১২:১০ পি.এম
গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার জন্য সরাসরি আলোচনা টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস অংশগ্রহণ করছে। কায়রোতে গোপন বৈঠকে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ, মানবিক সহায়তা, এবং ইসরাইলের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রশ্ন উঠে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ নতুন কূটনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মিশরের রাজধানী কায়রোতে প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস। সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে ছিলেন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আরিয়ে লাইটস্টোন, এবং হামাসের পক্ষ থেকে প্রধান আলোচক ছিলেন খলিল আল-হাইয়া।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কিছু না জানালেও, বিশ্লেষকরা এই বৈঠকটিকে গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
আরও পড়ুন: দুর্গম দ্বীপে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে চিকিৎসকদের আকাশ থেকে ঝাঁপ
বৈঠকের মূল আলোচনায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ উঠে আসে। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ করার জন্য, মানবিক সহায়তা প্রবেশ করার নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি অবরোধ শিথিলের দাবিতে জোর দেন আল-হাইয়া। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, শর্ত পূরণ না হলে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, ইসরাইল প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে সম্মত হলেও, তার জন্য হামাসের অস্ত্র ত্যাগের প্রতিশ্রুতি চাইছে। তবে হামাস এই প্রস্তাবটিকে ‘অসম ভারসাম্যপূর্ণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে এবং নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার নিশ্চয়তা দিতে দাবি তুলেছে গোষ্ঠীটি।
গেল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধ হয়নি। গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির চুক্তির পরও দখলদারদের হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে, ভবিষ্যতে গাজা শাসন, নিরাপত্তা কাঠামো, এবং আন্তর্জাতিক বাহিনীর মোতায়েনসহ বিভিন্ন প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন