ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

দেশজুড়েই ভয়ং-কর হয়ে উঠছে মৌসুমি জ্বরের প্রকোপ


দেশজুড়েই ভয়ং-কর হয়ে উঠছে মৌসুমি জ্বরের প্রকোপ

দেশজুড়ে বাড়ছে মৌসুমি জ্বরের প্রকোপ। এই প্রকোপ দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। অনেক রোগীর জ্বর স্থায়ী হচ্ছে ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। ডেঙ্গুর এনএস১, আইজিআম কিংবা টাইফয়েড পরীক্ষায় রোগ ধরা না পড়লেও রোগীরা দুর্বলতা, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বমি, ডায়রিয়া এবং রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ডেঙ্গু ও টাইফয়েডের বাইরে অন্য কোনো সংক্রামক রোগ, বিশেষ করে ম্যালেরিয়া বা অন্যান্য ভাইরাসজনিত জ্বর ছড়িয়ে পড়ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু অনেক রোগীর ডেঙ্গু ও টাইফয়েড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও দীর্ঘদিন ধরে জ্বর কমছে না। বরং কেউ কেউ নিউমোনিয়া, রক্তে সংক্রমণ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। এমনকি কয়েকটি ক্ষেত্রে সাধারণ জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ ১৩টি জেলায় প্রধানত ম্যালেরিয়া বেশি দেখা যায়। যদিও দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে মানুষের চলাচল বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরন বদল এবং মশার বিস্তারের কারণে ম্যালেরিয়ার বিস্তার ঘাঁর আশঙ্কা থাকে। বর্তমানে দেশে ম্যালেরিয়া শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে মূলত র‌্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট (আরডিটি) ব্যবহার করা হয়। প্রয়োজন হলে রক্তের স্লাইড প্রস্তুত করে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে পরজীবী শনাক্ত করার ব্যবস্থাও রয়েছে। যদিও দেশে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলকভাবে কমে যাওয়ায় অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাইক্রোস্কোপভিত্তিক দক্ষতা ও অবকাঠামোর ব্যবহারও কমে এসেছে। আরডিটি পরীক্ষাগুলো প্রধানত প্লাজমোডিয়াম ফালসিপারাম ও প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স শনাক্ত করার জন্য তৈরি। কারণ দেশে ম্যালেরিয়ার অধিকাংশ সংক্রমণ ওই দুই প্রজাতির মাধ্যমেই ঘটে। অতীতে প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরিয়া ও প্লাজমোডিয়াম ওভালে এর সংক্রমণও পাওয়া গেছে। তবে সংখ্যা কম হওয়ায় সেগুলো খুব একটা নিয়মিত পরীক্ষার আওতায় আসিনি।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের কয়েকটি বেসরকারি ব্লাডব্যাংকে সমপ্রতি রক্তদাতা স্ক্রিনিংয়ের সময় ম্যালেরিয়া পজিটিভ দাতা শনাক্ত হয়েছে। অথচ তাদের কারোর মধ্যেই রোগের দৃশ্যমান উপসর্গ ছিল না। অর্থাৎ উপসর্গবিহীন সংক্রমণ এখনো সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। নীরবে বিদ্যমান থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ম্যালেরিয়ার বড় আকারের প্রাদুর্ভাব না থাকার কারণে চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই অন্য রোগের দিকে চলে গেছে বেশি।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

সূত্র আরো জানায়, জ্বরকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। জ্বরের রোগীকে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং বিশ্রামে থাকতে হবে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক অথবা অন্যান্য ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে বা কোনো বিপৎসংকেত (শ্বাসকষ্ট, তন্দ্রাচ্ছন্নতা, খিঁচুনি, খেতে না পারা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, গায়ে দানা) দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি। বর্তমানে দেশের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সীমান্তবর্তী এলাকায় এখনো রয়েছে ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি। জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি, ঘাম হওয়া, দুর্বলতা বা ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে ম্যালেরিয়ার কথাও বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। ম্যালেরিয়া সন্দেহ হলে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ দেরি হলে তা গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মা শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক ডা. মিশু তালুকদার জানান, সব জ্বর ডেঙ্গু বা টাইফয়েডের কারণে হয় না। বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ, ম্যালেরিয়া, স্ক্রাব টাইফাস, রিকেটশিয়াল ফিভার, লেপ্টোস্পাইরোসিস, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস কিংবা রক্তে সংক্রমণ (সেপসিস) থেকেও গুরুতর জ্বর হতে পারে। অনেক সময় রোগের শুরুতে কিছু পরীক্ষার ফল নেগেটিভও আসতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, অচেতনতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া অথবা প্রস্রাব কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১,২০০ কোটি টাকা লোকসানের মুখে ‘সুপারগার্ল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ এম


১,২০০ কোটি টাকা লোকসানের মুখে ‘সুপারগার্ল’

বক্স অফিসে বেহাল দশায় রয়েছে ডিসি কমিকস ও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের নতুন সিনেমা ‘সুপারগার্ল’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে ছবিটির আয় হয়েছে মাত্র ৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘সুপারগার্ল’-এর আয়ের হারও কমছে এবং লোকসানের ঝুঁকি ক্রমশ বেড়ে চলছে। ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছবিটি ১০০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলারের লোকসান গুনতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি।

লোকসানের এই ঝুঁকির কারণ হিসেবে ছবির দুর্বল চিত্রনাট্য ও পরিচালনা একদিকে দায়ী, অপরদিকে এর অঢেল বাজেটকেও উল্লেখ করা হচ্ছে। প্রায় ১৭ কোটি ডলারের নির্মাণ ব্যয় এবং ১২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থের প্রচারণার সঙ্গে মিলিয়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারের লগ্নি হয়েছে। যা ফিরিয়ে আনা ‘সুপারগার্ল’-এর পক্ষে প্রায় অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। এদিকে আগামী সপ্তাহে মুক্তি পাচ্ছে ইউনিভার্সাল পিকচার্সের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড ফ্র্যাঞ্চাইজির ছবি ‘মিনিয়নস অ্যান্ড মনস্টারস’। আরও জুলাই মাসেই রয়েছে ডিজনির লাইভ অ্যাকশন ছবি ‘মোয়ানা’, ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ এবং সনি পিকচার্সের ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র মতো বড় বড় ছবির মুক্তি। এই পরিস্থিতিতে ‘সুপারগার্ল’-এর উন্নতির কোন সম্ভাবনা নেই।

বক্স অফিস বিশ্লেষক জেফ বক বলেছেন, “ডিসি ও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের জন্য এটি শুরু থেকেই একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ ‘সুপারগার্ল’ এমন কোন চরিত্র নয়, যা নিয়ে আগে কখনো ‘ইভেন্ট-লেভেলের’ ব্লকবাস্টার তৈরি হয়েছে। দর্শকদের মধ্যে ‘সুপারগার্ল’ নিয়ে ইতিবাচক ধারণাও ছিল না। শেষ পর্যন্ত সমস্যা একটাই হল- ছবিটি এতটা ভালো হয়নি, যা এটিকে একটি বড় সিনেমাটিক ইভেন্টে পরিণত করতে পারবে।” বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে, ‘সুপারগার্ল’ ছবির উত্তর আমেরিকায় মোট আয় ১০ কোটি ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ২০ থেকে ২১ কোটি ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে লোকসানের অঙ্কটি হতে পারে ১০ থেকে ১২ কোটি ডলার। ক্রেইগ গিলেস্পির পরিচালিত ছবিটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। এছাড়া আরও অভিনয় করেছেন ম্যাথিয়াস স্কোনার্টস, ইভ রাইডলি, ডেভিড করেন্সওয়েট, জেসন মমোয়া প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ এম


গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের বিদ্যমান লোডশেডিং নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে, গাজীপুর পল্লী বিদ্যৎ সমিতি-২ বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাধারণ গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্য্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ সরবরাহে কর্তৃপক্ষের দাপ্তরিক দায়বদ্ধতা ও সীমাবদ্ধতার বিষয়টি ভেবে এ বিষয়ে সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দের অবগতির জন্য নিম্নোক্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানান, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মূলত তিনটি ধাপে পরিচালিত হয়- বিদ্যুৎ উৎপাদন (Generation), সঞ্চালন (Transmission) এবং বিতরণ (Distribution)। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কেবলমাত্র বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।

এরউপরে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের উপর অত্র গাজীপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর কোনো কর্তৃত্ব বা নিয়ন্ত্রণ নাই। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (PGB)-এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিলে ন্যাশনাল লোড ডেসপাচ সেন্টার (NLDC) দেশের বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় নির্ধারণ করেন। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সেই বরাদ্দ অনুযায়ী বিদ্যুৎ প্রাপ্ত হয়ে বিতরণ করতে আইনগতভাবে বাধ্য। অতএব, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি বা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে গেলে বরাদ্দ অনুযায়ী সাময়িক লোডশেডিং কার্যকর করা ছাড়া অত্র কার্যালয়ের কোনো বিকল্প থাকে না। উল্লেখ্য, এ লোডশেডিং কোনো নির্দিষ্ট এলাকা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈষম্যমূলক নয়; বরং এটি জাতীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ন্যায্যতা নিশ্চিত করে পরিচালিত হয়। কাপাসিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় ০৪টি ৩৩ কেভি ফিডারের মাধ্যমে ০৫টি উপকেন্দ্র দ্বারা, যে ব্যবস্থার সর্বোচ্চ চাহিদা ৪৪ মেগাওয়াট। গত ২৫/০৬/২০২৬ তারিখে সর্বোচ্চ লোডশেড করা হয় ২০ মেগাওয়াট, যা শতকরা হার ৪৫.৪৫% (সময়-১৪.০০)। তবে ২৯/০৬/২০২৬ তারিখ থেকে লোডশেড সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। ০১/০৬/২০২৬ তারিখে লোডশেডের পরিমান ছিল ৪.০০ মেগাওয়াট, যার শতকরা হার ৯.০৯% (সময়-১৪:০০)।

যেহেতু প্রতি ঘন্টায় বরাদ্দ একই থাকে বা পরিবর্তন হয়, সেহেতু প্রতি ঘন্টায় লোডশেডও একই থাকবে বা পরিবর্তিত হবে। সম্প্রতি কাপাসিয়া উপজেলায় লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করেছিল। তাই এ বিষয়ে সম্মানিত সকলকে বিনীতভাবে অবহিত করা যাচ্ছে যে, লোডশেডিং সম্পূর্ণভাবে জাতীয় গ্রিড হতে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এককভাবে লোডশেডিং প্রত্যাহার বা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ক্ষমতা রাখে না। তবে, জাতীয় গ্রিড হতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই কাপাসিয়া সহ গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন সকল এলাকায় তা দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরবরাহ করা হয়। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সম্মানিত গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে এবং সহযোগিতা ও ধৈর্য্য ধারণ করার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। সেই সাথে বিভ্রান্তিকর বা ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কাপাসিয়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় মূলত: রাজেন্দ্রপুর ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র হতে। কাপাসিয়ায় স্থাপিত উপকেন্দ্র সমূহের জন্য যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ তা কখনোই অন্য কোথাও সরবরাহ করা হয় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২১ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ এম


যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২১ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায়, বুধবার (১ জুলাই) বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যাত্রবাড়ী থানা পুলিশ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে— ১। মোঃ রনি (৩৮) ২। নুরুল হাকিম (৪০) ৩। মোঃ সিরাজ মিয়া (৫৭) ৪। মোঃ সুজন (২৬) ৫। মোঃ মিঠু (২৮) ৬। মোঃ ইমরান হোসেন ৭। জসীম উদ্দীন (৩২) ৮। মোঃ জুয়েল হোসেন ভাসান ৯। মোঃ মিলন (৩২) ১০। মোঃ রাহাত (২৪) ১১। মামুন (৩৫) ১২। রাকিবুল হাসান শান্ত (১৯) ১৩। মোঃ সুজন মোল্লা ওরফে বাবু মোল্লা (২২) ১৪। মোঃ সাব্বির হোসেন জয় হিমেল (২৬) ১৫। সজীব (২২) ১৬। মোঃ ইবনে দিদার (২১) ১৭। মোঃ আসাদ আল ফাহাদ (১৯) ১৮। মোঃ রিফাত জামান (২১) ১৯। মোঃ রানা মিয়া (৩০) ২০। সাইফুল (২৭) এবং ২১। লাল মিয়া (৬০)।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ০৫ জনকে নিয়মিত মামলায়, ০৩ জনকে পরোয়ানা মূলে এবং ১৩ জনকে ডিএমপি অধ্যাদেশ মোতাবেক গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৪৮ বছর পর প্রতিশোধ, শেষ ষোলোয় স্পেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ এম


অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৪৮ বছর পর প্রতিশোধ, শেষ ষোলোয় স্পেন

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৪৮ বছর আগে বিশ্বকাপের যে হারের স্বাদ স্পেনের ছিল, তা এই ম্যাচে প্রতিশোধ নিলো তারা। লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা দাপুটে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বড় জয় অর্জন করে শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাতে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ৩-০ গোলে বিজয়ী হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের আধিপত্য ছিল সুস্পষ্ট। তারা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্লাগারের দৃঢ়তা ও গোলপোস্টের বাধায় প্রথমার্ধে একাধিক গোল বাঁধা পড়ে।

মার্ক কুকুরেয়া একবার জোরালো শটে বল জালে পাঠালেও, স্পেনের একজন খেলোয়াড়ের কারণে গোল বাতিল হয়ে যায়। কারণ, কর্নার থেকে বল আসার সময় আলেকজান্ডার শ্লাগারের ওপর ফাউল করেছিলেন।

তবে, গোল বাতিল হলেও স্প্যানিশ আক্রমণ বন্ধ হয়নি। একের পর এক সুযোগ তৈরি করে, স্পেন ৩৬তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়। মার্ক কুকুরেয়ার বাড়ানো পাস ঠান্ডা মাথায় নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। এ গোলের মাধ্যমে স্পেন প্রথমার্ধে লিড নিয়ে বিরতিতে চলে যায়।

বিরতির পরেও দলের দাপট রক্ষা করে স্পেন। ৬৬তম মিনিটে আলেক্স বায়েনার নিখুঁত ক্রসে দুর্দান্ত হেডে ২-০ করেন পেদ্রো পোরো।

যদিও স্পেন আরও সুযোগ হাতছাড়া করতে পারে, তবুও ৮৯তম মিনিটে আবারও রাঙিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। মার্ক কুকুরেয়ারের পাস পেয়ে আনমার্ক অবস্থায় বল জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। একই সঙ্গে, বিশ্বকাপে ওইয়ারসাবালের এটি চতুর্থ গোল। এবার স্পেন ২০১০ সালের পর প্রথম নকআউট ম্যাচে বিজয়ী হলো।

অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে স্পেনের জয় বেড়ে দাঁড়াল ১০টিতে। ১৭ ম্যাচে অস্ট্রিয়ার কাছে ৪ ম্যাচে জয়ের সঙ্গী, ৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। ১৯৭৮ সালে বিশ্বকাপে প্রথম সাক্ষাতে অস্ট্রিয়া ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল। ৪৮ বছর পর দ্বিতীয় দেখায় সেই ক্ষত এবার মুছে নিলো স্পেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৬
জোহর ১১:৫৭
আসর ০৪:২৩
মাগরিব ০৬:০৯
ইশা ০৭:২০
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%