সোমবার, ২ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৩৮ এম
উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিকিৎসকেরা ওষুধের পাশাপাশি সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের ওপর জোর দেন। কারণ, শুধুমাত্র ওষুধ খেলে রক্তচাপের সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য বিশেষজ্ঞরা মেডিটেশন ও যোগাসন করার পরামর্শ দেন।
অনিয়মিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, মানসিক চাপ এবং উদ্বেগের কারণে অসংখ্য মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট যোগাসন নিয়মিত করতে হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কার্যকরী কয়েকটি যোগাসন হলো পশ্চিমোত্তাসন, শবাসন এবং বলাসন। এই যোগাসনগুলো নিয়মিত অনুশীলন করলে উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আসুন, এগুলোর সম্পর্কে জানি-
পশ্চিমোত্তাসন: এই আসন করার জন্য প্রথমে চিত হয়ে শুতে হবে এবং দু’হাত মাথার দু’পাশে উভয়দিকে রাখুন। পা দুটি একসাথে জোড়া করুন। এরপর ধীরে ধীরে উঠে বসে সামনে ঝুঁকে দু’হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল স্পর্শ করুন। কপাল দু’পায়ের সঙ্গে লাগান এবং হাঁটু ভাঁজ না করে পেট ও বুককে উরুর সাথে লাগান। কিছুক্ষণ এই অবস্থায় থাকার পরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।
শবাসন: এটি সবচেয়ে সহজ আসন হলেও মানসিক স্থিরতা অর্জনের প্রয়োজন। চিত হয়ে শুয়ে পা দুটি ছড়িয়ে দিন এবং হাত দু’টি শরীরের পাশে রেখে দিন। হাতের তালু শিথিল করে চোখ বন্ধ করুন। কিছুক্ষণ এভাবে পড়ে থাকার পরে ধীরে ধীরে উঠে বসুন। এটি মন ও মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে।
বলাসন: এটি যোগাভ্যাসের মধ্যে সবচেয়ে আরামদায়ক আসন। ইংরেজিতে একে ‘চাইল্ডস পোজ’ বলা হয়। এই আসন করতে প্রথমে বজ্রাসনে বসুন। হাত দু’টি প্রণাম করার ভঙ্গিতে একসঙ্গে জড়ো করে সামনের দিকে ঝুঁকে বসুন। ধীরে ধীরে শুরু করুন শ্বাস নেয়া ও ছাড়ানো। কিছুক্ষণ এটি অনুশীলন করার পর ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
প্রতি আসন অনুশীলনের পরে ২ মিনিট শবাসনে থাকাটা জরুরি। তাই, আপনি যে আসনই করবেন, প্রশিক্ষণের শেষে অন্তত ২ মিনিট শবাসন করুন। নিয়মিত এই তিনটি আসনের অনুশীলনে আপনার রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার পরে পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগা এই বিষয়ে জানতে পারেন যে, তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের পরিকল্পনা নেই, বরং তারা শুধু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কট করবে। এই সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তাদের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে আগা বলেন, 'আমরা বিশ্বকাপে অংশ নেবো। কিন্তু আমাদের হাতে এর কোনো সুযোগ নেই। সত্যিকার অর্থে, আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান যা নির্দেশ দেবেন, আমাদের সেটাই মেনে চলতে হবে। আমরা সেটা করব।'
এছাড়াও, সালমান আগা উল্লেখ করেন, যদি শাহবাজ শরিফ সরকার তাদের দাবি নিয়ে একদম অনড় থাকে এবং ভারত এর বিরুদ্ধে খেলতে নিষেধ করে, তাহলে তারা এটি মান্য করবে।
ভারত এবং পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মাঝে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই ম্যাচের মাঝেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানায়, 'পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত সঙ্গে খেলা হবে না।' এর অর্থ হলো, পাকিস্তান গ্রুপের অন্য তিন দেশের বিপক্ষেও খেলবে, তবে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না।
পাকিস্তান ঠিক করে ফেলে যে, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপন থেকে সরে দাঁড়ানোর পরও তারা পুরো টুর্নামেন্ট না করে, শুধুমাত্র ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পিসিবি পাকিস্তান সরকারের উপর নির্ভর করেছিল। অবশেষে শাহবাজ শরিফ সরকারের সিদ্ধান্ত হলো, তারা ভারতের বিপক্ষে খেলবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে আসছেন।
তিনি সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় মহেশখালীর নতুনবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রধান অতিথি হয়ে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করবেন। এদিকে, জামায়াতের সমর্থকরা মাঠে আসতে শুরু করেছে এবং চারপাশে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। মাঠের চারপাশে নানা ধরনের ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে।
উপজেলা জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারী আব্দু রহিম জানান, জামায়াতের আমির হেলিকপ্টারযোগে মহেশখালীতে আসবেন। এর পর, তিনি নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে বক্তৃতা করবেন। কক্সবাজার-২ আসনের প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ মহেশখালীর জনগণের দাবি দাওয়া তুলে ধরবেন।
এছাড়া, নির্বাচনী জনসভার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি করা হয়েছে।
মহেশখালীর জনসভা শেষে তিনি কক্সবাজার শহরের মুক্তিযোদ্ধা আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। তার সফরের জন্য জামায়াত ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
মহেশখালী ও কক্সবাজার শহরের জনসভা শেষ হলে তিনি চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার পদুয়ায়ও জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুইজারল্যান্ডের একটি আলপাইন স্কি রিসোর্টে নববর্ষ উদযাপনের সময় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে আহত একজনের মৃত্যু হওয়ার পর নিহতের সংখ্যা ৪১ জনে পৌঁছেছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ বছর বয়সী একটি কিশোরের মৃত্যু ঘটে। ওই কিশোরের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের নাগরিকতা ছিল।
গত ১ জানুয়ারি জনপ্রিয় স্কি রিসোর্ট ক্রঁ-মঁতানার 'লে কঁস্তেলাসিওঁ' নামক বারে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ১১৫ জন আহত হয়, जिनमें অনেকেই এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ওয়ালিস ক্যান্টনের পাবলিক প্রসিকিউটর বিয়াত্রিস পিলু বলেছেন, তদন্ত চলমান থাকায় আপাতত এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের বয়স ১৪ থেকে ৩৯ বছরের মধ্যে, তবে অধিকাংশই কিশোর-কিশোরী। নিহতদের মধ্যে ২৩ জন সুইস এবং ১৮ জন বিদেশি নাগরিক ছিল।
প্রসিকিউটরদের মতে, বারের বেসমেন্ট ছাড়ে সাউন্ড ইনসুলেশন ফোমের খুব কাছাকাছি স্পার্কলার লাগানো শ্যাম্পেন বোতল উঁচু করে ধরার ফলে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। নিরাপত্তা বিধিমালার যথার্থতা এবং বারে মোমবাতি ব্যবহার সম্পর্কিত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গেছে, ২০১৯ সালের পর থেকে ওই বারে কোনো অগ্নি নিরাপত্তা পরিদর্শন হয়নি।
এ ঘটনায় অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড ও শারীরিক ক্ষতির অভিযোগে বারের মালিক ফরাসি দম্পতি জাক ও জেসিকা মোরেত্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলাকালীন জাক মোরেত্তিকে তিন মাসের জন্য প্রাক-বিচার আটক করা হয়, তবে ২৩ জানুয়ারি তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ক্রঁ-মঁতানা পৌরসভার জননিরাপত্তা বিভাগের প্রধান ও একজন সাবেক অগ্নি নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর গুরুতর আহতরা হেলিকপ্টারযোগে সুইজারল্যান্ডসহ ইউরোপের চারটি বিশেষায়িত বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল অফিস ফর সিভিল প্রটেকশন জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত ৪৪ জন রোগী বিদেশে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
একই সময়ে, ওয়ালিস স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। রোগীদের অবস্থা পরিবর্তনশীল হওয়ায় তাঁদের স্থানান্তর করা হচ্ছে এবং কয়েকজন এখনো নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের গাছা এলাকায় পাওনা টাকার বিরোধের জেরে রানী বেগম (৪০) নামে একজন নারী ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ছাত্রদলের সাবেক নেতা আশিক ইসলাম, যিনি স্বপন নামেও পরিচিত (২৭), শনিবার রাতেই পুলিশ দ্বারা গ্রেপ্তার হন।
রাণী বেগম ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার মাইজবাগ গ্রামের মো. হিরোনের স্ত্রী ছিলেন। তিনি গাজীপুর মহানগরের পশ্চিম কলমেশ্বর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এখানেই তিনি ‘রানী ফ্যাশন গ্যালারি’ নামে একটি কাপড়ের দোকান পরিচালনা করতেন।
গ্রেপ্তার হওয়া আশিক ইসলাম কলমেশ্বর থানার নজরুল ইসলামের ছেলে এবং গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের গাছা থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রানী বেগম দীর্ঘদিন ধরেই সুদের ভিত্তিতে টাকার লেনদেন করছিলেন। পাওনা টাকা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মুদি দোকানি নজরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আশিক ইসলামের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। শনিবার সকাল ৮টার দিকে রানী বেগম আশিকের বাবাকে গালাগাল করেন, যা জানার পর আশিক ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে রানী বেগমের ওপর হামলা শুরু করে। রানীকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তার ছেলে হৃদয় মিয়া ও ওসমান হোসেনকেও আশিক ছুরিকাঘাত করে। এই হামলায় রানী বেগম গুরুতর আহত হন এবং তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি মারা যান।
এই হত্যাকাণ্ডের জন্য হৃদয় শনিবার রাতে মামলা করেন। পরে ২টা নাগাদ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভালুকা থেকে আশিককে আটক করে।
গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রোহানুজ্জামান শুক্কুর জানিয়েছেন, ‘‘যদি আশিক অপরাধ করে থাকে, তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করছি। তিনি বর্তমানে আমাদের সংগঠনের কোনও কার্যক্রমে যুক্ত নন।’’
গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, প্রধান আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ