মঙ্গলবার, ৩ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৬:০১ এম
আজ মঙ্গলবার পালন করা হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। এই রাত্রে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য অসীম রহমতের দরজা খুলে দেন। হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে সৌভাগ্যের রাত বা মুক্তির রাত হিসেবে পরিচিত। আজ সেই অপেক্ষার রাত আসলে মুক্তির রাত।
শবে বরাত একটি ফারসি শব্দ। ‘শব’ মানে রাত এবং ‘বরাত’ অর্থ মুক্তি, শান্তি, সৌভাগ্য। আরবি ভাষায় একে বলা হয় লাইলাতুল বরাত, যা সৌভাগ্যের রজনী নির্দেশ করে। হাদিস অনুযায়ী, মহান আল্লাহ এই রাতে বান্দাদের গুনাহ মাফ করে দেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।
মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময় মহান আল্লাহর বিশেষ কল্যাণ লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত এবং জিকিরে রত থাকেন। অতীতের পাপ ও অন্যায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং আগামী জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন।
তারা মহান আল্লাহর কাছে মা-বাবা, আত্মীয়গত, পাড়া-প্রতিবেশী, সমাজ-রাষ্ট্র এবং সমগ্র বিশ্বের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন। শবেবরাতের পূর্বের দিন বা পরদিন রোজা রাখা সুন্নত। তাই মুসলমানরা দুই দিন রোজা পালন করেন।
পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে আগামীকাল (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ জন্য কাল সব সরকারি অফিস, আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এই রাতের বিশেষ সম্মান সম্পর্কে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মহান আল্লাহ মধ্য শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে তাঁর সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং শিরককারী ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করেন।’ (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৫৬৬৫)
পবিত্র শবে বরাত মুসলমানদের কাছে পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে। শাবান মাসের পরেই আসে পবিত্র রমজান মাস। তাই শবে বরাত থেকেই কার্যত রমজানের প্রস্তুতি শুরু হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার প্রধান কেন্দ্র জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিআরএইচ) বহু রোগীর জন্য ভোগান্তির আরেক নাম হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক এক সরকারি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চিকিৎসা নিতে গিয়ে ৪১ দশমিক ৩৫ শতাংশ রোগী হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে গিয়ে ৫৪ শতাংশ রোগী কর্মচারীদের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন। তীব্র ওষুধ সংকট, দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকা অনেক মূল্যবান যন্ত্রপাতি এবং জনবল ঘাটতির কারণে হাসপাতালটির সেবার মান প্রশ্নবিদ্ধ।
পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) পরিচালিত প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সাধারণত কোনো প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হলে প্রকল্পটি উদ্দেশ্য অনুযায়ী কতটুকু সেবা সৃষ্টি করল এবং সেবাগ্রহীতারা কীভাবে উপকৃত হচ্ছেন, তা যাচাইয়ে প্রভাব মূল্যায়ন করে থাকে আইএমইডি। সরেজমিন পরিদর্শন, নির্মাণ অবকাঠামোর গুণগত মান যাচাই, ক্রয়-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা, নানা পর্যায়ে উপাত্ত যাচাই, স্থানীয় সুবিধাভোগী, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। তৃতীয় পক্ষ হিসেবে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ইউসুফ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। এতে ৩৪৮ জনের সাক্ষাৎকার ও ১২টি কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেদনটি গত ডিসেম্বরে পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়।
এমন পরিস্থিতিতে আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশে ‘বিশ্ব ক্যান্সার’ দিবস পালিত হচ্ছে। দিবসটির প্রতিপাদ্য– ‘ইউনাইটেড বাই ইউনিক’।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে থাকা ১২১ ধরনের যন্ত্রপাতির মধ্যে মাল্টি-স্লাইস সিটি স্ক্যানসহ সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর। পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ বাজেটের অভাবে এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিন প্রায় অচল।
এনআইসিআরএইচ উন্নীতকরণ প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০০৩ সালে এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০০৬ সালে। কিন্তু সাত দফা সংশোধনের পর এটি শেষ হয় ২০২০ সালে অর্থাৎ তিন বছরের প্রকল্পে সময় লাগে ১৭ বছর। মূল বরাদ্দ ছিল ১২০ কোটি টাকা, যা বেড়ে দাঁড়ায় ২১৭ কোটি টাকায়। আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষাগারে যাচাই না করেই ঠিকাদারকে তিন কোটি ১৪ লাখ টাকার বেশি পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া পিপিআর-২০০৮ লঙ্ঘন করে ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এক আইটেমের মাধ্যমে ঠিকাদারকে অতিরিক্ত ছয় কোটি ৩৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
বেড়েছে রোগী
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত কয়েক বছরে বহির্বিভাগ, ভর্তি বিভাগ ও জরুরি বিভাগ– তিন ক্ষেত্রেই রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০১৫ ও ২০২৩ সালের তথ্য তুলনা করলে দেখা যায়, বহির্বিভাগে গড় দৈনিক রোগী বেড়েছে প্রায় ৭২ শতাংশ, ৪৭৭ জন থেকে ৮২০ জনে। একই সময়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১২৬ শতাংশ, ২১৫ জন থেকে ৪৮৬ জনে। সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে জরুরি বিভাগে, যেখানে দৈনিক রোগীর সংখ্যা ১২ থেকে বেড়ে ৫৬ জনে পৌঁছেছে, অর্থাৎ প্রায় ৩৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি।
রোগী ভোগান্তির বাস্তব চিত্র
নেত্রকোনার বাসিন্দা জুবেদা বেগম গতকাল অনকোলজি বিভাগে কেমোথেরাপি নিতে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ছয় মাস পর সিরিয়াল মিলেছে। তবে ভর্তির সুযোগ ছিল না। কেমোথেরাপি দিয়ে আবার নেত্রকোনায় ফিরতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় এখানে খরচ কিছুটা কম। কিন্তু ভোগান্তি ভয়াবহ। একবার কেমোথেরাপিতে ২২ হাজার টাকা লাগে, আর ওষুধ-যাতায়াতে আরও চার হাজার। চিকিৎসা করতে গিয়ে আমাদের পরিবার প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছে।
ওষুধ সংকট ও ধীরগতির সেবা
হাসপাতালে ওষুধ সংকটের কারণে অনেক রোগীকে বাইরে থেকে অত্যন্ত দামি ওষুধ কিনতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র রোগীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন। জরিপে দেখা গেছে ১৬ দশমিক ১২ শতাংশ রোগী ধীরগতির সেবার অভিযোগ করেছেন। ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ রোগী সেবাদাতাদের অনীহার কথা বলেছেন। ৪০ শতাংশ রোগী প্রশাসনিক অসহযোগিতার অভিযোগ তুলছেন।
অচল যন্ত্রপাতি
রক্ষণাবেক্ষণ বাজেটের অভাবে হাসপাতালের এমআরআই ও টিসি স্ক্যান মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অচল। সরেজমিন দেখা গেছে, লিনিয়ার এক্সিলারেটরসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি মেরামত না করায় কার্যত ব্যবহারের বাইরে। এর ফলে রেডিওথেরাপি ও রেডিওলজি বিভাগের বহু পরীক্ষা রোগীদের বাইরে করাতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। অনেক দরিদ্র রোগীর পক্ষে এসব পরীক্ষার ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব।
রোগীদের হয়রানি ও সেবাবঞ্চনা
রোগীরা জানিয়েছেন, যন্ত্রপাতি সচল না থাকায় চিকিৎসা বিলম্বিত হচ্ছে। কিছু রোগীর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে রেডিওথেরাপি মেশিন মেরামত না করে তাদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশেষ ধরনের (টার্গেট গ্রুপের) রোগীদের জন্য আলাদা কাউন্টার, দ্রুত সেবা ব্যবস্থা ও ডিজিটাল সিরিয়াল চালু করা হলে ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
বিলুপ্ত স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন বলেন, দেশে আট থেকে ১০ লাখ ক্যান্সার রোগী আছে। বছরে নতুন করে প্রায় দুই লাখ মানুষ এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে প্রায় দেড় লাখ মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে দেশে ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল থাকায় অনেক রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হয়েছেন। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়েছে। যারা বিদেশ যেতে পারেননি, তাদের বিনা চিকিৎসায় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকারকে দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক বলেন, পরিস্থিতি বুঝে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে হলে সবার আগে হাসপাতাল ও জনসংখ্যাভিত্তিক ক্যান্সার রোগী নিবন্ধন জরুরি। এটি এখন পর্যন্ত দেশে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি ও গবেষণা ইনস্টিটিউট পাইলট প্রকল্প নিয়ে চেষ্টা করছে। সেবা দেওয়ার সক্ষমতা না বাড়লে রোগীর ভোগান্তি কমবে না।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০০ শয্যার হলেও কার্যত চলছে ৩০০ শয্যার জনবল দিয়ে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও দক্ষ নার্সের সংকটে রোগীরা মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না। রোগীর চাপ অনেক বেড়েছে। আমরা দুটি নতুন থেরাপি মেশিন কিনেছি এবং অচল যন্ত্র সচল করার উদ্যোগ নিয়েছি। তবে জনবল না বাড়ালে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪.১ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা ভোর ৫টায় একটি বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা 'মৃদু' শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতার কারণে কম্পনটি তীব্র হয়ে ওঠেনি। তবে ভোরের এই ভূমিকম্প সাতক্ষীরা, খুলনা এবং যশোরসহ লাগোয়া জেলাগুলোতে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সাতক্ষীরা ও খুলনার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ নেই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রক্তনালী পরিষ্কার রাখতে চাইলে যে খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা প্রয়োজন, সেটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
গাজীপুরে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা এবং মানসিক চাপের কারণে রক্তনালীর ভিতর চর্বি ও কোলেস্টেরলের স্তর জমতে শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম প্ল্যাক। এই প্ল্যাক রক্তপ্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মহামারির ঝুঁকি বাড়ায়।
তবে, দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় কিছু বিশেষ স্বাস্থ্যকর উপাদান যুক্ত করলে হার্টের রক্তনালীকে পরিষ্কার রাখা এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। সঠিক খাবার গ্রহণের মাধ্যমে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং এটি ধমনীর নমনীয়তাও বজায় রাখে।
ওটসকে হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো বলা হয়। এতে থাকা বেটা-গ্লুকান পদার্থ শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল কমাতে কার্যকর। নিয়মিত এই খাবার গ্রহনে কোলেস্টেরল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। এটি ধীরে ধীরে রক্তনালীর দেয়ালে জমা প্ল্যাক হ্রাস করে এবং রক্তপ্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
মরিঙ্গা বা সজনা, যা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাবার, প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে এবং রক্তনালীর নমনীয়তা বাড়ায়। নিয়মিত মরিঙ্গা খেলে ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল বেড়ে যায়।
আখরোটে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদয়ের জন্য স্বাস্থ্যকর। এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ট্রান্সফ্যাটের প্রয়োজন হয়। মেথি এবং কারি পাতা, যে দুটি খাদ্য কৌশলে রান্নায় ব্যবহৃত হয়, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
হার্টের রক্তনালী ভালো রাখতে এই ৫টি খাবার নিয়মিত খাদ্যাদেতে যোগ করলে ধমনীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে। মনোযোগ দিতে হবে পর্যাপ্ত হাঁটা, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুমের উপরও।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ পরিষেবা হিসেবে ইলেকশন কর্নার ভোটের হাওয়া অপশন চালু করেছে স্থানীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। নির্বাচনী তথ্য ও নির্ভরযোগ্য সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া যাবে টফির মধ্যে সুনির্দিষ্ট ডিজিটাল আইকনের মাধ্যমে। বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভোটের হাওয়াতে যুক্ত করা হয়েছে যাচাইকৃত নির্বাচনী তথ্য ও ডিজিটাল কনটেন্ট। ফলেে জরুরি অবস্থায় নির্ভরযোগ্য যে কোনো তথ্য পেতে এই অ্যাপের ইলেকশন কর্নার হাতব্যস্ত। নিজেদের পিপল ফার্স্ট নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যযুক্তভাবে বিশ্বস্ত সব সংবাদমাধ্যমকে এক কেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় করা হয়েছে। ভোটের সময়ে আগ্রহীরা যে কোনো তথ্য জানার সুযোগ পাবেন এতে। মূলধারার সব টেলিভিশন চ্যানেলও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ভোটারদের জন্য তৈরি হয়েছে পরিপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। লাইভ সম্প্রচারের সঙ্গে ভোটের হাওয়াতে রয়েছে নির্বাচিত সংবাদ ভিডিও। ডিজিটাল আকারে সহজে দেখা যেতে পারে এই ভিডিওগুলোতে তাৎক্ষণিক ঘটনা সম্বন্ধে সারসংক্ষেপ দেওয়া হবে। এই কর্নারে রয়েছে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন এবং নানা বিষয়ের বিস্তৃত লেখা, যা আগ্রহীদের সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু ও ঘটনার ধারাবাহিকতা বুঝতে সহায়ক হবে। এছাড়া গ্রাহকদের মতামত জানানোর সুযোগ আছে ইন্টারঅ্যাকটিভ পোলের মাধ্যমে, যেখানে নির্বাচনকালীন জনমতের প্রতিফলন দেখা যাবে। জানানো হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠনমূলক ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কনটেন্ট, প্রযুক্তি এবং আগ্রহী জনতার অংশগ্রহণকে সমন্বয় করে নির্বাচনের সময় নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করা। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার, তাইমুর রহমান ভোটের হাওয়া অপশন নিয়ে বলেন, অর্থবহ নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য তথ্যের সহজ প্রাপ্তি অত্যন্ত জরুরি। এই অ্যাপের ভোটের হাওয়ার মাধ্যমে আমরা দায়িত্বশীল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নির্বাচিত সংবাদ, বিশ্লেষণ এবং নাগরিকের তথ্য জানার অধিকারকে একটি জায়গায় নিয়ে এসেছি। এবার আমাদের লক্ষ্য সারাদেশে নির্বাচনকেন্দ্রিক বিশ্বাসযোগ্য তথ্যকে সুলভ ও সহজলভ্য করা। ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে সময়ের প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট ও মতামতের ভিত্তিতে এই প্ল্যাটফর্মের মানোন্নয়নের কার্যক্রম চলতে থাকবে বলে উদ্যোক্তারা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ