বুধবার, ৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
০২:১৬ এম
মায়ানমার সীমান্তে, ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্পের ফলে দেশ কেঁপে উঠেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এরপর মাত্র ১৭ মিনিট পর রাত ৯টা ৫১ মিনিটে একটি নতুন ভূমিকম্প আসে, যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ৬৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে। যদিও কম্পনের উৎস মায়ানমার সীমান্ত এলাকায় ছিল, তবে এর প্রভাব দেশের বিস্তৃত অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে।
এর আগে একই দিনে, ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে একটি হালকা ভূমিকম্প দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন তৈরী করে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, এই ভূকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল দক্ষিণ-পশ্চিমের সাতক্ষীরা জেলার প্রান্ত। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
গত বছরের ২১ নভেম্বর ভোরে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ঢাকা এবং এর আশপাশের এলাকায় একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ওই ঘটনাটির পরবর্তী ৩২ ঘণ্টার মধ্যে আরও তিনবার মৃদু কম্পন দেখা দেয়, যা নতুন শঙ্কার সৃষ্টি করে। বিশেষত এই কম্পনগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার আশপাশ।
বিশেষজ্ঞদের মত, বাংলাদেশ আর শুধু প্রতিবেশী দেশগুলো ভারত বা মিয়ানমারের ভূমিকম্পের প্রভাবে কাঁপছে না, বরং দেশটির অভ্যন্তরীণ ফল্ট লাইনগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠছে। নরসিংদী মাধবদী, সাভারের বাইপাইল এবং রাজধানীর বাড্ডা অঞ্চলে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক কম্পনের পেছনে এই কারণ থাকতে পারে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পটি ইন্ট্রাপ্লেট ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা টেকটোনিক প্লেটের সীমানার বাইরে থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, বাংলাদেশে সংঘটিত অনেক বড় ভূমিকম্পের উৎস অন্তর্ভুক্ত ছিল দেশের বাইরে। যদিও ইতিহাস সাক্ষী যে, বাংলাদেশে দেশীয় ভূমিকম্পও ঘটেছে।
যেমন ১৬৪২ সালে সিলেট ভূমিকম্পে ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং ১৭৬২ সালে চট্টগ্রাম আরাকান ভূমিকম্পে ঢাকায় প্রায় ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ১৮৮৫ সালের ৭ মাত্রার বেঙ্গল ভূমিকম্প এবং ১৯১৮ সালের ৭ দশমিক ৬ মাত্রার শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্পে একাধিক জেলায় ব্যাপক ক্ষতি ঘটেছে।
ভূতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলাদেশ তিনটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে রয়েছে। ভারতীয় প্লেট, ইউরেশীয় প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেটের চাপের কারণে এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ। জিপিএস পরিমাপ অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন ফল্ট লাইন প্রতি বছর কয়েক মিলিমিটার করে সরে যাচ্ছে, যার ফলে ভূ অভ্যন্তরে শক্তি জমা হচ্ছে।
বিশেষভাবে ডাউকি ফল্ট ক্ষেত্রে সিলেট বিভাগ এবং মধুপুর ফল্ট এলাকায় ঢাকা ও টাঙ্গাইল সহ চট্টগ্রাম মিয়ানমার প্লেট সীমানা সংলগ্ন অঞ্চলগুলো বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ফল্ট লাইনের নড়াচড়া মাঝে মধ্যে অগভীর ভূমিকম্প সৃষ্টি করে, যা নরম পলিমাটির কারণে অনেক বেশি তীব্রভাবে অনুভূত হয়।
ঢাকার মাটির গঠন এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে। গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র মেঘনা অববাহিকার নরম পলিমাটির জন্য ভূমিকম্পের তরঙ্গ ধীর হলেও তা শক্তিশালী হয়ে ওঠে, এই প্রক্রিয়াকে সাইট অ্যামপ্লিফিকেশন বলা হয়। ফলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পও রাজধানীতে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে ঢাকার কিছু এলাকায় মাটি দুর্বল হয়ে পড়ছে। এতে লিকুইফ্যাকশন ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে ভূমিকম্পের সময়ে মাটি তরলের মতো আচরণ করে।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান রুবাইয়াত কবির বলেন, বাংলাদেশ ভারতীয় প্লেটের ওপর অবস্থিত হওয়ায় এখানে ভূমিকম্প হওয়া স্বাভাবিক। যদিও খুব ঘন ঘন এমন ঘটনা ঘটে না, তবে ভবিষ্যতে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বিশেষজ্ঞ মোহন কুমার দাস বলেন, দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের জন্য পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে এবং ভূমিকম্পের সময় কি করা উচিত সে ব্যাপারে জনসচেতনতা নেই, এটি বড় একটি সমস্যা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে তৈরি হওয়া ছয়টি ভোটের সিল সহ সোহেল রানা নামের একজন প্রেস মালিককে আটক করেছে পুলিশ। এই অভিযানের সময় সিলগুলোর পাশাপাশি একটি মোবাইলফোন এবং একটি কম্পিউটারও জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের 'মারইয়াম প্রেস' নামে পরিচিত দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়।
সোহেল রানা, যিনি ওই প্রেসের মালিক এবং সদর উপজেলার টুমচর এলাকার বাসিন্দা, কর্মকর্তাদের কাছে জানিয়েছে যে, তিনি অর্ডার পেয়ে সিলগুলো তৈরি করেছেন। কিন্তু যিনি অর্ডার দিয়েছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেননি।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অবৈধভাবে ভোটের সিল প্রস্তুতের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে গিয়ে মারইয়াম প্রেসে কর্মরত অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। ওই সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে আসেন। তার নির্দেশে সিলগুলো, মোবাইলফোন এবং কম্পিউটার জব্দ করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, যেকোনো অবস্থাতেই এই প্রেসে ভোটের সিল তৈরি করা উচিৎ নয়। এটি একেবারেই অবৈধ কাজ। আটক সোহেল রানার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দাখিল করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আরব সাগর অঞ্চলে মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীর দিকে আসা একটি ইরানি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ খবর নিশ্চিত করেছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ওই কর্মকর্তা জানান যে, শাহেদ-১৩৯ নামের ইরানি ড্রোনটি রণতরীর দিকে উড়ে যাচ্ছিল। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান সেটিকে গুলি করে ফেলে।
ইরান উপকূলের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বাড়তি জটিলতার মধ্যে এবং আগামী শুক্রবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে যৌথভাবে টহল পরিচালনা করেন নৌবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব এবং উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা চত্বর থেকে টহল কার্যক্রম শুরু করে পৌরসভা, সদর ও সাবরাং ইউনিয়নের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। টহলে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিব হাসান চৌধুরী, নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ কর্মকর্তাগণ।
টেকনাফের নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট জানিয়েছে, আগামী নির্বাচনে ভোটাররা যাতে নিরাপদ, শান্ত এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, এই লক্ষ্যেই অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় তারা দায়িত্ব পালন করছে। একই সাথে জনগণের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রেরণামূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, যেন ভোটাররা ভোট প্রদানে উৎসাহী হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিব হাসান চৌধুরী বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট সুষ্ঠু করার জন্য এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যৌথ টহল নিয়মিত পরিচালিত হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপরাধী কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে, সেজন্য যৌথ বাহিনী সবার আগে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এর আগে নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে টেকনাফে নৌবাহিনী ফুট প্যাট্রলিং এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে বিজিবি নাফ নদে নৌ টহল ও অন্যান্য কার্যক্রমও চালাচ্ছে।
যৌথ বাহিনীর টহল বাড়ানোর কারণে সাধারণ ভোটাররা সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। সাবরাং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার মোহাম্মদ ফাহাদ মন্তব্য করেন, "আমি ভেবেছিলাম শেষ দুটি জাতীয় নির্বাচনের মতো ভোট হবে ঢিলেঢালা। কিন্তু ভোটের পূর্বে যৌথ বাহিনীর তৎপরতাকে দেখে মনে হচ্ছে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় শিক্ষা সফরের সময় এক ১৬ বছরের স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘটেছে।
নিখোঁজ শিক্ষার্থী আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং মায়ানী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
সূত্র জানায়, গত রবিবার রাতে মিরসরাই আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭৫ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী মিলিয়ে তিনটি বাসে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সোমবার বেলা ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের বাসে উঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনটি বাসে শিক্ষার্থীরা উঠার পর দেখা যায় ৪–৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছেন। পরে তাদের খুঁজে এনে বাসে ফিরিয়ে আনা হয়, কিন্তু সবশেষে ওই শিক্ষার্থীটির অভাব দেখা যায়। শিক্ষকরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপর বিষয়টি টুরিস্ট পুলিশকে জানানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। সর্বশেষ অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষার্থী ছাড়া শিক্ষা সফরের দলটি মিরসরাইয়ে ফিরে আসে।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীর পিতা জানান, "আমরা অশিক্ষিত মানুষ। স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার মেয়েকে কক্সবাজারে নিয়ে গেছে। এত দূরের সফরে এত শিক্ষার্থী নিয়ে গেলেও প্রধান শিক্ষক যাননি। এখন পর্যন্ত আমার মেয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই সহকারী শিক্ষক রতন বাবু ফেরার সময় পথিমধ্যে নেমে যান। এতগুলো ছেলেমেয়ে রেখে কেন? পরে একজন শিক্ষক ফোন করে জানান, আমার মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বলেছি, আপনারা দায়িত্ব নিয়ে আমার মেয়েকে নিয়ে গেছেন। তাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। আমি কি সেখানে গিয়ে মেয়েকে খুঁজে আনতে পারব? এই দায়িত্বহীন কাজ কেন করেছেন?"
এই বিষয়ে শিক্ষা সফরের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রধান শিক্ষক রতন জানান, তিনি ফোনে বিষয়টি জানার চেষ্টা করলে দায় এড়িয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মর্জিনা আক্তার বলেন, "কক্সবাজার থেকে শিক্ষা সফর শেষে ফেরার সময় রোল ডেকে একজন শিক্ষার্থীকে মিসিং পাওয়া যায়। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয় কিন্তু না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানাই। এরপর আমরা কক্সবাজার সদর থানায় মিসিং ডায়েরি করি।"
পিকনিকে যাওয়া শিক্ষার্থীদের কথা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক জানান, "গাড়ি ছাড়ার কিছুক্ষণ আগে শিক্ষার্থীকে গাড়িতে কাপড় পরিবর্তন করতে দেখা যায়। এর আগে তাকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। সেই যুবক দাবি করেন তিনি তার আপন ভাই।"
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস হোসেন জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং বলেন, "যেহেতু আমি আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানলাম, খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ