সোমবার, ২ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৬:৩৮ পি.এম
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ২২ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৯ হাজার ৬১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
গত অর্থবছরের একই সময়ে নিট রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ১৫ হাজার ৯৮০ মিলিয়ন ডলার।
চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে বিদেশে কর্মরত প্রবাসীরা ১৮৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গত অর্থবছরের একই দিনে ছিল মাত্র ১৯ মিলিয়ন ডলার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করে গলা টিপে ধরেছিল। বর্তমান দেশে কোনো ফ্যাসিস্ট সরকার নেই। এখন ভোট দেওয়ার জন্য আপনারা প্রস্তুত হোন। নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারবেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে, ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশি ইউনিয়নের রুপপুর ফুটু মার্কেট এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা সভায় তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়েছেন। বিএনপির সমর্থকরা তারাই প্রকৃতভাবে ধানের শীষের দাবিদার। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন কালীন সময়ে আপনারা কেউ ধানের শীষে ভোট দিতে পারেননি। কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ধানের শীষের বিপক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম করতে চাইলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। এখনো সুযোগ আছে, বিপথে না গিয়ে ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিন। সারা দেশে ধানের শীষের জোয়ার এসেছে এবং সেই জোয়ারকে ধরে রাখতে, আপনাদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিয়ে এই আসনটি পুনরুদ্ধার করে তারেক রহমানকে উপহার দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে চাইলে ধানের শীষের জন্য ভোট দিন। আপনারা দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৭ বছর ধরে জেল, নির্যাতন, হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে রাজপথে ছিলেন। সফল রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং ভবিষ্যতের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের আদর্শকে ধারণ করেছেন। যদি আজ আপনারা ধানের শীষের বিপক্ষে কোন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন, তবে ভবিষ্যতে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরে আসতে পারবেন না। এটাই আপনারা বুঝে নিন। যারা এখনো ভুল বুঝে ধানের শীষের বিপক্ষে রয়েছেন, তাদেরকে এই শেষবারের মতো সতর্ক করছি, নিজেদের ঘরে ফিরে আসুন। অনেকেই যারা একসময় ধানের শীষের বাহিরে ছিলেন, তারা এখন ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।
সভায় পাকশি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড কৃষকদলের সভাপতি দুলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাহানুজ্জামান সেনার সঞ্চালনায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আহসান হাবিব, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ছবি মন্ডল, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সুমন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, পাকশী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার সময়, খুটাখালী বাজার এলাকার অন্তর্গত এই দুঃখজনক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
মৃত শ্রমিকদের মধ্যে একজন হলেন, চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের গর্জনতলী গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে লাল মুহিত উদ্দিন সাগর (৩৩)। অন্যজন হলেন, একই এলাকার মোহাম্মদ জোহারের ছেলে মোহাম্মদ উসমান (১৯)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নির্মাণাধীন ওই ভবনে মোট তিনজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। ভবনের পাশের ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তার হঠাৎ লাল মুহিতের ওপর পড়ে এবং পরে উসমানেরও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাদের উদ্ধার করে মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদের সভাপতি আবদুর রহমান মন্তব্য করেন, ‘নির্মাণাধীন ভবনের তৃতীয় তলায় পলেস্তারার কাজ করার সময় পাশের বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হন দুজন বরকত। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন যে তারা মৃত।’
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানিয়েছেন, ‘সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়েছে। তারা মৃতদেহ দুটি সুরতহাল ও হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। যদি পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ আসে, তবে আমরা যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির, ডা. শফিকুর রহমান বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলে আসছেন। তিনি টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে একটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এ উপলক্ষে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলে প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ১১ দলীয় জোটের টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ। তিনি বলেন, "জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটা টাঙ্গাইলে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করবে। আমরা আশা করছি, জামায়াতের লক্ষাধিক নেতা এবং কর্মী উপস্থিত হবেন।"
এছাড়াও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি থাকবে। তিনি টাঙ্গাইলবাসীকে অনুরোধ করেছেন, ৪ ফেব্রুয়ারি দলে দলে পৌর উদ্যানে এসে জামায়াতের জনসভাকে সফল করার জন্য।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল, খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী, সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম এবং ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি শাহীন মিঞা প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সামরিক বিশ্লেষক জানিয়েছেন যে, যদি ইরান নিরাপত্তা সংকটে পড়ে তবে সেক্ষেত্রে দেশটি কঠোর জবাব দেবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ইরান যদি অনিরাপদ হয়ে যায়, তাহলে এই অঞ্চলও নিরাপদ থাকবে না।’
কেন্দ্রীয় খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতরের উপকমান্ডার কায়ামারস হায়দারি একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা কখনোই মেনে নেব না যে, ইরান অনিরাপদ না হলে এই অঞ্চল নিরাপদ থাকবে।’
তিনি অব্যাহতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেন যে, দেশটি যদি ইরানের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে, তাহলে ‘না জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা, না যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র অন্য কোনো দেশ’ নিরাপদ থাকবে।
তিনি আরো বলেন, এসব শক্তি পরাজিত হবে এবং বাধ্য হবে এই অঞ্চল ত্যাগ করতে।
হায়দারি ওয়াশিংটনকে ‘বিচক্ষণতার সাথে’ কাজ করার পরামর্শ দেন এবং বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত আচরণ না করে, তবে তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এছাড়াও, ইরানের আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার উল্লেখ করেছেন যে, শত্রুপক্ষ দেশের উপর হারানো আধিপত্য পুনর্বহাল করতে চাইছে এবং তাদের অবৈধ স্বার্থ নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে চায়।
সোমবার ইরানি সেনাবাহিনীর সমন্বয়-বিষয়ক উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি বলেন, ‘যে শত্রু তার আধিপত্য হারিয়েছে এবং ভয়াবহ পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে, সে এখন ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ৪৭ বছর আগে ইসলামি বিপ্লবের গৌরবময় বিজয় বৈশ্বিক সমীকরণে বিপুল পরিবর্তন এনেছিল এবং এ বিজয়ের ফলে পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল থেকে বৈশ্বিক আগ্রাসীদের সরে যেতে বাধ্য করেছে।
সাইয়ারি বলেন, শত্রুপক্ষ সন্ত্রাসের মাধ্যমে বিভাজন এবং দাঙ্গার উসকানি দেয়ার চেষ্টা করছে। তবে ইরানি জাতির দৃঢ়তা, সচেতনতা এবং সাহসের কারণে এসব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ