেছে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা। এর ফলে ঝুঁকি নিয়ে বিকল্প পথে শিশুদের স্কুলে যেতে হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনটি এই ঘটনাকে একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচিত করছে। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ বাড়তে থাকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর।

অবরুদ্ধ বাস্তবতায় অনেক ফিলিস্তিনি শিশুর স্কুলে যাওয়াও বন্ধ হয়ে গেছে। পশ্চিম তীরের উম্ম আল-খাইর গ্রামে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথ কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, পাশের কারমেল বসতি থেকে আসা লোকজন এই বাধা সৃষ্টি করেছে।

গ্রাম পরিষদের প্রধান খলিল হাতালিন জানান, এটি শিশুদের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ। কিন্তু সেই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প পথে যেতে বাধ্য হচ্ছে, যা সরাসরি বসতির কাছ দিয়ে যায়। এর ফলে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না, বসতি স্থাপনকারীরা তাদের স্কুলে যাওয়ার পথটি বন্ধ করে দিয়েছে। ইসরাইলি পক্ষ আমাদের একটি ভিন্ন পথে যেতে বলছে, যা খুবই বিপজ্জনক ও দীর্ঘ। তাই আমরা আমাদের প্রধান পথ ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছি, যে পথ দিয়ে আমাদের শিশুরা সবসময় যাতায়াত করেছে।’

গ্রাম পরিষদের প্রধান আরও উল্লেখ করেন, বসতি স্থাপনকারীদের আসল লক্ষ্য কেবল রাস্তা নয়, বরং নতুন বসতি সম্প্রসারণ এবং পুরো জমি দখল করা। মানবাধিকার সংগঠনটি এই ঘটনার মূলকৌশল হিসেবে দেখছে। তাদের অভিযোগ, বসতি স্থাপনকারী ও ইসরাইলি বাহিনী একযোগে ফিলিস্তিনিদের ভয় দেখিয়ে এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করছে, যা বাস্তবিকভাবে জাতিগত নিধনের শামিল।

পশ্চিম তীরে ইসরাইলের স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ বেড়েই চলেছে। নতুন চেকপোস্ট, সড়ক অবরোধ এবং বসতি সম্প্রসারণের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল যদিও এই বসতিগুলোকে অবৈধ বলছে, বাস্তবে এর বিস্তার থেমে নেই, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের ওপর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের যুদ্ধের হুমকি, হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি যুদ্ধজাহাজ ও ১০ হাজার সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


ফের যুদ্ধের হুমকি, হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি যুদ্ধজাহাজ ও ১০ হাজার সেনা

নিজেদের শর্ত অনুযায়ী ইরানকে চুক্তি সই করানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি একের পর এক চাপ দিয়ে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় নতুন করে আবারও যুদ্ধ শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা শুরু হলে ইরানের বিদ্যুৎ, জ্বালানি খাতসহ গুরুত্বপূর্ণ সব অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যখন এমন হুমকি প্রদান করছেন, তখনই যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) হরমুজ প্রণালিতে ১২টি যুদ্ধজাহাজ, ১০০টি বিমান এবং ১০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা সেন্টকমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায়।

প্রতিবেদন অনুসারে, সেন্টকম দাবি করছে, ইরানের বন্দরের এবং উপকূল ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১৪টি জাহাজ ‘পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে’ এবং তারা অবরোধ মেনে নিয়েছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে আবারও যুদ্ধ শুরুর জন্য মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত। তিনি এও বলেন, ইরানের এখন আর কোনও নৌবাহিনী নেই এবং এ কারণেই মার্কিন নৌবাহিনী বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পিট হেগসেথ বলেন, যতদিন প্রয়োজন, ততদিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ জারি রাখবে।

এরপর তিনি ইরানি শাসকগোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বলেন, ইরান, তোমরা একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ ও সোনালি সেতুবন্ধন বেছে নিতে পারো এবং আমরা আশা করি, তোমরা ইরানের জনগণের স্বার্থে সেটিই করবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, কিন্তু ইরান যদি ভুল পথ বেছে নেয়, তাহলে তাদের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত মার্কিন বোমা হামলার মুখামুখি হবে।

এর আগে, বুধবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে, তবে তারা সতর্ক করে বলেছে, যদি তেহরান অবাধ্যতা অব্যাহত রাখে, তাহলে অর্থনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি করা হবে।

ইরানের ক্ষমতাসীন নেতাদের উদ্দেশ্যে হেগসেথ বলেন, এটি কোনও সমান শক্তির লড়াই নয়। আপনারা কোন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম সরাচ্ছেন এবং কোথায় সরাচ্ছেন, তা আমাদের জানা আছে।

ব্রিফিংয়ের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, মার্কিন বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ইরানের পতাকাবাহী যেকোনও জাহাজ অথবা ইরানকে বস্তুগত সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছে—এমন যেকোনও জাহাজকে ধাওয়া করবে।

তিনি বলেন, অবরোধ ভাঙার চেষ্টাকারী সব জাহাজকে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি সতর্ক করা হবে যে, যদি আপনারা এই অবরোধ না মানেন, তাহলে আমরা শক্তি প্রয়োগ করব। ইরানের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা এবং আন্তর্জাতিক জলসীমা—উভয় ক্ষেত্রেই এই অবরোধ কার্যকর করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এত দিনে হয়তো সন্তান হয়ে যেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


এত দিনে হয়তো সন্তান হয়ে যেত

বলিউড অভিনেত্রী এবং সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত সহকর্মী এবং সাংসদ চিরাগ পাসোয়ানের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে এবার মুখ খুললেন। এই গুঞ্জনগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে তাদের সম্পর্কে নানা আলোচনা চলছিল এবং এখন তিনি তা সরাসরি নাকচ করলেন।

প্রায় ১৪ বছর আগে মিলে না মিলে হাম নামের একটি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন কঙ্গনা ও চিরাগ। সেই ছবিতে পর্দায় তাদের প্রেমের সম্পর্ক দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই শোনা যায়, বাস্তব জীবনে তাদের মধ্যে কিছুটা ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল।

এরপর, তারা দুজনেই আলাদা পথ ধরে এগিয়ে যান। কঙ্গনা বলিউডে নিজের অবস্থান শক্ত করে প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরে রাজনীতিতেও যুক্ত হন। অন্যদিকে, চিরাগ পাসোয়ানও রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

রাজনীতিতে তাদের পুনরায় সাক্ষাৎ হওয়ার পর থেকেই নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়। সংসদ ভবনে একাধিকবার তাদেরকে একসঙ্গে দেখা গেছে এবং তাদের কথোপকথন ও স্বাভাবিক আচরণ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা হত।

যাহোক, কঙ্গনা এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চিরাগের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই এবং তিনি বলেন যে, তারা শুধুমাত্র ভালো বন্ধু।

এই বিষয়ে কঙ্গনার মন্তব্য আরও আলোচনা সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, “যদি তাদের মধ্যে সত্যিই কোনো সম্পর্ক থাকত, তাহলে এত দিনে সন্তানও হয়ে যেত।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে কঙ্গনা গুঞ্জনটিকে একেবারেই ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন।

চিরাগের সঙ্গে পুরনো কাজের অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তীতে নিজেদের আলাদা জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়া, এই সব মিলিয়ে এই জুটি নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। তবে কঙ্গনার সাম্প্রতিক মন্তব্যে অন্তত সময়ের জন্য সেই গুঞ্জনে একটি ইতি টানার সংকেত পরিলক্ষিত হচ্ছে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%