শনিবার, ২৪শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৫:১৮ পি.এম
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বাণিজ্যিক ইসলামী ব্যাংক, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন পাবেন এবং ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুবিধা লাভ করবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড
পদের নাম: ব্রাঞ্চ ম্যানেজার
পদসংখ্যা: চূড়ান্ত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, অ্যাকাউন্টিং অথবা ম্যানেজমেন্টে এমবিএ অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন।
অন্যান্য যোগ্যতা: ব্যাংকিং আইন এবং বিধিবিধান সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: মোট ১০ বছরের অভিজ্ঞতা পূর্বপ্রয়োজন।
চাকরির ধরন হতে পারে নিয়মিত বা চুক্তিভিত্তিক।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদনের জন্য যোগ্য।
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৬০ বছর।
কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী।
আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এবং বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
অভিযোগ কার্যক্রম: ২২ জানুয়ারি থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে, এ শেষে আবেদনের সময়সীমা ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইন্টেগ্রিটি ইউনিট, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন অ্যালেক্স মার্শাল, পরিচালক মুখলেসুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে উঠা ফিক্সিং অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। গতকাল (২৩ জানুয়ারি), বিসিবির আরেকজন পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইতিমধ্যে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে। তবে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রতীকী প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগ থেকে কাউন্সিলর মনোনয়ন পেয়ে শামীম পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। পরিচালক হওয়ার পরে, তিনি অডিট কমিটির চেয়ার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সম্প্রতি, দেশের একজন ফ্রিল্যান্স ক্রীড়া সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ধরেছেন।
আলlegaের তথ্য অনুসারে, এবারের বিপিএলের সিলেট পর্বে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ম্যাচে শামীমের ফিক্সিংতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ছিল। ওই সাংবাদিকের দাবী, শামীম সিলেটের নূরজাহান হোটেলে স্পটারদের মিলিত করতেন এবং সেখান থেকে ফিক্সিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতেন। তিনি আরো জানান, শামীম সমস্ত বিষয় পরিচালনা করছিলেন এবং এডভান্স টাকা দেওয়ার কল রেকর্ডও সাংবাদিক প্রকাশ করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর, তদন্তের সুবিধার্থে শামীম স্বেচ্ছায় নিজের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিসিবির সব দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। সদ্য সাবেক পরিচালক হিসেবে তিনি বলেছেন, তদন্তের সন্তুষ্টির জন্য দায়িত্ব থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তবে এটি দোষ স্বীকারের উদ্দেশ্যে নয় বরং প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা বজায় রাখার দায়বদ্ধতার প্রকাশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টালিউডের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার শুক্রবার তার দীর্ঘদিনের প্রেমিক দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। দেবমাল্য শোবিজের সাথে পরিচিত নন এবং তিনি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। প্রেমিকের সঙ্গে কাগজ-কলমে সাত পাকে বাঁধা পড়ার অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় স্বরসতী পূজার রাতে।
বিয়ের অনুষ্ঠানে মধুমিতা একটি বাঙালি সাজে সজ্জিত ছিলেন। তিনি পরেছিলেন লাল বেনারসি এবং সোনালী গয়নায় মোড়া, তার কপালে ছিল সূক্ষ্ম চন্দনের কাজ। বিয়ের দিন অভিনেত্রী মন্তব্য করেন, ‘পর্দার বিয়ের সঙ্গে এটার কোনো তুলনাই হয় না। নিজের বিয়ে তো সবচেয়ে বেশি স্পেশাল।’
মধুমিতার বিয়েতে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকসহ আরও অনেকে। ফেসবুকে কনের সাজে মধুমিতার ছবিগুলো প্রকাশ করেছেন অতিথিরা।
মধুমিতা এবং দেবমাল্যের সম্পর্কটি প্রায় পাঁচ বছরের পুরোনো। গত বছরের মার্চ মাসে অভিনেত্রী জানান, তারা ডিসেম্বর বা জানুয়ারির শুরুতে সাতপাকে বাঁধা পড়ার পরিকল্পনা করছেন।
প্রসঙ্গত, মধুমিতা এর আগে ২০১৫ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে সৌরভ চক্রবর্তীর সাথে প্রথম সংসার শুরু করেছিলেন, যেটি ২০১৯ সালে শেষ হয়। এরপর থেকে তিনি নিজেকে 'সিঙ্গল' বলেই মনে করেন।
ছোট পর্দার মাধ্যমে বিনোদন জগতে যাত্রা শুরু করেছিলেন মধুমিতা, ২০১১ সালে 'সবিনয় নিবেদন' ধারাবাহিকে তার প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে। ২০১৮ সালে 'কুসুমদোলা'র পরে তিনি বাংলা টেলিভিশন থেকে বিরতি নিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ছবিতে ও সিরিজে তার উপস্থিতি দেখা যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন কৌশলগত নথির আলোকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এখন চীনকে নয়, বরং মার্কিন মাতৃভূমি এবং পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তাকে প্রধান উদ্বেগ হিসেবে বিবেচনা করছে।
নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটানোর মাধ্যমে, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সাহায্যের পরিমাণ কমাবে।
শুক্রবার প্রকাশিত ২০২৬ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল (এনডিএস) অতীতের পেন্টাগন নীতির থেকে সরে এসেছে।
নতুন কৌশলটির ভিত্তিতে, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া দ্বারা উৎপন্ন হুমকির মোকাবেলায় মার্কিন মিত্রদের কাছে বেশি ‘বোঝা ভাগাভাগির’ আহ্বান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের সেনাবাহিনী স্বদেশ প্রতিরক্ষা এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মনোনিবেশ করছে, তাই আমাদের মিত্র এবং অন্যান্য অংশীদারদের নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে, যেখানে মার্কিন বাহিনীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সীমিত সহায়তা পাওয়া যাবে।’
নতুন কৌশলগত নথিতে বেইজিংয়ের সাথে ‘সম্মানজনক সম্পর্ক’ বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে এবং রাশিয়ার হুমকিকে ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় সদস্যদের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন একটি স্থায়ী, যদিও ‘সমলনের যোগ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বসূরি জো বাইডেনের অধীনে প্রকাশিত পূর্ববর্তী এনডিএসে চীনকে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল আর রাশিয়াকে ‘তীব্র হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
এনডিএস-এ তাইওয়ানের কোন উল্লেখ নেই, যে অঞ্চলটিকে চীন তার নিজের এলাকা বলে দাবি করে। এই পরিকল্পনা ল্যাটিন আমেরিকাকে মার্কিন এজেন্ডার শীর্ষে নিয়ে আসার কথাও বলে।
নতুন রিপোর্টে বলা হয়, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা হলো জাতীয় নিরাপত্তা, এবং পেন্টাগন তাই আমাদের সীমান্ত সিল্ক করার, আক্রমণের ধরণ প্রতিহত করার ও অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরানোর কাজে অগ্রাধিকার দেবে।’
এই কৌশলে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রতিরোধের জন্য ‘আরও সীমিত’ ভূমিকা রাখার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে যে দক্ষিণ কোরিয়া এই কাজের ‘প্রাথমিক দায়িত্ব গ্রহণের উপযোগী।’
৩৪ পৃষ্ঠার নতুন প্রতিবেদনটি গত বছর প্রকাশিত মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের পর প্রকাশ হয়েছে, যেখানে ইউরোপ সভ্যতার পতনের অঙ্গীকার ছিল না এবং রাশিয়ার হুমকি হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চিহ্নিত হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুশোর বেশি স্ট্রাইকরেটে ৫০ রান করা একটি সাধারণ বিষয় নয়। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গতকাল ইশান কিশান মাত্র ২১ বলে তাঁর অর্ধশতক পূর্ণ করেন। এই ২১ বলের মধ্যে ১২টি বলেই বাউন্ডারি হাঁকান, যার মধ্যে ১০টি চার এবং ২টি ছয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। যদিও তিনি ধ্বংসাত্মক খেলায় পারদর্শী, তবুও তিনি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের ক্ষোভের মুখে পড়েন।
সূর্যকুমারের ক্ষোভের প্রধান কারণ হলো, ইশান কিশান তাকে পর্যাপ্ত স্ট্রাইক না দেওয়া। তবে, এই ক্ষোভ আরও একটি বিশেষ কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এটি অনেকটাই আনন্দের মতো লাগছে। কারণ, কিশান পাওয়ার প্লেতে মাত্র দুবার সূর্যকুমারকে স্ট্রাইক দেন (পাওয়ার প্লেতে সূর্যকুমার মোট ৮ বল খেলেছিলেন)। বাকি ৬ বার স্ট্রাইক পাওয়া যায়, যার মধ্যে দুইবার অভিষেক শর্মা আউট হওয়ার পর আসেন এবং ৪ বার দুই ওভারের শুরুতে স্ট্রাইকে তিনি ছিলেন।
ম্যাচ শেষে ভারতীয় দলপতি বলেন, ‘আমি জানি না কিশান লাঞ্চে কী খেয়েছিল। ওর মতো এমন জোরালোভাবে বল মারতে কাউকে কখনও দেখিনি। ব্যাটারদের কাছ থেকে আমাদের এটাই প্রত্যাশা, তোমরা মাঠে নিজের প্রতিভা দেখাও। খুশি হও। আমি ওর ওপর কিছুটা রেগে গিয়েছিলাম। কারণ, পাওয়ার প্লেতে আমাকে একবারও স্ট্রাইক দেয়নি।’
২১ বলে ফিফটি করা কিশান পাওয়ার প্লেতে ২৩ বলে মোট ৫৬ রান করেছিলেন, যা ভারতের জন্য পাওয়ার প্লেতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ ৫৮ রান করার রেকর্ডটি অভিষেক শর্মার। কিশান শেষে ৩২ বলে ৭৬ রান করে আউট হন, যেখানে হাতে থাকে ৪টি ছয় ও ১১টি চার।
পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৮ বল খেলে ৮ রান প্রাপ্ত সূর্যকুমারও ছিলেন বিধ্বংসী। তিনি ৩৭ ওলে ৮২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তার সাথে শিভম দুবের ১৮৭ বলে অবদান ছিল ৩৬ রান। এর ফলে ভারত ২০৯ রান লক্ষ্য নিয়ে ২৮ বল হাতে রেখেই জয়লাভ করে। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দুশোর বেশি রান তাড়া করার ক্ষেত্রে এই হলো গল্পের সবচেয়ে বড় বিজয়। আগের রেকর্ড ছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে, যেখানে পাকিস্তান ২০২৫ সালে ২৪ বল হাতে রেখে জিতেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ