বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৩:৪৮ পি.এম
মার্কিন আগ্রাসনের খবরের মাঝে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সফলভাবে অভিযান সম্পন্ন করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত টহল ও নজরদারি ড্রোন।
এ তথ্য মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এবং তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ সূত্রে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী অঞ্চলে সামরিক কর্মকাণ্ড অনুসরণ করার নিয়মিত এবং আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই ড্রোনটি মোতায়েন করা হয়েছিল।
তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে, ড্রোনটি শাহেদ-১২৯ মডেলের ছিল। মার্কিন গণমাধ্যমে প্রতিনিধিত্বকারী রণতরি 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন'-এর ওপর ইরানি ড্রোনের ভূপাতিত হওয়ার দাবি করা হলেও, তেহরান জানায়, ড্রোনটি তার নির্ধারিত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে কমান্ড সেন্টারে প্রয়োজনীয় ছবি ও ফুটেজ পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। তবে পরে ড্রোনটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি তেহরান স্বীকার করেছে।
এ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণ নিয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, নিজেদের আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং সেনাদের সুরক্ষায় তারা একটি ইরানি ড্রোনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। তারা আরও বর্ণনা করেছে যে, উত্তেজনা বৃদ্ধির কোনো উদ্দেশ্য ওয়াশিংটনের নেই। উল্লেখ্য, এই ঘটনা ঘটে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসনের হুমকি থাকাকালীন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী গত শনিবার একটি সতর্কবার্তায় বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করে, সেটি কেবল ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।
সূত্র: প্রেস টিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি বাংলাদেশের নানা অঞ্চলে ধারাবাহিক ভূমিকম্পের ঘটনার পর অনেক মানুষ আশপাশে হঠাৎ কম্পনের অনুভূতি পাচ্ছেন, যদিও প্রকৃতভাবে কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে “সিসমোফোবিয়া” বা ভূমিকম্পভীতি বলা হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের ক্লিনিক্যাল ফোবিয়া, যেখানে ভূমিকম্প শেষ হলেও জনগণের মধ্যে অতিরিক্ত অযৌক্তিক ভয় ও উদ্বেগ দেখা দেয়।
গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশে পাঁচ দশমিক সাত মাত্রার একটি ভূমিকম্পের পর মাত্র বিশ দিনের মধ্যে অন্তত ছয়টি আফটার শক অনুভূত হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দু’টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়, যার মধ্যে একটি ছিল মাত্র ৫ দশমিক নয় মাত্রার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পরিস্থিতি পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার বা মানসিক ট্রমার ফল। সামান্য শব্দ অথবা পরিবেশের পরিবর্তনও ভয় সৃষ্টি করতে পারে।
সিসমোফোবিয়া কেন হয়? ভূমিকম্পের তীব্র অভিজ্ঞতা মস্তিষ্কের ভয়ের কেন্দ্র ‘অ্যামিগডালা’কে অতিসক্রিয় করে দেয়। এর ফলে সামান্য কম্পন বা শব্দেও শরীর বিপদের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ তানভীর রহমান বলেন, ভূমিকম্পের ট্রমা মস্তিষ্কে স্থায়ী বিপদ সংকেত তৈরি করে, যার ফলে ভবন ধসে পড়ার ভয় মানুষের মধ্যে মৃত্যুর আতঙ্ক জাগিয়ে তোলে।
এর শারীরিক কারণও রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন জানান, কানের ভিতরের এন্ডোলিম্ফ তরলের অস্থিরতা ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, ফলে কম্পনের অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এছাড়াও, মিডিয়ার গ্রাফিকাল কভারেজ মানুষের মধ্যে ভয়ের মাত্রা আরও বাড়িয়ে তোলে।
এটি মোকাবেলার উপায় কি? সিসমোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নিরাময়যোগ্য। মনোবিজ্ঞানীরা কগনিটিভ বিহেভিওরাল থেরাপি এবং এক্সপোজার থেরাপির মাধ্যমে অযৌক্তিক ভয় ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দেন। এছাড়া সেফটি কিট, ভূমিকম্প-ড্রিল এবং প্রস্তুতি বিষয়ক জ্ঞান মানুষকে সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। ভূমিকম্প-প্রবণ দেশের মতো জাপানে যারা অভ্যস্ত, তাদের মধ্যে স্থায়ী ট্রমার প্রভাব কম দেখা যায়। সুতরাং, বাংলাদেশের জন্যও প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা ভয় কমাতে সাহায্য করবে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিসমোফোবিয়া বা ভূমিকম্প ভীতি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রভাব ফেললেও, সচেতনতা, চিকিৎসা এবং অভ্যাসের মাধ্যমে এর ভয় অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে মাত্র ৬ দিন বাকি রয়েছে। এর মধ্যেই পঞ্চগড়-১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) এবং পঞ্চগড়-২ (বোদা ও দেবীগঞ্জ) আসনের নির্বাচনী মাঠে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা সক্রিয় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি সহ প্রচুর দলের প্রার্থীরা তৃণমূল পর্যন্ত গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন, এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা শুনছেন।
পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের 'শাপলা কলি' প্রতীকের প্রার্থী এবং এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম নির্বাচনী এলাকায় জোরদার প্রচারণা করছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণার ১৬তম দিন স্পর্শ করতে গিয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের গণসংযোগের সময় তিনি বলেন, 'শান্তিতে থাকার জন্য এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য জুলুম করা যাবে না।'
ভোটারদের উদ্দেশ্যে সারজিস আলম বলেন, 'গত দেড় বছরে একটি দলের কিছু নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শান্তি এবং ইনসাফের পরিপন্থী অপকর্ম ঘটেছে। আমরা জুলাই অভ্যুত্থানে লড়াই করা সংগ্রামী জনতা। আমরা কি এরকম দু-চারজন চাঁদাবাজের ভয়ে থাকবো? ভয়ের সময় শেষ।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'যারা গত দেড় বছরে মানুষের ওপর জুলুম এবং মামলা-বাণিজ্য করেছে, তারা আমাদের নেতা হতে পারে না। যারা ক্ষমতায় না এলে মানুষকে জুলুম করে চলে, তারা ক্ষমতায় এলে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখবে না।' তিনি সেইসব ব্যক্তিদের বয়কট করার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, একই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরও প্রতিনিয়ত প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি গ্রামে-গ্রামে মানুষের সমস্যা শুনছেন এবং গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও বিভিন্ন পথসভায় অংশগ্রহণ করছেন।
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির নতুন বাংলাদেশ গঠনে ধান কিনতে ভোট দিয়ে সবাইকে একত্রিত থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি বঙ্গভবন ও ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে 'প্যাকেজ প্রোগ্রাম' এর মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা কমানোর জন্য সাইবার হামলা শুরু করেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় ট্রাকস্ট্যান্ড মাঠে জেলা ও মহানগর জামায়াতের আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই কথা বলেন।
বিএনপির প্রতি কঠোর সমালোচনা জানিয়ে তিনি বলেন, 'বিএনপি জামায়াতের নেতৃত্ব, সংগঠনের মর্যাদা এবং ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য সাইবার আক্রমণ চালাচ্ছে। তারা মিথ্যা অপপ্রচার করে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্যভাবে বিকৃত করছে। আমাদের আমির জীবনে কখনও এমন কথা বলেননি, অথচ তারা প্রযুক্তির মাধ্যমে ভ্রান্ত তথ্য ছড়াচ্ছে।'
মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপির 'ভিসা কার্ড' এবং 'ফ্যামিলি কার্ড' কে 'ভুয়া' উল্লেখ করে মন্তব্য করেন, 'এ বিষয়ে ভুয়া বলারও একটা সীমা আছে। দেশে ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে, অথচ তারা দাবি করছেন ৫০ কোটি কার্ড দিবেন। তারা ভুলে যাচ্ছেন যে, এর আগে আপনারা ক্ষমতায় এসে বেকার ভাতা দেবার কথা বলেছিলেন। সেখান থেকে আর কোনো ফল পাওয়া যায়নি। বিএনপির এই প্রতিশ্রুতি শেখ হাসিনার ১০ টাকা দারুচিনি খাওয়ানোর আশ্বাসের মতো।'
দেশকে দুষ্প্রবৃত্তিমুক্ত করার অঙ্গীকার জানিয়ে তিনি বলেন, 'নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের যাত্রা হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম। ইনশাআল্লাহ, আমরা এই দেশের অর্থনীতিকে দুর্নীতিমুক্ত করব, যা হবে আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। রাষ্ট্রের সকল খাত থেকে যত দুর্নীতি ও জঞ্জাল আছে, সবকিছু আমরা নির্মূল করে দেব।'
এই সভায় তিনি আগামী নির্বাচনে দেশের জামায়াতের প্রার্থী ও সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচনে বিজয়ী করতে সবার সমর্থন কামনা করেন।
নির্বাচনী জনসভার সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জব्बার। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈন উদ্দিন আহমদসহ জেলার পাঁচটি আসনের জামায়াতের একক প্রার্থী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিনেসোটা রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের জন্য বডি ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। দুই নাগরিকের মৃত্যুর পর তীব্র আন্দোলনের আবহে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, অভিবাসীবিরোধী অভিযান নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ চলছেই।
দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা গ্রহণের পর, ট্রাম্প অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেন। বর্তমানে দেশটিতে অভিবাসীদের গণ-নির্বাসন কার্যক্রম চলমান, যা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) নামক বিতর্কিত সরকারী বাহিনীর তত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
গত বছরের শুরুতে মিনেসোটার প্রধান শহরগুলোর মধ্যে মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পলসহ বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী অভিযানের মাধ্যমে আইসিই কর্মকর্তারা ধরপাকড় শুরু করেন। এক বছরের মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী আটক করার কথা জানিয়েছে আইসিই।
তবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে প্রতিক্রিয়া হিসাবে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, যার ফলে ট্রাম্প প্রশাসন রিপাবলিকান দলের মধ্যেও সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে।
বর্তমানে, জনসাধারণের অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে মিনেসোবেকে অভিবাসীবিরোধী অভিযানের তাত্ক্ষণিক হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এখন ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের জন্য বডি ক্যামেরা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, মিনিয়াপোলিসে মোতায়েন করা ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের জন্য এই বডি ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে।
শিগগিরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বডি ক্যামেরা প্রোগ্রাম ধাপে ধাপে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রী।
এদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিবাসীবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। সোমবার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে, একই দিন মিনিয়াপোলিসের স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তার দাবিতে রাস্তায় অবরোধ করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ