ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

. বয়সের সঙ্গে আকর্ষণের পরিবর্তন কেন, উঠে এলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


. বয়সের সঙ্গে আকর্ষণের পরিবর্তন কেন, উঠে এলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর মধ্যে একটি হলো ভালোবাসা। বিশেষ করে কৈশোর ও তারুণ্যে এই অনুভূতি সবচেয়ে বেশি তীব্র হয়ে ওঠে। সাধারণত ১২ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে একজন তরুণ বা তরুণীর মধ্যে ভালো লাগা, আকর্ষণ, ভালোবাসা এবং সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছা স্বাভাবিকভাবে দেখা দেয়। এই বয়সে বেশির ভাগ তরুণ-তরুণী প্রেমে পড়ে। একে অপরের প্রতি আবেগ, কল্পনা এবং নতুন অভিজ্ঞতার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। তাই অনেক সময় একজনকে প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে যায়। একে অপরের প্রতি এই ভালো লাগা থেকেই শুরু হয় প্রেমের আদান-প্রদান।

প্রথম দেখায় কাউকে ভালো লাগা মূলত তার চেহারা, হাসি, কথা বলার ধরন, ব্যক্তিত্ব বা আচরণের প্রতি আকর্ষণ থেকে তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে আকর্ষণ বা ইনফ্যাচুয়েশন (Infatuation) বলা হয়। এই অনুভূতি খুব দ্রুত তৈরি হতে পারে। কিন্তু ভালোবাসা জন্ম নিতে সময় লাগে। একজন মানুষের চরিত্র, মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ, সম্মানবোধ এবং একে অপরকে বোঝার ক্ষমতা ধীরে ধীরে জানার মাধ্যমে সেই ভালো লাগা গভীর হয়ে সত্যিকারের ভালোবাসায় রূপ নেয়।

সব প্রথম দেখার ভালো লাগা ভালোবাসায় পরিণত হয় না। কারণ সময়ের সঙ্গে মানুষ একে অপরকে আরও ভালোভাবে চিনতে শেখে। কখনও দেখা যায়, প্রথমে যাকে খুব ভালো লেগেছিল, তার সঙ্গে চিন্তা-ভাবনা বা জীবনযাত্রার মিল নেই। আবার কখনও পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস ও বোঝাপড়া তৈরি হলে সেই ভালো লাগাই দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসায় রূপ নেয়।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বারবার প্রেমে ব্যর্থ হওয়ারও কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে। প্রথমত, আবেগের বশে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। অনেকেই মানুষটিকে ভালোভাবে না জেনেই সম্পর্ক শুরু করে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত প্রত্যাশা। বাস্তব জীবনে প্রত্যেক মানুষেরই সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু অনেক সময় কল্পনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল না থাকায় হতাশা তৈরি হয়। তৃতীয়ত, পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব। সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি এবং যোগাযোগের ঘাটতি সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। চতুর্থত, পরস্পরের প্রতি সম্মান না থাকা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে মূল্য না দেওয়া। এছাড়া পারিবারিক বাধা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অমিল, মানসিক অপরিপক্বতা এবং সামাজিক চাপও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

একটি সফল সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, সততা, সম্মান, ধৈর্য এবং খোলামেলা যোগাযোগ। শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভালোবাসা টিকে থাকে না। সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে উভয় পক্ষের দায়িত্বশীলতা এবং একে অপরকে বোঝার মানসিকতা প্রয়োজন।

পরিশেষে বলা যায়, প্রথম দেখায় কাউকে ভালো লাগা মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি। তবে সেই ভালো লাগা সত্যিকারের ভালোবাসায় পরিণত হবে কি না, তা নির্ভর করে সময়, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং সম্মানের ওপর। একইভাবে বারবার প্রেমে ব্যর্থ হওয়া মানেই জীবনের শেষ নয়। প্রতিটি অভিজ্ঞতা মানুষকে আরও পরিণত করে, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে আরও সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার পথ দেখায়। তাই যে কোনো বয়সে ভালোবাসার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না করে, মানুষকে সময় নিয়ে জানা এবং বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদত্যাগ

ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণ দেখিয়ে ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব মো. তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে তারিক চয়ন পদত্যাগ করেছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে তারিক চয়ন লেখেন, ‘কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন থেকে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে পদত্যাগ করলাম।’

তিনি বলেন, ‘দেড় বছর শহরটিতে সুন্দর সময় কাটিয়েছি। অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি।’

পোস্টে কলকাতায় তার পেশাগত জীবন, অফিস, সহকর্মী ও বন্ধুদের নিয়ে ভবিষ্যতে একটি বই লেখার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।

তিনি লেখেন, ‘পেশাগত জীবন, অফিস, সহকর্মী এবং কলকাতার বন্ধুদের নিয়ে ভবিষ্যতে বই লেখার ইচ্ছে আছে। সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ্ আমাদের সকলের সহায় হোন।’

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর তারিক চয়নকে কলকাতায় বাংলা‌দেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বতী সরকার।

এরপর তার দায়িত্বের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়। গত বছরের ২৬ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে বলা হয়েছিল, পূর্ববর্তী চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এ নতুন নিয়োগ কার্যকর হবে।

কূটনৈতিক মিশনে যোগদানের আগে তারিক সাংবাদিকতা করতেন। তিনি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক কালের কণ্ঠসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে কলাম লিখেও খ্যাতি অর্জন করেন।

কর্মক্ষেত্রে এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি মালয়েশিয়ায় ‘ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, পশ্চিমবঙ্গে ‘মৈত্রী সম্মাননা’ ও ‘সেরা বাঙালি সম্মাননা’ লাভ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. ক্লাসে ছাত্রীদের নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনায় কলেজশিক্ষক, এরপর যা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


. ক্লাসে ছাত্রীদের নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনায় কলেজশিক্ষক, এরপর যা হলো

বরিশাল বিএম কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে একই বিভাগের একদল শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের কাছে ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) এর পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের অধ্যক্ষ তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা তার কাছে এসে অভিযোগ করেছেন যে, তাদের একজন শিক্ষক ছাত্রীদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ আচরণ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দেন অধ্যক্ষের কাছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আনোয়ার হোসেন বিভিন্ন ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বাজে মন্তব্য করেছেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফর নিয়েও ছাত্রীদের সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন ঘটনায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে তারা ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষক আনোয়ার হোসেন কুরুচিপূর্ণ ব্যবহার করা ছাড়াও নোট বিক্রি করেন এবং অর্থের বিনিময়ে ইনকোর্স পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে থাকেন।

তবে অভিযুক্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিভাগে আমার কোনো শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধ নেই। মাস্টার্সের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ২৭৬ জন শিক্ষার্থী আছে। আর একটি হলো নোটিস বোর্ড ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সেখানে এমন কোনো মন্তব্য করিনি, যা কুরুচিপূর্ণ আচরণ হতে পারে। তা ছাড়া শিক্ষার্থীরা যে কমেন্টসের কথা বলছে, তা ছয়-সাত মাস আগের। এটা নিছক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও বিএম কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী জাবের হোসেন বলেন, বিষয়টি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার স্পর্শকাতর বিষয়। তদন্ত ছাড়া এ নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না। তবে তারা এ ঘটনার ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেহাল সড়কে পাঁচ দশক ধরে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


বেহাল সড়কে পাঁচ দশক ধরে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ

স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও নওগাঁর মান্দা উপজেলার কাশোঁপাড়া ইউনিয়নের নিজ কুলিহার থেকে কাঠখৈয়র পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি আজও কাঁচা ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের অভাবে অন্তত ২০টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কজুড়ে অসংখ্য খানাখন্দ ও কাদার স্তূপ। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার বড় অংশ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পানি জমে থাকায় রাস্তা ও পাশের ডোবার পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের অংশেও জমে থাকা কাদা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির কারণে যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফলে পণ্যবাহী যানবাহন, রিকশা ও ভ্যান চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাদা-পানি মাড়িয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়কটি দিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ মান্দা উপজেলা সদর, নওগাঁ জেলা সদর, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় বাজারে যাতায়াত করেন। এছাড়া কৃষকদের উৎপাদিত ধান, চাল ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারজাত করার জন্যও এটি একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই রাস্তার একই অবস্থা। কোনো যানবাহন চলতে পারে না, বৃষ্টি হলে হেঁটেও চলা যায় না। বছরের পর বছর আমরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছি।

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা রহিদুল ইসলাম বলেন, গত ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে রাস্তাটি বেহাল। বর্ষায় ধান-চাল বাজারে নিতে পারি না। জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। আমরা দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানাই।

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বর্ষাকালে স্কুলে আসতে আমাকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মোটরসাইকেল রেখে কাদা-পানি পেরিয়ে হাঁটতে হয়। ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। এজন্য বর্ষায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেক কমে যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রইচ উদ্দিন মণ্ডল জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। জরুরি রোগী হলে অ্যাম্বুলেন্স তো দূরের কথা, অনেক সময় তক্তা বা মাচায় করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়। বিষয়টি একাধিকবার চেয়ারম্যানকে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

কাশোঁপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম বলেন, আমার বাড়ির সামনেই রাস্তাটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি সত্য। তবে ইউনিয়ন পরিষদের এককভাবে কাঁচা রাস্তা পাকা করার ক্ষমতা নেই। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছে। একবার এস্টিমেট ও মাপজোখও হয়েছিল, কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কাজ শুরু হয়নি। এলাকাবাসীর স্বার্থে দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণ জরুরি।

এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী জানান, নিজ কুলিহার থেকে কাঠখৈয়র পর্যন্ত আইডিভুক্ত আড়াই কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বর্ষায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি তার জানা রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা এলজিইডিতে প্রস্তাব পাঠানো হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়কটির পাকাকরণের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. স্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে মাদ্রাসা বোর্ডের নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


. স্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে মাদ্রাসা বোর্ডের নির্দেশনা

 শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবহার-বিধি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে, প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে দেশে সকল মাদ্রাসাকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।

এটি বুধবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ৭ মে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’ অনুমোদন লাভ করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সকল মাদ্রাসায় এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বোর্ডের আওতাধীন সকল স্তরের মাদ্রাসার (দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) অধ্যক্ষ, সুপার, প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের প্রত্যেককে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%