০৮:১০ পি.এম
পাট, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে বর্তমানে জ্বালানি খাতের সংকটের মূল কারণ হলো বিগত ১৭ বছরে সরকারের চরম অব্যবস্থাপনা। এই অবস্থায় সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা।
বুধবার (৫ আগস্ট) সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভা এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
বাংলাদেশের আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর অধিক নির্ভরতা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। নতুন বিনিয়োগ আনতে এই প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে। এই সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার কিছুটা ব্যাহত হওয়া সম্ভব হলেও সার্বিক স্বার্থে তা মেনে নেওয়ার জন্য তিনি দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু
উন্নয়নকে একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা হিসাবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তারুণ্যের শক্তি যেন সামাজিক শক্তি হিসেবে টেকে এবং কোনওভাবেই যেন এটি বিনষ্ট না হয়। কারণ এটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনের কাঙ্খিত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার তরুণদের এই শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাবে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী জুলাই যোদ্ধারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অবমূল্যায়িত হওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করেন। জুলাই যোদ্ধা লিটন আহমদ পর্যাপ্ত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জুলাইয়ের মামলাগুলোর দ্রুত অগ্রগতির দাবি জানান।
এ সময় শহীদ পাভেলের বাবা মন্ত্রীকে গোলাপগঞ্জের সাত শহীদের কবর জিয়ারতের অনুরোধ জানান। এছাড়াও শহীদ সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের ভাই জাবুর আহমদ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন।
সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক বলেন,জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। জুলাই যোদ্ধারা জাতির গর্বিত সন্তান, তাদের কোনোভাবেই অবমূল্যায়ন করা যাবে না।
আরও পড়ুন: দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে ১৪টি শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন