ঢাকা শনিবার, ০৭ই মার্চ, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ১৮ই রমজান, ১৪৪৭হিজরী
শনিবার, ০৭ই মার্চ, ২০২৬ইং ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২বাং

মাদারীপুরে টহল বাড়িয়েছে যৌথবাহিনী, নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে উদ্যোগ


মাদারীপুরে টহল বাড়িয়েছে যৌথবাহিনী, নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে উদ্যোগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে যৌথবাহিনী মাদারীপুরে।

৮ ফেব্রুয়ারি রোববার, মাদারীপুর আর্মি ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন শাফিন সরোয়ার এর নেতৃত্বে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।

নিরাপত্তার দিক থেকে যাত্রীবাহী বাস, মোটরসাইকেল এবং মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং বাসের ভিতর ও বক্স তল্লাশি করে সেনাবাহিনী এবং বিজিবি।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড, প্রশাসনের ব্যবস্থা

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া, জেলার বিভিন্ন সড়কে টহল দিতে দেখা গেছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ এবং র‍্যাবের সদস্যদের। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে কাজ করছে একাধিক গোয়েন্দা টিম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিছু দল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালে কাজ করছে: মির্জা আব্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


কিছু দল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালে কাজ করছে: মির্জা আব্বাস

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ :বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেন, "নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে কয়েকটি দল পরিকল্পনামাফিক কাজ করছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে।"

তিনি বলেন, "যা তারা করবেন তার ব্যার্থতা অন্য দলের ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। কারণ বর্তমানে তারা একজন সমর্থিত দলের ক্ষমতায় রয়েছে।" আজ রবিবার তিনি রাজধানীর আরামবাগে গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে এ কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস আরও জানান, "১১ দলের জোটের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা তার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন। আমি নির্বাচন দিন, ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি তার জন্য দোয়া চাই।"

তিনি এও বলেন, "আমাকে অশান্তিতে রাখার জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কিছু অশালীন মন্তব্য করে যাচ্ছেন, যাতে মারামারির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। আমি কিন্তু সে পথে যাবো না। তারা নির্বাচনে সিনক্রিয়েট করার জন্য প্রচুর চেষ্টা করছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবারের নির্বাচনে হারানো রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ: তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ এম


এবারের নির্বাচনে হারানো রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ: তারেক রহমান

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এবারের নির্বাচন হলো দেশের মানুষের হারিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘গত ১৬ বছর ধরে ভোটাধিকার জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে, কিন্তু অনেক মানুষের আত্মত্যাগের ফলে সেই অধিকার আবার ফিরে এসেছে। এই সুযোগ কোনভাবেই যেন বৃথা যেতে না পারে।’

আজ রোববার রাতে, রাজধানীর শ্যামলী ক্লাব মাঠে ঢাকা-১৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজের জন্য আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যন যোগ করেছেন, 'নির্বাচন কেবল একটি ভোট নয়, এটি নিজের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা, নিজের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ। তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশে তথাকথিত নির্বাচন পরিচালিত হয়েছে, কিন্তু জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। এবার জনগণ নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে।'

তারেক রহমান বলেন, 'এই সুযোগ তৈরিতে গত ১৬ বছরে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, গুম, খুন কিংবা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪শ' মানুষ প্রাণ হারায়, হাজারের বেশি আহত হয় এবং অনেকে বিজ্ঞ দৃষ্টিশক্তি হারান।

জনসভায় উপস্থিত জুলাই শহীদদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, '১৯৭১ সালে জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। আর ২০২৪ সালের জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়েছে। তাদের আত্মত্যাগ কোনভাবেই অ valoriz হবে না।'

এবারের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, '১২ তারিখের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে, কিন্তু এ ভোটকে অর্থবহ করতে হবে। গত ১৬ বছরে দেশে বড় মাপের প্রকল্প হয়েছে, কিন্তু মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি, এলাকার উন্নয়ন হয়নি। যদি উন্নয়ন হতো, তবে আজ ঢাকা-১৩ আসনের মানুষের সমস্যাগুলি থাকত না।'

তিনি উল্লেখ করেন, 'এই বাস্তবতা প্রমাণ করে যে, গত ১৬ বছরে শুধু দুর্নীতির জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। জনগণের কল্যাণ হয়নি। তাই নির্বাচন মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতির সূচনা করতে হবে।'

তারেক রহমান বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কিছু পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত করেছে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে জনগণের কোনো উপকার হবে না। আসল প্রয়োজন হচ্ছে কর্মসূচি, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন।'

তিনি বলেন, 'বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মানুষের পক্ষে সম্ভব কাজগুলি করা হবে। অসম্ভব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে না। দেশের প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীদের উন্নয়ন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।'

মরহুম বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, 'দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষা প্রসারে বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। আজ দেশের নারীরা শিক্ষিত হয়েছেন। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেয়া হবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি খেটে খাওয়া পরিবারের গৃহিণীর কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলো মাসিক সহায়তা পাবে এবং ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।'

তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, 'যদি পরিবার স্বাবলম্বী হয়, তাহলে গ্রামের, উপজেলার, জেলার এবং রাষ্ট্রের স্বাবলম্বী হবে।'

কৃষি খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। বিএনপি সরকার গঠন করলে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে। এই কার্ড দিয়ে বিনামূল্যে বীজ, সার এবং কীটনাশক সরবরাহ করা হবে। সেইসাথে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদসহ মওকুফের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।'

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, 'বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান একটি বড় সমস্যা। বিএনপি সরকার গঠন করলে তরুণদের জন্য ভোকেশনাল, আইটি ও কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এতে করে তারা দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানে সক্ষম হবে।'

তিনি বলেন, 'বিদেশে যেতে এসে অনেককে জমি-ঘর বিক্রি করতে হয়। বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রশিক্ষিত তরুণদের জন্য স্বল্পসুদে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিতে পারে।'

স্বাস্থ্য খাতে, তারেক রহমান বলেন, 'জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছাতে গোল করে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা ঘরে বসে মা-বাচ্চা এবং অসুস্থ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিবেন।'

আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি বলেন, 'মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে পরিকল্পনার সুফল প্রাপ্তি সম্ভব নয়। বিএনপি সরকার গঠন করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।'

ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'বিএনপি সরকার গঠনের পর খাল পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু হবে। কেউ খাল দখল করে থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

এ সময়, ববি হাজ্জাজের হাতে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক তুলে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, 'ঢাকা-১৩ আসনে ববি হাজ্জাজ নির্বাচিত হলে এই এলাকার দীর্ঘদিনের বাসস্থান সমস্যাও সমাধান হবে। ‘ধানের শীষে’ ভোট দিয়ে ববি হাজ্জাজকে নির্বাচিত করুন।'

তারেক রহমান বলেছেন, 'বিএনপির অন্যতম বড় শক্তি হচ্ছে জনগণ। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তিনি ভোটারদের প্রতি ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।'

তিনি বলেন, 'জুলাই যোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ‘কথা একটাই, কাজ একটাই—সবার আগে বাংলাদেশ।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়নের অভাবে ভূমিদস্যুতা দায়ী: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৭:১১ এম


ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়নের অভাবে ভূমিদস্যুতা দায়ী: নাহিদ ইসলাম

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, ঢাকা-১১ আসনে উন্নয়ন না হওয়ার একমাত্র কারণ হলো ভূমিদস্যুতা। তিনি জানান, এখানে শত শত মানুষকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পূর্বে প্রধান দুটি দলের স্থানীয় নেতারা ভূমি দখল করেছেন। এই আসনের রাজনৈতিক অবস্থা অন্যতম প্রধান সমস্যা। এর ফলে এলাকায় উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূমিদস্যুতা।

তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন, ৫ আগস্টের পূর্বে যারা প্রধান দুই দলের পরিচয়ে ছিলেন, তাদের এখানকার স্থানীয় নেতারাই ৩০ বছর ধরে ভূমি দখল করে আসছেন। নির্বাচিত হলে, তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ঢাকা-১১ আসনে ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেটকে চিরতরে নির্মূল করা হবে।

নাহিদ ইসলাম আজ রোববার ঢাকার মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব বলছিলেন।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।

তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষদের জমি, খাসজমি ও সাধারণ জলাশয় দখল ও ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এর ফলে অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। রাজনীতিতে থাকা ব্যক্তিরাই এসব ভূমিদস্যুদের সহযোগিতা করেছেন।

তিনি বলেন, গত ৩০ বছরের ইতিহাস হল ভূমিদস্যুদের জমি দখলের। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের সামনে ভূমিদস্যু, দখলদার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং ঋণখেলাপিদের মোকাবিলা করার সুযোগ এসেছে, উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম।

উল্লেখ্য, নির্বাচিত হলে এই এলাকার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ, নাগরিক সুবিধার নিশ্চয়তা এবং ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেটের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি এই এলাকার সন্তান এবং জাতীয় পর্যায়ের কোনো বক্তব্য দিতে আসেননি, বরং এলাকার মানুষের জন্য কিছু কথা বলতে চেয়েছেন।

তিনি জানান, তার জন্ম ঢাকার বেরাইদে কোথায় এবং বাড্ডা-রামপুরায় তার শৈশব কেটেছে। ঢাকার এত নিকটে থাকা সত্ত্বেও বাড্ডা-ভাটারা এলাকার মানুষ অবহেলা এবং বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। ভেতরে প্রবেশ করলে মনে হয় এটি কোনো মফস্বলের এলাকা। লোকজন নানা অসুবিধার মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করছেন। তবে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকালে বাড্ডা-রামপুরা প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিল।

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে এলাকার মানুষ প্রতিরোধ করার জন্য অকুণ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন। আবার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা এই অঞ্চলে উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, তিনি জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে বেশ কিছু দিন এই আসনের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। ঢাকা-১১ তার জন্য আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করেছে এবং তার জীবনের ২৮টি বছর এই এলাকা তাকে আশ্রয় দিয়েছে, এখন তিনি ঢাকা-১১ আসনের মানুষের প্রতি তার ঋণ শোধ করতে চান।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-১১ আসনে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের বসবাস, যদিও ভোটার সংখ্যা ৪ দশমিক ৫ লাখ। এত ঘনবসতির মধ্যেও এলাকায় যথেষ্ট নাগরিক সুবিধা, খেলার মাঠ, স্কুল এবং হাসপাতাল নেই।

তিনি বলেন, ভাটারা-বাড্ডার ৭০ শতাংশ মানুষ অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। এই এলাকায় শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৮ থেকে ১০ শতাংশ।

তিনি আরও বলে, এখানে স্বাস্থ্য খাত প্রায় সম্পূর্ণরূপে প্রাইভেট সেক্টরের ওপর নির্ভরশীল। কারণ এখানে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। পুরো এলাকায় মাত্র ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কোনো সরকারি হাইস্কুল নেই। যা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে প্রাইভেট সেক্টরের ওপর নির্ভরশীল করে রেখেছে। যদি তিনি নির্বাচিত হন, তাহলে এলাকার শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ এম


অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬-এর অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। এরই প্রেক্ষিতে, আজ রোববার নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান চরফ্যাশন ও ভোলা পরিদর্শন করেন। এ তথ্য জানানো হয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

পরিদর্শনের সময় নৌবাহিনী প্রধান নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত নৌ কন্টিনজেন্টগুলোর কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রস্তুতির ওপর সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি প্রয়োজনের দিকনির্দেশনাও দেন।

চরফ্যাশন ও ভোলা সফরকালে, প্রধান অাসামরিক প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভাটিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে, নৌবাহিনীর প্রধান আসন্ন নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সাধারণ জনগণের Fear ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে, এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়েও সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ দেন এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলেন।

উপকূল ও দ্বীপ অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনস এলাকায় নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক বোট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনকালীন যেকোনো অপতৎপরতা ও সহিংসতার প্রতিরোধ করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ উদ্দেশ্যে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে এবং নিয়মিত টহল ও ফুট পেট্রোলিংও চলছে।

যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং সোয়াডস টিম সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। দিন শেষে, দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের কাজ করবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই রমজান, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৫:০০
জোহর ১২:১০
আসর ০৪:২৫
মাগরিব ০৬:০৪
ইশা ০৭:১৫
সূর্যোদয় : ০৬:১৫ সূর্যাস্ত : ০৬:০৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%